করোনাভাইরাসের কারণে গত বছর নির্ধারিত সময়ে অলিম্পিক হতে পারেনি। এবার করোনার মধ্যেই জাপানের রাজধানী টোকিওতে বসতে যাচ্ছে অলিম্পিক গেমস। সেই গেমসে থাকছে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ। টোকিও যাওয়ার আগে বুধবার বিকেলে স্থানীয় হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তারা। এ সময় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের আমন্ত্রণে ঢাকাস্থ জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি উপস্থিত থেকে নানান আশ্বাসও দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে শুরুতে এই কূটনৈতিক শুভকামনা জানিয়ে বলেছেন, ‘আশা করি টোকিও থেকে বাংলাদেশ ক্রীড়া ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ইতিহাস রচনা করতে সক্ষম হবে। টোকিওগামী দলের প্রতি আমাদের শুভকামনা। টোকিও গেমস আয়োজনে প্রস্তুত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ। জাপান সরকার ও জাপান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’
টোকিও অলিম্পিকের পরবর্তী সময়েও দুই দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে সম্পর্ক ভালো থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘ক্রীড়াক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক। সাঁতারে জাপানি কোচ কাজ করেছে। বিকেএসপিতে জাপানের অনেক টেকনিক্যাল ও কোচিং স্টাফ সহায়তা করেছে আগে। টোকিও অলিম্পিকের পর পদকপ্রাপ্ত জাপানি অলিম্পিয়ানদের বাংলাদেশ আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের অ্যাথলেটরাও তাদের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হবে।’
বাংলাদেশে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ক আরও জোরদার করার আশাবাদ জাপানি রাষ্ট্রদূতের, ‘দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ৫০ বছর হয়েছে। টোকিও গেমসের পর ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে অনেক কাজের পরিকল্পনা রয়েছে।’









