X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

আপডেট : ১৮ মে ২০২১, ২২:০৯

সরকারের এক শ’ বছরের ডেল্টা প্ল্যান বাস্তাবিয়ত না হলে দেশের সামষ্টিক এবং খাতভিত্তিক অর্থনীতি যথেষ্ট ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সহনীয় অবস্থায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভৌত সম্পদ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে প্রতিবছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে যেতে পারে।

এ ছাড়াও বাড়বে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি। জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের ফলে জীবনযাত্রার ব্যয়ও বেড়ে যেতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের চরম পর্যায়ে এ সকল ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যয় সমানুপাতিক হারে বাড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিকল্পনা কমিশন ডেল্টা প্ল্যানে বলা হয়েছে, শতবর্ষী এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পানি, পরিবেশ, ভূমি, কৃষি (বন, প্রাণিসম্পদ, এবং মৎস্য) ইত্যাদি খাতের কৌশল প্রণয়ন এবং যথাযথ বিনিয়োগ, নতুন নীতিমালা প্রণয়ন, ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রয়োজন হবে।

পরিকল্পনায় আরও বলা হয়েছে, নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়নে প্রতিবছর মোট দেশজ আয়ের প্রায় ২ দশমিক ৫ শতাংশ পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে। এখন এ ব্যয় জিডিপির শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ।

বর্তমান বিনিয়োগ এবং বিদ্যমান দেশজ আয় ব্যবহার করে পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রকল্পের জন্য প্রাক ব্যায়ের মাত্রা ২০১৬ অর্থবছরের ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ২০৩০ সাল নাগাদ ২৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।

বিনিয়োগ অগ্রাধিকার

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-এর ধারণা অনুযায়ী মোট জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ অর্থায়ন বিভিন্ন উদ্যোগের আওতায় বেসরকারি খাত থেকে এবং ২ শতাংশ সরকারি খাত থেকে নির্বাহ করতে হবে। সরকারি খাত থেকে পাওয়া ২ শতাংশ থেকে দশমিক ৫ শতাংশ রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ব্যয় করার পর অবশিষ্ট দেড় শতাংশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-এ বিনিয়োগ পরিকল্পনার আওতায় ব্যয় করা হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রক্ষাণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা খাত বেশ অবহেলিত এবং এ ব্যয়ের প্রকৃত পরিমাণও মোট দেশজ আয়ের দশমিক ১ শতাংশের বেশি নয়। ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা খাতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ না করা হলে পানিসম্পদ খাতে বিদ্যমান অবকাঠামোর স্থায়িত্বের দ্রুত অবনতি ঘটবে এবং পরে এ সকল অবকাঠামো আরও বেশি ব্যয়ে পুনর্নিমাণ করতে হবে বলে মনে করে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ডেল্টা প্ল্যানে বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে বড় প্রকল্প প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন সীমিত হয়ে যাচ্ছে। তাই প্রকল্প গ্রহণে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। কারণ, ব-দ্বীপ পরিকল্পনার প্রকল্পগুলো শুধু ভৌত বিনিয়োগ নয়, বরং অধিকতর গবেষণা, জ্ঞান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা উত্তরণেও উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-এর বেশিরভাগ সরকারি অর্থায়ন বন্যা থেকে রক্ষা, নদী ভাঙন, নিয়ন্ত্রণ, নদীশাসন, এবং নাব্যতা রক্ষাসহ সামগ্রিক নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির জন্য প্রয়োজন হবে। এগুলো এখন বাংলাদেশের অগ্রাধিকার পাওয়া বিনিয়োগ খাত। এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ মোট ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বিনিয়োগের প্রায় ৩৫ শতাংশ।

এগুলো অত্যন্ত পুঁজিঘন বিনিয়োগ বলে মনে করে পরিকল্পনা কমিশন। যা শতবর্ষী পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা ও বেশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্বলিত প্রধান নগরগুলোতে পানি সরবরাহ, পয়ঃনিস্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থা ইত্যাদি খাতে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বিনিয়োগ থেকে কমপক্ষে ২৫ শতাংশ অর্থের প্রয়োজন হবে।

অধিকন্ত, ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকার পানি ও পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ব্যাপক বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে ২০৩০ সাল নাগাদ ডেল্টা প্ল্যানের মোট বিনিয়োগের প্রায় ২০ শতাংশ প্রয়োজন হবে।

বিনিয়োগ পরিকল্পনা

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ব-দ্বীপ বিনিয়োগ পরিকল্পনায় যাচাই-বাছাই শেষে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রথম পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামোগত প্রকল্প ৬৫টি এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও দক্ষতা উন্নয়ন এবং গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।

এ সকল প্রকল্পে মোট মূলধন বিনিয়োগ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন পরবর্তী ৮ বছরের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে শুরু করা যেতে পারে। যদিও বিনিয়োগের পরিমাণ ও কর্মসূচির প্রকৃতি অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন পরবর্তী কয়েক দশকেও সম্প্রসারিত হবে।

উন্নয়ন অভিযোজি ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনা (এডাপটিভ ডেলটা ম্যানেজমেন্ট- এডিএম) নীতি অবলম্বনে সমন্বিত ও ব্যাপক পরামর্শের ভিত্তিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণে বিশ্বব্যাংকের কারিগরি সহায়তায় ব-দ্বীপ বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) কর্তৃক পানিসম্পদ ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা থেকে অগ্রাধিকার পাওয়া মোট ১৩৩টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এর জন্য প্রাক্কলিত মূলধন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৭৫৩ বিলিয়ন টাকা।

প্রাপ্ত প্রকল্প প্রস্তাবগুলো অভিযোজি ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণে যাচাই শেষে শ্রেণিভুক্ত করে ৮০টি প্রকল্প বিনিয়োগ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট প্রকল্প অভিযোজি ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা এবং তা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর এক বা একাধিক অভিষ্ট অর্জনে সহায়ক কিনা তার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী ও ডেলটা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান এম এ মান্নান জানিয়েছেন, ডেলটা প্লানের প্রথম ধাপে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০টি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে বিপুল পরিমাণের বিনিয়োগ প্রস্তাবও রয়েছে। এসব বিনিয়োগ কার্যকর হলে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। তবে বাস্তবায়নটা চ্যালেঞ্জিং। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতেই সরকার কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী ডেলটা প্ল্যান তথা ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’কে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে দেখছে সরকার। বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে আলোচিত ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন। এরইমধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ‘ডেলটা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’। ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেলটা গভর্ণ্যান্স কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

ডেলটা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলে সদস্য হিসেবে রয়েছেন কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, নৌ পরিবহন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্যকে এই কাউন্সিলের সদস্য সচিব করা হয়েছে।

/ইউআই/এফএ/

সম্পর্কিত

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:৩৭

কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা কোভিশিল্ড দেওয়ার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতিগি তোশিমিতসুর কাছে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন তিনি। শনিবার (২৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে আজ বিকালে ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ ডোজ টিকা নিয়ে ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো এই টিকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের কাছে হস্তান্তর করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চিঠিতে মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার জন্য দুদেশই কাজ করে যাচ্ছে। দুদেশের কমপ্রিহেনসিভ রিলেশনসকে উন্নততর স্ট্র্যাটেজিক স্তরে নেওয়ার জন্য কাজ চলছে।

চিঠিতে জাপানকে ‘প্রকৃত বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে আব্দুল মোমেন আশা করেন, কোভিড সহযোগিতা দুদেশের সম্পর্ককে আরো মজবুত ও গভীর করবে। তিনি টেকিওতে চলমান অলিম্পিক আসরের সর্বতো সাফল্য কামনাও করেন।

আরও পড়ুন:

দেশে পৌঁছালো জাপানের দেওয়া অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা 

/এসএসজেড/ইউএস/

সম্পর্কিত

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:০১

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এক কোটি ১ লাখ ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৭৬৮ ডোজ। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিন। শনিবার (২৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এদিন মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৯ ডোজ।

এখন পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ২ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন এসেছে। সেই অনুযায়ী এখন মাত্র কোভিশিল্ডের ৮১ হাজার ৮৮১ ডোজ ভ্যাকসিন অবশিষ্ট আছে। শনিবার কাউকেই কোভিশিল্ড দেওয়া হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এখন পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো তথ্য থেকে আরও জানা যায়, প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের মতো মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছ সংকট। এদের সবাইকেই অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি। তবে দেশে আজ আড়াই লাখ ডোজ অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা জাপান সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে পাঠিয়েছে।    

পাশাপাশি আজ ফাইজারের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১১৩ জনকে আর এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার ২১৭ জনকে।

এছাড়া ১১ লাখ ৭৭ হাজার ১৭১ ডোজ সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এখন পর্যন্ত। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১১ লাখ ৭২ হাজার ৬২৪ জনকে আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৫৪৭ জনকে।  

মডার্নার টিকা এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৬ হাজার ১২৩ ডোজ, আর আজকে দেওয়া হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৮৬ ডোজ।

/এসও/এমআর/

সম্পর্কিত

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:৩৬

কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় অত্যন্ত জরুরি ২০০ টন মেডিক্যাল অক্সিজেন আজ শনিবার (২৪ জুলাই) রাতেই দেশে প্রবেশ করছে। ভারত থেকে ১০টি কন্টেইনারে তরল অক্সিজেন নিয়ে একটি ট্রেনের আজ সকালে রওনা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. শরিফুল আলম।

শনিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশের জামশেদপুর টাটানগর থেকে স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ১০টায় ট্রেনটি বাংলাদেশের উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে। আজ রাত ১০টার মধ্যে ট্রেনটি বেনাপোল স্টেশন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।

পরে আগামীকাল সকাল নাগাদ এটি বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু পশ্চিম প্রান্তে পৌঁছানোর পরে এ অক্সিজেন খালাস করা হবে বলেও জানান শরিফুল আলম।

এর আগে ভারতীয় দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়, ‘কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় সহায়তা হিসেবে ভারত সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রথম আন্তঃসীমান্ত অক্সিজেন এক্সপ্রেসের মাধ্যমে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন ভারত থেকে আগামীকাল (২৫ জুলাই) বেনাপোল পৌঁছাবে।’

এর আগে ঈদের দিন বুধবার ভারত থেকে ১৮০ টন তরলীকৃত অক্সিজেন বেনাপোল বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। করোনা পরিস্থিতিতে একটি গ্রিন করিডোর ব্যবহার করা হয়েছে এই আমদানির জন্য। দুই স্থলবন্দরের কর্মকর্তাদের সহায়তায় ঈদের দিন এই অক্সিজেন বাংলাদেশে এসেছিল।

/এসএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৯:৩০

‘পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে এতে ফেরির আরও বড় ক্ষতি হতে পারতো। মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনাও ছিল। এ নিয়েই আমরা উদ্বিগ্ন। এতে পিলারের তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। যেটুকু হয়েছে তা কোনওভাবেই আশঙ্কাজনক নয়। এ ধরনের কয়েকগুণ শক্তিশালী ধাক্কা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা প্রতিটি পিলারেরই রয়েছে। সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে এ সেতুর প্রতিটি পিলার’—বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এত বড় নদীতে পানির স্রোত খুব বেশি। তাই হয়তো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরিটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। এতে ফেরিটির আরও বড় ক্ষতি হতে পারতো। ফেরিটি ডুবেও যেতে পারতো। এতে বহু মানুষের প্রাণহানিও ঘটতে পারতো। সম্পদের ক্ষতি হতে পারতো। এ বিষয়টি নিয়েই আমরা বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ যে ধাক্কা লেগেছে, তা সহ্য করার কয়েকগুণ ক্ষমতা সেতুর প্রতিটি পিলারের রয়েছে। তবে ফেরিসহ নৌযানগুলোকে আরও সাবধানতা অবলম্বন করে সেতু এলাকা অতিক্রম করার অনুরোধ থাকবে চালকদের প্রতি।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর পিলারে বার বার ফেরির ধাক্কা কেন?

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা, থানায় জিডি

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত টিম। পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে নৌ সচিব বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সাধারণ চোখে বড় কোনও ক্ষতি নজরে পড়েনি। সেতু কর্তৃপক্ষও এমন কোনও অভিযোগ করেনি। ফেরির ধাক্কায় সেতুর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের কোনও আলাপ বা কথাবার্তা হয়নি।

তিনি জানিয়েছেন, ফেরির ধাক্কায় পিলারের ক্ষতি কতোটুকু গভীর তা সেতু কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। পরিদর্শনে গিয়ে আমরা যে বিষয়টি দেখেছি, সেটি হলো ফেরির সঙ্গে পিলারের ধাক্কা লাগার ঘটনাটিতে চালকের খামখেয়ালিপনা কতটুকু? প্রাথমিকভাবে তাতে আমাদের মনে হয়েছে—নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই আসলে ফেরিটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। এটি অনিচ্ছাকৃত। আমরা চালকদেরকে আরও সতর্ক হয়ে ফেরি চালানোর পরামর্শ দিয়েছি। যদিও সংশ্লিষ্ট চালককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিআইডব্লিউটিএ। 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সচিব জানিয়েছেন, সেতু এলাকা অতিক্রমকালে অন্যান্য নৌযান চালকদের পিলারের কাছাকাছি নির্দিষ্ট সীমানা ছেড়ে জাহাজ, ফেরি বা নৌযান চালাতে হবে কিনা তা সেতু কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট করবে। যদি করে তাহলে নৌ-যানের চালকরা তা অবশ্যই মানবেন। চালকদেরকে আরও সতর্কতার সঙ্গে ফেরি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাবাজার ঘাট থেকে ২৯টি যানবাহন নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে বিআইডব্লিউটিএ’র রো রো ফেরি শাহ জালাল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে আঘাত করে। এর মাত্র তিন দিন আগেও গত মঙ্গলবার রো রো ফেরি শাহ মখদুমও পদ্মা সেতুর ১৬ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়।

শুক্রবার পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে  ফেরি ‘শাহজালাল’র ধাক্কার ঘটনায় মাদারীপুরের শিবচর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জিডিটি করেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মোহম্মদ আব্দুল কাদের।

জিডিতে বলা হয়েছে, ফেরি শাহজালাল’র ধাক্কায় পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপের ওপরের ভাগ ও সাইড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগেও একাধিকবার বিআইডব্লিউটিসির ফেরি পদ্মা সেতুর পিলারে আঘাত হেনেছে। বিআইডব্লিউটিসিকে মৌখিক ও লিখিতভাবে সাবধানতার সঙ্গে ফেরি চালানোর অনুরোধ করেছিল সেতু কর্তৃপক্ষ।  ফেরিটির ফিটনেস ও চালকের যোগ্যতা বা দক্ষতা ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখার অনুরোধ করা হয়।

পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে শুক্রবার রো রো ফেরি শাহ্ জালালের ধাক্কার ঘটনায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শনিবার সকাল ১০টায় রো রো ফেরি শাহ্ পরানে চড়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী।

এ সময় বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক ও বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক শাহীনুর রহমান ভূঁইয়া, বিআইডব্লিউটিসির এজিএম আহমেদ আলী, এজিএম রুবেলুজ্জামান ও পদ্মা সেতু বিভাগের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা ‘অসতর্কতা’ বলেই মনে করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। সংস্থাটি বলছে, পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের টানে অনেক সময় ফেরি নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এছাড়া এই রুটে অনেক পুরনো ফেরি চলছে যেগুলোর অনেক যন্ত্রাংশই বিভিন্ন সময় বিকল হয়ে পড়ে। এতে ফেরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এদিকে, পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিআইডব্লিউটিসি। তদন্ত কমিটির সদস্য বিআইডব্লিউটিসির এজিএম (মেরিন) আহম্মেদ আলী জানান, অসতর্কতা ও স্রোতের কারণে ফেরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দিতে পারে। তবে অধিকতর তদন্ত করলে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ বিষয়ে পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, ফেরির ধাক্কায় পিলারের কোনও ক্ষতি হয়নি।

/এমআর/

বাংলাদেশের চামড়াজাত ও সিরামিক পণ্যে আগ্রহ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৪১

বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীরা। এছাড়া খাদ্য সামগ্রীর বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে ব্যবসায়ীদের।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে আয়োজিত ইমপোর্ট গুড ফেয়ারে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। সেখানে তৈরি পোশাক, পাট ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক পণ্য, হস্তশিল্প যেমন‑ পিতলের পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পুতুল ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শনিবার (২৪ জুলাই) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় আমদানিকারকরা বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য সম্পর্কে গভীর আগ্রহ দেখান। এছাড়া, অর্গানিক খাদ্য সামগ্রী, যেমন- মিশ্রিত বাদাম, মধু, মরিঙ্গা চা ও ঘি দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

মেলার উদ্বোধনের পরে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম কোরিয়ান ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য রাষ্ট্রদূতগণকে বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং তাদেরকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প পণ্য উপহার প্রদান করেন।

এ রকম মেলায় অংশগ্রহণ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে মনে করে দূতাবাস।

/এসএসজেড/এমএস/

সর্বশেষ

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে হিসাব খোলার নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে হিসাব খোলার নির্দেশ

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

‘লীগ’ যুক্ত সংগঠন আছে তিন শতাধিকমুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

© 2021 Bangla Tribune