২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর শেষ ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়া। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে গোলশূন্য ড্র থাকায় ম্যাচটি গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। এই ম্যাচের বিজয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে।
শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা মেলেনি। প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। ২১তম মিনিটে গুস্তাভো পুয়ের্তার দূরপাল্লার শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল।
এরপর ম্যাচে ধীরে ধীরে ফিরে আসে সুইজারল্যান্ড। ২৯তম মিনিটে ফাবিয়ান রিডারের জোরালো শট চমৎকারভাবে ঠেকিয়ে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাস। ৩৩তম মিনিটে ড্যান এনদোয়ের শটও রুখে দেন তিনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সুইজারল্যান্ড। ৪৮তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় মিশেল আবেিশারের (সো) সামনে গোলের সুযোগ এলেও ভারসাম্য হারিয়ে শট লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন তিনি।
৫০তম মিনিটে পেনাল্টির দাবি তোলে সুইজারল্যান্ড। বক্সের ভেতরে ড্যান এনদোয়েকে ধরে টানার অভিযোগ ওঠে কলম্বিয়ার ড্যানিয়েল মুনিওসের বিরুদ্ধে। ভিএআরে ঘটনাটি পরীক্ষা করা হলেও মাঠের রেফারির সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। ফলে পেনাল্টি পায়নি সুইজারল্যান্ড।
এর দুই মিনিট পর বক্সের ঠিক বাইরে ফাউল আদায় করে সুইজারল্যান্ড। সেই ফ্রি-কিক থেকে ফাবিয়ান রিডারের বাঁ পায়ের জোরালো শট জালে জড়ানোর খুব কাছাকাছি গেলেও বল লাগে সাইড নেটে।
ম্যাচজুড়ে দুই দলের গোলরক্ষকই ছিলেন দুর্দান্ত। সুইজারল্যান্ডের কোবেল যেমন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেভ করেন, তেমনি কলম্বিয়ার ভার্গাসও একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন।
ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই জয়ের গোল খুঁজে না পাওয়ায় ম্যাচটি গড়িয়েছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। অতিরিক্ত সময়েও সমতা না ভাঙলে শেষ আটে ওঠার ভাগ্য নির্ধারণ হবে টাইব্রেকারে।









