৪১ বছর পর শেকড়ের সন্ধানে পাবনায় ডেনিশ নাগরিক মিন্টো

Send
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮:১০, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪৪, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

স্ত্রী`র সঙ্গে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ডেনিশ নাগরিক মিন্টো কারস্টেন সনিকবাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ডেনিশ নাগরিক মিন্টো কারস্টেন সনিক। ৬ বছর বয়সে পাবনায় পরিবার আর স্বজনদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। সেখান থেকে ঘটনাক্রমে ডেনমার্কে। তবে ৪১ বছর পর আবার পাবনায় এসেছেন নিজের বাবা-মা আর স্বজনদের খোঁজে। মিন্টো জানেন না তার বাবা-মা, এমনকি গ্রামের নামও। ছোটবেলার একটি ছবিকে সম্বল করে নিজের পরিবার ফিরে পেতে পাবনার পথে পথে ঘুরছেন তিনি।মিন্টোর ছোটবেলার ছবি

বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে মিন্টো কারস্টেন সনিক জানান তার শেকড় সন্ধানের কথা। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী এনিটি হোলমিহেভ। তাদের দুজনের কেউই কথা বলতে পারেন না বাংলা ভাষায়। সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন বন্ধু স্বাধীন বিশ্বাস। মিন্টোর ছোটবেলার ছবি

মিন্টোর হয়ে স্বাধীন জানান, ১৯৭৭ সালে ছয় বছর বয়সে পাবনার নগরবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে হারিয়ে যান মিন্টো। সেখান থেকে চৌধুরী কামরুল হোসেন নামের কোনও এক ব্যক্তি মিন্টোকে পৌঁছে দেন ঢাকার ঠাটারিবাজারের এক আশ্রমে। ১৯৭৮ সালে এক ডেনিশ দম্পতি দত্তক নিয়ে ডেনমার্ক নিয়ে যান মিন্টোকে। সেখানেই কেটে গেছে তার ৪১টি বছর। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে সস্ত্রীক পাবনায় এসেছেন মিন্টো কারস্টেন সনিক। এই ভীনদেশি দম্পতি এখন পাবনার অলিগলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মানুষের হাতে লিফলেট দিয়ে কিছু তথ্য জানতে চাইছেন। নিজের ছোটবেলার ছবি দেখিয়ে খুঁজছেন আসল পরিচয়।

স্বাধীন জানান, ইতোমধ্যে মিন্টোর সঙ্গে কয়েকজন যোগাযোগ করেছেন। তাদের ডিএনও টেস্ট করার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কে তার বাবা-মা বা স্বজন। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদেরও সাহায্য চেয়েছেন মিন্টো ও তার স্ত্রী।
আরও পড়ুন- দাদন ব্যবসা: শিক্ষকের বেতন তোলেন মহাজন!

 

/এফএস/এমওএফ/

লাইভ

টপ