রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস ‘অক্টোবর-২০১৭’। এ উপলক্ষে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর প্রতি সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে গণসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাইবার ঝুঁকি চিহ্নিত ও জাতীয় সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ জনশক্তি তৈরিসহ সরকারের প্রতি আটটি সুপারিশ জানানো হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন। সংবাদ সম্মেলনে এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠান সহযোগিতায় ছিল প্রযুক্তিবিদদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের (আইসাকা) ঢাকা চ্যাপ্টার।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ হাসান। বক্তব্য রাখেন, আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি ওমর ফারুক খন্দকার, আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ও প্রধান সমন্বয়ক কাজী মুস্তাফিজ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রকৌশলী সৈয়দ জাহিদ হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ কাওসার উদ্দিন, সদস্য জাহিদুল ইসলাম ও তানজিয়া খানম।
দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি আটটি সুপারিশ উপস্থাপনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, জনসচেতনতা তৈরি, এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা, সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গণসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাইবার ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, সাইবার নিরাপত্তার কাজে দেশি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দেওয়া, গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে প্রশিক্ষিত জনবল বাড়ানো ও ইন্টারনেটের আইপি লগ সংরক্ষণে তথ্যপ্রযুক্তি আইন হালনাগাদ করা।








