ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে ইংলিশরা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেও ম্যাচটি রূপ নিয়েছে চরম বিতর্কে। রেফারিংয়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে আর্লিং হাল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন নরওয়ে শিবির। এই হারের পর রেফারিকে তীব্র খোঁচা দিয়েছেন খোদ আর্লিং হাল্যান্ডের বাবা আলফি হাল্যান্ড।
মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান ন্যাল্যান্ডের একটি দূরপাল্লার শট আকস্মিক দিক পরিবর্তন করে ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসনের পায়ে পড়ে, যা থেকে জুড বেলিংহাম সমতাসূচক গোলটি করেন। বলটি স্টেডিয়ামের ওপরের কোনও ক্যাবলে লেগেছিল কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, বলের ভেতরের চিপ সেন্সর অনুযায়ী এটি কোনও ক্যাবলে আঘাত করেনি।
তবে এই ব্যাখ্যা মানতে পারেননি হাল্যান্ডের বাবা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বেলিংহাম ও ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন জানানো একটি পোস্টে মন্তব্য করে তিনি লেখেন, শাবাশ বেলিংহাম ও রেফারি।
অপর একটি পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘সত্যিই? রেফারির কল্যাণে বেঁচে গেলেন। আশা করি এবার তোমরাই বিশ্বকাপ জিতবে। তবে আজ আমাদের ডাকাতি করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’
ম্যাচে বিতর্ক কেবল এটিই ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে তোরবিওর্ন হেগেমের হেড জালে জড়ালে নরওয়ের সেই গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি-এর রিপ্লেতে দেখা যায়, অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড কর্নার নেওয়ার আগেই ইংলিশ ডিফেন্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিলেন তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হাল্যান্ড।
গোল বাতিলের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাল্যান্ড বলেন, আমার মনে হচ্ছিল আমাকেও পুরোটা সময় টেনে ধরা হচ্ছিল। এটা খুবই দুর্বল একটি সিদ্ধান্ত। যদি এটা ফাউল হয়, তবে প্রতিটি ম্যাচের প্রতিটি ডুয়েলেই আমার ফাউল পাওয়া উচিত।
সূত্র: এনডিটিভি








