X
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

আপডেট : ১৭ মে ২০২১, ১৭:৪০

ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যান তথা ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’কে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে দেখছে সরকার। বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে আলোচিত ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।

ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন। এই ছয়টি হলো ডেল্টা প্ল্যান-এর ছয় স্তম্ভ।

এরইমধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’। ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

গভর্ন্যান্স কাউন্সিল ও তহবিলের উৎস

ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলে সদস্য হিসেবে রয়েছেন কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, নৌমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্যকে এই কাউন্সিলের সদস্য সচিব করা হয়েছে।

ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ৭০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি টাকায় ৩ হাজার ১৪৫ বিলিয়ন টাকারও বেশি। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলো কখনও একক আবার কখনও যৌথভাবে কাজ করছে।

জানা গেছে, সরকারের ডেল্টা প্ল্যানের প্রধাম ধাপে অর্থাৎ আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য ৮০টি প্রকল্প ব্যায়ের অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে প্রতিবছর জাতীয় আয়ের ২ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে ২ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে। বাকি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেসরকারি খাত থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ডেল্টা প্ল্যান তৈরিতে নেদারল্যান্ডস সরকার এরই মধ্যে ৮৭ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

এই মহাপরিকল্পনায় বাংলাদেশ ডেল্টা তহবিল প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, তহবিলের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে বাংলাদেশ সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, পরিবেশ এবং জলবায়ু সম্পর্কিত তহবিল, বিশেষ করে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব পিপিপি পদ্ধতিকে বিবেচনা করা হয়েছে।

অর্থায়নের ক্ষেত্রে ‘কস্ট রিকভারি’র জন্য ক্রমান্বয়ে বেনিফিশিয়ারি পে প্রিন্সিপাল নীতি অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বড় শহরগুলোতে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ (ওএন্ডএম) ব্যয় আদায়ের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা কার্যকর করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে এবং তা পর্যায়ক্রমে অনান্য ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করার সুপারিশ করা হয়েছে।সরকারের শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যানে পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয় থেকে রক্ষার কৌশল খুঁজে বের করাকে। এরপর রয়েছে পানির নিরাপত্তা। এ ছাড়া টেকসই নদী-অঞ্চল, জলাভূমি সংরক্ষণ, আন্তঃদেশীয় নদীর পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কথাও বলা হয়েছে ডেল্টা পরিকল্পনায়।

ছয়টি হটস্পট হটস্পট ও সমস্যা

ডেল্টা প্ল্যানে বলা হয়েছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে গাজীপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ময়মনসিংহ, নীলফামারী ও শেরপুর; এই জেলাগুলো সমুদ্র ও প্রবহমান নদী থেকে অবস্থানগত দূরত্বের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিমুক্ত।

বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ জেলা ১৮টি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন উপকূলীয় জেলা ১৯টি। হাওর ও আকস্মিক বন্যাকবলিত জেলা সাতটি। নদী অঞ্চল ও মোহনাবেষ্টিত জেলা ২৯টি। নগর এলাকা সাতটি এবং পার্বত্য জেলা তিনটি। সরকার চাইলে ঝুঁকিপূর্ণ জেলার তালিকা ধরে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে।

চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ছয়টি হটস্পট। যেগুলো মূলত পানি ও জলবায়ু উদ্ভুত অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল। এগুলো হচ্ছে-২৭ হাজার ৭৩৮ বর্গ কিলোমিটারের উপকূলীয় অঞ্চল। ২২ হাজার ৮৪৮ বর্গ কিলোমিটারের বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল। ১৬ হাজার ৫৭৪ বর্গ কিলোমিটারের হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল। ১৩ হাজার ২৯৫ বর্গ কিলোমিটারজুড়ে থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল। ৩৫ হাজার ২০৪ বর্গ কিলোমিটারের নদী অঞ্চল এবং মোহনা এবং ১৯ হাজার ৮২৩ বর্গ কিলোমিটারের নগরাঞ্চল।

পরিকল্পনায় হটস্পট-ভিত্তিক সমস্যাগুলো আলাদা করে তুলে ধরা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে-ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা। নদী ও উপকূলীয় এলাকায়- ভাঙন, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া। বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ এলাকার সমস্যা-স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা, পরিবেশের অবনমন। হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের সমস্যাগুলো হচ্ছে- স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, আকস্মিক বা মৌসুমি বন্যা, জলাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত নিস্কাশন, অপর্যাপ্ত পানি ও পয়ঃনিস্কাশন। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সমস্যাগুলো হচ্ছে- স্বাদু পানির স্বল্পতা, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা ও ক্রমহ্রাসমান জীববৈচিত্র সংরক্ষণ। নদী অঞ্চল ও মোহনার সমস্যা-বন্যা, পরিবেশের অবনমন, পানিদূষণ, পলিব্যবস্থাপনা ও নৌ-পরিবহন, নদীগর্ভের পরিবর্তন, ভাঙন ও নতুন চর জেগে ওঠা। এর মধ্যে যমুনায় ভাঙন ১৭৭০ হেক্টর, পদ্মায় ভাঙন ১২৯৮ হেক্টর, মেঘনার অববাহিকায় ২৯০০ হেক্টর।

১৯৭৩ থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ নতুন চর জেগে উঠেছে মোট ৫২ হাজার ৩১৩ হেক্টর জমি। এ ছাড়া নগরাঞ্চলের সমস্যা হচ্ছে-অপর্যাপ্ত পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, স্বাদু পানির পর্যাপ্ততা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। মহাপরিকল্পনায় প্রত্যেকটি হটস্পটেই পরিবেশের অবনমনকে সাধারণ সমস্যা হিসেবে ধরা হয়েছে।

মিশন ও লক্ষ্য

সরকারের ডেল্টা প্ল্যানের রূপকল্প, মিশন ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এই পরিকল্পনার রূপকল্প হচ্ছে-নিরাপদ, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিঘাতসহিষ্ণু সমৃদ্ধশালী ব-দ্বীপ গড়ে তোলা। মহাপরিকল্পনার মিশন হচ্ছে- দৃঢ়, সমন্বিত ও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনশীল কার্যকরী কৌশল অবলম্বন, এবং পানি ব্যবস্থাপনা ন্যায়সঙ্গত করা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত এবং অন্যান্য ব-দ্বীপ সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলা করে দীর্ঘমেয়াদী পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

পরিকল্পনায় জাতীয় পর্যায়ের লক্ষ্যগুলো হচ্ছে- ১। ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ। ২। ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যদা অর্জন এবং ৩। ২০৪০ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যদা অর্জন।

‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’-এর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য হচ্ছে ৬টি। এগুলো হলো ১। বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ২। পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা ও নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা। ৩। সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। ৪। জলবায়ু এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং সেগুলোর যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা। ৫। অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও সুশাসন গড়ে তোলা এবং ৬। ভূমি ও পানিসম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

পাঁচ বছর পর পর হালনাগাদ

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের মূল কারিগর পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) শামসুল আলম জানিয়েছেন, ‘কয়েক ধাপে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়ন করা হবে। ২০৩১ সাল নাগাদ থাকবে প্রথম ধাপ। ২০৩১ থেকে ২০৫০ সাল নাগাদ পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ, এবং এরপর তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২১০০ সাল।’

পরিকল্পনা কমিশন পাঁচ বছর পর পর পুরো ডেল্টা প্ল্যানের তথ্য হালনাগাদ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। শামসুল আলম জানিয়েছেন, ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে কত টাকা খরচ হতে পারে, তারও একটি ধারণা দিয়েছে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ। এই মোতাবেক কাজ এগিয়ে নিলেই শতবর্ষী এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অসম্ভব নয়।

/এসআই/এফএ/

সম্পর্কিত

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লিঙ্গ সমতার জন্য নারী নেতৃবৃন্দের নেটওয়ার্ক গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে নারী নেতৃবৃন্দের একটি নেটওয়ার্ক গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে বলেছেন, এটি লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আহ্বানে নারী নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন। বৈঠকে তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে তিনটি প্রস্তাবও রাখেন, লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে যেগুলো সঠিকভাবে সমাধান করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘এটি নারী ক্ষমতায়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। আমি দৃঢ়ভাবে অনুভব করি যে, আমরা নারী নেতাদের একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা আমাদের শুধু একক বৈঠকের জন্য একত্রিত করবে না, বরং লিঙ্গ সমতা অর্জনে বাস্তব পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে একটি শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম প্রস্তাবে বলেন, ‘আমি লিঙ্গ সমতার বিষয়ে উপদেষ্টা বোর্ড প্রতিষ্ঠার জন্য আপনাদের প্রশংসা করি। এখন এটিকে স্থানীয়করণ করা দরকার। আমাদের প্রত্যেক পর্যায়ে, বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে লিঙ্গ চ্যাম্পিয়ন প্রয়োজন এবং আমরা দৃষ্টান্ত স্থাপনের মাধ্যমে নেতৃত্ব দিতে পারি'।

দ্বিতীয়ত তিনি বলেন, নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে পর্যাপ্ত রাজনৈতিক ও আর্থিকভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এ ধরনের প্রচেষ্টায় সহায়তার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তৃতীয় ও শেষ প্রস্তাবে তিনি বলেন, ‘আমি লিঙ্গ সমতার জন্য আমাদের সাধারণ কর্মসূচিকে জোরদার করতে নেতৃবৃন্দের একটি সম্মেলন ডাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। শুধু আমরা নয়, সকল নেতার এতে যোগদান করা উচিত এবং লিঙ্গ সমতার অগ্রগতির জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করা উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোভিড-১৯-এর প্রভাব বিশেষত নারীদের জন্য কঠিন। তিনি বলেন, ‘অবৈতনিক যত্ন নেওয়ার কাজ বেড়েছে। লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে। ইউনিসেফ এ দশকের শেষের আগে আরও দশ মিলিয়ন বাল্যবিবাহের আশংকা করছে।’

বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বে ৭ম অবস্থানে আছে। বর্ধিত সংখ্যক নারী কর্মীবাহিনীতে যোগ দিচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী এবং তারা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে রয়েছে। তৈরি পোশাককর্মীদের ৮০ শতাংশের বেশি নারী। অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাদের অনেকে চাকরি ও আয় হারিয়েছে। নারীসহ ২০ লাখ প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশ কষ্টার্জিত অগ্রগতির চাকা পেছনে ঘোরার ঝুঁকিতে রয়েছে। খবর: বাসস

/এলকে/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:০৮

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতে ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে ফ্লাইট পুনরায় শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের সাইডলাইন ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে লোট নিউ ইয়র্ক প্যালেসে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। খবর বাসসের।
তিনি বলেন, ‘সুখবর হচ্ছে, তারা বিমানকে (রবিবার নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানের ফ্লাইট) অবতরণের অনুমতি দিয়েছে। সুতরাং আমি আশা করি বিমান ভবিষ্যতে ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে তার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেশন এভিয়েশন অথরিটির সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে বিমান চলাচল বেশ কয়েক বছর ধরে স্থগিত রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিমানের বহরে অনেকগুলো আধুনিক মডেলের উন্নত বিমান যুক্ত করা হয়েছে। 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানের এই রুট চালু হলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিরা খুব খুশি হবেন।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪৬

দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ দিয়েছে জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন)। খবর বাসসের।
স্থানীয় সময় সোমবার নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ পুরস্কার গ্রহণ করে বলেন, তিনি বাংলাদেশের জনগণকে এটি উৎসর্গ করছেন।’
মোমেন সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের পর টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে (এসডিজি) দ্রুত এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে এ পুরস্কার পাওয়াকে দেশের সফলতার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে অভিহিত করেন।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন কৌশলবিদ অধ্যাপক জেফ্রি ডি. সচ’র নেতৃত্বে জাতিসংঘ মহাসচিবের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১২ সালে এসডিএসএন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তবভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোই এ প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক জেফ্রি সচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘জুয়েল ইন দি ক্রাউন অব দি ডে’ হিসেবে তুলে ধরেন এবং বিশ্বব্যাপী মহামারি চলাকালেও এসডিজি প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এ পুরস্কার হচ্ছে এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে জোরালো দায়িত্ব পালনের একটি প্রমাণপত্র।’
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে আজ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সরকার প্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন।

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

লিঙ্গ সমতার জন্য নারী নেতৃবৃন্দের নেটওয়ার্ক গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

লিঙ্গ সমতার জন্য নারী নেতৃবৃন্দের নেটওয়ার্ক গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:১১

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এক-তৃতীয়াংশ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। অবশ্য স্বতন্ত্র হলেও প্রার্থীদের বেশিরভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগ ঘরানার। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তারা।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার প্রথম দফার স্থগিত ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও একক প্রার্থী থাকায় এসব ইউপির ৪৩টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। এসব ইউপিতে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সোমবারের ভোটে চেয়ারম্যান পদে ১১৭টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১১৭টি ইউপির মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা ৭৬টিতে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্ররা জয়ী হয়েছেন ৩৬টি ইউপিতে। এর বাইরে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী একটি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তালা উপজেলার ঘষিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে ওয়ার্কার্স পার্টির মোল্লা সাবির হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। ইউপিতে তার নিকটবর্তী প্রার্থী আওয়ামী লীগের মোজাফফর রহমান।

একটি করে কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকায় চারটি ইউপির ফলাফল স্থগিত রয়েছে। এরমধ্যে একটিতে আওয়ামী লীগ ও তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ৬টি ইউপির মধ্যে পাঁচটিতে ব্যালট এবং একটিতে ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যালটে অনুষ্ঠিত পাঁচটি ইউপির সবক’টিতেই স্বতন্ত্ররা জয়ী হয়েছেন। অপরদিকে ব্যালটে অনুষ্ঠিত বারাকপুর ইউপিতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী।

বাগেরহাট জেলার ২৭টি ইউপির মধ্যে ২৬টিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। এ জেলার কেবল মোরেলগঞ্জ উপজেলার দুটি ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। বাগেরহাট জেলার ৩৯টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন পড়েনি।

পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সাতক্ষীরা জেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তুলনামূলক বেশি বিজয়ী হয়েছে। এ জেলার মোট ২১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১১টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা ৯টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছে। এ জেলার একটি ইউপিতে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী জিতেছেন।

ইভিএমে ভোটের হার বেশি

ইউপি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটের হার কাগজে ব্যালটের তুলনায় কিছুটা বেশি পড়েছে। সচরাচর নির্বাচনে কাগজের ব্যালটে ভোটের হার বেশি থাকলেও এবার কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

সোমবার ইউপি নির্বাচনে গড় ভোটের হার ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। মোট ২০ লাখ ৯৩ হাজার ১১৭টি ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৩০০টি।

নির্বাচনে ব্যালটে ভোটের হার ছিল ৬৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ১৯ লাখ ৩০ হাজার ১৩টি ভোটের মধ্যে পড়েছে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৭৫টি।

আটটি ইউপিতে ইভিএমে ভোট হয়। ইভিএমে ভোট ছিল ৬৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৯টি ভোটের মধ্যে ইভিএমে পড়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭২৫টি।

সর্বোচ্চ ৮৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ ভোট পড়েছে খুলনার দাকোপ উপজেলার দাকোপ ইউনিয়ন পরিষদে। ইউপিতে মোট ৬ হাজার ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৫ হাজার ৩৫০টি। ইউপিতে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর ইউপিতে। এখানে ভোট পড়েছে ৪৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এখানে ৩১ হাজার ৪০১টি ভোটের মধ্যে কাস্ট হয়েছে ১৩ হাজার ৭৪০টি। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

 

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কোনও সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:২১

কোনও সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর দফতরে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, ডিবিসি২৪ চ্যানেলের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জরুল আহসান বুলবুল, সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভূঁইয়া এবং ওমর ফারুক, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান বলেন, ‘সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের ব্যাংক হিসাব চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে, সেটি নিয়ে আলোচনা করতেই সাংবাদিক নেতারা এসেছিলেন। সরকার যে কারও হিসাব চাইতে পারে, কিন্তু কেন সংগঠনের নাম দিয়ে চাওয়া হলো, এটিই তাদের উদ্বেগের কারণ। আমি তাদের বলেছি, অহেতুক যাতে কেউ হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়টি তথ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি দেখবো।’

কেউ যাতে সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের দূরত্ব সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানান মন্ত্রী।

/এমএস/
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

সর্বশেষ

তালেবানকে বয়কট করবেন না: জাতিসংঘে কাতারের আমির

তালেবানকে বয়কট করবেন না: জাতিসংঘে কাতারের আমির

লিঙ্গ সমতার জন্য নারী নেতৃবৃন্দের নেটওয়ার্ক গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

লিঙ্গ সমতার জন্য নারী নেতৃবৃন্দের নেটওয়ার্ক গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

‘তালেবানের বিরুদ্ধে দুই দশকের লড়াই বৃথা যায়নি’

‘তালেবানের বিরুদ্ধে দুই দশকের লড়াই বৃথা যায়নি’

৭১ লাখ ফাইজার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

৭১ লাখ ফাইজার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু, নেপথ্যে ‘নজরদারির অভাব’

গবেষণাপানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু, নেপথ্যে ‘নজরদারির অভাব’

© 2021 Bangla Tribune