স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচের অন্যতম বড় খবর ছিল নেইমারের মাঠে ফেরা। ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার পর থেকে এই তারকা ফরোয়ার্ড আর জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি। ৯৮১ দিন পর বদলি নেমে মাঠ মাতানোর চেষ্টা করেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। বদলি নেমে সুপারস্টার নেইমার কেমন খেললেন? ব্যাখ্যা দিয়েছেন কোচ আনচেলত্তি স্বয়ং।
১০ নম্বর জার্সির এই তারকার ফেরা প্রসঙ্গে আনচেলত্তি বলেন, “সে খেলার সুযোগ পেয়েছে কারণ সে এটার যোগ্য ছিল। সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য সে অত্যন্ত পেশাদারত্বের সঙ্গে পরিশ্রম ও অনুশীলন করেছে। নিজের সহজাত দক্ষতার কারণে এই বিশ্বকাপে সে দলকে অনেক সাহায্য করতে পারবে। মাঠে যেটুকু সময় সে পেয়েছে, ভালো খেলেছে। নেইমারের খেলার জন্য আলাদা কোনও অনুপ্রেরণার প্রয়োজন নেই; ব্রাজিলের জার্সি গায়ে জড়ানোর পর কোনও খেলোয়াড়েরই বাড়তি অনুপ্রেরণার দরকার হয় না, নেইমারের ক্ষেত্রেও তাই। তার বয়স এখন ৩৪ বছর, কিন্তু ব্রাজিলের হয়ে খেলার জন্য তার মধ্যে এখনও সেই একই তাড়না ও আবেগ কাজ করে, যা একজন তরুণ খেলোয়াড়ের মধ্যে থাকে।”
ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোল
ম্যাচের সেরা তারকা ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, যিনি একাই দুটি গোল করেছেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার চতুর্থ গোল, যা তাকে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির (৫ গোল) ঠিক পেছনেই জায়গা করে দিয়েছে।
ব্রাজিল জাতীয় দলের এই ৭ নম্বর জার্সির তারকার বর্তমান ফর্ম নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কার্লো আনচেলত্তি বলেন, “ভিনি জ্বলে উঠেছে দেখে ভীষণ ভালো লাগছে, কারণ এই বিশ্বকাপে সে কেমন করতে পারে তা নিয়ে আমার কোনও সন্দেহ ছিল না। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা তার কাছে অত্যন্ত গর্বের। সে দারুণ করছে, এমনকি আজ একটি হেডার থেকেও গোল করেছে— যা তার ক্ষেত্রে বেশ বিরল। ভিনিকে নতুন করে চেনার বা আবিষ্কার করার কিছু নেই। আমার চোখে ভিনি একদম শীর্ষ স্তরের খেলোয়াড়। নিঃসন্দেহে সে এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা।”
প্রসঙ্গত, নকআউট পর্বে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জুন, যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে।









