X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করে আত্মসমর্পণের শুনানি করা যাবে

আপডেট : ২২ মে ২০২১, ১৩:৫২

করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের অধস্তন আদালতসমূহে শারীরিক উপস্থিতিতে অভিযুক্ত বা অভিযুক্তদের হাজির করে ফৌজদারি মামলায় আত্মসমর্পণের বিষয়ে শুনানি করা যাবে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এই নির্দেশনা দিয়েছে। শনিবার (২২ মে) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণ করে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিগণ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও সাইবার ট্রাইব্যুনালসমূহে আত্মসমর্পণ করতে পারবেন। এ বিষয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও সাইবার ট্রাইব্যুনাল বিচারক এজলাস কক্ষে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসহ শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।

এতে আরও বলা হয়, এসব আদালতে আত্মসমর্পণ আবেদন দাখিল ও শুনানি কার্যক্রমের পদ্ধতি ও সময়সূচি এমনভাবে সমন্বয় করতে হবে, যাতে আদালত প্রাঙ্গণে এবং আদালত ভবনে কোনো ধরনের জনসমাগম না ঘটে। আত্মসমর্পণ দরখাস্ত শারীরিক উপস্থিতিতে শুনানির সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তার পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী ছাড়া অন্য আইনজীবী এজলাস কক্ষে অবস্থান করবেন না। একটি আত্মসমর্পণ দরখাস্ত শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী এজলাস কক্ষ ত্যাগ করার পর ম্যাজিস্ট্রেট/বিচারক পরবর্তী আত্মসমর্পণের দরখাস্ত শুনানির জন্য গ্রহণ করবেন।

এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন- আদালতের কার্যক্রম চালু করতে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন

/বিআই/এফএস/

সম্পর্কিত

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ডিএনসিসির দুই সড়কের নামকরণ

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৩০

দু’জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দু’টি সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়েছে। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডিএনসিসির নগর ভবনে অনুষ্ঠিত করপোরেশন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর মধ্যে সংসদ ভবন এভিনিউ খেজুর বাগান (ইসলামিয়া আই হসপিটাল) থেকে বিজয় সরণি (এরোপ্লেন মোড়) পর্যন্ত সড়ক ‘শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীর বিক্রম সড়ক’ নামে এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ড খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার ৬ নম্বর সড়কটি (হোল্ডিং নং ১৩২১ হতে হোল্ডিং নং ১২৮০ হয়ে ১২৬৬ পর্যন্ত) ‘মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর সড়ক নামে’ নামকরণ করা হয়। এছাড়া গুলশান বনানী ও বারিধারা এলাকার জন্য পুনর্নির্ধারিত খসড়া রেইটস চার্ট অনুমোদন করা হয়েছে।

সড়ক দুটির নতুন নামকরণ করে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দখল, দূষণ ও দুষ্টু লোকের কবল থেকে ঢাকাকে মুক্ত করে একটি সুস্থ সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তুলতে হবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/এসএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

‘স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিলে দখলকারীদের দমন সম্ভব নয়’

‘স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিলে দখলকারীদের দমন সম্ভব নয়’

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

উত্তরায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

উত্তরায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

‘স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিলে দখলকারীদের দমন সম্ভব নয়’

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:১৭

মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ক্ষমতাহীন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। নদী কমিশনকে পরিপূর্ণ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা না করলে নদী দখলকারীদের দমন করা সম্ভব নয়। নদীগুলো রক্ষা করে এর প্রবাহ নিশ্চিত করাই— নদী দিবসের অঙ্গীকার।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শহীদ শেখ কামাল মিলনায়তনে মুজিব শতবর্ষ ও বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ও পরিবেশ ভাবনা এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আলী কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ, কমিশনের ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক ইকরামুল হক ও বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুনির হোসেন বক্তব্য দেন।

সভায় তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ভাবনা ও বাংলাদেশের নদীসমূহের দখল, দূষণ ও নাব্য সংকট: প্রেক্ষিত ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্প, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন’, ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ও পরিবেশ ভাবনা এবং আমাদের করণীয়’ এবং ‘সুস্থ নদী ও মৎস্যসম্পদের সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্রবন্ধগুলো উপস্থাপন করেন যথাক্রমে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ স্পেশালিস্ট মনির হোসেন চৌধুরী, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্স সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মনজুরুল কিবরিয়া।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘নৌ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ক্ষমতাহীন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। নদী কমিশনকে পরিপূর্ণ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা না করলে নদী দখলকারীদের দমন করা সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, ‘নদী দখল ইস্যুতে আমরা শুধু প্রেসক্রিপশন করার ক্ষমতা রাখি, ওষুধ প্রয়োগের ক্ষমতার জন্য মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্থ হতে হয়।’ দেশের নদী বাঁচাতে হলে বঙ্গবন্ধু যে স্বাধীন কমিশনের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নের তাগিদ দেন তিনি।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের শিল্প শহর গড়ে উঠেছে নদীর ওপর ভিত্তি করে, অথচ এই শিল্প-কলকারখানাগুলো নদীকে ধ্বংস করছে। বাংলাদেশের নদী না বাঁচলে কৃষি বাঁচবে না, আর কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হলে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে পড়বে। তাই দেশের নদীগুলো বাঁচানোর কার্যকর উদ্যোগ দরকার। তারা বলেন, অপরিকল্পিতভাবে অনেক নদীতে ব্লক ফেলে নদীর ইকোসিস্টেম নষ্ট করা হচ্ছে। নদীদূষণের কারণে বাংলাদেশ থেকে অনেক দেশি মাছ হারিয়ে গেছে। প্রতিটি নদী নিয়ে আলাদা আলাদা পরিকল্পনা করা গেলে এ দেশের নদীগুলো বাঁচানো সম্ভব। নদীমাতৃক বাংলাদেশের খেতাবকে অটুট রাখা সম্ভব।

 

/এসএনএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ডিএনসিসির দুই সড়কের নামকরণ

দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ডিএনসিসির দুই সড়কের নামকরণ

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৭

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সার্বিকভাবে ধারণ করতে পারলে বিশ্ব আসনে বাংলাদেশকে আরও মর্যাদার জায়গায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতাকে আমরা সার্বিকভাবে ধারণ করেছি বলেই আজকে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির সূচক বিশ্বে একটি আলোচিত বিষয়। এই জায়গাটায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শহীদ শেখ কামাল মিলনায়তনে মুজিব শতবর্ষ ও বিশ্ব নদী দিবস-২০২১ উপলক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ও পরিবেশ ভাবনা এবং আমাদের করণীয়’  শীর্ষক  সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নদীগুলোকে রক্ষা করে এর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার। পঁচাত্তর পরবর্তী দূষিত সমাজ ব্যবস্থার কারণে নদীগুলোও দখল ও দূষণের কবলে পড়েছে। বঙ্গবন্ধু নদী নিয়ে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের পর বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে অপবাদ ও অপপ্রচার করা হয়েছে। এ জায়গা থেকে আমাদের নদীগুলোও রক্ষা পায়নি। যখন পুরো সমাজ ব্যবস্থা দুর্নীতিবাজ হয়ে যায়, তখন লুটেরা স্বভাবের একটি সমাজ তৈরি হয়। রাষ্ট্র এদের লালন-পালন করে। সেখানে ভালো কিছু থাকে না।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে নদী রক্ষার জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হতো না। নদীর প্রবাহ ঠিক থাকতো। নদীগুলো বাংলাদেশের জনগণের  জীবন ও জীবিকার উৎস হিসেবে কাজ করতো।’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দূষিত সমাজ ব্যবস্থার কারণে নদীগুলো দূষিত হয়ে গেছে, দখল হয়ে গেছে। এই যে দুরবস্থা, এটা এমনি এমনি আসেনি। কিছু মানুষ ভাবতো জায়গা ফাঁকা আছে, এটা আমার পছন্দ, এটাই আমার দখল করতে হবে। এভাবেই কিন্তু হয়েছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে আমরা যখন ঢাকার চারপাশে নদী দখল উচ্ছেদ শুরু করলাম, আমরা কিন্তু দেখিনি কোনটা কার জায়গা। প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে বলেছিলাম, তখন তিনি আমাদের সাহস দিয়েছিলেন। বাংলাদেশে এমন একজন নেতাকে পেয়েছি, যার সাহস আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়, আমাদের উৎসাহ যোগায়। তিনি যে সাহস আমাদের দিয়েছেন, সে সাহসে আমরা কাজ করছি। এই ঢাকার চারপাশ আমরা দখলমুক্ত করেছি। সেগুলোকে রক্ষা করার জন্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদী দখলমুক্ত করতে গিয়ে সরকারকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। পচাঁত্তরের পর একটি ধারা তৈরি হয়, মানুষ মনে করেছিল, অপরাধ করলে বিচার হবে না। নদী দখল করলে বিচার হবে না। অনেকে নদীর পাড়ে গিয়ে ঘর তুলেছে, অনেকে নদীর পাড়ে কলকারখানা গড়ে তুলেছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দীর্ঘদিন অপরাধীদের হাতে ছিল। বাংলাদেশ অপরাধীদের লালন করেছিল। কাজেই এই দুরবস্থা শুধু আমাদের নদীর নয়, পুরো বাংলাদেশকে গ্রাস করেছিল।’

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আলী কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ, কমিশনের ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক ইকরামুল হক এবং বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুনির হোসেন।

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ডিএনসিসির দুই সড়কের নামকরণ

দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ডিএনসিসির দুই সড়কের নামকরণ

‘স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিলে দখলকারীদের দমন সম্ভব নয়’

‘স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিলে দখলকারীদের দমন সম্ভব নয়’

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৮

দুর্নীতির মামলায় পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ও সাবেক দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত ।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে সাক্ষ্য দেন সাদ্দাম হোসেন ও রফিকুল ইসলাম। এরপর তাদের সাক্ষ্য শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা শেষ করেন। এরপর পরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালত এইদিন দিন ধার্য করেন।

মামলায় এ পর্যন্ত  ১৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

২০২০ সালের ১৮ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে ২০২০ সালের ৪ মার্চ দুদকের পক্ষে অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ হয়। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। 

একই বছরের ১৯ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি করেছিলেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। 

প্রসঙ্গত, ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর খন্দকার এনামুল বাছির ও ডিআইজি মিজানুর রহমান ওরফে মিজান সাময়িক বরখাস্ত হন।

/এমএইচজে/এনএইচ/

সম্পর্কিত

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৫

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে ভুল থাকার ঘটনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান এবং সদস্যকে (কারিকুলাম) তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ নভেম্বর তাদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। 

এ ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ে থাকা ভুল সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যান, সদস্য (কারিকুলাম), সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আলী মুস্তফা খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।  

এর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. আলমগীর আলম এ রিট দায়ের করেন। 

রিট আবেদনে বলা হয়, সপ্তম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১০ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে- ‘১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন ছিল শুধু পূর্ব পাকিস্তানের’; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের সকল প্রদেশে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল। 

৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি’ শিরোনামের লেখায় ৩ নং পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, ‘এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো এক সাহসী, ত্যাগী, ও দুরদর্শী নেতার ‘আর্বিভাব’ হয়। অথচ প্রকৃত সত্য এই যে, বঙ্গবন্ধু হঠাৎ কোন ‘আর্বিভূত’ নেতা নন। তিনি তিলে তিলে বাঙালি জাতির নেতা হয়ে উঠেছেন। 

একইভাবে অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মাইল’ এর স্থলে ‘কিলোমিটার’ হবে। 

নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ২ থেকে ৯ নং পৃষ্ঠার বিভিন্ন জায়গায় ‘শেখ মুজিব’ লেখা হয়েছে। অথচ বর্তমানে সকল ক্ষেত্রে ‘বঙ্গবন্ধু’ লিখতে হবে মর্মে নির্দেশনা রয়েছে। ২১ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি’ এর স্থলে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি’ হবে। ২৯ নং পৃষ্ঠায় ‘প্রেসিডেন্ট ভবন’ এর স্থলে ‘বঙ্গভবন’ হবে। 

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

সাংবাদিক নির্যাতনডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

মুনিয়া হত্যা: হাইকোর্টে এক আসামির আগাম জামিন

মুনিয়া হত্যা: হাইকোর্টে এক আসামির আগাম জামিন

ফিরোজ রশীদের দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

ফিরোজ রশীদের দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

সর্বশেষ

পুকুরে ডুবে যমজ ভাইবোনের মৃত্যু

পুকুরে ডুবে যমজ ভাইবোনের মৃত্যু

‘মেয়েরা অনেক ভালো খেলেছে’

‘মেয়েরা অনেক ভালো খেলেছে’

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ডিএনসিসির দুই সড়কের নামকরণ

দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ডিএনসিসির দুই সড়কের নামকরণ

১০,৫০০ শ্রমিককে ভিসা দেবে যুক্তরাজ্য

১০,৫০০ শ্রমিককে ভিসা দেবে যুক্তরাজ্য

© 2021 Bangla Tribune