X
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

একদিকে লাশ হয়ে বের হচ্ছে, অপরদিকে রোগী ভর্তি হচ্ছে

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ২১:৫৭

রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় করোনা রোগীর ঠাঁই নেই। একদিক দিয়ে মরদেহ বের করা হচ্ছে, আরেকদিক দিয়ে জরুরি রোগীর ভিড় বাড়ছে। কেউ আবার আইসিইউ না পেয়ে ছুটছেন এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে। কেউ আবার সিট পাওয়ার আসায় অপেক্ষা করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। অপেক্ষা করছেন কেউ রিলিজ নিয়ে বাসায় গেলে সেই সিটটা যদি কপালে জোটে। সেই সঙ্গে আছে স্বজনদের আহাজারি। বুধবার (২৮ জুলাই) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগের সামনে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

ঢামেক হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে বের হচ্ছেন স্বজনরা বুধবার বিকালে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে দিয়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল একটি মরদেহ। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে আছে চারপাশ। যিনি মারা গেছেন, তার নাম স্বপন কুমার সাহা (৮৫)। গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরের বাসিন্দা। মৃতের মেয়ে বিউটি সাহা বলেন, ‘আমার বাবা শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। প্রথমে তাকে রাজধানীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে নিলে সেখান থেকে চিকিৎসকরা দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার কথা জানান। তখন তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েক দিন রেখে গতকাল ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করি। এখানে আইসিইউ না পেয়ে তাকে রাখা হয় সিসিইউতে। চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ বুধবার বিকাল তিনটায় বাবার মৃত্যু হয়।’

ঢামেক হাসপাতালে করোনা রোগী নিয়ে ছোটাছুটি একই সময়ে দেখা হয় মিরপুরের মধ্যপাইকপাড়ার বাসিন্দা সোহেল মিয়ার সঙ্গে। তার স্ত্রী সুমি বেগম (৩০) পাঁচ দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন। তার ওপর এখন শুরু হয়েছে শ্বাসকষ্ট। পরে কোনও উপায় না পেয়ে প্রথমে স্থানীয় ডেলটা হাসপাতালে নিয়ে যান সোহেল মিয়া। সেখানে রাখেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে সেখান থেকে টেকনিক্যালস্থ ডায়াবেটিস জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান তাকে। সেখানেও একই অবস্থা। পরে সেখান থেকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেন স্বামী। সেখান থেকে বিকালে ঢামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নিয়ে আসেন। এখানে চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি করানোর পরে ওয়ার্ড বয়রা তাকে অক্সিজেন দিয়ে ওয়ার্ডে নিয়ে যান।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা ইউনুস মিয়া (৬৩)। আজ সকালে তাকে করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা। রোগীর জামাতা মো. ফারুক জানান, এখানে চিকিৎসারত অবস্থায় ছিলেন তিনি। বিকালে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার আইসিইউতে নিতে হবে। কিন্তু এখানে আইসিইউ না পেয়ে বিকালে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছেন।

ঢামেক হাসপাতালে করোনা রোগী নিয়ে ছোটাছুটি করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগে ভর্তির রেজিস্টার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৪৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

করোনা ইউনিটের একটি ওয়ার্ডের বয় জানান, তাদের ওখানে কোনও সিট ফাঁকা নেই, কিন্তু রোগীর চাপ খুবই বেশি। তাই হাসপাতাল পরিচালকের নির্দেশে অতিরিক্ত সিট বসিয়ে অনেক রোগী ভর্তি করা হচ্ছে।

একই ইউনিটের আরেকজন নার্স জানিয়েছেন, যেসব রোগীর এক থেকে দুই লিটার অক্সিজেন প্রয়োজন হয়, তাদের সিলিন্ডার দিয়ে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাদের বেশি লাগছে তাদের সেন্ট্রাল অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তারপর যাদের অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে যায়, তাদের হাইফ্লো মেশিনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

ঢামেক হাসপাতালে করোনা রোগী নিয়ে ছোটাছুটি ঢামেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আশরাফুল আলম বলেন, ‘বেশ কিছু দিন ধরে কোনও রকম বেড ফাঁকা থাকছে না। একটি বেড ফাঁকা হতেই আরেকজন রোগী ভর্তি হচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোগী ভর্তি ছিল ৬৭ জন। বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৫০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।’ রোগীর স্বজনরা আইসিইউ না পাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করছেন জানানো হলে তিনি বলেন, ‘এটা এখন সোনার হরিণ। এখানে তো সিরিয়াল লেগেই থাকে। একটি সিট ফাঁকা হতেই সিরিয়াল দেওয়া রোগীদের স্থানান্তরিত করা হয়। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। খারাপ রোগীদের জন্য সিটের বাইরেও অনেক রোগী ভর্তি দিয়েছি। তাদের শেয়ার করেও রাখছি।’

 

/ইউআই/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫৪

ভার্চুয়াল বিচার পদ্ধতির ব্যাপ্তি ও পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে গেলে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে কথা বলেন।

কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২০ এ সময় রাষ্ট্রিপতির কাছে পেশ করা হয়।

কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, বিচারপতি সহিদুল করিম, অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বিচারক নিয়োগের পাশাপাশি বিচারকরা যাতে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনকে নির্দেশনা দেন।’ 

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিচার কার্যক্রম ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে চালু হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় এর ব্যাপ্তি ও পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।’ এ সময় বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নত প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম এবং বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

/ইএইচএস/আইএ/

সম্পর্কিত

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৫১

দেশের প্রতিটি উপজেলা পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) মতো নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ সংক্রান্ত লিখিত আদেশ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর এসব আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে।

আদালত তার আদেশে উপজেলা পরিষদ ভবনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিবর্তে ‘উপজেলা পরিষদ কার্যালয়’ লেখা সাইনবোর্ড টানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

পাশাপাশি একই আদেশে উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮-এর ধারা ১৩ (ক), ১৩ (খ) ও ১৩ (গ) কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। মামলার বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ও ড. মহিউদ্দিন মো. আলামিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান চৌধুরী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।

এর আগে ১৫ জুন উপজেলা চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা খর্ব করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ক্ষমতা দেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজসহ তিনজন উপজেলা চেয়ারম্যান এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর সে আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশ হলো।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের অধীনে ন্যস্ত সব দফতরের কার্যক্রম পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে করার জন্য ইউএনওদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ইউএনওরা যাতে ওই সার্কুলার অনুসরণ করেন সেজন্য পৃথক আরেকটি সার্কুলার জারি করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

/বিআই/এফএ/

সম্পর্কিত

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩০

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। চার বছর পরও তারা নিজের দেশে যাচ্ছে না। দিন দিন তাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। তারা এ দেশে মাদক ব্যবসা ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অনেকে অবৈধভাবে এদেশের নাগিরক হয়ে যাচ্ছেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আরও তৎপর হওয়া উচিৎ। বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ কি বন্ধুহীন হয়ে যাচ্ছে? এর দায় কার? কার ব্যর্থতা? পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জিএম কাদের বলেন, মন্ত্রীর কথায় মনে হচ্ছে, কোনও দেশেরই সহায়তা পাচ্ছে না বাংলাদেশ।

এ সময় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাঙ্গনে স্থবিরতা ছিল। শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে হয়ত দুই বছর ঝরে যাবে। এসব বিবেচনায় সবার জন্য চাকরির বয়সসীমা ৩২ করা যায় কিনা বিবেচনা করা উচিৎ।

 

/ইএইচএস/এফএ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানের ঘটনার আড়ালে রোহিঙ্গা ইস্যু চলে যাক চায় না বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের ঘটনার আড়ালে রোহিঙ্গা ইস্যু চলে যাক চায় না বাংলাদেশ

সৌদি আরবের রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

সৌদি আরবের রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪৯

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক  মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, একটি গ্রন্থের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর বিশালতাকে তুলে ধরা কঠিন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মুজিববর্ষ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে 'স্মৃতিতে সতত উজ্জ্বল বঙ্গবন্ধু' বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এতে বঙ্গবন্ধুর সংস্পর্শে থাকা 'লাল মুক্তিবার্তা: স্মরণীয় যারা বরণীয় যারা'  তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ২৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচারণমূলক লেখা অন্তর্ভুক্ত  হয়েছে।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়াসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন সব দিকেই দক্ষ একজন রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামল এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু পৃথিবীতে একমাত্র নেতা যিনি তাঁর  জীবদ্দশায় একাধারে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং স্বাধীনতা অর্জন করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আজও হয়তো আমরা পরাধীন থাকতাম।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু অল্প দিনেই বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বিশ্ব সভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে শোষক আর একদিকে শোষিত, আমি শোষিতের পক্ষে। বিশ্ব সভায় তিনি বাংলাদেশের নেতা হিসেবে কথা বলেননি, বিশ্বনেতা হিসেবে কথা বলেছেন। তিনি বলেছিলেন, অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে এই পয়সা দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য, শিক্ষার, স্বাস্থ্যের জন্য খরচ করতে বলেছিলেন। জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে তিনি উপদেশ দিতেন, বিশ্বের নীতি কী হওয়া উচিত।

বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশে পরিণত হতো বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

/এসও/এমএস/

সম্পর্কিত

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৯

বিশ্বাসঘাতকদের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ আমাদের দলে বেইমান তো ছিলই। খন্দকার মোস্তাক-টোস্তাক তো ছিলই। এটা তো অস্বীকার করি না। আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে। জিয়াউর রহমান তো খালেদা জিয়াকে নিয়ে মাসে একবার করে আমাদের বাড়ি গিয়ে বসে থাকতো।’ 

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এদের থেকে এখন মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়। জ্ঞানের কথা শুনতে হয়। আইনের শাসনের কথা শুনতে হয়। আমার বাবা-মার হত্যার বিচার চেয়ে আমি মামলা করতে পারিনি। আমাদের সেই অধিকার ছিল না।’ 

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় জিয়াউর রহমানকে আসামি করতে চেয়েছিলেন ‍উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘সে পঁচাত্তরের হত্যার সঙ্গে জড়িত এতে কোনও সন্দেহ নেই। আমি তাকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের তখনকার স্বরাষ্ট্রসচিব রেজাউল হায়াত বলেছিলেন—মৃত মানুষকে তো আসামি করা যায় না। আমার মনে হয় নামটা (আসামি হিসেবে) থাকা উচিৎ ছিল। কারণ জিয়া যে ষড়যন্ত্রে জড়িত তা ফারুক-রশিদ নিজেরাই বলেছে। একাধিক বইতে আছে। আর জড়িত না হলে যেসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছিল তাদের ছেড়ে দিলো কেন? জিয়াউর রহমান সেই বিচার বন্ধ করে সবাইকে কারাগার থেকে মুক্তি দিলো। সাত খুনের আসামিকে ছেড়ে দিলো। খুনিদের ডেকে এনে দল করলো। স্বাধীনতা যুদ্ধই যদি করে থাকে তাহলে একাত্তরের অগ্নিসংযোগকারী, খুনি ধর্ষণকারীদের কেন মন্ত্রী উপদেষ্টা বানালো? সংসদে বসালো। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করলো। তার বউ খালেদা জিয়াকে আরও একধাপ ওপরে গিয়ে এমপি বানিয়ে সংসদে বসালো। খুনি, অপরাধী, ধর্ষণকারী, যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি-এদের সঙ্গে তাদের বসবাস।’

বিএনপির হারুনুর রশীদের বক্তব্যের সূত্র ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে বলা হয়েছে জিয়াউর রহমান যে সেক্টরে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানে সব থেকে বেশি প্রাণহানি হয়েছে। তা হলে প্রশ্ন আসে, সে তাহলে যুদ্ধে কী কাজ করেছে। পাকিস্তানিদের পক্ষে? যাতে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুবরণ করে, সেই ব্যবস্থা করেছিল কিনা—সেটাই আমার প্রশ্ন। সেক্টরের অধিনায়ক করে প্রাণহানি বাড়িয়ে দেওয়ার মানে কী? নিজের হাতে নিজেদের লোকদের এগিয়ে দিয়েছে মরতে। মেজর হাফিজের বইতে কী আছে? এখন বই চেঞ্জ করছে।’

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘জিয়ার আমলে প্রত্যেকটি কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে। তার রেকর্ড তো থেকে যায়। সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন।’

 

/ইএইচএস/আইএ/

সম্পর্কিত

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ভার্চুয়াল বিচারের পরিধি বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতির

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ইউএনওর মতো নিরাপত্তা পাবেন উপজেলা চেয়ারম্যান

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

‘আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

সর্বশেষ

মোদির ঘুম কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি এসএফজে-র

মোদির ঘুম কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি এসএফজে-র

তালেবানকে হঠাতে মার্কিন অস্ত্র চান মাসুদ

তালেবানকে হঠাতে মার্কিন অস্ত্র চান মাসুদ

কাবুলে রকেট হামলা

কাবুলে রকেট হামলা

ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত দিনমজুরের মৃত্যু

ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত দিনমজুরের মৃত্যু

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

© 2021 Bangla Tribune