নতুন সংকট শুরু হয়েছে টুইটারে। ইলন মাস্কের কঠিন নীতি ঘোষণার পর থেকে কর্মীরা তা মানতে রাজী নন অথবা নিজেরাই চাকরি থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন। গুগলের একটি ফর্মে এ বিষয়ে কর্মীদের কাছে জানতে চাওয়া হলে কয়েক ঘণ্টা পর দেখা যায়, বেশিরভাগ কর্মীই মাস্কের ভিশনকে অস্বীকার করছেন।
সংবাদ মাধ্যম এনগেজেট জানায়, টুইটার ছাড়া শুরু হয়েছে মূলত ইলন মাস্কের অর্ধেক কর্মী ছাঁটাইয়ের পর থেকে। আপাতত কতজন কর্মী প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে যাচ্ছেন তা এখনও নিশ্চিত নয় বলে জানায় এনগেজেট। নিউইয়র্ক টাইমস প্রাথমিকভাবে জানায়, এই সংখ্যা শতাধিক হতে পারে। আর অন্যান্যরা জানাচ্ছে, এই সংখ্যা তার চেয়েও অনেক ওপরে।
পরে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, গত শুক্রবার পর্যন্ত এই সংখ্যা অন্তত এক হাজার দুইশ’তে পৌঁছেছে।
এখন কর্মীদের এই বের হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি নতুন যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে তা হলো, টুইটারের অবশিষ্ট প্রকৌশলীরা প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে নিতে পারবে কিনা।
টুইটারের অবশিষ্ট কর্মীরা মনে করছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে টুইটার বেশ বিপদের মুখেই পড়েছে। বিশেষ করে, সামনের বিশ্বকাপের সময় এটাকে সামলানো আরও মুশকিল হবে বলে মনে করে তারা। টুইটারে এখন কোনও কমিউনিকেশন স্টাফ নেই।
যদিও সম্প্রতি মাস্ক একটি টুইট বার্তায় বলেন, সবচেয়ে ভালো কর্মীরাই এখানে টিকে আছেন, তাই আমি এ বিষয়ে বিশেষ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত নই।









