যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার ৭ আসামি কারাগারে

Send
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:১৪, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:২৫, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

আসামিদের কারাগারে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার যুবলীগ কর্মী নঈম উদ্দীন পল্টু হত্যা মামলার প্রধান আসামি উপজেলা যুবলীগের সহসম্পাদক আব্দুল মান্নান ও দর্শনা পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসলাম আলী তোতাসহ ৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেb আদালত।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল ইসলাম তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ২৩ আগস্ট শুক্রবার বিকালে দর্শনা রেল-ইয়ার্ডে যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান ও শেখ আসলাম আলী তোতাসহ ১৫-২০ জন প্রকাশ্য দিবালোকে যুবলীগ কর্মী পল্টু (৩৮) ও মনজুরুল (৩৭)-কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পল্টু মারা যান।

পরের দিন রাতে নিহতের বড় ভাই দর্শনা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঈনউদ্দীন মণ্টু বাদী হয়ে দামুড়হুদা থানায় যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান, শেখ আসলাম আলী তোতা, দিপু, সাইফুল ইসলাম বাংলা, আলম, সোহেল ও আশিক এর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এরপর ৯ সেপ্টেম্বর মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা উচ্চ আদালতে হাজির হয়ে আগাম জামিন প্রার্থনা করেন। সেসময় আদালত তাদের ১০ দিনের জামিন মঞ্জুর করেন এবং ১০ দিন পর নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

উচ্চ আদালতের নিদের্শনা অনুযায়ী সোমবার বিকালে আসামি আব্দুল মান্নানসহ ৭ জন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমপর্ণ করে ফের জামিন প্রার্থনা করেন। এসময় আদালত আসামিদের জামিন না-মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দামুড়হুদা থানার উপপরিদর্শক মোহাব্বত আলী জানান, ইতোমধ্যে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামিদের সবাইকেই রিমান্ডে নেওয়া হবে।

 

 

 

/এএইচ/

লাইভ

টপ