‘রানা ভাইয়ের পজিশন কেড়ে নিতে চাই’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৪০, অক্টোবর ২৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৪০, অক্টোবর ২৬, ২০২০

ময়মনসিং জেলা দিয়ে শুরু হয়েছে তৃণমূল থেকে ফুটবলার খোঁজার কার্যক্রমতৃণমূল থেকে ফুটবলার তুলে আনার লক্ষ্যে জেলায় জেলায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আপাতত ময়মনসিংহ জেলা দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী ৭৬ খেলোয়ড় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে এই ক্যাম্পের যাত্রা হলো। সেখানকারই গোলকিপার আতিকুর রহমান মেহেদি ভবিষ্যতে জাতীয় দলের গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানার জায়গা দখলের হুঙ্কার ছাড়লেন।

শুরুতে ৩৫০ খেলোয়াড় বাছাই করা হয়েছিল। সেখান থেকে কমিয়ে ৭৫ খেলোয়াড় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে অনুশীলন শুরু হয়েছে। আগামী একমাস স্থানীয় কোচদের মাধ্যমে হবে অনাবাসিক প্রশিক্ষণ। তারপর খেলোয়াড় কমিয়ে এনে আবাসিক প্রশিক্ষণের দিকে যাবে সংশ্লিষ্টরা।

এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে ময়মনসিংহ ডিএফএকে (জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন) সহায়তা করছে বাফুফে। ডিএফএ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মুকুল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা কমপক্ষে দুই মাসব্যাপী ট্রেনিং করাবো। বাফুফেকে ধন্যবাদ সহায়তা করার জন্য। আগামী দিনের ফুটবলার তৈরির জন্য এই ক্যাম্পটি করা হয়েছে। যেন এদের দিয়ে ভবিষ্যতে জেলা লিগ চালাতে পারি। এরপর যেন এরা বাংলাদেশের বিভিন্ন দলে সুযোগ পায়।’

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত গোলকিপার আতিকুর রহমান মেহেদি। খুদে এই ফুটবলার দেখছেন বড় স্বপ্ন, ‘আমার বাসা ময়মনসিংহ সদরে। এতদিন নিজের মতো অনুশীলন করেছি। এখন ক্যাম্পে এসেছি। সুযোগ পেয়েছি প্রশিক্ষণের। আমি যে এই ক্যাম্পে সুযোগ পেয়েছি এটা আমার জন্য বড় দিক। ভবিষ্যতে আশরাফুল ইসলাম রানা ভাইয়ের (জাতীয় দলের গোলকিপার) পজিশন কেড়ে নিতে চাই। স্যারদের অনেক ধন্যবাদ এমন প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’

প্রশিক্ষণ কারযক্রম উদ্বোধন করেছেন বাফুফের সহ-সভাপতি ও ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক। ছিলেন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল থমাস স্মলি। এখান থেকে প্রতিভা বের হবে বলে তার আশা, ‘আমরা তৃণমূল পর্যায়ে থেকে প্রতিভা বের করে আনার চেষ্টা করছি এই বাছাই কারযক্রমের মাধ্যমে। যা ধীরে ধীরে সব জায়গায় হবে। এখান থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে তাদেরকে একাডেমিতে নিতে চাই।’

/টিএ/কেআর/

লাইভ

টপ