X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

করোনা নিয়ন্ত্রণে গোঁজামিল

আপডেট : ২৫ জুন ২০২১, ১৫:০০

দেশে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৮ জন। এর মধ্য দিয়ে আবারও দেশে একদিনে শনাক্ত ছয় হাজার ছাড়িয়েছে। এ নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৫ জনে। বৃহস্পতিবার করোনায় মারা গেছেন ৮১ জন। এই ৮১ জন নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৩ হাজার ৮৬৮ জন। এ পরিস্থিতিতে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরার্মশক কমিটি দেশে মহামারিকালে এই প্রথম শাটডাউন দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

পরামর্শক কমিটি বলছে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণে সারাদেশেই উচ্চ সংক্রমণ এবং ৫০টিরও বেশি জেলায় অতি উচ্চ সংক্রমণ লক্ষ করা যায়। কিন্তু করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য খণ্ড খণ্ডভাবে নেওয়া কর্মসূচির উপযোগিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। দেশে করোনাভাইরাসের বিশেষ করে ডেলটা প্রজাতির সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই রোগের প্রকোপ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

পরামর্শক কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ শাটডাউন দেওয়া দরকার। জরুরি সেবা ছাড়া যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এ ব্যবস্থা কঠোরভাবে পালন করতে না পারলে আমাদের যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়বে। 

এদিকে, চলমান লকডাউন ও বিধিনিষেধ মানাতে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর হতে অনুরোধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক রোবেদ আমিন জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর বিস্তার ছড়িয়ে পড়ছে। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে মৃত্যু।

‘সংক্রমণ কমিয়ে আনার জন্য চলমান লকডাউন ও বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনে কঠোর হতে অনুরোধ করা হলো।’—বলেন অধ্যাপক রোবেদ আমিন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত বছর করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে নিয়ন্ত্রণে কোনও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা এবং ভুল পদক্ষেপের কারণে দেশে মহামারি প্রকট আকার ধারণ করেছে। তারা বলছেন, একের পর এক যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেগুলোর অনেকটাই বিজ্ঞানভিত্তিত ছিল না। সেইসঙ্গে রয়েছে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অনিহা।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, হোটেল রেস্তোরাঁ খোলা রেখে বলা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেখানে খাবার খাওয়া যাবে, কাঁচাবাজারসহ প্রতিটি বড়বড় শপিং মল খোলা রয়েছে। নো মাস্ক নো সার্ভিস বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও সেখানে ক্রেতা এবং বিক্রেতা কারও মুখে মাস্ক নেই। গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী তোলার নিয়মে ভাড়াও বেড়েছে, যাত্রীও উঠছে আগের মতো। এসব মনিটরিং হচ্ছে না।

শাটডাউন বলতে কী বোঝানো হয়েছে জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শাটডাউন মানে হচ্ছে সবকিছু বন্ধ থাকবে, শুধু জরুরি সেবা ছাড়া।’ ‘অফিস-আদালত, বাজারঘাট, গণপরিবহনসহ সব বন্ধ থাকবে। সবাই বাসায় থাকবে।’—বলেন তিনি।

করোনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু থেকেই ভুল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে রোগী বাড়ার অন্যতম কারণ ছিল হোম কোয়ারেন্টিন। এটি বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল না।

আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ১৪ দিন পর্যন্ত আলাদা রাখা তথা কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছিল ডব্লিউএইচও। আমাদের দেশেও রোগীকে আইসোলেশন (বিচ্ছিন্নকরণ) এবং তার সংস্পর্শে আসাদের কোয়ারেন্টিনে (সঙ্গ নিরোধ) থাকতে বলা হয়। কিন্তু শুরু থেকেই এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সংশয় ছিল। বিশেষ করে বিদেশফেরত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা কতটুকু কার্যকর হয়েছে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

‘প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাদ দিয়ে হোম কোয়ারেন্টিন করাই ছিল প্রথম ভুল, এতেই সংক্রমণ বেড়েছে।’ এমন মন্তব্য করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম।

গত বছরে ৮ মার্চ প্রথম তিন জন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর মার্চের শেষ দিকে দেশজুড়ে লকডাউন শুরু হয়। সরকারিভাবে একে বলা হয় সাধারণ ছুটি। কয়েক দফায় বাড়ানো হয় এ ছুটি। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় ১৭ মার্চ থেকে। ২৬ মার্চ থেকে অফিস-আদালতও। দেশজুড়ে সব ধরনের যান চলাচলে জারি হয় নিষেধাজ্ঞা। সবাইকে যার যার বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর ঠিক এক মাস পর ২৬ এপ্রিল পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়। সংক্রমণের দশম সপ্তাহে (১০ থেকে ১৬ মে) দেশে করোনা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি শুরু হয়।

৬৬ দিন পর ৩১ মে থেকে অফিস খোলার পাশাপাশি গণপরিবহন চলাচলের অনুমতিও দেওয়া হয়। শিথিল করা হয় বিধিনিষেধ। চালু হয় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট। আগস্টে খুলে দেওয়া হয় বিনোদন কেন্দ্রগুলোও। এরপর জুনে জোনভিত্তিক লকডাউনের ঘোষণা দেয় সরকার। আক্রান্তের সংখ্যার ভিত্তিতে লাল, হলুদ ও সবুজ এলাকা নির্ধারণের নীতিমালার কথা বলা হয়। কিন্তু রাজধানীতে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রথমে পূর্ব রাজাবাজার ও ওয়ারি—এ দুটো এলাকা এবং ঢাকা বিভাগের কয়েকটি জেলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে লকডাউন কার্যকর করা হলেও একপর্যায়ে জোনিং সিস্টেম মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপর সংক্রমণ বেড়ে যায় জুন-জুলাই থেকে আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।

শীতের সময়ে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির ধারণা করা হলেও সেটা কমতে থাকে। তবে এ বছরের মার্চ থেকে সেটা আবার বেড়ে যায়। সে সময় দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়, বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় পাঁচ এপ্রিল থেকে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এ বিধিনিষেধের ফলে সংক্রমণ পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিধিনিষেধ শিথিল হয়ে পড়ে। শহর ছেড়ে মানুষ গ্রামমুখী হয়, যেখানে স্বাস্থ্যবিধির কোনও বালাই ছিল না। এতে করে জনস্বাস্থ্যবিদরা আশঙ্কা করেন ঈদের পর সংক্রমণ আবার বেড়ে যাবে। সেইসঙ্গে দেশে ভারতীয় তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে রোগী বাড়তে শুরু করে। হাসপাতারে জায়গা দিতে করোনা বেড বাড়াতে বাধ্য হয়েছে সীমান্তবর্তী জেলা হাসপাতালগুলো। এ অবস্থায় সরকার গত ৫ এপ্রিল থেকে বিধিনিষেধ আরোপ করে, যা এখনও চলছে। তবে গত এক সপ্তাহ ধরেই সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতিতে সরকার ২২ জুন ঢাকা বিভাগের সাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা করে।

‘করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রথম থেকেই ভুল পথে হেঁটেছে। তবে সেটা ভুল করে নয়। সিদ্ধান্ত নিয়েই ভুল পথে হেঁটেছে।’ এ মন্তব্য করেন জনস্বাস্থ্যবিদ চিন্ময় দাস। তিনি বলেন, ‘মহামারি যখন আসে তখন মহামারি বিশেষজ্ঞদের নিয়েই কাজ করতে হয়। তাদের মতামত, অভিজ্ঞতা শুনে এগোতে হয়। কোভিড নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব প্রশাসনিক ক্যাডারদের হাতে ছিল। এভাবে মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই শাটডাউন হয়তো বাস্তবায়ন করা যাবে না, আর যেটা বাস্তবায়ন করা যাবে না সে সুপারিশ দেওয়ার দরকার নেই। যেমনটা লকডাউনের সময় আমরা দেখেছি।’

‘কোথায় কতটুকু সংক্রমণ বাড়ছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেত। ঢাকার ভেতরে সংক্রমণ বাড়ছে। সেটা যদি ছড়াতে থাকে, তবে তা কমানোর ব্যবস্থা না নিয়ে ঢাকাকে অবরুদ্ধ রেখে লাভ হবে নেই।’—বলেন বে-নজির আহমেদ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক বলেন, ‘ভারত থেকে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দেশে আসবে, এটা ধরেই নেওয়া দরকার ছিল। সেইসঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জে যখন সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে তখন সেটা ছড়াতেও ১৪ দিন সময় নিয়েছে। এরপর সেটা বাড়তে শুরু করে। কিন্তু তখন যদি যাতায়াত সীমিত, রোগী শনাক্ত করে আইসোলেশন, কোয়ারেন্টিন, হাসপাতাল উন্নত করার ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে সেটা রাজশাহীতে আসতো না। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে প্রস্তুতি নেওয়া দরকার ছিল, কিন্তু সেটা করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘সংক্রমণ প্রতিরোধে যে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, সেটা নিতে ব্যর্থতার কারণেই সীমান্তবর্তী এলাকাতে এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে এবং এখন সেটা সীমান্তবর্তী জেলার সীমানা ছাড়িয়ে পুরো দেশেই ছড়িয়েছে। কেবল ব্যবস্থাপনার অভাবে পুরো দেশের ৪১ জেলায় সংক্রমণের হার এখন ১০ শতাংশের বেশি।’

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:৩৫

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৮৩৪ ডোজ। এর মধ্যে এক ডোজ নিয়েছেন ৮৫ লাখ ২১ হাজার ৩৫০ জন এবং টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৪ জন। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিন। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানান যায়। এদিন মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮৫ ডোজ।       

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়,আজ কোভিশিল্ডের কোনও ডোজ দেওয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন। আর  দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো তথ্য থেকে আরও জানা যায়, প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের মতো মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট। এদের সবাইকেই অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।

পাশাপাশি আজ ফাইজারের প্রথম ডোজ আজ দেওয়া হয়নি তবে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪০২ জন। আর এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার ৯২৫ জনকে।

এছাড়া ২০ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫১ ডোজ সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এখন পর্যন্ত। এর মধ্যে  প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৪৩ জনকে আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৩০ হাজার ৭০৮ জনকে।

মডার্নার টিকা এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ১৩৯ ডোজ, আর আজকে দেওয়া হয়েছে ৬৯ হাজার ৬৮৬ ডোজ।

আর এখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছে ১ কোটি ৪০ লাখ ৯০ হাজার ৩৭৩ জন।

 

/এসও/এফএএন/  

সম্পর্কিত

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩৯ মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩৯ মৃত্যু

করোনায় মোট মৃত্যুর ২৫ ভাগই জুলাইতে!

করোনায় মোট মৃত্যুর ২৫ ভাগই জুলাইতে!

অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:০৭

বেসরকারিভাবে চাল আমদানির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, চালের অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে দ্রুতই অভিযান শুরু হবে। 

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) ঢাকায় সরকারি বাসভবন থেকে ‘চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা, কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ এবং খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। 

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এবার পুরো বোরো মৌসুমেই চালের দাম বেশি। কিন্তু চাল উৎপাদনে ঘাটতি নেই, বাজারে পর্যাপ্ত চাল আছে বলে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু চালের দাম কিছুতেই বাগে আসছে না।

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে, এটি আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে দ্রুতই অভিযান শুরু হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারিভাবে চাল আমদানি হচ্ছে এবং বেসরকারিভাবে চাল আমদানির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’ মিল মালিক ও ব্যবসায়ীদের ভোক্তাদের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অতি মুনাফাখোর ও অবৈধ মজুতদারদের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না।’
সভায় মিল মালিকদের প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার আব্দুর রশিদ বলেন, ‘এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষক নায্যমূল্যও পেয়েছে। ধান চালের ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ধানের অবৈধ মজুত করেছে অধিক মুনাফার আশায়। মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এ সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এসিআই লিমিটেডের অনুপ কুমার সাহা বলেন, বাংলাদেশে ধানের দাম বেশি হওয়ার কারণে চালের দাম বেশি হচ্ছে। কৃষকের উৎপাদন খরচ কম হলে চালের দামও কমে যাবে। কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচের সঠিক পরিসংখ্যান থাকলে বাজার মনিটরিং সহজ হবে বলেও জানান তিনি। 

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:৪৩

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৩৯ জন। এদের নিয়ে সরকারি হিসাবে মোট মারা গেলেন ২০ হাজার ২৫৫ জন। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ২৭১ জন। এ নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে মোট শনাক্ত হলেন ১২ লাখ ২৬ হাজার ২৫৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু এবং সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। মারা যাওয়া ২৩৯ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৭৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৫৭ জন, রাজশাহী বিভাগের ১৩ জন, খুলনা বিভাগের ৪৫ জন, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৪ জন করে, রংপুর বিভাগের ১১ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ৯ জন।

আর শনাক্ত হওয়া ১৫ হাজার ২৭১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ছয় হাজার ৯৯৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৬৮৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের তিন হাজার ৭৬৮ জন, রাজশাহী বিভাগের ৭৩৫ জন, রংপুর বিভাগের ৭৪৮ জন, খুলনা বিভাগের এক হাজার ১৯ জন, বরিশাল বিভাগের ৬৫৬ জন এবং সিলেট বিভাগের ৬৬০ জন।

এর আগে ২৫ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের বুলেটিনে অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এগিয়ে ঢাকা।

জেলাভিত্তিক শনাক্তের হিসাবে ঢাকা জেলা শীর্ষে অবস্থান করছে। আর ঢাকায় ইতোমধ্যে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে জানিয়ে তিনি সেদিন বলেছিলেন, তারপরে আছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, ফরিদপুর। সবচেয়ে কম রোগী রাজশাহীতে।

‘জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণ ছাড়াও বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর হারেও ঢাকা বিভাগ প্রথম। এরপর রয়েছে খুলনা বিভাগ’, বলেন অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম।

 

/জেএ/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:৫২

চীনের সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাতে দেশে আসছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। স্বাস্থ্য অধিদফতর গঠিত ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা, দিবাগত রাত ১টা ও ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকা এসে পৌঁছাবে।

টিকা হাতে পাওয়ার পর সেগুলো সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কোল্ড স্টোরেজে রাখা হবে বলে জানান ডা. শামসুল হক।

সিনোফার্মের দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনতে চীনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সরকার। তিন মাসের মধ্যে এগুলো দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

এর আগে চুক্তির আওতায় গত ৩ জুলাই দিনে এবং ওইদিন রাতে দুই দফায় ২০ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা চীন থেকে দেশে পৌঁছায়। এরপর গত ১৭ জুলাই ১০ লাখ এবং ১৮ জুলাই আরও ১০ লাখ, মোট ২০ লাখ ডোজ টিকা দেশে আসে।

তারও আগে গত ১২ মে পাঁচ লাখ এবং ১৩ জুন ছয় লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে দেয় চীন সরকার।

সেই হিসেবে উপহার এবং কেনা চুক্তির আওতায় মোট ৫১ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা দেশে এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ৩০ লাখ ডোজ হাতে এলে মোট ৮১ লাখ সিনোফার্মের টিকা পাবে বাংলাদেশ। 

 

/জেএ/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২০:৩৬

বিদেশি বিনিয়োগ আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘পিপিপি (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি, এটা সত্য। তারপরও কাজ শুরু হয়েছে। যৌথভাবে শুরু করার জন্য সময় দিতে হবে। এখন আমাদের হাতে টাকা আছে, নিজেরা ব্যয় করছি। কিন্তু আমরা চাই ফরেন ইনভেস্টমেন্ট। যত বেশি ফরেন ইনভেস্টমেন্ট আকর্ষণ করতে পারবো, ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি ২০তম অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত এবং ২৫তম সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমদিকে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারিনি। কারণ, আমাদের নিজস্ব অবকাঠামো ছিল না। অবকাঠামো বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার বলতে ফিজিক্যাল নন-ফিজিক্যাল উভয়ই হতে পারে। এখন আমরা সব ধরনের ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য ক্যাপাবল। সে জন্য আমরা মনে করি পিপিপি কনসেপ্ট এবং ডিরেক্ট ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাহত হবে না। সামনের দিকে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

 

/এসআই/আইএ/

সম্পর্কিত

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩৯ মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩৯ মৃত্যু

সর্বশেষ

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

১০ মিনিটে ২ ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তি পর্যবেক্ষণে

১০ মিনিটে ২ ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তি পর্যবেক্ষণে

বিশ্বকাপ জিততে চান নেইমার-এমবাপ্পে

বিশ্বকাপ জিততে চান নেইমার-এমবাপ্পে

আইসিইউ খালি নেই রংপুর বিভাগের করোনা হাসপাতালে

আইসিইউ খালি নেই রংপুর বিভাগের করোনা হাসপাতালে

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

বিনা দোষে মিনুর কারাভোগ, কুলসুম ও তার সহযোগী রিমান্ডে 

বিনা দোষে মিনুর কারাভোগ, কুলসুম ও তার সহযোগী রিমান্ডে 

জেলের বড়শিতে বিশাল বোয়াল

জেলের বড়শিতে বিশাল বোয়াল

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিয়ের চার দিনের মাথায় কিশোরীর ‘আত্মহত্যা’

বিয়ের চার দিনের মাথায় কিশোরীর ‘আত্মহত্যা’

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

সিনোফার্মের টিকা ২০ লাখ দেওয়া শেষ 

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩৯ মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩৯ মৃত্যু

© 2021 Bangla Tribune