X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ঈদের ছুটিতে কাস্টমস হাউস খোলা

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ১৬:৪৪

ঈদের ছুটিতে দেশের কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলো খোলা থাকবে। এর ফলে ঈদুল আজহার বন্ধের সময়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চালানো যাবে। আগামী বুধবার ঈদ উল আজহা। মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঈদের ছুটি। অর্থাৎ এই তিন দিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে সব কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলোকে সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এনবিআরের চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে গতি আনা ও বাণিজ্যবান্ধব রাজস্ব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটির মধ্যে অফিসগুলো খোলা রাখার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

গত ৩০ জুন পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ ঈদের ছুটিতে কাস্টমস হাউস ও শুল্কস্টেশন খোলার অনুরোধ করে এনবিআরকে চিঠি পাঠায়। বিজিএমইএ-এর অনুরোধের প্রেক্ষিতে এনবিআর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশের চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই সিংহভাগ আমদানি রফতানি হয়। এরপরেই বেনাপোল কাস্টমস হাউস দিয়ে বেশি আমদানি-রফতানি কার্যক্রম হয়। ঈদের বন্ধের সময় এই দুটি কাস্টমস হাউসের পাশাপাশি ঢাকা, মোংলা, কমলাপুর আইসিডি ও পানগাঁও কাস্টমসও খোলা থাকবে।

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:২৯

করোনা মহামারি ও কঠোর লকডাউনের মধ্যেও দেশের আশাজাগানিয়া খাত  এখন শেয়ারবাজার। ১০ বছর আগের হারানো পুঁজির সোয়া দুই লাখ কোটি টাকা এরইমধ্যে ফিরে পেয়েছেন এই খাতের বিনিয়োগকারীরা। এর মধ্যে বেশিরভাগই এসেছে গত তিন মাসে (এপ্রিল, মে ও জুন)। এছাড়া নতুন অর্থবছরের প্রথম ১৫ দিন কেটেছে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে।

অর্থাৎ প্রায় এক বছর ধরে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকা শেয়ারবাজারে ঈদের আগের শেষ সপ্তাহেও বেশ চাঙ্গা ভাব দেখা যায়। এতে নতুন উচ্চতায় উঠে এসেছে শেয়ারবাজার।

তথ্য বলছে, প্রথমবারের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ৬ হাজার চার শ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। সেই সঙ্গে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। বাজার মূলধনও এযাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। ঈদের আগে শেয়ারবাজার এমন উচ্চতায় পৌঁছানোয় স্বাভাবিকভাবেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা প্রত্যাশা করছেন, শেয়ারবাজারে এই ইতিবাচক ধারা পরেও অব্যাহত থাকবে।

মূলত নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। সর্বশেষ তিন মাসের উত্থানে দেশের পুঁজিবাজার এখন নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ( ডিএসই) বাজার মূলধন এখন সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকার ঘরে অবস্থান করছে।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বরের পর দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরণের ধস নামে। যা চলে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত। এই ধসে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক-বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় গত এক বছরে ডিএসইর প্রধান সূচক (ডিএসইএক্স) দুই হাজার ৩৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৪০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সূচকের সঙ্গে বেড়েছে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম। তাতে বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মো. রকিবুর রহমান বলেন,  এই বাজার অনেক দূর যাওয়ার সুযোগ আছে। বাজারে যে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে তা ধরে রাখতে হবে। তার মতে, কেউ বাজারে কারসাজি করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বাজারমুখী হওয়ার পরামর্শ দেন।

ডিএসইর তথ্য বলছে, গত বছরের ২০ জুলাই ৩৪৮ কোটি ৫৬ লাখ ৮৮ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছিল। ঈদের আগে শেষ কার্যদিবস অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৬৪ কোটি টাকা।

গত বছরের ২০ জুলাই ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ১৬ হাজার ২৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সেখান থেকে দুই লাখ ১৮ হাজার ৯৩১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বেড়ে গত বৃহস্পতিবার মূলধন দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি ২৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

এদিকে গেল সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে মাত্র দুই কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এই দু’দিনে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। চলতি মাসের তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে সবকটি মূল্যসূচক।

গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি টাকায়। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৫ লাখ ২৫ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৯ কোটি ৯১৪ কোটি টাকা।

আগের দুই সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ে ১০ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে চলতি মাসে ইতোমধ্যে ডিএসইর বাজার মূলধন ২০ হাজার ৯০৩ কোটি টাকা বেড়েছে। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। শুধু তাই নয়, তিন সপ্তাহের এই টানা উত্থানের কারণে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থাতে পৌঁছে গেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি চালু হওয়া ৪ হাজার ৫৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হওয়া ডিএসইএক্স সূচকটি এই প্রথম ৬ হাজার চার শ পয়েন্ট স্পর্শ করেছে। বর্তমানে এই সূচকটি ৬ হাজার ৪০৫ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

প্রধান মূল্যসূচক রেকর্ড অবস্থানে উঠে আসার পাশাপাশি গেল সপ্তাহে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকও ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। গেল সপ্তাহে এই সূচকটি বাড়ে ৪৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট এবং তার আগের সপ্তাহে বেড়েছিল ৩৯ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট।

অপরদিকে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে। গত সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৪০ পয়েন্ট । আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ১৭ দশমিক ৮১ পয়েন্ট।

তথ্য বলছে, সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৬৭৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৪৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৫৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ছয় হাজার ৭০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

এদিকে ঈদের ছুটি শেষে আগামী রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে আবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হবে। তবে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় শেয়ারবাজারে লেনদেন হবে সীমিত পরিসরে। ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গে সমন্বয় করে শেয়ারবাজারে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

/এমএস/

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৭

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে অনেকে ঢাকা ছেড়েছেন। এ কারণে ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন দোকানপাট বন্ধ ছিল। এ ছাড়া আজ থেকে শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখনও বেশিরভাগ সবজির দোকান বন্ধ। বাজারে ক্রেতাও কম। অনেক মুদি দোকানও বন্ধ। বন্ধ রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দোকান। তবে কিছু মুরগির দোকান খোলা রয়েছে। 

শুক্রবার ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা।

অল্প কিছু ব্যবসায়ী দোকান খুলে সবজি বিক্রি করছেন। কোরবানির ঈদ, লকডাউন ও বৃষ্টি- এই তিন কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। সবজির মতো  অল্প কিছু ব্যবসায়ীও মাছ বিক্রি করছেন। তবে ক্রেতা কম, দামও বেড়েছে। 

বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদের পরে সাধারণত বেচাকেনা কম থাকে, ক্রেতা ও বিক্রেতা কম থাকে। এবার লকডাউনের কারণে আরও কমে গেছে। 

ঈদের আগে রাজধানীর অলিতে-গলিতে সবজির দোকান দেখা গেলেও এখন প্রায় সব ফাঁকা। রাজধানীর কাওরান বাজারে দেখা যায়, বেশ কিছু দোকানপাট বন্ধ। মগবাজার, মালিবাগ ও গোপীবাগ বাজারের পরিস্থিতিও একই।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর সবজির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে সালাদে ব্যবহৃত সবজির দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। গাজরের কেজি ১৭০ টাকা, টমেটোর কেজি ১৫০ টাকা। অর্থাৎ ঈদের পর দুদিনে এ দু’টি সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকার ওপরে। অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে গাজর-টমেটোর। শুধু গাজর ও টমেটো নয়, দেশি শসা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে যা ছিল ৮০ টাকা। হাইব্রিড শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকায়। 

এ ছাড়া রাজধানীর বাজারগুলোতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অন্য সব ধরনের সবজি। এর সঙ্গে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দামও। ঈদের পর কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা পর্যন্ত।

গোপীবাগ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মাহাবুব হোসেন তিনি বলেন, কোরবানির ঈদ ছাড়াও একদিকে বৃষ্টি অন্যদিকে লকডাউন- তিন কারণে সবজির দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, বাজারে এখন দেশি গাজর নেই। যে গাজর পাওয়া যাচ্ছে, তা আমদানি করা। আমদানি করার কারণে এমনিতেই গাজরের দাম বেশি। আর যে টমেটো পাওয়া যাচ্ছে, তা কোল্ড স্টোরেজের। 

বাজারে দেখা যাচ্ছে, বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, তা ঈদের আগে ছিল ১৫ থেকে ২০ টাকা। কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লাউ ও চালকুমড়া আকারভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। লেবু প্রতি হালি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, রসুন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, আমদানি করা আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। আর দেশি আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। জিরা ৩৬০ টাকা, ধনিয়া ১২০ টাকা, এলাচ দুই হাজার ৪৫০ টাকা, দারুচিনি ৪২০ টাকা, তেজপাতা ১২০ টাকা, গোলমরিচ ৫২০ টাকা এবং সয়াবিন তেলের বোতল এক লিটার ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়, ৫ লিটার ৭০০ থেকে ৭১০ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ভালো মানেরটা কেজি ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

বাজারের সবচেয়ে কম দামি গরিবের মোটা চালের কেজি এখন ৪৮ টাকা। এ ছাড়া নাজিরশাইল বা মিনিকেটের কেজি ৬৮ থেকে ৭২ টাকা।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি, যা ঈদের আগে ছিল ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। এ ছাড়া কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ৩২০ টাকা, মৃগেল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং রূপচাঁদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকা।

 

/এনএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১০:০২

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে; যা ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এ নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, তৈরি পোশাক কারখানা (গার্মেন্টস) আগামী ৫ আগস্টের আগে খুলছে না।
 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার বিধিনিষেধ গতবারের চেয়েও কঠোর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে পুলিশের পাশাপাশি, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন। 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অফিস, আদালত, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ সব কিছু বন্ধ থাকবে। এ পর্যন্ত যত সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে সেভাবেই চলবে।’

যদিও এই কঠোর লকডাউনের মধ্যে পোশাক (গার্মেন্টস) কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে দাবি জানিয়ে আসছিলেন দেশের ব্যবসায়ীরা। গার্মেন্টস কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ব্যাপারে চিঠিও দিয়েছেন। 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, চলতি জুলাই মাসে গার্মেন্টস কারখানা খোলার সুযোগ নেই। তবে করোনা প্রাদুর্ভাব কমে আসলে, সে ক্ষেত্রে আগামী আগস্ট মাসে দেখা যাবে। 

এদিকে তৈরি পোশাক শিল্পে মালিকরাও বলছেন, গার্মেন্টস খাতের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি সত্বেও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তারা মেনে নিয়েছেন। আগামী সাত দিনের মধ্যে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তবেই তারা ১ আগস্ট থেকে কারখানা চালু করার প্রস্তুতি নেবে। 

দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ রাখায় গার্মেন্টস খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে উল্লেখ করে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসানসহ সংগঠনটির সাবেক অন্তত তিনজন সভাপতি সরকারের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। 

 

/জিএম/এনএইচ/

সম্পর্কিত

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ২৩:৪৬

জোরেশোরেই চলছে মহাসড়কগুলো থেকে টোল আদায় কার্যক্রমের প্রস্তুতি। গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এক সভায় মহাসড়কগুলো থেকে টোল আদায়ের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর টোল আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সম্মতিও পেয়েছে তারা। কিন্তু টোল আদায়ের ক্ষেত্রে আরও অনেকগুলো ধাপ এখনও বাকি। যে কারণে কবে নাগাদ এ কার্যক্রম শুরু করা যাবে, সেটা বলতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

সড়ক পবিরহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত মাসে (জুন) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় চালুর লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার ওপর তাগিদ দেওয়া হয়। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে টোল আদায় পদ্ধতি চালুর লক্ষ্যে গঠিত কমিটির মতামত দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে অন্তর্বর্তীকালীন টোল হার আরোপের বিষয়ে সম্মতির জন্য অর্থ বিভাগে যে চিঠি পাঠানো হয়েছিল সেটার সম্মতি পাওয়া গেছে গত এপ্রিলে। তবে টোল হারের বিষয়ে মতামত পাওয়া গেলেও টোল আদায় শুরুর ক্ষেত্রে আরও অনেক কার্যক্রম বাকি আছে। এসব কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর টোল আদায় চালু করা ভালো হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে এরইমধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। যার একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এক্সপ্রেসওয়ে চালুর সঙ্গে পদ্মা সেতুর সম্পর্ক থাকায় সেই এক্সপ্রেসওয়েতে এখনই টোল আদায় শুরু করা যাচ্ছে না।

টেকসই ও নিরাপদ মহাসড়ক গড়ে তোলার জন্য ‘চারটি জাতীয় মহাসড়কের পাশে পণ্যবাহী গাড়ি চালকদের পার্কিং সুবিধাসহ বিশ্রামাগার স্থাপন' প্রকল্পের আওতায় বিশ্রামাগারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা নীতিমালা তৈরি করতে গত মার্চে ছয় সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। গঠিত কমিটি একাধিকবার বৈঠক করেছে। খুব শিগগিরই কমিটি এ বিষয়ে সচিব বরাবর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিবে।

মহাসড়কে টোল আদায় কবে নাগাদ শুরু করা যাবে এবং এর কার্যক্রম কোন পর্যায়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের টোল ও এক্সেল শাখার উপ-সচিব ফাহমিদা হক খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বর্তমানে আমাদের যে চার লেনের মহাসড়কগুলো চলমান আছে সেগুলোর কোথায় কোথায় টোল আদায়ের বুথ বসবে সেটা নিয়ে বৈঠক হয়েছে। টোল আদায় করতে হলে টোল ফ্রি সড়কও রাখতে হবে। সেজন্য এগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে এবং টোল আদায়ের বুথগুলো বসানো শেষ হলেই টোল আদায় শুরু হয়ে যাবে। আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে টোল আদায়ের ব্যাপারে টালি চলছে। এটা শেষ হলে টোল আরোপ সম্ভব হবে। পদ্মা ব্রিজের কাজ শেষ হলেই ব্রিজ ও ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোল আদায় একসঙ্গে শুরু করা হবে। 

অন্য মহাসড়কগুলোর টোল আদায়ের বিষয়ে ফাহমিদা হক খান বলেন, অন্যগুলোর টোল কালেকশন সিস্টেমে একেক জায়গায় একেক রকম না করে একইরকমভাবে করার চিন্তাভাবনা চলছে। এ বিষয়ে পরামর্শক নিয়োগের যে কার্যক্রমগুলোও গোছানো হয়ে গেছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদনটিও বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) মন্ত্রণালয়ে এসেছে। এটা অনুমোদন হয়ে গেলে এখানে যারা পরামর্শক হিসেবে কাজ পাবেন তারা এটা স্টাডি করে আমাদের গাইডলাইন দিবেন। সেটার ওপর আমরা টোল কালেকশনে চলে যাবো। তবে কবে নাগাদ শুরু করা যাবে সেটা সুনিশ্চিত করে বলতে না পারলেও মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রজেক্টের কাজ শেষ হলেই শুরু করে দেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
বড় বড় সড়ক থেকে টোল আদায়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

/জেইউ/ইউএস/

সম্পর্কিত

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

যেসব শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

যেসব শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

১৪ দিন শপিং মল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে

১৪ দিন শপিং মল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে

‘কারখানা চলছে কিন্তু গ্যাস বিল দিচ্ছে না’

‘কারখানা চলছে কিন্তু গ্যাস বিল দিচ্ছে না’

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ১৫:৩৯

হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত লবণের দাম। প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও যেখানে প্রতি বস্তা লবণ বিক্রি হতো ৬৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকায়, বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই)  তা বেড়ে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। সিন্ডিকেট করে যারা দাম বাড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাঁচা চামড়া সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িত লালবাগের পোস্তার ব্যবসায়ীরা বলছেন, হঠাৎ করে একটি চক্র লবণের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কাঁচা চামড়া সংরক্ষণের জন্য বাধ্য হয়ে বেশি দামেই লবণ কিনতে হচ্ছে। এতে করে চামড়া সংরক্ষণের খরচ বেড়ে যাবে।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হাজি টিপু সুলতান বলেন, বুধবার (২১ জুলাই)  থেকেই লবণের দাম বাড়তি। আগে প্রতি বস্তা লবণ ৫৫০ টাকা ছিল। এই মাসের শুরুতে তা বেড়ে ৬৫০ টাকা ৭০০ টাকা হয়। এ বস্তাই আজ ৯ শ, এক হাজার টাকা হয়েছে গেছে।

তিনি জানান, গতকাল যে চামড়া কেনা হয়েছে তা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। আজও আমরা কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া কিনছি।

পূবালী সল্টের স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা  বলেন, গত ১০-১৫ দিনে লবণের দাম বাড়েনি। গত মাসে ১০০ টাকার মতো বেড়ে প্রতি বস্তা লবণ ৬৫০ থেকে ৬৭৫ টাকায় বিক্রি করেছি। এখনও আগের দামই আছে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

এবারও কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা

এবারও কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা

সায়েন্সল্যাবে বসেছে কাঁচা চামড়ার হাট, শুরু হয়েছে বেচাকেনা

সায়েন্সল্যাবে বসেছে কাঁচা চামড়ার হাট, শুরু হয়েছে বেচাকেনা

কাঁচা চামড়ায় মন্দা কাটবে এবার?

কাঁচা চামড়ায় মন্দা কাটবে এবার?

সর্বশেষ

‘কঠোরতম’ লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে

‘কঠোরতম’ লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

শেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

স্মরণে ফকির আলমগীরশেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

নিত্যপণ্যের বাজারে লকডাউনের প্রভাব 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

আজ থেকে গার্মেন্টসও বন্ধ 

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

© 2021 Bangla Tribune