অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে আগামী ৪ থেকে ১৫ এপ্রিল হবে কমনওয়েলথ গেমসের আসর। ৭১টি দেশের একটি হয়ে এতে অংশ নেবে বাংলাদেশ। ১৯টি ডিসিপ্লিনে হবে ২৭৫ ইভেন্টের লড়াই। যার মধ্যে মাত্র ৬ ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে লাল-সবুজের দল। শুটিং, সাঁতার, বক্সিং, ভারোত্তোলন, কুস্তি ও অ্যাথলেটিক্স ডিসিপ্লিনে থাকছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব। তবে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা শুটিংকে ঘিরে।
সবার আগে বাংলাদেশের শুটাররা পৌঁছেছে গেমস ভিলেজে। স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে অভ্যস্ত হতে আগে-ভাগেই তাদের সেখানে যাওয়া।
বাংলাদেশের একাধিক পদক এসেছে কিন্তু কমনওয়েলথ গেমস থেকেই। অতীতে একাধিক স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ এসেছে। সবশেষ স্কটল্যান্ডে আব্দুল্লাহ হেল বাকী রৌপ্য জিতেছিলেন।
এবারও তেমন কিছু হবে আশাবাদী শুটাররা। বুকভরা আত্মবিশ্বাস নিয়ে তাদের দেশ ছাড়ার কথা জানালেন কমনওয়েলথ গেমসের বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন নাজিমউদ্দীন চৌধুরী। রবিবারের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘শুটাররা দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন করে আসছেন দুইজন বিদেশি কোচের অধীনে। তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যও দেখছেন। এবারও তাদের সামনে সুযোগ আছে পদক জয়ের। আমরা আশা করতেই পারি।’
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা আশা হারাচ্ছেন না, ‘আমরা সেরা ক্রীড়াবিদদের কমনওয়েলথ গেমসে পাঠিয়েছি। তাদের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অন্য গেমসে কাজে লাগবে।’








