গত বছরের ৫ আগস্টের পর শুটিং ফেডারেশনও স্থবিরতা নেমে আসে। মহাসচিব ইন্তেখাবুল হামিদ আর দায়িত্বে নেই। এরপর থেকে ফেডারেশনের কার্যক্রম সেভাবে চলছে না। অস্ত্র ও গুলি আমদানি হলেও কোনও খেলা নেই। দেশের বাইরে অংশ নেওয়া হচ্ছে না। নেই ট্রেনিং প্রোগ্রামও। ইরানি কোচের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন হয়নি। শুটাররা অনেকটা হাত পা গুটিয়ে বসে আছেন। হতাশায় নিমজ্জিত সবাই। সার্চ কমিটি এখনও এডহক কমিটি দিতে পারেনি। এই অবস্থায় জাতীয় দলের শুটার শোভন চৌধুরী নিজের হতাশা উগরে দিলেন।
আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শোভন লিখেছেন, ‘লোহা দীর্ঘদিন ব্যবহৃত না হলে জং ধরে যায়, কিন্তু একটু ঘষামাজা করলেই তা আগের মতো চকচকে হয়ে ওঠে। কিন্তু একজন খেলোয়াড়? যিনি বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেন, অগণিত ত্যাগ স্বীকার করে নিজের অবস্থান তৈরি করেন- তার জন্য কি ফিরে আসা এতটাই সহজ? একজন খেলোয়াড়কে তার অবস্থান ধরে রাখতে হলে প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে হয়, প্রতিনিয়ত শিখতে হয়, লড়াই করতে হয়। প্র্যাকটিসের প্রতি সামান্য অবহেলাও তার অর্জনকে ম্লান করে দিতে পারে।’
তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন, ‘শুটিং আমাদের গৌরবের খেলা, অথচ আজ শুটারদের কোনও প্র্যাকটিস নেই, নেই কোনও লক্ষ্য, নেই কোনও দিকনির্দেশনা। অন্য সব খেলাধুলা যখন চলমান, তখন আমাদের শুটাররা শুধু তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারছে না।’
তার আকুতি, ‘লোহা মেরামত করা সহজ, কিন্তু একজন খেলোয়াড়, যে ১০-১৫ বছর পরিশ্রম করে নিজের অবস্থান তৈরি করে, সে যদি ছন্দ হারায়, তা ফিরে পাওয়া কি এতই সহজ? প্রত্যেকটি খেলোয়াড়ের স্বপ্ন ও অর্জনকে মূল্যায়ন করুন।’









