টেনিস কোর্টে দীর্ঘদিন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদাল-নোভাক জোকোভিচ। এই আসরের ফ্রেঞ্চ ওপেনে জোকোভিচ খেললেও প্যারিসের রাজা নাদালই যে খেলছেন না! চোটের কারণে আজ থেকে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টে তাকে দেখা যাবে না ১৯ বছর পর। তাছাড়া ইঙ্গিত দিয়েছেন আগামী বছর অবসরেরও। এমন খবরে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী জোকোভিচ। তিনি মনে করছেন, আগামী বছর নাদাল অবসরে গেলে হারাবেন নিজের অস্তিত্বের একটি অংশও!
সার্বিয়ান তারকার কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, নাদালকে কী পরিমাণ অনুভব করবেন তিনি। যার অস্তিত্বের সঙ্গে জোকোভিচ নিজেকেও জড়িয়ে ফেলেছেন। তাই তো বলেছেন, ‘যখন সে বললো আগামী বছর তার শেষ মৌসুম। মনে হলো, তার সঙ্গে আমার একটি অংশও চলে যাবে।’
প্যারিসে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন নাদাল। তার সঙ্গে ২২টি গ্র্যান্ডস্লাম নিয়ে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লামের রেকর্ড ভাগাভাগি করছেন জোকোভিচ। নাদাল না থাকায় সেই রেকর্ড এবার তিনি ভাঙতে পারবেন তৃতীয় ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতলেই। কিন্তু সেসব কিছুই স্পর্শ করছে না জোকোভিচকে। বরং নাদালের অনুপস্থিতিতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন তিনি, ‘আসলে ওর সিদ্ধান্ত আমাকে ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে বাধ্য করছে যে কতদিন আমি খেলতে পারবো। আজ আমি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়তো জানাবো না। কিন্তু নিজের অবস্থান তুলে ধরছি। নাদাল যা বলেছে তাতে একটু বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি।’
দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ে খুব বেশি পার্থক্য হয়তো নেই। জোকোভিচের ৩০টি জয়ের বিপরীতে নাদালের জয় ২৯টি। কিন্তু রোঁলা গারোয় একক আধিপত্য শুধুই নাদালের। ১০ বারের লড়াইয়ে ৮টি জয় তার। জোকোভিচ অবশ্য বলেছেন, রোঁলা গারোয় কখনোই নাদালের বিপক্ষে খেলাটা তিনি পছন্দ করতেন না, ‘রোঁলায় গারোয় ওর মুখোমুখি হওয়াটা পছন্দ করতাম না। এখানে ওর বিপক্ষে আমার সেরকম সাফল্য নেই। মাত্র দুবার হারাতে পেরেছি। কিন্তু সেটা করতেও কোর্টে হৃদয়ের সর্বস্ব নিংড়ে দিতে হয়েছে।’









