এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ২-০ গোলের হার দিয়ে শুরু হয়েছে জেরার্ড জোন্সের দলের অভিযান। এবার ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ সিরিয়া। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি।
সিরিয়া ম্যাচ সামনে রেখে আজ বিকালে অনুশীলনে ঘাম ঝরিয়েছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। উজবেকিস্তান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুশীলন শেষে কথা বলেছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উদ্বোধনী ম্যাচে ২-০ গোলে হার নিয়ে হতাশার কথা জানান জোন্স। তিনি বলেন, ‘উজবেকিস্তানের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় আমি হতাশ। তবে আমরা অত্যন্ত শক্ত ও টেকনিক্যালি বিশ্বমানের একটি দলের মুখোমুখি হয়েছিলাম।’
বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পজিশনগত ও ট্রানজিশনজনিত দুর্বলতা দেখা গেছে বাংলাদেশের খেলায়। ইংলিশ কোচ মনে করেন, অতীতের ভুল শুধরে তার দল এবার ইতিবাচক পারফরম্যান্স উপহার দেবে। তার মূল্যায়নে, উজবেকিস্তানের তুলনায় সিরিয়া দলে কিছু কৌশলগত দুর্বলতাও রয়েছে।
জোন্স বলেন, ‘প্রথম ম্যাচ থেকে পাওয়া ইতিবাচক বিষয়গুলো নিয়েই আমরা এই ম্যাচে নামতে চাই। এবার আমরা নিশ্চিতভাবেই আগের চেয়ে অনেক বেশি বল পজেশন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাই এবং খেলার গতি নির্ধারণ করতে চাই। সিরিয়ার খেলা দেখে আমার মনে হয়েছে, তাদের বেশ কিছু দুর্বলতা রয়েছে। তবে আমরা মাঠের বাইরে কথা দিয়ে নয়, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই তা প্রমাণ করতে চাই। সমর্থকদের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
দেশের বাইরে খেলতে গেলে আবহাওয়া ও মাঠের পরিবেশ বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। উজবেকিস্তানের কন্ডিশন সুন্দর ফুটবল খেলার ক্ষেত্রে কোনও বাধা তৈরি করছে কি না—এমন প্রশ্নে জোন্স পরিষ্কার জানান, ‘একদমই না, কারণ এটাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানো যায় না। কন্ডিশন যেমনই হোক না কেন, উজবেকিস্তান কিন্তু দারুণ ফুটবল খেলেছে। এমনকি সোমবার সিরিয়াও পাসের পর পাস খেলে এগোনোর চেষ্টা করেছে। তাই মাঠের পিচ হয়তো খুব দুর্দান্ত নয়, কিন্তু কন্ডিশন তো উভয় দলের জন্যই সমান।’
বাছাইপর্বের আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও সেরা সাত রানার্সআপসহ মোট ১৫ দল মূল পর্বে জায়গা করে নেবে। আগামী বছর মূল আসরের আয়োজক দেশ হিসেবে চীন সরাসরি অংশ নেবে।









