আরও দুই জায়গায় করোনা পরীক্ষা হবে ফুটবলারদের

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১৯, আগস্ট ০৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:১৯, আগস্ট ০৮, ২০২০

জাতীয় দলের ফুটবলারদের করোনাভাইরাস পরীক্ষায় একেক সময় একেক ফল আসছে! এটাকে ‘প্রযুক্তিগত সমস্যা’ বলতে চাইছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মেডিক্যাল কমিটি। সেই সমস্যা সমাধানে সোমবার জীবন-বিপলুদের আরও দুইবার করোনা পরীক্ষা হবে। সেটাও হবে আলাদা দুটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেই ফল দেখেই তাদের নিয়ে হবে অনুশীলন।

বিশ্বকাপ বাছাই ক্যাম্প ক্যাম্প শুরুর দিনে তিন খেলোয়াড়কে করোনা ‘পজিটিভ’ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু দুই দিন পর আরও সাত খেলোয়াড় ও একজন কোচকে (যাদের নেগেটিভ ধরে ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল) ‘পজিটিভ’ জানানো হলে হইচই পড়ে যায়।

সব মিলিয়ে জাতীয় দলের ১৮ খেলোয়াড় ও একজন কোচ করোনা ‘পজিটিভ’। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাফুফের সহ-সভাপতি ও ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ আজ (শনিবার) সভা শেষে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘সোমবার আমরা টেস্ট করবো সবার। আমরা দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। সেখানেই টেস্ট করা হবে। যার দুটোতেই পজিটিভ আসবে, সে কনফার্ম পজিটিভ। যার নেগেটিভ আসবে, কনফার্ম নেগেটিভ। যার একটা করে পজিটিভ বা নেগেটিভ আসবে, তাকে কয়েকদিন পর আবারও টেস্ট করানো হবে।’

করোনা পরীক্ষার ফল পেলে খেলোয়াড়দের চিকিৎসাও সেভাবে করা হবে বলে জানিয়েছেন কাজী নাবিল, ‘রেজাল্ট পেলে তখন পরিষ্কার হবে কে পজিটিভ কে নেগেটিভ। যারা পজিটিভ হবে তাদের মেডিক্যাল কমিটির সঙ্গে কথা বলে আইসোলোশনে রাখা হবে। প্রয়োজন মনে হলে হাসপাতালে পাঠানো যেতে পারে।’

সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন, ‘তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে কোনও লক্ষণ নেই, সবকিছুই ঠিক আছে। যারা পজিটিভ আছে, তারা সবাই অল্প দিনে সুস্থ হয়ে যাবে। মেডিক্যাল কমিটির সঙ্গে কথা বলে দেখবো তাদের নিয়ে আবারও ক্যাম্প শুরু করা যায় কিনা। এর বাইরে অন্য খেলোয়াড়দের যদি দরকার হয় সেটাও বিবেচনায় আছে। আর  কোচরা ১৭ আগস্ট বাংলাদেশ আসবে। আসার পর ৫-৬ দিন পর তাদের টেস্ট করানো হবে।’

বাফুফের মেডিক্যাল কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা: আলী ইমরান করোনা পরীক্ষার ফল নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তিকে ‘প্রযুক্তিগত সমস্যা’ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তার ব্যাখ্যা, ‘শুরুতে যারা পজিটিভ থাকে তাদের রেজাল্ট আগে দেওয়া হয়। শুরুর দিনে আমরা তিনজনের ফল পাই। আমি তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি। জানতে চাই আর কোনও পজিটিভ রেজাল্ট আছে কিনা। আমাকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল। না আসার কারণে ধরে নেই আর রেজাল্ট নেই।’

সমস্যা কোথায় হয়েছে, আলী ইমরান সেটা পরিষ্কার করলেন পরের কথায়, ‘আমাদের সমস্যা হয়ে গেছে। টেস্টের সময় ওখানে যোগাযোগ করার জন্য আমার (মোবাইল) নম্বর দেওয়া ছিল সব খেলোয়াড় ও অফিসিয়ালের নম্বরের জায়গায়। কম্পিউটারের অটো জেনারেট প্রোগ্রামের কারণে প্রথম পাঁচটি নম্বরের পর আর নিতে পারেনি। যা আমাদের জানা ছিল না। যে কারণে পরের রিপোর্টগুলো অন্য জায়গায় চলে যায়। আমরা সময় মতো তা পাইনি। আর এই রিপোর্ট স্বাস্থ্য অধিদফতরকে জানাতে হয়। পরে আমাকে জানানো হলো আরও ৭ জন পজিটিভ এসেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি বাফুফেকে জানাই। ট্রান্সমিশন প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে এটা হয়েছে।’

/টিএ/কেআর/

লাইভ

টপ