X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

আপডেট : ৩১ মে ২০২১, ০৪:৫৪

নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’কে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে দেখছে সরকার। বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে আলোচিত ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’তে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। কমিশন বলেছে, টেকসই ভূমি ব্যবহারের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালার প্রয়োজন।

একশ বছরের ডেল্টা প্ল্যানে টেকসই ভূমি ব্যবহার, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের পরিকল্পনার কৌশল ও কার্যক্রমে যা যা বলা হয়েছে-

ভূমি ব্যবহার কৌশল

১। বালুমহাল এবং পলি বা ড্রেজিং থেকে পাওয়া মাটি বা বালু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

২। টেকসই খাদ্যশস্য উৎপাদনে বন্যা বা নদীর ভাঙন থেকে কৃষিজমি সংরক্ষণ করতে হবে।

৩। লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ এবং মরুকরণ প্রতিরোধ করতে হবে।

৪। মেঘনার মোহনায় জেগে ওঠা ভূমির সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে হবে।

৫। কৃষি বা অকৃষি জমি বাড়ানোর জন্য টেকসই উপকূলীয় ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬। ডিজিটাল ভূমি সম্পদ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন করতে হবে।

৭। ভূমি প্রশাসনের দক্ষতা বাড়াতে পলি জমে গড়ে ওঠা ভূমি এবং নদী শিকস্থ সম্পর্কিত আইন বা বিধিগুলো হালনাগাদ করতে হবে। 

৮। ল্যান্ড জোনিংয়ের প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। 

৯। ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

১০। নগরায়নের জন্য স্থানীয় ভূমি ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে হবে।

১১। ভূমি ব্যবহারে সর্বোচ্চ দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

১২। স্থানিক পরিকল্পনা এবং ভূমি সম্পদ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণয়ন করতে হবে।

১৩। ভূমি স্থিতিশীল করতে উপকূলীয় অঞ্চলে বনায়ন বাড়াতে হবে।

১৪। মাটির গুণ বজায় রাখা এবং ভূমির ক্ষয়ক্ষতি রোধ করতে হবে।

১৫। ভূমি রক্ষায় উপকূলীয় পানিসম্পদ অবকাঠামোগুলোর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা দরকার। 

কৃষি বিষয়ক কৌশল

১। কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার ঘাতসহিষ্ণুতা বাড়াতে হবে।

২। কৃষি উৎপাদন ও জীবিকার মধ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে।

৩। কৃষি জমি থেকে গ্রিনহাউস নিঃসরণ কমাতে হবে।

৪। বৃহাদায়তন বাণিজ্যিক খামার স্থাপনে উৎসাহ দিতে হবে।

৫। মাছ ও উদ্ভিদের সমন্বিত চাষে জলোপযোগী পদ্ধতির প্রবর্তন করতে হবে।

৬। কৃষিজাত পণ্যের প্রক্রিয়াকরণ, বণ্টন এবং প্যাকেজিংয়ে ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

৭। নির্ভুল কৃষি মডেল চালু করতে হবে।

৮। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কমাতে উন্নত খামার এবং প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে।

৯। উদ্ভিদ, বন্যপ্রাণী, মৎস্য ও পরিযায়ী পাখির জন্য বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ ও ফলদ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উৎসাহিত করতে হবে।

কৃষি বিষয়ক কার্যক্রম

সরকারের শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যানে কৃষি বিষয়ক কার্যক্রমে বলা হয়েছে-

১। জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাতকে অন্তর্ভুক্ত করে কৃষিখাতের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

২। ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকার জন্য সমন্বিত চাষাবাদ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৩। কৃষিপণ্য উৎপাদন ব্যবস্থায় ক্ষুদ্র সেচ, ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার এবং পানি সঞ্চয়ী আধুনিক সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করতে হবে।

৪। পার্বত্য চট্টগ্রামে জীবন জীবিকার জন্য উন্নততর চাষাবাদ ব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে।

৫। খরা ও বন্যাসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

৬। চাষাবাদে পানির ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনের জন্য স্বয়ংক্রিয় পরিবীক্ষণ ব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে।

৭। সেচে কম পানির প্রয়োজন হয়, এমন শস্য চাষে উৎসাহিত করতে হবে।

৮। সেচ প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি ব্যবহারে উৎসাহ দিতে হবে।

মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক কৌশল

সরকারের শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যানে মৎস্য সম্পদ বিষয়ক কৌশলে বলা হয়েছে-

১। শুধু ধান নয়, মাছ চাষের জন্য হাওর অঞ্চলে জলাভূমি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করতে হবে।

২। দীর্ঘমেয়াদী মাছের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে জীববৈচিত্র্য বজায় রাখতে হবে।

৩। সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

ডেল্টা প্ল্যানে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক কৌশল বাস্তবায়নে নেওয়া কার্যক্রম সম্পর্কে বলা হয়েছে-

১। স্বাদু পানি ও উপকূলীয় অঞ্চলে মাছ চাষ, সামুদ্রিক মাছ চাষ, এবং চিংড়ি চাষে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও ক্ষতি সম্পর্কে গবষণার উদ্যোগ নিতে হবে।

২। গবেষণালব্ধ ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে অভিযোজন ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হবে।

৩। মৎস্য সম্পদ জরিপের জন্য আধুনিক যান সংগ্রহ করতে হবে।

৪। সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আহরণে সর্বোচ্চ আহরণ মাত্রা এবং টেকসই উৎপাদন বিষয়ে জরিপ এবং মজুত ম্যাপ তৈরি করতে হবে।

৫। জলবায়ু পরিবর্তন-সহিষ্ণু মৎস্য সম্পদ প্রজাতির উদ্ভাবনে গবেষণা বাড়াতে হবে।

ডেল্টা প্ল্যানে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ক বিষয়ক কৌশলে বলা হয়েছে, জলবায়ু সহিষ্ণু পশুপাখির জাত উদ্ভাবন ও পালন বাড়াতে হবে। 

একইসঙ্গে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক কৌশল বাস্তবায়নে কার্যক্রম সম্পর্কে বলা হয়েছে-

১। প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিসমূহের মূল্যায়ন, অভিযোজন পদ্ধতি অবলম্বন ও কৃষকদের মাঝে তা সম্প্রসারণ করতে হবে।

২। ভেটেরিনারি সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে।

৩। ঘাতসহিষ্ণু প্রজাতির প্রবর্তন করতে হবে।   

৪। গবাদিপশু মোটাতাজাকরণ এবং বাণিজ্যিক পশু খামার স্থাপনে প্রণোদনা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

৫। উচ্চফলনশীল এবং শুষ্ক মৌসুমে উৎপাদন করা যায় এমন পশুখাদ্য বা ঘাস উৎপাদনে গবেষণা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে প্রণোদনাও রাখতে হবে।   

উল্লেখ্য, ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।

এরইমধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’। ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলে সদস্য হিসেবে রয়েছেন কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, নৌ পরিবহনমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্যকে এই কাউন্সিলের সদস্য সচিব করা হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী ও ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান এম এ মান্নান জানিয়েছেন, একশ বছরের ডেল্টা প্ল্যানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে এবং যেসব কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রস্তাব রাখা হয়েছে সেগুলো ব্যয়বহুল নয়। তাই এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন কঠিন হবে না। এর বাইরেও এই প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থায়নের বিষয়টিও পরিষ্কার করে বলা আছে। আশা করছি এটিও সহজে বাস্তবায়নযোগ্য।

/এফএ/ইউআই/

সম্পর্কিত

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:৩০

ভারত থেকে রেলপথ হয়ে আরও ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন দেশে এসেছে। আজ শুক্রবার (৩০ জুলাই) দুপুর দেড়টায় ভারত থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বিশেষ ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’ বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরিফুল আলম এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, অক্সিজেন এক্সপ্রেস ট্রেনটি গতরাতে ভারতের জামশেদপুরে টাটানগর থেকে ছেড়ে আসে। এভাবে আরও তিনটি ট্রেনে ৬০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে আসবে। এরপর আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ট্রেনের মাধ্যমে অক্সিজেন নিয়ে আসবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৪ ও ২৮ জুলাইও ২০০ মেট্রিক টন করে তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন (এলএমও) নিয়ে অক্সিজেন এক্সপ্রেসের প্রথম ও দ্বিতীয় চালান বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন পৌঁছে। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ৪৮০টি এলাকায় তরল অক্সিজেন সরবরাহের জন্য দেশটির রেলওয়ে ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’ সেবাটি চালু করে।

 

/এসএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

উচ্ছলতা যেন ঈদ আনন্দকে বিষাদে রূপ না দেয়: ওবায়দুল কাদের

উচ্ছলতা যেন ঈদ আনন্দকে বিষাদে রূপ না দেয়: ওবায়দুল কাদের

আমে আপ্লুত মমতা

আমে আপ্লুত মমতা

‘লকডাউন কনটিনিউ’র সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৬:০১

চলমান কঠোর বিধিনিষেধ তথা ‘লকডাউন কনটিনিউ’ করার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এ কথা জানিয়েছেন।

আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলা লকডাউন আর বাড়ানোর সুপারিশ করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চলমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের সুপারিশ এটা কনটিনিউ করার। “আমরা বলেছি লকডাউন কনটিনিউ করতে”। কেবলমাত্র অতিজরুরি সেবা ছাড়া যেভাবেই হোক সবকিছু সীমিত রাখতে হবে। এগুলো মনিটর করতে হবে। সব খুলে দিলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে।

এর আগে, সরকারি প্রজ্ঞাপনে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এসময় পোশাক ও শিল্প-কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার।

/জেএ/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

১০ দিনে শনাক্ত ১ লাখ রোগী

১০ দিনে শনাক্ত ১ লাখ রোগী

ঢাকায় সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ বেড ফাঁকা মাত্র ৯টি

ঢাকায় সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ বেড ফাঁকা মাত্র ৯টি

একটা ‘রোডম্যাপ’ খুব জরুরি

একটা ‘রোডম্যাপ’ খুব জরুরি

মৃত্যু বেড়ে ২২৮, শনাক্ত ১১ হাজার ২৯১

মৃত্যু বেড়ে ২২৮, শনাক্ত ১১ হাজার ২৯১

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:৪৩

আদালতের রায়ে স্থগিত সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই মাসের ৪ তারিখে ভোট করার পরিকল্পনা নিয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শোকের মাস আগস্টে কোনও ভোট না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন থেকে আগে থেকেই নেওয়া হয়েছে। এ কারণে ইসি ১৮০ দিনের সময়সীমার একেবারেই শেষ প্রান্তে গিয়ে এ ভোট করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে তো ভোট হবেই না, এমনকি ওই মাসে ভোটের তারিখটাও ঘোষণা করা হবে না। জানা গেছে, ভোটের আগে ২/৩ দিন সময় রেখে সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখ ঘোষণা করা হবে। এক্ষেত্রে ওই মাসের ৪ তারিখ ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হবে। অবশ্য ওইদিন সম্ভব না হলে ৫ সেপ্টেম্বর ভোটের দিন নির্ধারণ করা হতে পারে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় ভোটগ্রহণের ১৮০ দিনের মেয়াদ আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সোমবার শেষ হবে। কমিশনকে এ সময়ের মধ্যে ভোট করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল (গেজেট প্রকাশ) করতে হবে।

প্রসঙ্গত, করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতিতে রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত সোমবার এক আদেশে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করে। আদালতের আদেশ পেয়ে ইসি ওইদিনই উপনির্বাচনটি স্থগিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। পূর্বঘোষিত শিডিউল অনুযায়ী ২৮ জুলাইয়ে এ আসনের উপনির্বাচনের কথা ছিল।

তবে আদালতের আদেশ অনুযায়ী ৫ আগস্টের পরে যেকোনও দিন ভোট করার সুযোগ থাকলেও শোকের মাসের বিষয়টি বিবেচনা করে তারা সেপ্টেম্বরেই ভোট করতে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, শোকের মাসে কোনও ধরনের নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ঢাকা-১৪, কুমিল্লা-৫ এবং সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ২৮ জুলাই অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইসি তফসিল ঘোষণা করেছিল।  ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠানে ১৮০ দিনের মেয়াদ পূর্ণ হতে ইসির হাতে বেশ কিছু দিন সময় থাকলেও সিলেট-৩ আসনের জন্য ইসির হাতে সময় ছিল সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পর্যন্ত। কিন্তু সেপ্টেম্বরে ভোট করতে গেলে যদি এক বা একাধিক কোনও কেন্দ্রের ভোট স্থগিত হয় এবং এতে নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব পড়ে—তখন জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে এমন আশঙ্কায় জুলাইয়ের ২৮ তারিখ ভোটের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইসিকে সেই সেপ্টেম্বরেই যেতে হলো।

তিনটি আসনের উপনির্বাচনের মধ্যে ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচনে একক প্রার্থী হওয়ায় এ দুটি আসনে উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। এ দুটি আসনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা ইতোমধ্যে শপথও গ্রহণ করেছেন। তবে সিলেট-৩ আসনে একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের প্রয়োজন পড়ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কমিশন আগে থেকেই নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী শোকের মাসে কোনও নির্বাচন করবে না। ফলে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগস্ট মাসে সব ধরনের নির্বাচনি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ফলে নির্বাচনের তারিখটিও এ সময় ঘোষণা করা হবে না। হাতে দুই-তিনদিন সময় রেখে সেপ্টেম্বরেই ভোটের তারিখ জানানো হবে। এক্ষেত্রে ৪ সেপ্টেম্বর শনিবার বা তার পরের দিন ভোট হতে পারে। কারণ, আমাদের সম্ভবত সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখের মধ্যে ভোটের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সিলেট-৩ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী গত ১১ মার্চ মারা যান। সংবিধান অনুযায়ী গত ৮ জুন এ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার সাংবিধানিক ক্ষমতা বলে এ আসনের উপনির্বাচন পরবর্তী ৯০ দিনে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত জানান। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ আসনের উপনির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মাল্টার জেলে বন্দি ১৬৫ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী আছে?

মাল্টার জেলে বন্দি ১৬৫ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী আছে?

মার্কিন সিনেটর মেনেন্দেজের সাথে সালমান এফ রহমানের বৈঠক

মার্কিন সিনেটর মেনেন্দেজের সাথে সালমান এফ রহমানের বৈঠক

আগুন নিয়ে খেলবেন না: ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু

আগুন নিয়ে খেলবেন না: ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

মাল্টার জেলে বন্দি ১৬৫ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী আছে?

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:৫৪

ইমরান হুসেইন, মুন্সি তারা মিয়া, হাবীব হাসান, মোল্লা সোহাগ আশায় বুক বেঁধেছিলেন, সাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছাবেন স্বপ্নের ইউরোপে। উন্নত জীবনমান আর বেশি আয়ের স্বপ্নে প্রলুব্ধ হয়ে মানবপাচারকারীর হাত ধরে শুরু হয় তাদের ভূমধ্যসাগরের মরণযাত্রা। পরে মাঝ সমুদ্রে তাদের উদ্ধার করে আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্ধারকারী জাহাজ। আশ্রয় হয় ইউরোপীয় অঞ্চলের একটি দ্বীপ মাল্টায়। কথা বার্তা অসংলগ্ন হওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পরিচয় নিশ্চিত করে রেখে দিয়েছেন ডিটেনশন সেন্টার নামক এক প্রকার জেলে। আর তাদের সেখান থেকে মুক্ত করে সে দেশে বৈধ উপায়ে কাজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন-আয়েবা।   

মাল্টা থেকে কিছু দিন পরপরই বন্দি কিংবা আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাদের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মাল্টা সরকারের এমন পদক্ষেপ। সেখান থেকে গত জুন মাসেও ১৫৮ এবং তারও আগে ৪৪ বাংলাদেশিকে দেশে পাঠানো হয়। তাদের দেশে ফেরার জন্য আউটপাস ইস্যু করে গ্রিসের এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। কারণ, মাল্টায় বাংলাদেশের কোনও দূতাবাস নেই। মাল্টা সরকারের চলমান ফেরত পাঠানোর কার্যক্রমে রীতিমতো আতঙ্কিত সেখানে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কয়েক লাখ টাকা খরচ করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে গিয়ে দেশে ফেরত পাঠানোর আতঙ্কে পার করতে হচ্ছে দিন-রাত।

এই চার বাংলাদেশি যুবক এখন মাল্টার কারগারে বন্দি

তবে বন্দি এসব বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত না পাঠিয়ে সেখানে কিংবা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কীভাবে কাজে লাগানো যায় সেই ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন-আয়েবার নেতারা। অবৈধভাবে সমুদ্রপথে মাল্টায় প্রবেশ করায় ১৬৫ বাংলাদেশি দীর্ঘ ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে বন্দি আছে ডিটেনশন সেন্টারে। তাদের মুক্ত করতে মাল্টা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আয়েবার নেতারা।

সংগঠনের মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মাল্টা যান। দেশটির স্বরাষ্ট্র সচিবসহ উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তারা। মাল্টা সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে অংশ নেন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব কেভিন মাহোনে, নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগ সংস্থার কর্মকর্তা রায়ান এসপানিয়ল, ডিটেনশন সেন্টারের মহাপরিচালক রবার্ট ব্রিংকাউ। বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানান আয়েবা মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ।

সেখানে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের বেশিরভাগই দালালের মাধ্যমে লিবিয়া কিংবা তিউনিশিয়ায় যান। সেখান থেকে বোটে রওনা হয়ে গ্রিস অথবা ইতালিতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। কোনও কারণে যদি তাদের বোট ডুবে যায় কিংবা দুর্ঘটনার শিকার হয়, তখন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উদ্ধার করে ইতালির দক্ষিণে অবস্থিত মাল্টা দ্বীপে এনে রেখে দেয়। সেখানে তারা রাজনৈতিক বা মানবিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন।

কাজী এনায়েত উল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এখানে কয়েকটি বিষয় আছে। যারা এখানে এসে পৌঁছায়, তারা এক ধরনের ট্রমার মধ্যে থাকেন। আধামৃত অবস্থায়, দিনের পর দিন অভুক্ত অবস্থায় থাকেন। তাদের সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী জেরা করে, পরিচয় যাচাই করে। সেগুলো করার পরে যখন আবেদনে স্বাক্ষর করতে বলে তখন তারা করে দেয়। কীসের মধ্যে স্বাক্ষর করছে তা তারা বুঝতে পারে না। কারণ, এভাবে যারা এখানে আসেন, তাদের বেশিরভাগই মূলত কম শিক্ষিত এবং ভাষা জানেন না। যার ফলে নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে যা করতে বলে তাই করেন। এমনকি তারা যেভাবে বলেন সেভাবেই স্বাক্ষর করিয়ে নেন কাগজে। সমস্যা হচ্ছে– এখানে বাংলা অনুবাদকও কেউ নেই, আফ্রিকান অনুবাদক তাদের পড়ে শোনান। এসব নানা সমস্যায় পড়ে তারা এখনও জেলে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র সচিবসহ উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে আয়েবা নেতারা

সম্প্রতি মাল্টার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমরা তাদের বিষয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা আলাপ করেছি। এখানের নিয়মানুযায়ী ১৮ মাস ডিটেনশন সেন্টারে তারা রাখতে পারে, এরপর ছেড়ে দিতে হয়। মাল্টা সরকার তাদের বিষয়ে গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানায়, কর্মকর্তারা তারপর আসেন এখানে। দূতাবাসের কর্মকর্তারা এসে বাংলাদেশিদের আউটপাস দেন। মাল্টা সরকার তাদের দেশে ফেরত পাঠায়ে দেয়। ১৮ মাস থাকলে এমনিতেই মুক্তি দিয়ে দেয় মাল্টা সরকার। আরেকটা উপায় হচ্ছে কোর্টে মামলা করলে, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের জন্য ২৫০ ইউরো এবং জামিনের জন্য ২ হাজার ইউরো দিতে হয়। তারপর বের হতে পারবেন। কিন্তু সে দেশে কাজ করতে পারবেন না। আমাদের বৈঠকে আলাপ হয়েছে এদের বিষয়ে এবং বৈধ পদ্ধতিতে কীভাবে সে দেশে কর্মী নেওয়া যায় সেটা নিয়ে।

এনায়েত উল্লাহ জানান, বাংলাদেশ থেকে মানুষ যেতে পারে মাল্টায়, কয়েকটি রিক্রুটিং এজেন্সি আছে তারা নিয়ে আসে। বিভিন্ন টেকনিক্যাল কাজে তাদের নিয়োজিত করা হয়। অনেকেই ভিসা নিয়ে আসেন, কিন্তু পরে মাল্টায় থাকেন না। তারা ইউরোপের অন্য দেশে চলে যান। যার ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের ওপর চাপ দিয়েছে। এ কারণে মাল্টায় কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিক এখানে আছেই ৭০০-৮০০ জন। তার মধ্যে জেলে আছে ১৬৫ জন।

তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ মানবিক উদ্দেশে তাদের পরিবারের আকুতির ভিত্তিতে এই কাজটা করছি। আমরা মাল্টা সরকারকে সমস্যার কথা জানিয়েছি এবং বলেছি, যেভাবে ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে তা যৌক্তিক নয়। আমি জানি এখানে প্রসিকিউশন কোর্টে আপিল করলে তারা মুক্তি পাবে। এজন্য প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি। আমরা সে দেশের সরকারকে বলেছি, সহজ উপায়ে তাদের মুক্তি না হলে আমরা কোর্টের মাধ্যমে মুক্তি করাবো। আমরা যার সঙ্গে মিটিং করেছি তিনি আমাদের অনুরোধ করেছেন মাল্টায় একটা শাখা করতে আমাদের সংগঠনের এবং তারা বৈধভাবে কর্মী আনার বিষয়ে বলেছে আমাদের। এই লোকগুলোকে মুক্ত করিয়ে আমাদের পরের প্ল্যান হচ্ছে এদের কাজের কথা বলে মানবপাচারের মতো কাজ করছে যারা, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থায় যাবো।

মাল্টায় টেকসই বাংলাদেশি কমিউনিটি তৈরি করে দিতে প্রতিনিধি দলের প্রতি দেশটির সরকার আহ্বান জানিয়েছে বলেও জানান এনায়েত উল্লাহ। তিনি বলেন, আমরা অবৈধভাবে অভিবাসনকে নিরুৎসাহিত করি। কিন্তু যে লোকগুলো এসে এখানে মানবেতর জীবনযাপন করছে, তাদের এখানেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। আমাদের সংগঠন ইউরোপে ১০ বছর ধরে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

/ইউএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

মার্কিন সিনেটর মেনেন্দেজের সাথে সালমান এফ রহমানের বৈঠক

মার্কিন সিনেটর মেনেন্দেজের সাথে সালমান এফ রহমানের বৈঠক

আগুন নিয়ে খেলবেন না: ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু

আগুন নিয়ে খেলবেন না: ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

ঢাকা-আঙ্কারা পর্যটন বাড়ানো আহ্বান

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১১:০৬

পর্যটনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের জনগণের মধ্যকার যোগাযোগ ও বোঝা-পড়াকে শক্তিশালী করা গেলে তা ধাপে ধাপে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষাসহ অন্যান্য সহযোগিতা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রগুলোতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধির অংশ হিসেবে তুর্কি ট্রাভেলার্স ক্লাবের সাথে যৌথভাবে ‘বাংলাদেশ: কোভিড-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় এক উদীয়মান পর্যটন গন্তব্য’ শীর্ষক একটি গোল-টেবিল বৈঠকে বক্তারা একথা বলেন।

ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

কনস্যুলেট থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ মনিরুল ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, কোভিড-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় যে খাতগুলো দ্রুততার সাথে ঘুরে দাঁড়াবে এবং অর্থনীতিতে কার্যকরী অবদান রাখবে এর মধ্যে পর্যটন খাত অন্যতম।

তুর্কি ট্রাভেলার্স ক্লাবের সদস্যরা বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর পাশাপাশি এর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে পেরে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন ।

তারা বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করার জন্য কনস্যুলেটকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। উপস্থিত অতিথিদের তুর্কি ভাষায় অনূদিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ বাংলাদেশের পর্যটন সম্পর্কিত তথ্যসহায়িকা ও লিফলেট প্রদান করা হয়।

/এসএসজেড/এমএস/

সম্পর্কিত

ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক: ‘রিব্যালান্সিং করতে গিয়ে অফ-ব্যালান্সিং যেন না হয়’

ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক: ‘রিব্যালান্সিং করতে গিয়ে অফ-ব্যালান্সিং যেন না হয়’

নিরাপত্তা সরঞ্জাম কিনতে তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি

নিরাপত্তা সরঞ্জাম কিনতে তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি

সর্বশেষ

ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে লিগ স্থগিত!

ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে লিগ স্থগিত!

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

‘লকডাউন কনটিনিউ’র সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

‘লকডাউন কনটিনিউ’র সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

মাদক ভয়ংকর-৫কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

© 2021 Bangla Tribune