নতুন একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন (এফআইএইচ)। হকি সিরিজ ওপেন নামে এই প্রতিযোগিতা এ বছরই শুরু হবে, যেখানে থাকবে কয়েকটি গ্রুপ। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেলেও ভেন্যু পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি বলে শঙ্কিত হকি ফেডারেশন।
আগামী ২২ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠেয় হকি সিরিজে বাংলাদেশ খেলবে ওমান, আফগানিস্তান, কাজাখস্তান, কাতার ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বের চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে চূড়ান্ত পর্বে, আর চূড়ান্ত পর্ব হবে ২০১৯ সালের মে অথবা জুন মাসে।
পাকিস্তানে যখন-তখন সন্ত্রাসী হামলার কথা কারও অজানা নয়। তাই বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন শুরুতে হকি সিরিজে অংশ না নেওয়ার চিন্তা করেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন অনুমোদিত এই টুর্নামেন্টে অংশ না নিলে র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা। তাছাড়া আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন এবং এশিয়ান হকি ফেডারেশন চাইছে বাংলাদেশ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিক। তাই হকি ফেডারেশন কিছুটা দোটানায়।
আপাতত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় আছে হকি ফেডারেশন। তবে শুধু সরকারের অনুমতি নয়, পাকিস্তানের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চান ফেডারেশন কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাদেক বলেছেন, ‘পাকিস্তানে হকি সিরিজ ওপেন খেলতে যাওয়া নিয়ে আমরা সংশয়ে। শুরুতে তো না-ই করে দিয়েছিলাম। তবে র্যাংকিংয়ের কারণে এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। অংশ না নিলে বাংলাদেশ র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়তে পারে। আমরা পাকিস্তানে যাওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি লিখেছি। মন্ত্রণালয় সবুজ সংকেত দিলে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জানতে চাইবো। সন্তুষ্ট হলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো আমরা।’
আব্দুস সাদেক জানিয়েছেন, পাকিস্তান হকি ফেডারেশন বাংলাদেশকে আতিথ্য দিতে ভীষণ আগ্রহী। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার বেশ আগেই বাংলাদেশকে পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে সেদেশের হকি ফেডারেশন। প্রয়োজনে জিমি-চয়নদের জন্য একাধিক প্রস্তুতি ম্যাচের আয়োজন করতেও তারা প্রস্তুত।








