ব্যালন ডি’অরে হ্যারি কেইনের কাছে হারার পর এবার চীনে নতুন বিতর্কে জড়ালেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সাবেক চীনা নেতা মাও সেতুংকে নিয়ে ফরাসি এই ফুটবল তারকার রসিকতার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে চীনের দুটি বড় প্রতিষ্ঠান।
চীনের পানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডংপেং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এমবাপ্পের সঙ্গে তাদের সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘জাতীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন যেকোনো আচরণের আমরা দৃঢ় বিরোধিতা করি এবং এ বিষয়ে আমাদের শূন্য-সহনশীলতার নীতি রয়েছে।’
চীনের বৃহত্তম দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মেংনিউও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রান্সের এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
মেংনিউর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অবিলম্বে কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে আমাদের প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের সম্পন্ন ছিন্ন করা হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘চীনা জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করে এমন যেকোনো কথা বা কাজের আমরা দৃঢ় বিরোধিতা করি এবং এ বিষয়ে আমাদের শূন্য-সহনশীলতার নীতি রয়েছে।’
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। ভিডিওতে এমবাপ্পেকে বলতে শোনা যায়, ইন্টারনেটে দেখা সবচেয়ে মজার মিম ছিল তার মুখের ছবি ফটোশপ করে অন্য একজনের জায়গায় বসানো। ওই ব্যক্তিকে বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো একজন লোক, আমার মনে হয়, তিনি একজন চীনা স্বৈরশাসক।’
ধারণা করা হচ্ছে, তার এই মন্তব্যের মাধ্যমে মাও সেতুংকেই বোঝানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি মিমে মাওয়ের ছবির ওপর এমবাপ্পের মুখ বসানো হয়েছিল। ঐতিহাসিক বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ছবির সঙ্গে এমবাপ্পের মুখ জুড়ে দিয়ে তৈরি এমন আরও মিম রয়েছে।
অবশ্য ভিডিওটির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি এএফপির ফ্যাক্ট চেক বিভাগ।