X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

‘জাতীয় ঐক্যজোট’ নিয়ে আসছেন এরশাদ!

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০১৭, ১৯:২৫

 

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠক জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে ‘জাতীয় ঐক্যজোট’ নামে একটি রাজনৈতিক জোট আত্মপ্রকাশ করবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলতি বছরের এপ্রিলের মধ্যেই জোটটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে শনিবার দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠকে জোটগতভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জোটে ধর্মভিত্তিক একটি জোট, ক্ষুদ্র দলগুলোর একটি জোট তৈরিসহ জাপার মধ্যে নির্বাচনি ঐক্য স্থাপিত হবে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দলের একাধিক নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, মূলত তিনটি জোটের সমন্বিত রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে জাতীয় পার্টি। এর একটি হবে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে নিয়ে। ইতোমধ্যে ১০টি দল এই জোটে আগ্রহী বলে দাবি করা হয়েছে। দ্বিতীয়টি ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র দল নিয়ে, যেটি স্বতন্ত্র থাকবে। জোটের একজনকে প্রধান করে এরশাদের জোটে যুক্ত করা হবে। তৃতীয়টি হবে সরাসরি জাপার নেতৃত্বে নিবন্ধিত দলগুলোকে নিয়ে। এই তিনটি জোটের সমন্বিত রূপটি হবে ‘জাতীয় ঐক্যজোট।’

বৈঠক সূত্রের দাবি, এরশাদের নেতৃত্বে সংগঠিত নতুন এই জোটের নাম অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যার ভিত্তিতে হবে না। এক্ষেত্রে একটি জোটভিত্তিক কৌশলে যাচ্ছেন এরশাদ। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর একটি জোট হবে, সে জোটের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব থাকবে এরশাদের জোটে। যদিও ইসলামী ঐক্যজোটের একজন শীর্ষনেতা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জোট হয়ে আবার জোটে কেন যাব?’ তবে এর ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি জাপার কোনও নেতার কাছ থেকে।

জাপার একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলছেন, ‘ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে তাদের যে কথা হয়েছে, তারা কোনোভাবেই ৩১ মার্চের আগে জোটসংক্রান্ত কোনও খবর হতে চান না। এই জোটে আসা সম্ভাব্য দলগুলো হাফেজ্জী হুজুরের নামে রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রতিবাদে একটি সমাবেশ করবে ৩১ মার্চ। ওই সমাবেশের পরই এরশাদের জোটে আসা ও নতুন জোট নিয়ে সক্রিয় হতে চাইছে বেশিরভাগ দল।’

শনিবার দুপুরে বনানীতে জাপার চেয়ারম্যান কার্যালয়ে প্রেসিডিয়ামের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই আগামী নির্বাচন উপলক্ষে জোট করার ব্যাপারে সর্বসম্মতি ক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান জাপার মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারও। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘ইতোমধ্যে নিবন্ধিত ১০-১২টি দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে জোট করেই ভোট হবে।’

জোট-প্রক্রিয়ার প্রধান সমন্বয়ক ও এরশাদের রাজনৈতিক সচিব সুনীল শুভ রায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নামের বিষয়টি মোটামুটি ঠিক হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আরও কিছু দিন পর  বলা যাবে।’

জাপার কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি জোট করার সিদ্ধান্ত প্রেসিডিয়ামের সভায় পাকা হয়েছে। এর বেসিক ছিল, একটি কম্বাইন্ড প্ল্যাটফরম তৈরি করা, যেখানে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত যেকোনও দল, দায়িত্বশীল ও রাজনীতিতে গুরুত্ব আছে, এমন দলগুলোর সমন্বয়েই জোট গঠন করা।তবে নামসর্বস্ব কোনও দলকে রাখা হচ্ছে না।’

জানা গেছে, গত ৭ মার্চ ছোট ১৫ দলের সঙ্গে বৈঠক করেন এরশাদ। ওই দলগুলো বর্তমানে আলমগীর মজুমদারের নেতৃত্বে আছে। দলগুলো হলো, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, আমজনতা পার্টি, গণতান্ত্রিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ইসলামী ডেমোক্রেটিক পার্টি, কৃষক শ্রমিক পার্টি, ইউনাইটেড মুসলিম লীগ, গণ অধিকার পার্টি, তফসিল ফেডারেশন, জাতীয় হিন্দু লীগ, সচেতন হিন্দু পার্টি, বাংলাদেশ পিপলস্ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিপিডিপি) ও ইসলামী গণ আন্দোলন।

এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামী ফ্রন্টসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে এরশাদের বৈঠক হয়েছে। ধর্মভিত্তিক দলগুলোর নেতারা বলছেন, চায়ের দাওয়াতে গিয়েছিলেন এরশাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। যদিও সূত্র বলছে, এরই মধ্যে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। ৩১ মার্চ ধর্মভিত্তিক দলগুলোর একটি কর্মসূচির কারণে আলোচনা ধীরে এগুচ্ছে। আর ১০ এপ্রিল ইসলামী ফ্রন্টের কাউন্সিলের তারিখ হওয়ায় এপ্রিলের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে যেতে পারে এরশাদের নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান।

সুনীল শুভ রায় জানান, ‘মূলত এরশাদের প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রণয়ন ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার—এই দু’টিই হচ্ছে সম্ভাব্য মূলনীতি। এই নীতিতে বিশ্বস্ত থাকলেই জাতীয় ঐক্যজোটে নাম লেখাতে পারবে অন্য দলগুলো। এক্ষেত্রে জোটের ঐক্যের ভিত্তি হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইসলামি মূল্যবোধ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এই বিষয়গুলো ধারণের ভিত্তিতেই গঠিত হচ্ছে জোট।’

বৈঠক সূত্র জানায়, প্রেসিডিয়ামের সভায় কেবল নামসর্বস্ব দল না নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জাপা থেকে সরে যাওয়া নেতারাও দলে ফিরতে পারবেন বলে সভায় আলোচনা হয়েছে। মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমরা দলের কোয়ালিটি দেখছি। যেসব দলের গণভিত্তি আছে, সে দলগুলোই জোটে আসবে। এপ্রিলের যেকোনও দিন জোটের ঘোষণা আসবে।’

 আরও পড়ুন: গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির রোডম্যাপ এখনই

/এমএনএইচ/

সম্পর্কিত

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

সার্চ কমিটিও একটি আইনি প্রক্রিয়া, বলছে আওয়ামী লীগ

সার্চ কমিটিও একটি আইনি প্রক্রিয়া, বলছে আওয়ামী লীগ

বেকারত্ব নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে: জিএম কাদের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৯

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, একদিকে করোনার অজুহাতে চাকরিজীবীদের বেতন অর্ধেক কমিয়ে দিয়ে তাদের জীবিকা নির্বাহের পথ দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছে, আবার বেকারত্ব নিয়েও তামাশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষিত যুবকেরা নিজ উদ্যোগে কাজ করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে গিয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছে। নিজের উপার্জনের মাধ্যম কেনা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলার মতো প্রতিবাদ আমাদের বিবেককে আহত করেছে।’

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে কুড়িগ্রামের ব্যবসায়ী প্রকৌশলী সাইফুর রহমান সরকারের আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পার্টিতে যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

দেশে দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, ‘অযৌক্তিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য বাড়িয়ে জনদুর্ভোগ চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

কুড়িগ্রাম জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পনির উদ্দিন আহমেদ এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া এবং যোগদানকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল রহমান সরকার।

 

/এসটিএস/এপিএিইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে: জিএম কাদের

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে: জিএম কাদের

বঙ্গবন্ধু খুব স্নেহ করতেন এরশাদকে: জিএম কাদের

বঙ্গবন্ধু খুব স্নেহ করতেন এরশাদকে: জিএম কাদের

কর্মহীন পরিবারপ্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দিন: জি এম কাদের

কর্মহীন পরিবারপ্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দিন: জি এম কাদের

ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ জরুরি, সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দিন: জি এম কাদের

ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ জরুরি, সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দিন: জি এম কাদের

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩৪

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। এরা আজকে পুরোপুরিভাবে একটা লুটেরা অর্থনীতি, একটা লুটেরা সমাজ তৈরি করছে। কী অবস্থা দেখেন, এই করোনার কারণে মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা এত খারাপ হয়েছে যে, গতকাল (সোমবার) একজন যুবক তার মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে। কেন পুড়িয়েছে?

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটি ও বিষয়ভিত্তিক কমিটির এক সভায় বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

তিনি দাবি করেন, সরকারের লুটেরা অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় মানুষের হতাশা চরম পর্য়ায়ে।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মোটরসাইকেল পোড়ানো যুবকের প্রসঙ্গ তুলে ফখরুল বলেন, ‘‘সে বলছে যে, আমি একটা সিরামিক্সের দোকান করতাম। সেটা করোনার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমি আমার সঞ্চিত অর্থ দিয়ে একটা মোটরসাইকেল কিনে রাইড শেয়ারিং কাজ করার চেষ্টা করছি। সেখানে আমাকে প্রতি পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে— অমুক সার্টিফিকেট লাগবে, তমুক সার্টিফিকেট লাগবে। তার চেয়ে পুড়িয়ে ফেলি।’ এটা কখন হয়? যখন হতাশার চরম পর্যায় গিয়ে পৌঁছে মানুষ। আজকে সেই অবস্থায় গিয়ে আমরা পৌঁছেছি।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের লক্ষ্য ছিল এখানে একটা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা এবং একইসঙ্গে এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা, যেটা আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মূল কথা ছিল, সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এগুলোর জন্য আমাদেরকে সংগ্রাম করতে হবে, লড়াই করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই লড়াইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। আমাদের সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের লক্ষ্য এই হওয়া উচিত, যাতে করে আমরা সেদিকে যেতে পারি।’

আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।’

জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব আবদুস সালামের সঞ্চালনায় সভায় নেতারা স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীর বছরব্যাপী কর্মসূচি পুনরায় শুরুর বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আামান, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, ফরহাদ হালিম ডোনার, বিজন কান্তি সরকার, অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার, আবদুল হাই শিকদার, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল জয়নাল আবেদীন, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, আশরাফউদ্দিন উজ্জ্বল, আমিনুল হক, জহিরউদ্দিন স্বপন, মনীষ দেওয়ান, মার্শেল এম চিরমা, অধ্যাপক হারুন আল রশিদ,  চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের এবিএম আবদুর সাত্তার, রিয়াজউদ্দিন নসু ও প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

/এসটিএ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

হামলা করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরত রাখা যাবে না: মির্জা ফখরুল

হামলা করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরত রাখা যাবে না: মির্জা ফখরুল

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলামকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলামকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

এত খারাপ সময় আর দেখিনি: মির্জা ফখরুল

এত খারাপ সময় আর দেখিনি: মির্জা ফখরুল

বিএনপি জোট ছেড়ে দেবে খেলাফত মজলিস?

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৪

গত আগস্ট মাসেই আলোচনায় ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছেড়ে দিচ্ছে খেলাফত মজলিস। সেই আলোচনা এখন জোরালো হয়ে উঠেছে দলটিতে। আগামী শুক্রবার (১ অক্টোবর) অনুষ্ঠেয় দলের কেন্দ্রীয় শুরার বৈঠক থেকে এমন ঘোষণা আসতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রভাবশালী একাধিক দায়িত্বশীলের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানা গেছে।

মজলিস নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৯ সালে দলের মজলিসে শুরার বৈঠকেই বিএনপি জোট থেকে বেরিয়ে আসার মৌলিক সিদ্ধান্ত ছিল। ওই সিদ্ধান্ত এখন চূড়ান্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।

জানতে চাইলে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এগুলো এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। শুক্রবার শুরার বৈঠক রয়েছে। বৈঠকে যা সিদ্ধান্ত হবে, তা-ই হবে। অগ্রিম বলা যাচ্ছে না।’

কিন্তু ২০১৯ সালে শুরার সিদ্ধান্ত ছিল—অকার্যকর হওয়ায় ২০ দলীয় জোটে আর যাবে না মজলিস। এ প্রসঙ্গে মুহাম্মদ ইসহাক বলেন, ‘হ্যাঁ, শুরার মতামত এমন ছিল।’

মজলিসের একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপি-জোট নিষ্ক্রিয় ও অকার্যকর। আর এই জোটে থাকার রাজনৈতিক মূল্যায়নও পায়নি মজলিস। সর্বশেষ হেফাজতের ঘটনায় দলটির মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। এ বিষয়টি নিয়ে দলে নানা মত রয়েছে বলে জানান দলটির একাধিক নেতা।

এর আগে, জোটের শরিক দলের যথাযথ মূল্যায়ন না করাসহ কয়েকটি কারণ দেখিয়ে গত ১৪ জুলাই বিএনপি জোট ছেড়ে দেয় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। এরপর ১৮ জুলাই থেকে মুক্তি পেতে শুরু করেন ওই দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতারা। বর্তমানে জমিয়তের অধিকাংশ নেতা জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে এসেছেন।

এ বিষয়ে দলের আমির মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক বলেন, ‘আমরা মহাসচিবের মুক্তির জন্য আইনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তার বাড়িঘরের খবর নেওয়া হচ্ছে।’

তবে খেলাফত মজলিসের জোট ত্যাগ করার পেছনে রাজনৈতিক কারণই প্রধান বলে জানান একাধিক নেতা। তারা বলছেন, রাষ্ট্রীয় চাপ ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে নতুন আঙ্গিকে চিন্তা করার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখেও পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনার চিন্তাভাবনা চলছে মজলিসে।

মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতারা,  মহাসচিব বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন (ফাইল ফটো) দলীয় সূত্র জানায়, আগামী শুক্রবার পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড এলাকার একটি হোটেল মিলনায়তনে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শুরার বৈঠক অনুষ্ঠান হবে। অন্তত দুই শতাধিক শুরা সদস্য এতে অংশ নেবেন।

সূত্র জানায়, বৈঠকে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি, দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন শুরা সদস্যরা। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন ডাকতে পারেন দলটির নেতারা।

মজলিসের নির্ভরযোগ্য কয়েকজন নেতা জানান, দেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলের অনুসারী ও নেতাকর্মীদের সামনে মজলিসের সর্বশেষ রাজনৈতিক অবস্থান ও জোটগত রাজনীতি নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিফ করতে পারেন দলের শীর্ষ নেতারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের শুরার বৈঠক হচ্ছে—অবশ্যই এর তাৎপর্য আছে। যেহেতু আমরা রাজনৈতিক দল, সেহেতু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকতেই পারে। আশা করি, বৈঠকে দুই শতাধিক সদস্যের কাছাকাছি অংশগ্রহণ করবেন।’

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ৬ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ঐক্যজোটকে সঙ্গে নিয়ে ‘চারদলীয় জোট’ গঠন করেছিল বিএনপি। পরে এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি বেরিয়ে গেলে যুক্ত হয় নাজিউর রহমান মঞ্জুর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল নতুন ১২টি দলের সংযুক্তির মাধ্যমে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা চারদলীয় জোট কলেবরে বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ দলীয় জোটে। এরপর জোটের পরিধি দাঁড়ায় ২০ দলে।

তবে ২০ দলীয় জোট থেকে ইসলামী ঐক্যজোট, এনপিপি, ন্যাপ ও এনডিপি বেরিয়ে গেলেও একই নামে এসব দলের একাংশকে জোটে রেখে দেয় বিএনপি। জোট ছেড়ে যায় আন্দালিভ রহমান পার্থের বিজেপিও। সর্বশেষ, গত ১৮ জুলাই জমিয়ত বেরিয়ে গেলেও একই নামে আরেকটি অংশ রয়েছে জোটে। তবে খেলাফত মজলিস বেরিয়ে গেলে এই নামে কোনও অংশকে জোটে রাখবে কিনা বিএনপি, এমন কোনও পরিকল্পনার কথা মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:

এবার বিএনপি-জোট ছাড়ার আলোচনা খেলাফত মজলিসে

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আইন অপরিহার্য: ইনু

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আইন অপরিহার্য: ইনু

‘উপজেলা প্রশ্নে হাইকোর্টের নির্দেশনা ঐতিহাসিক রায়’

‘উপজেলা প্রশ্নে হাইকোর্টের নির্দেশনা ঐতিহাসিক রায়’

গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের বিকল্প নেই: রিজভী

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪৯

বিএন‌পির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এই সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রি‌পোর্টার্স ইউনিটিতে মানবসেবা সংঘের উদ্যোগে "নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ও বহুদলীয় গণতন্ত্র” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন ‑ সাহস থাকলে তারেক রহমান দেশে আসুক। তাদেরকে বলি ‑ সাহস থাকলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচন দেন। আপনাদের সাহস থাকলে একটা শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন দেন। সেই সাহস আপনাদের নেই। নিজেরা পদত্যাগ করে নির্দলীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা দেন। দেখি আপনাদের সাহস আছে কিনা।

তিনি বলেন, যারা এখন ক্ষমতায় আছে, তারা এক দানবীয় পন্থায় ক্ষমতায় রয়েছে। নানা হুমকি দিয়ে, নানা কালাকানুন তৈরি করে, মিডিয়াকে ভয় দেখিয়ে তারা ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে। আবার নিজেদের কিছু মিডিয়া দিয়ে অনর্গল মিথ্যা বলে যাচ্ছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের বিকল্প নেই।

সংগঠ‌নের সভাপতি সঞ্জয় দে রিপনের সভাপ‌তি‌ত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ‑ বিএন‌পির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, বিএন‌পির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক এড. গৌতম চক্রবর্তী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দ‌লের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কা‌দির ভূইয়া জু‌য়েল, ছাত্রদ‌লের সহসভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম প্রমুখ।

/জেডএ/এমএস/

সম্পর্কিত

বেকারত্ব নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে: জিএম কাদের

বেকারত্ব নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে: জিএম কাদের

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

বিএনপি জোট ছেড়ে দেবে খেলাফত মজলিস?

বিএনপি জোট ছেড়ে দেবে খেলাফত মজলিস?

বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে তামাশা করেছিল বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে তামাশা করেছিল বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে তামাশা করেছিল বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০৩

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল বিএনপি। বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে বিএনপি এই তামাশা করেছিল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে কেন সংসদে আসেনি—এটা কোন গণতন্ত্র?

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব নেতাকর্মীকে শপথ নিতে হবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দলের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। ত্যাগী কর্মীদের দিয়ে দল সাজাতে হবে। যারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তারা আগামীতে আওয়ামী লীগের টিকিট পাবেন না।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আরও আধুনিক স্মার্ট আওয়ামী গড়ে তুলতে চাই। এজন্য দলের মধ্যে কোনও বসন্তের কোকিল নয়, ত্যাগীদেরই জায়গা করে দিতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা আজ একটি ব্র্যান্ডের নাম। শেখ হাসিনা নিজেই একটি ইতিহাস। ইতিহাসের প্রয়োজনে শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ওঠে এসেছেন। দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বনেতার কাতারে পৌঁছেছেন শেখ হাসিনা। তাই তো শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্ব ও জাতিসংঘের বক্তব্য বিশ্বে প্রশংসিত।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন বলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে, দেশের এত উন্নয়ন হয়েছে। দেশের মানুষ ভালো আছেন। শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের কারণেই বাংলায় আজ সোনালি আকাশ। দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্বে রোল মডেল শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি সিরিজ সভা করছে, তারা নাকি আন্দোলন করবে। দেশের মধ্যে আন্দোলনের নামে কোনও সহিংসতা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। এ জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

আগামী নির্বাচনে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আপনাদের (বিএনপিকে উদ্দেশ করে) নেতা কে? পলাতক আসামি? যদি আপনারা পলাতক আসামিকে নেতা বানান দেশের মানুষ কখনও গণতন্ত্রের নেতা হিসেবে তাকে মেনে নেবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, শাজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনসহ কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

/পিএইচসি/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: জয়

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: জয়

আন্দোলনে বিএনপির নেতা কে, জানতে চান ওবায়দুল কাদের

আন্দোলনে বিএনপির নেতা কে, জানতে চান ওবায়দুল কাদের

শেখ হাসিনা না জন্মালে ভোট ও ভাতের অধিকার পেতাম না: শেখ পরশ

শেখ হাসিনা না জন্মালে ভোট ও ভাতের অধিকার পেতাম না: শেখ পরশ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

শেখ হাসিনাকে জাসদের শুভেচ্ছা

নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

সার্চ কমিটিও একটি আইনি প্রক্রিয়া, বলছে আওয়ামী লীগ

সার্চ কমিটিও একটি আইনি প্রক্রিয়া, বলছে আওয়ামী লীগ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আইন অপরিহার্য: ইনু

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আইন অপরিহার্য: ইনু

বৈঠকেই ‘কাউন্সিল’ সেরে নিয়েছে বিএনপি!

বৈঠকেই ‘কাউন্সিল’ সেরে নিয়েছে বিএনপি!

দলীয় প্রতীকেও নির্বাচন করার চাপ জাসদে

দুই দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় কমিটির সভাদলীয় প্রতীকেও নির্বাচন করার চাপ জাসদে

‘সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমায় আয় সংকটে পড়বে মানুষ’

‘সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমায় আয় সংকটে পড়বে মানুষ’

নেতাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার শেষ বৈঠকে বিএনপি

নেতাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার শেষ বৈঠকে বিএনপি

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে ভর্তি

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে ভর্তি

সর্বশেষ

দুই মহাদেশের চ্যাম্পিয়নের লড়াই, মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইতালি

দুই মহাদেশের চ্যাম্পিয়নের লড়াই, মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইতালি

জাতীয় অর্থনীতি পর্যন্ত নারীদের সম্পৃক্ত করতে হবে: স্পিকার 

জাতীয় অর্থনীতি পর্যন্ত নারীদের সম্পৃক্ত করতে হবে: স্পিকার 

নির্বাচনে পরাজয়, দলেই সমর্থন হারাচ্ছেন লাশেট

নির্বাচনে পরাজয়, দলেই সমর্থন হারাচ্ছেন লাশেট

যেসব উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন মুফতি ইব্রাহীম

যেসব উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন মুফতি ইব্রাহীম

টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়েই চলেছেন পোলার্ড

টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়েই চলেছেন পোলার্ড

© 2021 Bangla Tribune