বিভিন্ন কাজে ড্রোনের ব্যবহার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বৃহৎ সব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের বিভিন্ন পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে ড্রোনের মাধ্যমে। এরই ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ার ডাক বিভাগের কাজে ড্রোন ব্যবহার করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। এ খবর জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ।
বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে অস্ট্রেলিয়ার ডাক বিভাগ চিঠিপত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজে ড্রোন ব্যবহার করছে। দুই সপ্তাহ ধরে এই পরীক্ষা চালানো হচেছ। আর এ কাজে তাদের সাহায্য করছে অস্ট্রেলিয়ার সিভিল এভিয়েশন সেফটি অথরিটি।
অস্ট্রেলিয়ান দৈনিক দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড জানিয়েছে, এই পরীক্ষামূলক ধাপে অংশ নিতে অনেকেই বেশ আগ্রহ দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত বসবাসকারী মানুষের জন্য এটা বেশ আনন্দের সংবাদ। কারণ অনেক এলাকা রয়েছে, যেখানকার নিকটস্থ পোস্ট অফিস বাড়ি থেকে কয়েক মাইল দূরে অবস্থিত। পরীক্ষামূলকভাবে সপ্তাহে দুই দিন ৫০ টি এলাকার চিঠিপত্র বিলি করবে এই ড্রোন। বেশির ভাগই শহুরে এলাকার বাইরে অবস্থিত।
ডাক বিভাগের জন্য ব্যবহৃত ড্রোনগুলো নির্মাণ করেছে অস্ট্রেলিয়ান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এআরআই ল্যাবস। ড্রোনে যুক্ত থাকছে প্যারাস্যুট এবং সতর্কীকরণ বিশেষ বাতি। অন্যদিকে আর সব ড্রোনের মতো এখানে থাকছে একটি ক্যামেরা । ড্রোনের অপারেটর খুব সহজেই এই বিশেষ ক্যামেরার মাধ্যমে চলতি পথের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করতে পারবেন। ২০১৬ সালের মধ্যেই ডাক বিভাগের এই ড্রোন সেবা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার ইচ্ছা রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ডাক বিভাগের।
তবে নিরাপত্তার খাতিরে তারা কোনও আপস করতে রাজি নয়। অস্ট্রেলিয়া পোস্টেও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ ফারার জানিয়েছে, তখনই তারা ডাক পরিবহন ড্রোন ব্যবহার শুরু করবেন, যখন এর নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চিত হতে পারবেন।
/এনএস/এইচএএইচ/








