গুগল পৃথিবীর অন্যতম একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এতে ৬০ হাজার কর্মী কাজ করছে। এর বর্তমান বাজার মূল্য ৫০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করার জন্য গুগলকে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা করতে হয়। আর প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে তাদের দরকার হয় মেধার। এজন্য তাদেরকে মেধা বজায় রাখতে হয় যা বিভিন্ন সৃজনশীল এবং উৎপাদনশীল কাজের জন্ম দেয়।
গুগলের কর্মীরা প্রত্যেকেই যেকোনও দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে কাজ করে। এরকম দল যারা বিভিন্ন সফলতা নিয়ে এসেছে তাদের মধ্যে কিছু কারণ একেবারেই প্রচলিত। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমনটি উঠে এসেছে।
এরকম কয়েকটি প্রচলিত ব্যাপার হলো-
১. গুগলের দলগুলো সাইকোলজিক্যাল সেফটি প্রতিষ্ঠা করে। এই পরিভাষাটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক এমি অ্যাডমন্ড বলেন, এটা এমন একটি বিশ্বাস যা দলের অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের ঝুঁকি নিতে সাহায্য করে। অর্থাৎ ঝুঁকি নিয়েও এরা নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করে। ফলে সদস্যরা বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয় নিয়ে কাজ করতে সাহস পায় এবং চূড়ান্তভাবে সফলতা নিয়ে আসে।
২. দলগুলো নিয়ম মেনে এবং স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করে। দলের ব্যবস্থাপকরা খুব ভালোভাবে তাদের ব্যবস্থাপনা কাজ পরিচালনা করে। এতে দলের অন্যান্য সদস্যদের কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
৩. গুগলের সব নিয়ম, পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য কর্মীদের সুস্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়। ফলে কর্মীরা তাদের পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে কাজ করতে পারে। এভাবেই তারা প্রতিনিয়ত নিজেদের ছাড়িয়ে যায়।
৪. প্রতিটি দলের সাফল্য নির্ভর করে তারা কী উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে বা সামনে এগিয়ে যাচ্ছে তার উপর। নিজেদের মধ্যে যদি কাজের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে যথাযথ ধারণা থাকে তাহলে সেই কাজে সাফল্য লাভ করা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। আর গুগল এভাবেই সব কাজ সাফল্যের সঙ্গে করে যাচ্ছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
/এইচএএইচ/








