দিল্লি পাবলিক স্কুলের গাজী জাওয়াদ আজফার সবে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠেছে। চেয়ারে বসে টেবিলের চেয়ে সামান্য উঁচুতে তার মাথা। চেয়ারগুলো অাসলে বড়দের জন্য, তাই মাথা খুব বেশি ওপরে উঠছে না তার। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা মাথায় নেই জাওয়াদের, দাবার চাল নিয়ে মগ্ন সে।
শুধু জাওয়াদ নয় দাবা বোর্ড নিয়ে নিমগ্ন তার মতো শতাধিক ক্ষুদে দাবাড়ু! পরবর্তী চালটি কী হবে, প্রতিপক্ষ কী করতে পারে তা নিয়ে তাদের চিন্তা ভাবনার অন্ত নেই।
আজ শনিবার থেকে শুরু দাবা ফেডারেশনে শেখ রাসেল আন্তঃস্কুল দাবা প্রতিযোগিতার চিত্র এটি। কচি-কাঁচাদের দাবা খেলার মতো গভীরতা আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে তবে ক্ষুদে খেলোয়াড়দের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার কোনও অন্ত নেই।
টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে ঢাকা মহানগরীর সেন্ট গ্রেগরিজ, রেসিডেন্সিয়ার মডেল, ঊইলস লিটল ফ্লাওয়ার, মতিঝিল সরকারি, যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল, দ্ল্লিী পাবলিক, কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল, গ্রিণ হেরাল্ড, মাস্টারমাইন্ড, সেন্ট জুডস, উদয়ন, আইডিয়াল, বাংলাদেশ ব্যাংক, শাহ আলী মডেল, নালন্দা, অ্যাকাডেমিয়া, সেন্ট জোসেফ, সাউথ ব্রিজ হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রায় দেড়শ দাবাড়ু।
আজ ছাত্রদের গ্রুপের পঞ্চম রাউন্ডের খেলা শেষে পূর্ণ ৫ পয়েন্ট করে নিয়ে অনতা চৌধুরী ও সরনোভা চৌধুরী যুগ্মভাবে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে। ছাত্রীদের গ্রুপের চতুর্থ রাউন্ডের খেলা শেষে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে।
জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদ আহসান রাসেল এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপিস্থিত থেকে এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। শেখ রাসেল চেস ক্লাবের সভাপতি এবং বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহ-সভাপতি কে এম শহিদউল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জনাব গাজী সাইফুল তারেক।
/আরএম/এমআর/








