উদ্বোধন হলো আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডের। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারের অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।
অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‑ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম, হংকং ব্লকচেইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ড. লরেন্স মা, গ্লোবাল ব্লকচেইন বিজনেস কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক সান্দ্রা রো, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডের চেয়ারম্যান ও টেকনোহেভেন কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হাবিবুল্লাহ এন করিম।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেন, ইতিহাস বা অতীতের সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব না কিন্তু চাইলে নিজেই নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি করা যায়। এই বিষয়টি তরুণদের হাতেই আছে। শুধু স্বপ্ন দেখেই নয়, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে হবে। তিনি আরও বলেন, কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি চিন্তা, গবেষণা, বাইরে যাওয়া, অ্যাডভেঞ্চার, ঝুঁকিগ্রহণ, স্টার্টআপ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও নিজেকে নিযুক্ত করতে হবে।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তরুণরাই ভবিষ্যতের অগ্রগতির মশাল বহনকারী। আমি বিশ্বাস করি, ২০২২ সালের আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডে আরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী অংশ নিবেন।
হংকং ব্লকচেইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ড. লরেন্স মা বলেন, এ বছর করোনা পরিস্থিতির জন্য এমন একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজন করা অনেক কঠিন ছিল। বাংলাদেশ সুন্দরভাবে সফলতার সঙ্গে করতে পেরেছে।
সরকারের আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলসহ ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ এবং টেকনোহেভেন কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে এই আয়োজন করেছে। এছাড়া সহযোগী হিসেবে রয়েছে এফবিসিসিআই, বেসিস, আইবিএ, এসিআই লি., ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইউথ পলিসি ফোরাম ইত্যাদি।
এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ১২টি দেশ অংশ নিচ্ছে। তিন দিনের এই অলিম্পিয়াড চলবে ১০ অক্টোবর রবিবার।









