‘বন্দি জীবনে’ প্রাপ্তি বাড়িতে ঈদ উদযাপন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২৩:৩৩, মে ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৩৩, মে ১৯, ২০২০

বাফুফের ফেসবুক লাইভে নারী ফুটবলারদের আড্ডাপ্রায় সারা বছর নারী ফুটবলাররা বাফুফে ভবনে থেকে অনুশীলন করে থাকেন। সেখান থেকেই অংশ নেন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়। দেখা যায় অনেক সময় খেলা থাকার কারণে বাড়িতে গিয়ে ঈদ পালন করা হয় না তাদের। করোনাভাইরাসে অনেক খারাপ দিক থাকলেও এবার অন্তত পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে ঈদ করার সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা।

দুই মাস ধরে সাবিনা-মৌসুমী-মারিয়ারা ‘ঘরবন্দি’ হয়ে আছেন। করোনার কারণে এবার ঈদও নিজেদের বাড়িতে করতে পারবেন তারা। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটাই এখন তাদের সান্ত্বনা। আজ (মঙ্গলবার) বাফুফের ফেসবুক পেজের লাইভ আড্ডায় মেতেছিলেন মেয়েরা। সেই আড্ডায় উঠে আসে ঈদ প্রসঙ্গ।

বাফুফের মিডিয়া নির্বাহী খালিদ মাহমুদের সঞ্চালনায় নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ছাড়াও অংশ নিয়েছিলেন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন, কৃষ্ণা রানী সরকার, মিশরাত জাহান মৌসুমী, মারিয়া মান্দা, তহুরা খাতুন ও আঁখি খাতুন।

সাবিনা বলেছেন, ‘এখন যা অবস্থা আমার কাছে বাসায় থাকাটা নিরাপদ মনে হয়। তবে মাঠের মানুষ মাঠেই ভালো লাগে। ছুটিটা এখন বিরক্তিকর লাগছে। তবে ঈদ বাসায় কাটাবো, এজন্য ভালো লাগছে। সবাই খুশি থাকবে। বাড়িতেই আছি। মাকে সাহায্য করছি।’

তবে এই সময় ফিটনেস ধরে রাখাটা যে কঠিন, তা মানছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক, ‘ফিটনেস ধরে রাখাটা কষ্টকর। মাঠ থেকে ঘরে গেলে তা ধরে রাখাটা কঠিন। আমাদের অনেকের পরিবার স্বচ্ছল না। বাসায় আলাদা করে জিম করার সুযোগ নেই। যতটুকু সম্ভব নিজের মতো করে ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টা করছি।’

আড্ডায় মালদ্বীপ সফরের স্মৃতি রোমন্থন করলেন এই স্ট্রাইকার, ‘মালদ্বীপে যখন প্রথম খেলতে যাই, সেটা ছিল আমার ক্যারিয়ারে বড় অর্জন। ওখানে সবাই সাহায্য করেছে। লক্ষ্য ছিল টপস্কোরার হবো, হয়েছিও আমি। এছাড়া সেই সময় শীর্ষ পাঁচ ফুটবলারের মধ্যে একজন হিসেবে থাকতে পেরেছি। এটা এখনও আনন্দ দেয়।’

অনূর্ধ-১৯ দলের অধিনায়ক মৌসুমী এমন লম্বা ছুটি পাবেন তা আশা করেননি। যদিও ঘরে বসে সময় কাটাতে ভালো লাগছে না তার, ‘এরকম ছুটি কাটাবো, ভাবিনি। এখন তো বন্দি জীবন কাটাতে হচ্ছে। ফুটবল থেকে দূরে থাকতে অনেক কষ্ট লাগছে। দীর্ঘদিন কাজ ছাড়া থাকতে ভালো লাগে না।’

ফিটনেস নিয়েই বেশি ভাবনা মেয়েদের। এ বিষয়ে তাদের কোচ ছোটনের পরামর্শ, ‘১৫ দিন অনুশীলনের মধ্যে না থাকলে ফিটনেস লেভেল নিচের দিকে থাকে। আর দুই মাস এই অবস্থা থাকলে তো ফিটনেস লেভেল একদম খারাপ অবস্থায় যাবে। তবে একসময় জীবন স্বাভাবিক হবে। তখন ফিটনেস নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। এছাড়া যে যেখানে আছে সে যদি নিজের সুবিধা মতো ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারে তাহলে ভালো হবে।’

/টিএ/কেআর/

লাইভ

টপ