ইমরানুর রহমান আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সোনার পদক ধরে রাখাটা কঠিন হবে। গতবার কাজাখস্তানে বাংলাদেশকে এনে দিয়েছিলেন স্বর্ণপদক। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়ান ইনডোর অ্যাথলেটিকসে ৬০ মিটার স্প্রিন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি ছিল। কিন্তু পারলেন না। তবে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার ইচ্ছা দৃঢ়কণ্ঠে জানালেন তিনি।
ইমরানুর নিজের প্রিয় ইভেন্টে সোনার পদক তো দূরের কথা, সেরা তিনেও থাকতে পারলেন না। আট জনের মধ্যে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব হয়েছেন চতুর্থ! সময় নিয়েছেন ৬.৬৭ সেকেন্ড।
ইমরানুর খেলা শেষে বলেছেন, ‘তেহরানের চ্যাম্পিয়নশিপে একটু পিছিয়ে পড়লাম এবার। প্রস্তুতি ঠিকঠাক ছিল না। কিন্তু আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়েছি। আপনাদের হতাশ করে থাকলে দুঃখিত। তবে সবসময় সমর্থন দেওয়ার জন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ। আমরা আবার শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবো। ইনশাআল্লাহ।’
এই ইভেন্টে সোনা জিতেছেন ওমানের আলী আনোয়ার আলী আল বালুশি। তিনি সময় নিয়েছেন ৬.৫২ সেকেন্ড। রুপা জাপান ও ব্রোঞ্জ উত্তর কোরিয়ার অ্যাথলেট পেয়েছেন।
জাপানের সুহিই ও উত্তর কোরিয়ার জো ইয়ম ৬.৫৬ ও ৬.৬৬ টাইমিং নিয়ে যথাক্রমে রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক পান। ইমরান হিটের টাইমিং করলেও অন্তত ব্রোঞ্জ জিততে পারতেন।
বাংলাদেশি স্প্রিন্টার জহির রায়হানের পর এবার ইমরানুরকে ঘিরে প্রত্যাশা কম ছিল না। গতবার কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিত আসরে স্বর্ণপদক জেতেন তিনি। কিন্তু আজ তা ধরে রাখা গেলো না।
এর আগে বাংলাদেশের ইমরানুর প্রথম হিটে অংশ নিয়ে ৬.৬০ সেকেন্ড টাইমিংয়ে দ্বিতীয় হন। প্রাথমিক হিটের চেয়ে সেমিফাইনালে হিটে তিনি ০.০২ সেকেন্ড কম সময় নেন।
বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা সীমিত সুযোগ সুবিধার মধ্যে থেকেও এশিয়ান ইনডোরে দুটি পদক জিতেছে। অথচ লন্ডন থেকে আসা ইমরানুরের পেছনে কাড়ি কাড়ি টাকা লগ্নি করেও কোনও সাফল্য পেলো না ফেডারেশন। বরং অবহেলা করা হয়েছে জহির-মাহফুজুরদের সঙ্গে। এবার কি দেশি অ্যাথলেটদের দিকে নজর দেবে ফেডারেশন?









