X
শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

মিয়ানমারে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের

আপডেট : ১৯ জুন ২০২১, ১৬:৪৩

মিয়ানমারে অস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরল এক আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। ১ ফেব্রুয়ারির রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিক্রিয়ায় এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৮ জুন শুক্রবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহিত এই প্রস্তাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের ঘটনায় জান্তা সরকারের নিন্দা জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে অং সান সু চি-সহ রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। আইনগতভাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাব মানা বাধ্যতামূলক না হলেও, রাজনৈতিকভাবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন স্কোরানের বার্গেনার সাধারণ পরিষদে বলেছেন, ‘বড় ধরনের গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা সেখানে বাস্তব হয়ে দেখা দিয়েছে। সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ কমে আসছে।’

এই প্রস্তাবের পক্ষে সাধারণ পরিষদের ১১৯টি দেশ সমর্থন জানিয়েছে। শুধুমাত্র বেলারুশ বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। ৩৬টি দেশ ভোটদানে বিরত থেকেছে। এর মধ্যে মিয়ানমারে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র বিক্রি করা দুই দেশ চীন ও রাশিয়ার নাম রয়েছে। বাংলাদেশও এ প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। ভোটদানে বিরত থাকা দেশগুলোর মধ্যে কোনও কোনও দেশের প্রতিনিধি বলছেন, এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। অন্যরা বলছেন, এই প্রস্তাবে চার বছর আগে মিয়ানমারের ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমকে বিতাড়িত করার বিষয়ে কোনও কথা বলা হয়নি।

জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ওলফ স্কোগ বলেছেন, ‘এই প্রস্তাবের মাধ্যমে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা, তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নিজেদের জনগণের ওপর সহিংসতাকে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে আড়াল থেকে এসব বিষয় বিশ্বের নজরে আনা হয়েছে।’ মিয়ানমারের জাতিসংঘ বিষয়ক দূত কাইউ মোয়ে তুন, যিনি জাতিসংঘে দেশটির নির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন, তিনি এই প্রস্তাব পাস করতে এতো সময় লাগায় অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে একে ‘দুর্বল প্রস্তাব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

ওই অভ্যুত্থানের পর থেকেই ৭৫ বছর বয়সী অং সান সু চি গৃহবন্দি রয়েছেন এবং তার সম্পর্কে এরপর থেকে খুব কমই জানা গেছে। এর মধ্যে শুধু তাকে আদালতে হাজির হতে দেখা গেছে। গত নভেম্বরের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে অভ্যুত্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়েছে সামরিক বাহিনী। তবে স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। সু চি-র বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও তারা বর্ণনা করেছেন।

অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে ব্যাপক আকারে বিক্ষোভ শুরু হয়। মিয়ানমার সেনাবাহিনী নিষ্ঠুরভাবে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারী, অ্যাকটিভিস্ট ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দমন অভিযান চালিয়েছে। পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল প্রিজনারস- এর তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ৮৬০ জনের বেশি ব্যক্তিকে হত্যা করেছে এবং পাঁচ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করেছে।

গত মাসে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল, যেন মিয়ানমারের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সংস্থাটি বলেছিল, ‘আইনগতভাবে মানতে বাধ্য না হলেও এই প্রস্তাবের রাজনৈতিক অনেক গুরুত্ব থাকবে। সরকারগুলো অন্তত এটা বুঝতে পারবে যে, মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রির মানে হলো যে, সেগুলো দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে। অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে সহায়তা করতে পারে।’ সূত্র: বিবিসি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কার্যালয়ে হামলা, রক্ষী নিহত

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কার্যালয়ে হামলা, রক্ষী নিহত

তালেবানকে সহায়তার কথা অস্বীকার করলেন ইমরান খান

তালেবানকে সহায়তার কথা অস্বীকার করলেন ইমরান খান

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

৭৮ বছর বয়সে টিকটকে ভাইরাল

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৭:৪০

বর্তমানে তরুণ-তরুণীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক। নানা ধরনের ভিডিও তৈরি করে টিকটকে শেয়ার করে ভাইরাল হন অনেকেই। কিন্তু এবার ভাইরাল হলেন নেপালের ৭৮ বছর বয়সী কৃষ্ণা কুমারী তিওয়ারি।

টিকটকে নাচের ভিডিওর কারণেই জনপ্রিয় হয়েছেন তিওয়ারি। অনেকদিন ধরে নিজের মধ্যে চেপে রাখা ইচ্ছা প্রকাশ করতে পেরে এখন দারুণ খুশি এই বৃদ্ধা।

সম্প্রতি তার নাচের ভিডিও ১ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ দেখেছে এবং এতে কমেন্ট পড়েছে প্রায় ৬৫ হাজার। তিনি বলেন, ‘নিজের ইচ্ছাকে সব সময় নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। কারণ আমি কখনও সমাজের ক্রোধের মুখে পড়তে চাইনি। এখন আমার সাথে কী হচ্ছে জানি না। তবে আমি সব সময় নাচতে চাই, এতে আমাকে কেউ বাধা দেয় না। আমার সন্তানও আনন্দ পায়’।

প্রতিবেশী ১৯ বছর বয়সী সুনিতা বানিয়া কৃষ্ণা কুমারীর নাচের ভিডিওগুলো রেকর্ড করেন এবং টিকটক অ্যাকাউন্টে আপলোড করে দেন। প্রতিবেশী কারো বাড়িতে বিয়ে অথবা অন্য কোন অনুষ্ঠান থাকলে নাচার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণা কুমারীকে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

পঞ্চমবারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী দেউবা

পঞ্চমবারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী দেউবা

দেউবাকে প্রধানমন্ত্রী করতে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

দেউবাকে প্রধানমন্ত্রী করতে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

ভারতকে বাদ দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় বিকল্প আঞ্চলিক ব্লক তৈরির পথে চীন

ভারতকে বাদ দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় বিকল্প আঞ্চলিক ব্লক তৈরির পথে চীন

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৭:০২

বিরল তুষারপাত উপভোগ করার সাক্ষী হলো ব্রাজিল। তাপামাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যাওয়ায় তুষারে ঢেকে যায় বহু জায়গা। অসময়ে তুষারপাতে বিভিন্ন অঞ্চলে শ্বৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়।

১৯৬৪ সালের দিকে এমন দৃশ্য দেখতে পায় লাতিন আমেরিকার এই দেশটি। তখন সান্তা ক্যাটরিনা রাজ্যে ৪ দশমিক ৩ ফুট পর্যন্ত তুষার রেকর্ড করা হয়। এবারের আকস্মিক তুষারে অনেককেই পথে নেমে উপভোগ করতে দেখা গেছে। কিন্তু প্রবল ঠাণ্ডায় তা ভোগান্তিতে গড়াতে সময় লাগেনি।

রাস্তায় ঘাট বরফে ঢেকে ব্যাহত হয় যান চলাচল। বুধবার পর্যন্ত দেশটির ৪৩টি শহর প্রবল তুষারপাতে থমকে যায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। আবহাওয়া পূর্ভবাস বলছে, তাপমাত্রা কমতে থাকায় আরও তুষাপাত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে দেশটির কৃষিখাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কনকনে ঠাণ্ডার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাতাস।

১৯৫৭ সাল-এর দিকে এমন তুষারপাত হয় দেশটিতে

দেশটির আবহাওয়া দপ্তর বলছে, আগস্টের শুরু পর্যন্ত এ তুষারপাত চলবে। গ্রোসো দুল সুল, সাও পাওলো, মিনাস গেরেইস ও গোয়াস রাজ্যে তাপমাত্রা আরও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তুষার হওয়া অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদে চলাচলে পরামর্শ দিয়েছে সরকার।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

দেশে দেশে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ

দেশে দেশে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ

টানা হেঁচকি ওঠায় হাসপাতালে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

টানা হেঁচকি ওঠায় হাসপাতালে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের উন্মাদনা নিয়ে ফ্রান্সের পত্রিকায় নিউজ

বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের উন্মাদনা নিয়ে ফ্রান্সের পত্রিকায় নিউজ

গাদ্দাফির ছেলে জীবিত, প্রেসিডেন্ট হওয়ার ইঙ্গিত!

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৫:৩৭

লিবিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফির সন্তান সাইফ আল-ইসলাম জীবিত আছেন। সম্প্রতি তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লিবিয়া এবং নিজের নানা বিষয়ে কথা বলেন। আগামীতে লিবিয়ার নেতৃত্ব দিতে চান বলেও নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন সাইফ।

দীর্ঘদিন পর আলোচনায় লিবিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী গাদ্দাফির সন্তান সাইফকে নিয়ে। অনেকেই ভেবেছিলেন তিনি আর বেঁচে নেই। কিন্তু সব শঙ্কা উড়িয়ে সম্প্রতি রাজধানী ত্রিপোলির দক্ষিণ-পশ্চিমে নাফুশ পার্বত্যাঞ্চলের জিনতান মালভূমি এলাকায় প্রভাবশালী সংবামাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের কাছ নিজের পরিকল্পনার কথা জানান। গাদ্দাফির ছেলে বেঁচে থাকা এবং তার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছে নিয়ে শুক্রবারের প্রতিবেদনের পর তোলপাড় নানা মহলে।

সাংবাদিক সাইফকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি বন্দী কি না। জবাবে সাইফ বলেন, তিনি এখন মুক্ত এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা ফিরে পেতে কাজ করছেন। এক দশক আগে যারা তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল, পরে তারা হতাশ হয়ে পড়ে। একসময় সেই বিপ্লবীরা উপলব্ধি করে, সাইফ তাদের শক্তিশালী মিত্র হতে পারে। সাইফ বলেন, ‘আপনি কল্পনা করতে পারেন? যারা আমাকে বন্দী হিসেবে পাহারা দিয়ে রাখার কথা ছিল, তাঁরা এখন আমার ভালো বন্ধু’।

বাবা গাদ্দাফি হত্যার পর তাকেই লিবিয়ার পরবর্তী উত্তরসূরি ভেবেছিলেন অনেকে। কিন্তু তা হয়ে উঠেনি। গাদ্দাফির সাত সন্তানের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনজন। ২০১১ সালে বিদ্রোহীদের হাতে প্রদানমন্ত্রী গাদ্দাফি খুন হওয়ার একদিন পর সাইফও ধরে পড়েন। 

সংবাদমাধ্যমটিকে সাইফ জানিয়েছেন লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে চান। বলেন, ‘আমি দশ বছর ধরে লিবিয়ার জনগণ থেকে দূরে রয়েছি। ধীরে ধীরে ফিরে আসতে হবে। জনগণের মন জয় করতে হবে’।

২০১১ সালে লিবিয়ার একটি মরুভূমি থেকে আটক হন সাইফ। বাবার মৃত্যুর পর ২০১৫ সালে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে বিদ্রোহীদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সাইফকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধী আদালতেও (আইসিসি) যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সাইফ। তার রাজনীতিতে ফেরার বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে আইসিসি।

/এলকে/

সম্পর্কিত

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট!

বৌদ্ধ অধ্যুষিত তিব্বতে চীনের প্রেসিডেন্ট!

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

পশ্চিমাদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা, ফের সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ

পশ্চিমাদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা, ফের সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ

ওমান উপকূলে জাহাজে হামলায় ইরান দায়ী: ইসরায়েল

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৪:৩০

ওমান উপকূলে ইসরায়েলি ব্যবসায়ীর পরিচালিত জাহাজে হামলার ঘটনায় দুই নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। একজন ব্রিটিশ অন্যজন রোমানিয়ার নাগরিক। ভয়াবহ হামলার সঙ্গে ইরানের সম্পৃকক্তা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ।

বৃহস্পতিবার হামলার শিকার হয় ইসরায়েলি ব্যবসায়ীর পরিচালিত জাহাজটি। ওই ব্যবসায়ীর কোম্পানির তরফে বলা হয়েছে, এটি সন্দেহভাজন ডাকাতির ঘটনা।

জোডিয়াক ম্যানেজমেন্টের টুইটার পোস্টে বলা হয়েছে, ‘ঘটনার সময় জাহাজটি ভারত মহাসাগরের উত্তরে ছিল, এটি দার এস সালাম থেকে ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।’

হামলার বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে ডাকাতির ঘটনা বলা হলেও ইসরায়েলের সরকার সন্দেহ করছে ইরানকে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ এক বিবৃতিতে বলছেন, তেলবাহী জাহাজটিতে হামলার কারণে দুই নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় ইরানের সন্ত্রাসবাদকে দায়ী করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ইরান শুধু ইসরায়েলের জন্যই সমস্যা নয়, তাদের কর্মকাণ্ডে বিশ্বকে অবশ্যই চুপ থাকা উচিত নয়’।  অবশ্য তেল আবিবের এমন অভিযোগে এখনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান।

জাহাজে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলছে তারা ঘটনাটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনাকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে তারা। 

/এলকে/

সম্পর্কিত

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েলি এজেন্ট আটকের দাবি ইরানের, অস্ত্র উদ্ধার

ইসরায়েলি এজেন্ট আটকের দাবি ইরানের, অস্ত্র উদ্ধার

ইরানের নির্মিত ড্রোন দিয়ে জর্ডানে হামলা

ইরানের নির্মিত ড্রোন দিয়ে জর্ডানে হামলা

অঘোষিত ইরান সফরে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অঘোষিত ইরান সফরে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০২:৫৮

করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছে দেশটির সরকার। আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এই তিন দেশের নাগরিকদের জন্য নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে রোম বাংলাদেশের দূতাবাস।

ভারতে করোনার সংক্রমণ সম্প্রতি কিছুটা কমে আসলেও সামনে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনার ডেল্টার প্রকোপের পাশাপাশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরেক দেশ শ্রীলঙ্কাতেও বাড়ছে সংক্রমণ।

একই পরিস্থিতি বাংলাদেশেও। সংক্রমণের বিস্তার রোধে কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকলেও মৃত্যু ও আক্রান্তের হার কমছে না। বরং পরিস্থিতি আগের চেয়ে অবনতির দিকে। এমন অবস্থায় এই তিন দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে ইতালি সরকার। আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবে না। শুক্রবার ইতালির রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, ২৯ জুলাই ইতালির স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সই করা নতুন আদেশ অনুযায়ী দেশটিতে করোনা সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

তবে, বাংলাদেশি প্রবাসীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে দূতাবাস ইতালি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এছাড়া বাংলাদেশে আটকে থাকা প্রবাসীদের ইতালিতে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বাড়ালো ইতালি

/এলকে/

সম্পর্কিত

সিএএ বাস্তবায়নে বিলম্বে হতাশ উদ্বাস্তু-মতুয়ারা

সিএএ বাস্তবায়নে বিলম্বে হতাশ উদ্বাস্তু-মতুয়ারা

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সর্বশেষ

টিকার টার্গেট এক কোটি, তবে পরিকল্পনায় আসতে পারে পরিবর্তন

টিকার টার্গেট এক কোটি, তবে পরিকল্পনায় আসতে পারে পরিবর্তন

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

৭৮ বছর বয়সে টিকটকে ভাইরাল

৭৮ বছর বয়সে টিকটকে ভাইরাল

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

গাদ্দাফির ছেলে জীবিত, প্রেসিডেন্ট হওয়ার ইঙ্গিত!

গাদ্দাফির ছেলে জীবিত, প্রেসিডেন্ট হওয়ার ইঙ্গিত!

ওমান উপকূলে জাহাজে হামলায় ইরান দায়ী: ইসরায়েল

ওমান উপকূলে জাহাজে হামলায় ইরান দায়ী: ইসরায়েল

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

রুশ সমর্থিত আসাদ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সিরিয়ায় নিহত ১৮

রুশ সমর্থিত আসাদ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সিরিয়ায় নিহত ১৮

৫ আগস্টের আগে কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

৫ আগস্টের আগে কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কার্যালয়ে হামলা, রক্ষী নিহত

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কার্যালয়ে হামলা, রক্ষী নিহত

তালেবানকে সহায়তার কথা অস্বীকার করলেন ইমরান খান

তালেবানকে সহায়তার কথা অস্বীকার করলেন ইমরান খান

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

আজেরি সীমান্তে রুশ সেনা চায় আর্মেনিয়া

আজেরি সীমান্তে রুশ সেনা চায় আর্মেনিয়া

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

আমি লিডার নই, ক্যাডার: দিল্লিতে মমতা

আমি লিডার নই, ক্যাডার: দিল্লিতে মমতা

© 2021 Bangla Tribune