নাম বদলালো বাক্কো। কল সেন্টারের বদলে সে জায়গায় যুক্ত হলো কন্টাক্ট সেন্টার। ফলে বাক্কোর পুরো নাম এখন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্টাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)। সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালীর একটি কনভেনশন হলে বাক্কোর ইফতার মাহফিলে নাম বদলের ঘোষণা এবং নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির (২০২২-২০২৪) সঙ্গে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। নতুন কমিটির সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নব-নির্বাচিত সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ বলেন, বিপিও শিল্পের ব্যাপ্তি এখন শুধু কল সেন্টারে সীমাবদ্ধ নয়, সরকারের সহযোগিতা, বাক্কোর তত্ত্বাবধায়ন এবং বাক্কো সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরলস প্রচেষ্টায় বর্তমানে বিপিও শিল্প বহুলাংশে বাড়ছে। একইসঙ্গে বিপিও শিল্পে কাজের পরিধি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বাক্কো এখন থেকে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্টাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং হিসেবে পরিচিত হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, বিপিও খাতে ৬৫ হাজার দক্ষ জনশক্তি কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে বাক্কো। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে বাক্কোর অবদান প্রশংসনীয়।
ভিডিও বার্তায় বাক্কোর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের মঙ্গল কামনা করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। শিক্ষাব্যবস্থায় বিপিও সংযোজন এবং বিপিও শিল্পের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঘোষণা করা হয় দুই বছর মেয়াদে ১২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যদের নাম। কমিটির অন্যরা হলেন—জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মো. আবুল খায়ের, সহ-সভাপতি তানভীর ইব্রাহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানজিরুল বাসার ও অর্থ সম্পাদক মো. আমিনুল। পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রাশেদ নোমান, আবু দাউদ খান, ডা. তানজিবা রহমান, কাওসার আহমেদ, মুসনাদ ই আহমেদ এবং মো. ফজলুল হক।
বাক্কোর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন বলেন, প্রতিটি সদস্যের উন্নয়নের মাধ্যমেই বিপিও শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব। কল সেন্টার থেকে কন্টাক্ট সেন্ট করার উদ্দেশ্যেই হচ্ছে এখন শুধু ফোনের মাধ্যমে কাস্টমার সার্ভিস দেওয়া হয় না, তার সঙ্গে সোশাল মিডিয়া চ্যাটিং, এসএমএস-সহ অনেক সার্ভিস এক সঙ্গে করে এখন কাস্টমারকে সার্ভিস দেওয়া হয়।








