টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে প্রথমার্ধটা যেমন নাটকীয়, তেমনই হতাশার জার্মানির জন্য। বল দখলে স্পষ্ট আধিপত্য (৬২%) দেখিয়েও বিরতিতে পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়লো চারবারের চ্যাম্পিয়নরা।
জার্মানির হতাশার শুরু ২৩ মিনিটে। আলেক্সান্দার পাভলোভিচ হেডে বল জালে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু লম্বা ভিএআর পরীক্ষার পর গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানার ওপর ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। তার আগে কাই হাভার্টজের একটি হেডারও দারুণ সেভে রুখে দেন ফোফানা।
এরপরেই আসে পাল্টা আঘাত। ৩০ মিনিটে ইয়ান দিওমান্দের নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে অধিনায়ক ফ্র্যাঙ্ক কেসি নিচু শটে কোণায় বল জড়িয়ে দেন। কাউন্টার অ্যাটাকের পাঠ্যবইয়ের গোল— জার্মানির আধিপত্যের মাঝেই নিজেদের সুযোগটা ঠিকমতো কাজে লাগালো আইভরি কোস্ট।
৩৮ মিনিটে চোটের কারণে ফেলিক্স এনমেচাকে তুলে নিতে বাধ্য হন কোচ নাগেলসমান।
বিরতি পর্যন্ত মুসিয়ালা ও ভির্টজের সৃজনশীলতায় বারবার সুযোগ তৈরি করলেও জার্মানি আর জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। অন্যদিকে আইভরি কোস্টের রক্ষণ ছিল সুসংগঠিত, আর প্রতিআক্রমণে দিওমান্দে বারবার বিপজ্জনক হয়ে উঠেছেন।
বিরতিতে স্কোরবোর্ড বলছে ১-০, কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে জার্মানিই চাপে রেখেছিল পুরো ম্যাচ। দ্বিতীয়ার্ধে নাগেলসমানের দল কীভাবে ফিরে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।









