‘বিটিসিএলের ল্যান্ডফোনের পতন ঠেকানো গেছে’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২৩:৫৯আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০৬

বিটিসিএলের কর্মশালায় অন্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল মতিন।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) ল্যান্ডফোনের পতন ঠেকানো গেছে। এখন প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সংখ্যা একটা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। আমরা আশা করছি, ল্যান্ডফোনের গ্রাহক সংখ্যার চিত্র শিগগিরই ঊর্ধ্বমুখী হবে। এ মন্তব্য করেছেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল মতিন। তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে আমরা গ্রাহককে বিনামূল্যে সংযোগ দিচ্ছি। মাসিক বিল তুলে দিয়ে মাসিক প্যাকেজ করে দেওয়া, কলচার্জ কমানোর মতো উদ্যোগ নেওয়ায় নতুন গ্রাহক সংখ্যা বাড়ছে এবং ক্লোজিং (সংযোগ সারেন্ডার করা) সংখ্যা কমছে।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) টেলিকম বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে রাজধানীর ইস্কাটনে বিটিসিএল কার্যালয়ে বিটিসিএলের ব্র্যান্ডিং এবং গণমাধ্যম শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় বিটিসিএলের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল মতিন বলেন, আমার নিজস্ব কিছু ডাটা আছে। যে ফলটা (পতন) হচ্ছিল সেটা স্থির অবস্থানে রয়েছে। স্থিতিশীল রয়েছে। এ মাসের ৮ ও ৯ তারিখে আমাদের একটি বৈঠক হবে। ওই বৈঠকের পরে ১০ ফেব্রুয়ারি আমরা পুরো তথ্য দিতে পারবো। আমার কাছে যে তথ্য আছে তা দেখে এটুকু বোঝা যায় পতনটা রোধ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি জানান, বিলিং ডেটা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসের মধ্যে এই প্রথম মাস যে মাসে সবচেয়ে কম ক্লোজিং হয়েছে, যার সংখ্যা ৪ হাজার ৬৬৭টি।

তিনি আরও বলেন, বিটিসিএলের আয় বেড়েছে কিন্তু আমরা মুনাফা দেখাতে পারছি না। কারণ আমাদের ডেপ্রিসিয়েশন (অবচয়) বেশি। ফলে আমরা বেশি আয় করেও মুনাফা করতে পারছি না। অবচয় কমে এলে আমরা মুনাফায় ফিরতে পারবো।

এর আগে বিটিসিএলের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমান ২০৩০ সাল পর্যন্ত তাদের কর্মপরিকল্পনা ও রূপরেখা তুলে ধরেন। সেই রূপরেখার মধ্যে বিটিসিএল জাদুঘর, রাজধানীর পূর্বাচলে গিগা সিটি গড়ে তোলা ও ২০৩০ সালে দেশের বাড়ি বাড়ি ইন্টারনেট পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, বিটিসিএল টেলিসেবা নামে মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছে যার মাধ্যমে বিল পরিশোধ, অভিযোগ জানানোসহ অনেক কাজ করা যাবে। বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে এটা ব্যবহার করা যাচ্ছে। শিগগিরই আইওএস ডিভাইসেও অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে বিটিসিএলের গ্রাহক ছিল ১০ লাখের বেশি। ২০১১ সালে তা দাঁড়ায় ৯ লাখ ৪৩ হাজারে। ২০১৬ সালে বিটিসিএলের গ্রাহক ছিল ৭ লাখ ১৬ হাজার। ২০১৮ সালে ছিল ৬ লাখের মতো। গত ১০ বছরে বিটিসিএলের গ্রাহক কমেছে ৪ লাখের বেশি। বর্তমানে এর গ্রাহক সংখ্যা ৫ লাখের বেশি।

 

 

 

/এইচএএইচ/টিএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম