উগ্র-জাতীয়তাবাদী উসকানিদাতাদের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৭:১১, জুলাই ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:১৪, জুলাই ১২, ২০১৯

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উগ্র-জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের উসকানিদাতাদের প্রশংসার জন্য হোয়াইট হাউসে স্যোশাল মিডিয়া সম্মেলনকে কাজে লাগিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ট্রাম্প নিজেই এদের অনেকের দৃষ্টিভঙ্গিকে চরম হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষজ্ঞ ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের আহ্বান জানানো হয় ইন্টারনেটের ‘সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ’ নিয়ে আলোচনার জন্য। তবে এতে ফেসবুক, টুইটার বা গুগলের মতো জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানির কোনও প্রতিনিধিকে আহ্বান জানায়নি ট্রাম্প প্রশাসন। যাদের আহ্বান জানানো হয়েছে তাদের মধ্যে ছিলেন প্রজেক্ট ভেরিতাসের প্রতিষ্ঠাতা জেমস ও’কিফি, ট্রাম্পপন্থী অ্যাক্টিভিস্ট বিল মিচেল, কলেজ রিপাবলিকান অ্যাক্টিভিস্ট চার্রি কির্ক। বেন গ্যারিসন নামের ডানপন্থী কার্টুনিস্ট সমালোচনার মুখে উপস্থিত হতে রাজি হননি।

সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট টুইটারে নিজের অসংখ্য ফলোয়ার থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং রক্ষণশীল ঘরানার উপস্থিতদের প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি দাবি করেন, সামাজিকমাধ্যমে তার অনুসারী সংখ্যা বেড়ে যাওয়া কমে গেছে। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিস্তারিত তুলে না ধরেই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হাজির করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, আপনাদের অনেকেই অসাধারণ প্রতিভাবান। তবে তা খারাপ।

আলোচনার পর ট্রাম্প টুইটারে এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি সব মার্কিন নাগরিকদের জন্য মত প্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা দিতে নিয়ন্ত্রণ ও আইনি সমাধান খুঁজে দেখার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে ডানপন্থী ও উগ্র-জাতীয়তবাদী দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ তোলার পর বৃহস্পতিবার এই সম্মেলন আয়োজন করা হলো। মে মাসে হোয়াইট হাউস ফেসবুক ও টুইটারে সেন্সরশিপের শিকার হলে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ জানানোর জন্য একটি টুল প্রকাশ করেছে।

 

/এএ/

লাইভ

টপ