behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

দৃকের কর্মকর্তা খুনের ঘটনায় মামলা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৪:৩৮, এপ্রিল ০৪, ২০১৬

ইরফানুল ইসলাম

দৃক গ্যালারির কর্মকর্তা ইরফানুল ইসলাম (৪২) হত্যার ঘটনায় কলাবাগান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

সোমবার দুপুরে কলাবাগান থানায় এই মামলাটি করা হয়। কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাদীর এজাহারটি আমরা পেয়েছি। মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইন আনুযায়ী সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রবিবার দুপুরের দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় ইরফানুল ইসলামের লাশ পাওয়া যায়। তার পরিবারের সদস্যরা নারায়ণগঞ্জ গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।

দৃকের মার্কেটিং ম্যানেজার তাইমুর রশিদ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ইরফানুল ইসলাম ছিলেন দৃকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। অ্যাকাউন্টও দেখতেন তিনি। শনিবার বেলা ১১টা ২৬ মিনিটের দিকে তিনি ধানমণ্ডির ৮ নম্বর সড়কের ডাচ বাংলা ব্যাংকে যান। এরপর ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা তোলেন।

তিনি অফিসের গাড়িতে করেই ব্যাংকে গিয়েছিলেন। চালক নাসির মিয়া জানিয়েছেন, ব্যাংক থেকে একটু দূরে তিনি গাড়ি পার্ক করে রাখেন। বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে তার সঙ্গে নাসিরের কথা হয়। এরপর দীর্ঘক্ষণ খোঁজ না পেয়ে আবারও ফোন করলে তাই মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর তিনি অফিসে ফোন করে বিষয়টি জানান।

ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ইরফানুল ইসলাম ১২টা ২৬ মিনিটে ব্যাংক থেকে বের হয়েছেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায় দৃক কর্তৃপক্ষ। এরপর দৃকের মহাব্যবস্থাপক এসএম রেজাউর রহমান কলাবাগান থানায় জিডি করেন।

তাইমুর রশিদ জানান, ১৯৯৩ সালে দৃক গ্যালারিতে যোগ দেন ইরফানুল ইসলাম। পরিবার নিয়ে তিনি হাজারীবাগ থানার মনেশ্বর রোডের ৩৭/১ বাসায় বাস করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার লোহাগড়ার আমতলা।

বন্ধু ও সহকর্মী ইমতিয়াজ আলম বেগ বলেন, ‘ইরফানুল ইসলাম খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আমার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের পরিচয়। দৃক গ্যালারিতে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ ফটো সোসাইটির দায়িত্ব পালন করেন।’

/এআরআর/এসটি/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ