ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং গ্রহণের বিকল্প নেই। প্রযুক্তি গ্রহণে পৃথিবীতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ। পৃথিবী ডিজিটাল বিপ্লবের কথা যখন ভাবছে, বাংলাদেশ তখন বিপ্লব শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ‘ই’ যুগ (ইলেকট্রনিক) পার করে ‘ডি’ যুগে (ডিজিটাল) প্রবেশ করেছে।’ মন্ত্রী বুধবার (৩ এপ্রিল)ঢাকায় একটি হোটেলে হুয়াওয়ের উদ্যোগে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে টেকনলজি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী ঝাং জেং জুন বাংলাদেশে চীন দূতাবাসের ইকনমিক অ্যান্ড কমার্স কাউন্সিলর লি গুয়াং ঝু বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাহতাবউদ্দিন আহমেদ।
‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ ২০১৯-এ বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত ১০ জন শিক্ষার্থী হলেন: বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তাসফিয়া জাহিন ও সরকার স্নিগ্ধ সারথি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মায়িশা ফারজানা ও কৌশিক কুমার, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে তাসফিয়া সেঁউতি ও মিনহাস বিন ফারুকী, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে আতিয়া ইসলাম আঁখি ও জাহিদুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে মনিশা দেব ও কামরুল হাসান। এসব শিক্ষার্থীদের নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা দিতে এপ্রিলেই দুই সপ্তাহের জন্য শিক্ষা সফরে চীনের বেইজিং ও শেনজেনে নিয়ে যাওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এ বছর পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রতিযোগিতা হয়। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২০ জন করে মোট ৬০০ শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। তবে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ জন করে ৭৫ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় পর্যায়ে অংশ নেন। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে দু’জন শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সিনিয়র শিক্ষক ও হুয়াওয়ের বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তায় এসব শিক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়েছে।








