শুক্রবার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে কাজী সালাহউদ্দীনের প্যানেল। সেই ২৫ দফা ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রয়োজন ব্যাপক অর্থের। আর সেই অর্থ সরকারি বাজেট থেকে আনার প্রতিশ্রুতি দিল কাজী সালাহউদ্দীনের প্যানেল।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি হওয়া আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত হলে সরকারি বাজেটে ফুটবলের উন্নয়নে কিছু বরাদ্দ করার জোর প্রচেষ্টা চালাব। এছাড়া আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা খাতে আরও গতি আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’
নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণায় সাধারণত প্যানেল প্রধানের উপস্থিতিটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আজ শুক্রবার পূর্বাণী হোটেলে প্যানেল প্রধান কাজী সালাহউদ্দীন ছিলেন অনুপস্থিত। তাই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তার প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক তরফদার মো. রহুল আমিন। আর ফুটবল ফেডারেশনের ভবিষ্যত কর্মকাণ্ড ও অতীতের কার্যক্রমের মাঝে যোগসূত্র স্থাপন করেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিনিয়র সহ-সভাপতি হওয়া আব্দুস সালাম মুর্শেদী।
কেন সালাহউদ্দীন অনুপস্থিত এর উত্তরে তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘ইশতেহার ঘোষণার দায়িত্ব নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ওপর দিয়েছেন সালাহউদ্দীন। তাই তার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি কোনও বিষয় নয়। ’
ইশতেহারে জাতীয় দলের সাফল্য নিয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি নেই। এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘আমাদের প্রথম দফা হচ্ছে জাতীয় দল তথা দেশের ফুটবলের উন্নয়ন। উন্নত অবকাঠামো তৈরি করে বাফুফের অর্থনৈতিক অবকাঠামো আরও উন্নত করার প্রচেষ্টা আমাদের সর্বদাই থাকবে।’
পেশাদার ফুটবলের আটটি মৌসুমের পরেও ক্লাবগুলোতে আসেনি কোনও পেশাদারিত্বের ছোঁয়া। এ প্রসঙ্গে সালাম মুর্শেদী বলেন,‘ চেষ্টা অব্যাহত আছে। বাংলাদেশের সামাজিক অর্থনৈতিক পারিপার্শ্বিকতায় অনেক কিছুই সহজে করা সম্ভব নয়। ফিফা-এএফসির সহায়তায় আমরা চেষ্টা করেছি পেশাদারিত্বের ছোঁয়া আনতে। ’
ফুটবলে দলবদল নিয়ে জটিলতায় বার্ষিক সাধারণ সভা অনিয়মিত; এসব বিষয় ইশতেহারে কেনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন প্রশ্নের উত্তরে সিনিয়র সহ-সভাপতি বলেন,‘ এগুলো বাফুফের অভ্যন্তরীণ ও নিয়মিত বিষয়। এসব ব্যাপারে আমাদের মনোযোগ রয়েছে।’
/আরএম/এফআইআর/








