X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ভিসিদের বিরুদ্ধে মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি টিআইবির

আপডেট : ০১ জুন ২০২১, ১৯:৪৩

দুর্নীতি-অনিয়মের কারণে অভিযুক্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। মঙ্গলবার (১ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশের পরেও তার বাস্তবায়ন না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে টিআইবি।

সংস্থার পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, ইউজিসির সুনির্দিষ্ট সুপারিশ বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনীহার যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা দুর্নীতি-অনিয়মের যোগসাজশের ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে এটা সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, জবাবদিহিতার অভাব ও বিচারহীনতার সংস্কৃতিরই প্রতিফলন।

টিআইবি মনে করে, এমন পরিস্থিতি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলোকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে, দেশের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ও জাতীয় জীবনে যার সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সম্প্রতি একাধিক গণমাধ্যমে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা খুবই হতাশাব্যঞ্জক ও আত্মঘাতী বলে অভিহিত করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‌‌‘বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ শিক্ষাদান, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার পরিবর্তে একশ্রেণির সুবিধাভোগী দলদাস তথাকথিত শিক্ষকদের কারণে দলীয় লেজুড়বৃত্তি রাজনীতির স্বার্থ রক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতার বদলে রাজনৈতিক পরিচয় ও সম্পৃক্ততা নিয়োগ প্রদানের অন্যতম বিবেচ্য হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে বলে যে অভিযোগ রয়েছে, তা সরাসরি নাকচ করে দেওয়া যাচ্ছে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে উপাচার্যসহ প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে এমনসব ব্যক্তিকে পদায়ন ও নিয়োগ প্রদান করছেন, যারা উচ্চ শিক্ষার পরিবেশ নয় বরং ক্ষমতাসীন দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা বিধানে সচেষ্ট থাকেন।’

‘তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অভিযুক্ত একজন উপাচার্যকেও যদি ন্যায়বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হতো, তাহলে পরবর্তী সময়ে অন্যান্য উপাচার্যরাও অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত হওয়ার সাহস করতেন না’- মর্মে ইউজিসির একজন সদস্য সম্প্রতি যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, তার সঙ্গে একমত পোষণ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, ‘জবাবদিহি ও শাস্তির অভাবে উপাচার্যদের একাংশ কোনও ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে স্বেচ্ছাচার মনোবৃত্তির ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে দুর্নীতির নিত্য-নতুন ধরন সম্পর্কে আমরা অবগত হচ্ছি- এ বিষয়ে কারও কোনও মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না। সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিরও কোনও বালাই নাই! এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ জরুরি।’

কোনও উপাচার্যের বিরুদ্ধে ২৫টি, আবার কারও বিরুদ্ধে ৪৫টি পর্যন্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি দমন কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে, যা হতাশাব্যঞ্জক। শিক্ষা উপমন্ত্রী অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ দুদকের কাছে প্রেরণের যে কথা বলেছেন, সেই অনুযায়ী ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে ও কোনও ধরনের চাপের কাছে নতি শিকার না করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে বলে টিআইবি প্রত্যাশা করেছে।

এক্ষেত্রে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনও বিকল্প নেই বলেও মনে করে সংস্থাটি।

 

/জেইউ/টিটি/

সম্পর্কিত

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৫

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে ভুল থাকার ঘটনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান এবং সদস্যকে (কারিকুলাম) তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ নভেম্বর তাদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। 

এ ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ে থাকা ভুল সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যান, সদস্য (কারিকুলাম), সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আলী মুস্তফা খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।  

এর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. আলমগীর আলম এ রিট দায়ের করেন। 

রিট আবেদনে বলা হয়, সপ্তম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১০ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে- ‘১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন ছিল শুধু পূর্ব পাকিস্তানের’; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের সকল প্রদেশে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল। 

৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি’ শিরোনামের লেখায় ৩ নং পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, ‘এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো এক সাহসী, ত্যাগী, ও দুরদর্শী নেতার ‘আর্বিভাব’ হয়। অথচ প্রকৃত সত্য এই যে, বঙ্গবন্ধু হঠাৎ কোন ‘আর্বিভূত’ নেতা নন। তিনি তিলে তিলে বাঙালি জাতির নেতা হয়ে উঠেছেন। 

একইভাবে অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মাইল’ এর স্থলে ‘কিলোমিটার’ হবে। 

নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ২ থেকে ৯ নং পৃষ্ঠার বিভিন্ন জায়গায় ‘শেখ মুজিব’ লেখা হয়েছে। অথচ বর্তমানে সকল ক্ষেত্রে ‘বঙ্গবন্ধু’ লিখতে হবে মর্মে নির্দেশনা রয়েছে। ২১ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি’ এর স্থলে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি’ হবে। ২৯ নং পৃষ্ঠায় ‘প্রেসিডেন্ট ভবন’ এর স্থলে ‘বঙ্গভবন’ হবে। 

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

বিশেষ কোনও টিকা নিয়ে ‘ফ্যাসিনেশন’ থাকা যাবে না

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১১

করোনা প্রতিরোধের অন্যতম হাতিয়ার টিকা, তবে একমাত্র নয়। ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এর সঙ্গে লাগবে টিকা। আর এই টিকা নিয়ে প্রশ্ন বা বিশেষ কোনও কোম্পানির হতে হবে- এমন ফ্যাসিনেশন (মোহ) থাকা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর।

তিনি বলেন, যে টিকা দেশে আসবে সেটাই নিতে হবে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন দৈনিক শনাক্ত নেমে এসেছে হাজারের নিচে। অতি সংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তাণ্ডবের পর এ যেন এক স্বস্তির বার্তা। তবে ডা. আলমগীর বলছেন, স্বস্তি নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনও সুযোগ নেই। সংক্রমণের এ নিম্নমুখী হার অব্যাহত রাখতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সঙ্গে নিতে হবে টিকা।

ডা. আলমগীর বলেন, ভাইরাসের ট্রান্সমিশন (সংক্রমণ ক্ষমতা) যেহেতু অনেক বেশি, পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় এই ভাইরাসের পরিবর্তন হতে পারে।

করোনাকে একটি অনবরত পরিবর্তনশীল ভাইরাস অভিহিত করে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এর ভ্যারিয়েন্ট বদলে অতি সংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্ট আসতে পারে। সুতরাং, এখনও অসতর্ক হওয়া যাবে না। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাবধান থাকতে হবে। সেই সঙ্গে যাদের সুযোগ রয়েছে তাদের টিকা নিতে হবে।

‘টিকাও সংক্রমণ কমার অন্যতম উপায়, যদিও একমাত্র কখনোই নয়। টিকা নেওয়ার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণ পাঁচ শতাংশের নিচে ধরে রাখা সম্ভব। নয়তো যে কোনও সময় এটা বেড়ে যেতে পারে’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সংক্রমণের হার যদি পাঁচ শতাংশের নিচে দুই সপ্তাহ ধরে কোনও দেশে অব্যাহত থাকে; তাহলে সেই দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে গত ছয় দিন ধরে সংক্রমণের হার পাঁচের নিচে। আগামী দুই সপ্তাহ যদি এটা বজায় থাকে তাহলে কি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে মনে করা হবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা বলা হয়ে থাকে। কিন্তু এর আসলে তেমন কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

ডা. আলমগীর বলেন, পৃথিবীর বহু দেশেই সংক্রমণের হার তিন থেকে চার সপ্তাহ পাঁচের নিচে ছিল। কিন্তু এরপর আবার বেড়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল ভিয়েতনাম। কিন্তু বর্তমানে যে কয়েকটি দেশে সংক্রমণ বেশি তার মধ্যে ভিয়েতনাম একটি। আমেরিকাতেও সংক্রমণ অনেক বেশি।

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় আমাদের পার্শ্ববর্তী মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনে প্রতিদিন অনেক মানুষ শনাক্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় ভাইরাসের পরিবর্তন হতে পারে। তাই এখন স্বাস্থ্যবিধির ওপরেই আসলে বিশেষ জোর রাখতে হবে।

এই বেড়ে যাওয়াটা কেন হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যবিধিতে উদাসীনতা, ভাইরাসের বদলে যাওয়াসহ নানা কারণেই এটা হতে পারে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি টিকা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডা. এ এস এম আলমগীর। তিনি বলেন, সবাইকে টিকা নিতে হবে এবং টিকা নিয়ে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না। যে টিকা আসে সেটাই নিতে হবে কারণ প্রতিটিই সমান কার্যকর।

আমাদের দেশে ফাইজার ও মডার্নার টিকা নিয়ে অনেকের মোহ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা ভুল করছেন। টিকা নিয়ে কোনও ধরণের ফ্যাসিনেশন থাকাই যাবে না।’

কিন্তু এই বাছাই বা ফ্যাসিনেশনের পেছনে কোন টিকার কার্যকারিতা কতটুকু রয়েছে, সে হিসাবটাও সাধারণ মানুষ আমলে নিচ্ছেন জানালে তিনি বলেন, টিকার কার্যকারিতা শুধুমাত্র অ্যান্টিবডি দেখে করা হয় না। এটার সায়েন্স জটিল। পৃথিবীর বহু দেশেই ‘নিউট্রিলাইজিং বা নিষ্ক্রিয়করণ অ্যান্টিবডি’ শূন্য কিন্তু টিকা কার্যকর।

ডা. এ এস এম আলমগীর আরও বলেন, এরসঙ্গে আরও অনেক বিষয় জড়িত রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে টিকা কার্যকর হয়। কেবলমাত্র অ্যান্টিবডি দেখে এই টিকা ভালো, এই টিকা খারাপ- এটা যারা বলছেন তারা ভুল বলেন।

টিকা নিয়েই যে সবাই অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছেন এটা ঠিক নয় মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, টিকা নেওয়ার পর ছোট ছোট স্যাম্পল নিয়ে যারা নিউট্রিলাইজিং অ্যান্টিবডির কথা বলে, এটাও ঠিক নয়। এতে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

যে কোনও টিকার যদি শতকরা ৫০ শতাংশ কার্যকর হয়, তাইলেই সেই টিকা নেওয়া যায় এবং সেটাই মহামারি প্রতিরোধে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে- বলেন ডা. আলমগীর।

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৩

করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী ও চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আট জনের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এই দিন ধার্য করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদিন আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মশিউর রহমান নামের এক সাক্ষী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন। এ দিন তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা শেষ করেন। জেরা শেষ হওয়ায় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এইদিন ধার্য করেন। মামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। এর আগে গত বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। গতবছরের আগস্ট ঢাকার চিফ ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হায়াত মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করেন। 

এর আগে গত বছরের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে দুপুরের ডা. সাবরিনা ও আরিফসহ আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটটি দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটে ডা. সাবরিনা ও আরিফকে মূল হোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে।

অভিযোগপত্রে অন্য আসামিরা হলেন— আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে হিমু, তানজিলা ও রোমিও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

/এমএইচজে/ইউএস/

সম্পর্কিত

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫৯

জমি সংক্রান্ত মামলার রায়, ডিক্রি ও আদেশের নিষ্পত্তির জন্য ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। 

জমির মালিকানায় বিরোধ নিয়ে দায়ের করা এক রিটের শুনানিকালে রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। 

পরে আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে রুল জারি করেন এবং স্থিতাবস্থা জারি করেন।

আদালতে আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নসীব কায়সার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

শুনানিকালে আদালত বলেছেন, ‘২০০৪ সালে আইন হয়েছে। আছে আদালতের রায় ও নির্দেশ। তা সত্ত্বেও ১৭ বছরেও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন হলো না, যা আদালতের জন্য বিরক্তিকর!

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ্যে করে আদালত বলেন, ১৭ বছরেও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারেননি। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলুন। কী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার, জানান হাইকোর্টকে। ব্যবস্থা না নেওয়া হয়ে থাকলে প্রয়োজনে সচিবকে ডেকে আনা হবে।

পরে আদালত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে এ বিষয়ে ভূমি সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নির্দেশ দেন।  

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৫ জুলাই হাইকোর্ট এক রায়ে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে ভূমি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়ন করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে হলফনামা দাখিল করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। 

/বিআই/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

টানা চতুর্থ দিনের মতো বরিশালে করোনায় মৃত্যু নেই

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ২১ জন। অঞ্চলভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, দেশের দুটি বিভাগে এই সময়ে কেউ মারা যাননি। দুই বিভাগের মধ্যে রয়েছে বরিশাল ও রংপুর। আজ নিয়ে টানা চতুর্থ দিনের মতো বরিশাল বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

আজ রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, মারা যাওয়া ২১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের চার জন, রাজশাহী বিভাগের দু’জন, সিলেট বিভাগের আছেন তিন জন এবং খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের একজন করে মারা গেছেন।

এর আগে গতকাল করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ২৫ জন। তাদের মধ্যে বরিশাল, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগে কোনও করোনা রোগী মারা যাননি। তার আগের দিন ২৪ সেপ্টেম্বর ও ২৫ সেপ্টেম্বরেও বরিশাল বিভাগে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বরও দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়ে দেশের তিনটি বিভাগে কেউ মারা যাননি বলে জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। অতি সংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তান্ডবের পর দেশে দৈনিক নতুন শনাক্ত রোগী আর মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসে গত মধ্য আগস্ট মাস থেকে। আর সেদিনই (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রথম এই তাণ্ডবের যেখানে তিন বিভাগে করোনায় সংক্রমিত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। যদিও দেশে মহামারিকালের ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে বাংলাদেশ আগস্ট মাসেই। গত পাঁচ এবং ১০ আগস্ট একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

তবে তারপর থেকে ডেল্টার তান্ডব কমে আসে, কমে আসতে থাকে শনাক্ত এবং মৃত্যু। চলতি মাসে সেটা আরও কমে যায়। আর গত ছয়দিন ধরে দৈনিক শনাক্তের হার রয়েছে পাঁচ শতাংশের নিচে।

/জেএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

করোনায় মৃত ২৪ জনের ১৪ জন নারী

করোনায় মৃত ২৪ জনের ১৪ জন নারী

দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে

করোনায় মৃত্যু ২৭ হাজার ছাড়ালো

করোনায় মৃত্যু ২৭ হাজার ছাড়ালো

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে শনাক্ত

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে শনাক্ত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

ডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

সাংবাদিক নির্যাতনডিসি সুলতানাসহ ৪ জনের পোস্টিংয়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

নকল কসমেটিক-ভেজাল খাদ্য উৎপাদন: ১৫ লাখ টাকা জরিমানা  

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

মুনিয়া হত্যা: হাইকোর্টে এক আসামির আগাম জামিন

মুনিয়া হত্যা: হাইকোর্টে এক আসামির আগাম জামিন

সর্বশেষ

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

পদ্মার ৩৭ কেজির বাগাড় ৪৮ হাজারে বিক্রি

পদ্মার ৩৭ কেজির বাগাড় ৪৮ হাজারে বিক্রি

বিশেষ কোনও টিকা নিয়ে ‘ফ্যাসিনেশন’ থাকা যাবে না

বিশেষ কোনও টিকা নিয়ে ‘ফ্যাসিনেশন’ থাকা যাবে না

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

এলো বলিউড ‌‘খুফিয়া’র টিজার, নেই বাংলাদেশের কেউ

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

© 2021 Bangla Tribune