X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

বাজেট ২০১৯-২০

গুরুত্ব পাচ্ছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৮:৪০
image

দেশের সর্বত্র বা সর্বস্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট। বর্তমানে মূল্যস্ফীতির চাপ তেমন না থাকলেও বাজেট ভাবনায় সেটিকেও আমলে রেখে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে আশাবাদী সরকার। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে বাজেট তৈরির কাজ শুরু করেছেন সরকারের নতুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গত সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে বাজেট তৈরির প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এটি হবে অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বাজেট। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থ বছরের বাজেটের আকার হতে পারে পাঁচ লাখ ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে। বাজেট প্রণয়নের অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে প্রাক বাজেট আলোচনা। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে আগামী মে মাস পর্যন্ত নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে এ আলোচনা চলবে। অন্যদিকে জুনের প্রথম সপ্তাহে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। তাই এ বছর বাজেট কোন তারিখে উপস্থাপন করা হবে সে বিষয়টি নিয়েও সরকারের শীর্ষ মহলে চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, আগামী বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হতে পারে ৮ শতাংশ। আর মূল্যস্ফীতির হার ধরা হতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির হার ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকেই ৬ শতাংশের কম ধরে বাজেট করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের গত তিন মেয়াদে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ছিল ২০১০-১১ অর্থবছরে। ওই বছর এ হার ছিলো ১০ দশমিক ৯ শতাংশ।

সূত্র জানিয়েছে, সরকারের ‘রূপকল্প-২০২১’সহ অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজন দক্ষ ও কার্যকর একটি জনপ্রশাসন। এজন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো দরকার বলে মনে করে সরকার। তাই চলতি (২০১৮-১৯) বাজেটে তিন হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জন্য। গত বছর অর্থ ব্যয়ের একটি রূপরেখা তুলে ধরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান অর্থ মন্ত্রণালয়কে আধা-সরকারি পত্র (ডিও) দিয়েছিলেন। সেই ডিও অনুযায়ী সরকার চলতি বাজেটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এ অর্থ বরাদ্দ দেয়।

সূত্রগুলো বলছে, প্রতিবছর বাজেটের আকার বাড়ে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ হারে। গত ১০ বছরে তা বেশ কয়েকবার ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ হারেও বেড়েছে। আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা বাড়ছে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ হারে। চলতি অর্থ বছরের বাজেট ছিল চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাজেটের আগে সরকার অনেকটাই স্বস্তিতে রয়েছে। অর্থবছর ২০১৮-১৯ শেষ না হতেই মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯০৯ ডলার। এর আগে, গত ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে মাথাপিছু আয় ছিল এক হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলার। গত ছয় মাসের ব্যবধানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৫৮ মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ কম হয়েছে। তবে আগামী বছর থেকে এটি বাড়বে বলে সরকার আশা করছে। বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা যাতে আবার ফিরে আসেন সেজন্য সরকার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল জানান, অর্থবছর শেষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশে। গত অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির এই হার ছিল ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। মূলত শিল্প খাতের হাত ধরে প্রবৃদ্ধির আকার বেড়েছে। চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির আকার দাঁড়াবে ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা। গত অর্থবছর এটি ছিল ২২ লাখ ৫০ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা। প্রবৃদ্ধি সাধারণত তিনটি খাতের ওপর নির্ভর করে। এর মধ্যে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে ছিল ৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে ছিল ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এ ছাড়া কৃষি খাতে চলতি অর্থবছর প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ, যা গত গত অর্থবছর ছিল ৪ দশমিক ১৯ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, ‘চলতি অর্থবছর সামষ্টিক অর্থনীতি খুব ভালো ছিল। তাই প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। যেমন– রফতানি, বিনিয়োগ, ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে অবস্থা ভালো ছিল।’ তিনি জানান, ২০২০ সালের পর পরবর্তী চার বছরে প্রবৃদ্ধি ডাবল ডিজিটে পৌঁছাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকেই প্রবৃদ্ধিতে সুবাতাস বইতে শুরু করে। ওই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির প্রকৃত অর্জন ছিল ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত দুই বছরে খাদ্য উৎপাদনের দিক থেকে তেমন সাফল্য না এলেও বেড়েছে মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পের উৎপাদন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩৪৭ দশমিক ০৮ লাখ টন ধান উৎপাদন হলেও ২০১৬-১৭তে উৎপাদন কমে দাঁড়ায় ৩৩৮ দশমিক ০২ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ উৎপাদন কম হয় ২ দশমিক ৬ শতাংশ। এ সময় আউশের উৎপাদন বেশ কমে যায়। আগের বছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই চালের উৎপাদন কমে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। এছাড়া আমনের উৎপাদন কমে ১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং বোরোর উৎপাদন কমে যায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। যদিও ২০১৮তে এসে এ অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। দেশে ধানের ফলন ভালো হয়েছে।

অপরদিকে ডিসেম্বর ২০১৬-এর তুলনায় ২০১৭-তে বেড়েছে মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প উৎপাদন। দেখা যায়, এই দুই খাতে প্রবৃদ্ধির হার ১৫ দশমিক ২ শতাংশ। বিগত বছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয় ৯ দশমিক ২ শতাংশ। এই সময় পরিধেয় বস্ত্র উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি হয় ১৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। এছাড়া খাদ্যপণ্যে ৩৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, ওষুধ শিল্পে ১৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পে ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, একটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে এক বছরে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন হয় এবং সেবা জোগান দেওয়া হয় তার বাজার মূল্যই জিডিপি বা প্রবৃদ্ধি। যাকে বলা হয়, মোট দেশজ উৎপাদন বা (জিডিপি)। গত কয়েক বছরে উৎপাদনের দিক থেকে অন্য এক কাতারে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। ছয় শতাংশের বৃত্ত ভেঙে বাংলাদেশে এখন গড় প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ৮ ভাগের কাছাকাছি। যদিও অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিলো ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

অন্যদিকে, অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচকের নাম মূল্যস্ফীতি। পণ্যের প্রকৃত যে দাম তার চেয়ে বেশি দামে পণ্য কেনার অর্থই মূল্যস্ফীতি। বাজারে পণ্যমূল্য বাড়লেই তৈরি হয় অস্বস্তি, তখন নির্দিষ্ট মূল্যের চেয়ে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হয় ক্রেতা। চলতি বাজেটে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ হলেও বছরের মাঝামাঝিতে এসে সংশোধন করে লক্ষ্য নির্ধারণ হয়েছে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। অর্থাৎ পণ্যের দাম বেড়েছে, তাই মূল্যস্ফীতির পারদ ঊর্ধ্বমুখী। তবে, সবদিক বিবেচনা করে আগামী অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে সাড়ে ৫ শতাংশের মধ্যেই আটকে রাখতে চায় সরকার।




/এসআই/এমএএ/

সম্পর্কিত

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৪৬

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা (এমডি) এখন থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে যেতে পারবে না। সোমবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না এমডিরা। পাশাপাশি দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে না যাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

দেশে কার্যরত সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দাফতরিক কাজে বা ব্যক্তিগত ছুটিতে দীর্ঘদিনের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করলে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের সার্বিক গতিশীলতা হ্রাস পায়। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনাগত ঝুঁকিসহ আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। যা কোনওভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান যতদূর সম্ভব পরিহার করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর যদি বিদেশ ভ্রমণ আবশ্যক হয়, তাহলে দেশের বাইরে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। আর অনুমোদন গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ভ্রমণের ১৫ কর্মদিবস পূর্বে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের কপিসহ তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে দিতে হবে।

এছাড়া প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিদেশ ভ্রমণকালে তার অনুপস্থিতিতে যে দায়িত্ব পালন করবে ওই কর্মকর্তার নাম, পদবি, দাফতরিক ফোন, সেল ফোন নম্বর ও ই-মেইল এড্রেস প্রধান নির্বাহীর কর্মস্থল ত্যাগের আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয় এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগকে জানাতে হবে।

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

রবিবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বাকি চারদিন ৫ ঘণ্টা করে খোলা

রবিবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বাকি চারদিন ৫ ঘণ্টা করে খোলা

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:১৮

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৫ ভাগ এলাকা বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে যুগপোযোগী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নেও কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

সোমবার (২৬ জুলাই) অনলাইনে বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার  আঞ্চলিক পরিচালক (অবকাঠামো)-এর সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার  আঞ্চলিক পরিচালক (অবকাঠামো) গুয়াংঝি চেন, প্রাকটিস ম্যানেজার (এনার্জি) সিমন জে স্টল্প, প্রোগ্রাম লিডার (অবকাঠামো) রাজেস রোহাতগি ও ইআরডির অতিরিক্ত সচিব আব্দুল বাকী সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব ব্যাংক ১৯৭২ সাল থেকেই বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে। বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওয়া গেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের  বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির উন্নয়নে ও আধুনিক প্রযুক্তি সন্নিবেশনে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে। বিদ্যুৎ সংরক্ষণ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, ওশান এনার্জি থেকে বিদ্যুৎ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ইলেকট্রিক ভিহাইকেল এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে বিশ্ব ব্যাংকের বিভিন্ন প্রকল্পসহ এনার্জি ট্রানজিশনের পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায় এবং ক্রস বর্ডার  এনার্জি ট্রেডে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা করা হয়। সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়েও আলোকপাত করা হয়।

/এসএনএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ১৩:৩৮

গ্রাহক সংশ্লিষ্ট খাত হিসাবে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি নিয়ে মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই। অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকলেও এসব জায়গায় গ্রাহক তেমন অভিযোগ করেন না। অনেকেই বলছেন কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করতে হয় গ্রাহকরা আসলে তা জানেনই না। আবার জানলেও অভিযোগ করে উল্টো হয়রানির ভয়ও আছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানুষ অভিযোগ নিয়ে এলে যদি শুনানি হতো এতে পক্ষ-বিপক্ষ উভয়ের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ থাকতো। যাতে করে সেবার মান বাড়তো।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, অভিযোগ প্রতিকার সেল নামে তাদের একটি শাখা রয়েছে। যেখানে বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন। কিন্তু বছরের বেশিরভাগ সময় সেখানে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেন না। ফলে কার্যত তেমন শুনানির আয়োজন করতে হয় না। এতে করে মানুষ খুব একটা উপকৃত হচ্ছেন না। যদি গ্রাহকরা সরাসরি তাদের অভিযোগ মন্ত্রণালয় দাখিল করতো তাহলে এই সেলটি কার্যকর হতো।

বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, অনলাইনে গিয়েই যে কেউ এই অভিযোগ জানাতে পারে। অভিযোগ পাওয়ার পর এটি শুনানি করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে কোনও পক্ষ শুনানিতে সন্তুষ্ট না হলে তিনি আপিল করতে পারবেন।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জুলাই মাসে ১টি,  সেপ্টেম্বর মাসে ১টি, অক্টোবর মাসে ৭টি, নভেম্বর মাসে ৩, ডিসেম্বরে ৩, জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ১টি আবেদন, সব মিলিয়ে ১৮টি আবেদন জমা পড়ে। বছরের অন্যান্য মাসে কোনও আবেদনই জমা পড়েনি। অথচ এই অর্থবছরে অতিরিক্ত বিল করার অভিযোগে লাখ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ অফিসে জড়ো হতে দেখা যায়।

সূত্র বলছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযোগ গ্রহণের পর নিষ্পত্তির জন্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংস্থা ভিত্তিক ফোকাল পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট ব্যক্তি নির্ধারণ করা হবে। তারাই একটি সহজ কৌশল নির্ধারণ করবেন। অভিযোগ নিষ্পত্তির বিষয়ে যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে জানাতে হবে। এই সংক্রান্ত সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে অভিযোগ প্রতিকারের ব্যবস্থার জন্য একটি ওয়েবসাইটও রয়েছে। সেখানে ব্যক্তি নিজে গিয়ে অভিযোগ দাখিল করতে পারেন অথবা নাম পরিচয় গোপন রেখেই অভিযোগ করতে পারেন।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বি ডি রহমত উল্লাহ বলেন, এখন আমাদের গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি। আর অভিযোগের এই হাল। এটা একেবারেই অবিশ্বাস্য।  আমরা তো আর সোনার দেশে থাকি না যে কোনও অভিযোগই আসবে না। আর তাছাড়া গত বছর বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রচুর ভোগান্তির শিকার হয়েছিল গ্রাহকরা। এই অবস্থায় এটা জাস্ট একটা আইওয়াশ। তিনি বলেন, এই সেলকে কার্যকর করতে হলে এই সেল যে আছ সেটি প্রচার করতে হবে। আর যে পদ্ধতিতে সমাধানের কথা বলা হয়েছে তাও অনেক দীর্ঘমেয়াদি। সেলের অভিযোগের ওখানেই কিভাবে সমাধান হচ্ছে তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ থাকা দরকার বলে তিনি মনে করেন।

 

/এমআর/

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৩

সোমবার (২৬ জুলাই) থেকে আবারও শুরু হচ্ছে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রবিবার (২৫ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা লতিফ বকসীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর শোকাবহ আগস্টে মাসে কঠোর লকডাউন পরিস্থিতিতেও ভোক্তা সাধারণের কাছে ভর্তুকি মূল্যে কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে দেশব্যাপী বিক্রয় করবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে— সয়াবিন তেল, মশুর ডাল এবং চিনি।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও  বলা হয়, ‘সোমবার ২৬ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) উল্লিখিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, মশুর ডাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকা এবং চিনি প্রতি কেজি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:০৮

আজ রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের মতো নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা রয়েছে। এগুলো বেলা দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এর আগে ১৪ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে গ্রাহকের হিসাবে মেয়াদপূর্তিতে স্থায়ী আমানত নগদায়ন, ঋণের কিস্তি জমা গ্রহণসহ জরুরি কাজ সম্পাদন করা যাবে। তবে অফিস খোলা রাখার ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে সেবা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ দুটি শাখা (একটি ঢাকায় ও অপরটি ঢাকার বাইরে) ও প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ খোলা রাখা যাবে। বিধিনিষেধ চলাকালে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৩৩টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

সর্বশেষ

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

নাভালনি ও তার ঘনিষ্ঠদের ওয়েবসাইট ব্লক করলো রাশিয়া

নাভালনি ও তার ঘনিষ্ঠদের ওয়েবসাইট ব্লক করলো রাশিয়া

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

© 2021 Bangla Tribune