X
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮

সেকশনস

যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ করুন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৬ মে ২০২১, ১৫:৩১

ঈদ উপলক্ষে ছোটাছুটি না করে যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘করোনার সময়ে বেঁচে থাকলে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে তো দেখা হবেই। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঈদ উপলক্ষে সবাই ছোটাছুটি না করে যে যেখানে আছেন সেভাবেই ঈদ উদযাপন করেন। আর যারা বিত্তশালী আছেন, তারা যারা একটু দুস্থ তাদের সহযোগিতা করেন।’

বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার অবকাঠামো ও জলযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এসব জলযান ও অবকাঠামো উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে নৌ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে যুক্ত ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে সুরক্ষায় থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা যাতে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য সবার কাছে আমার অনুরোধ। আপনারা স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলুন। আর এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাতায়াত একেবারে না পারলেই আপনারা করবেন না। কারণ, এই যাতায়াতটা করতে গেলেই কে যে সংক্রমিত হবেন আপনি জানেন না। কিন্তু সে যখন অন্য জায়গায় যাবে অনেক লোককে করোনা সংক্রমিত করবে। তখন তাদের জীবন নিয়ে সমস্যা দেখা দেবে। সেটা যাতে না হয় সেজন্যই আমরা কিন্তু যাতায়াত সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছি। কিন্তু সেই সঙ্গে দেশের মানুষের আর্থিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডগুলো যেন অব্যাহত থাকে, সেটাও সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, সেটার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

নৌ দুর্ঘটনা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে

নৌ দুর্ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা আমাদের এই নৌযানগুলো চালান বা পরিচালনা করেন বা যারা ব্যবসা করেন, তাদের যাত্রীদের সুরক্ষার দিকটি যেমন দেখতে হবে, যাত্রীদেরও নিজেদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করতে হবে। মনে রাখতে হবে একটা নৌযানে কতজন মানুষ উঠতে পারে বা চড়তে পারে। ঠেলাঠেলি করে একসঙ্গে বেশি উঠতে গিয়ে তারপর একটা দুর্ঘটনা হবে এবং নিজেদের জীবন চলে যাবে। এ ব্যাপারে সবাইকে একটু সতর্ক থাকতে হবে, সজাগ থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘তাড়াহুড়া করে যেতে গিয়ে যখন একটা দুর্ঘটনা ঘটে, যে মানুষগুলোর জীবন চলে যায়, আর যারা আপনজন হারিয়ে বেঁচে থাকে তাদের কষ্টের কথাটা একবার চিন্তা করে দেখবেন। একটু ধৈর্য ধরতে হবে। কোনও একটা বিপদ এলে ধৈর্য ধরতে হবে, সবর করতে হবে। সেই সবরটা সবারই করা উচিত এবং নিয়ম মেনে চলতে হবে। সেটাই আমরা চাই। এছাড়া যেসব নৌ-যান চলাচল করে প্রত্যেকেরই রেজিস্ট্রেশন থাকা উচিত। রেজিস্ট্রেশন না থাকার কারণে অনেক সময় কে কার কী ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা সেগুলো পাওয়া যায় না। তাছাড়া নৌযানের চলতে গেলে কতগুলো নিয়ম মেনে চলতে হবে। হয়তো একটা ঘটনা ঘটলো, সবাই একদিকে ছুটে গেলেন, সেটা দেখতে। সেখানে কিন্তু নৌকাডুবি ঘটে যায় বা লঞ্চডুবি হয়ে যায়। কাজেই নিয়মগুলো মেনে চলা একান্ত অপরিহার্য।’

 

/এমএইচবি/এফএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

রাজশাহী মেডিক্যালে একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ মৃত্যু

চট্টগ্রামে উপজেলাগুলোতে রোগী বাড়ছে

চট্টগ্রামে উপজেলাগুলোতে রোগী বাড়ছে

মস্তিষ্কে কতটা প্রভাব ফেলে করোনা?

মস্তিষ্কে কতটা প্রভাব ফেলে করোনা?

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশক নিয়ে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশক নিয়ে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ

দোহার ও নবাবগঞ্জের সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ থাকবে

দোহার ও নবাবগঞ্জের সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ থাকবে

বোঝার উপায় নেই নারায়ণগঞ্জে চলছে লকডাউন

বোঝার উপায় নেই নারায়ণগঞ্জে চলছে লকডাউন

পঞ্চম দফায় মোংলায় বাড়লো বিধিনিষেধ

পঞ্চম দফায় মোংলায় বাড়লো বিধিনিষেধ

কোভিশিল্ডের টিকা মজুত আছে ১ লাখ ৮১৬ ডোজ

কোভিশিল্ডের টিকা মজুত আছে ১ লাখ ৮১৬ ডোজ

‘ঢাকার পরিস্থিতি নাজুক হয়ে যেতে পারে’

‘ঢাকার পরিস্থিতি নাজুক হয়ে যেতে পারে’

দেশে ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট তৈরি করবো: প্রধানমন্ত্রী

দেশে ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট তৈরি করবো: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

রাজশাহী মেডিক্যালে একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ মৃত্যু

চট্টগ্রামে উপজেলাগুলোতে রোগী বাড়ছে

চট্টগ্রামে উপজেলাগুলোতে রোগী বাড়ছে

ইউরোর শেষ ষোলোয় কারা দেখে নিন

ইউরোর শেষ ষোলোয় কারা দেখে নিন

বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে সড়কে ওবায়দুল কাদেরের দুই বোন

বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে সড়কে ওবায়দুল কাদেরের দুই বোন

শত বছরের বোতল বন্দি চিঠিতে কী লেখা ছিলো?

শত বছরের বোতল বন্দি চিঠিতে কী লেখা ছিলো?

এইচটি ইমামের ছেলে এমপি তানভিরের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা

এইচটি ইমামের ছেলে এমপি তানভিরের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা

দেশের উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে গ্যাসভিত্তিক শিল্প

দেশের উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে গ্যাসভিত্তিক শিল্প

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

‘উত্তপ্ত’ ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে জিতলো ব্রাজিল

‘উত্তপ্ত’ ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে জিতলো ব্রাজিল

আফগানিস্তানে আর সেনা পাঠাবে না তুরস্ক

আফগানিস্তানে আর সেনা পাঠাবে না তুরস্ক

লায়নদের অভিনন্দন জানালেন বঙ্গবন্ধু

লায়নদের অভিনন্দন জানালেন বঙ্গবন্ধু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ভারতের মতো অবস্থা হবে

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশক নিয়ে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশক নিয়ে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ

কোভিশিল্ডের টিকা মজুত আছে ১ লাখ ৮১৬ ডোজ

কোভিশিল্ডের টিকা মজুত আছে ১ লাখ ৮১৬ ডোজ

‘ঢাকার পরিস্থিতি নাজুক হয়ে যেতে পারে’

‘ঢাকার পরিস্থিতি নাজুক হয়ে যেতে পারে’

দেশে ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট তৈরি করবো: প্রধানমন্ত্রী

দেশে ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট তৈরি করবো: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার হাত ধরে যত অর্জন

আ.লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীশেখ হাসিনার হাত ধরে যত অর্জন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুরোধ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুরোধ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আবারও বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আবারও বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune