X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েই চলেছে এলপিজির

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০০:৩৬

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে এলপিজির দাম। এখন সর্বোচ্চ দরে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি। সর্বশেষ জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম টন প্রতি ১০০ ডলার বেড়ে ৬২০ ডলারে ঠেকেছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারের এই ঊর্ধ্বগতি আগে কখনও দেখা যায়নি।

প্রসঙ্গত, সৌদি সিপি (কনট্রাক্ট প্রাইস) অনুযায়ী দেশে এলপিজির দাম নির্ধারিত হয়। এলপিজি হচ্ছে পেট্রোলিয়াম উপজাত প্রোপেন ও বিউটেনের সংমিশ্রণ। এটি ১০-১৫ বার চাপ দিয়ে তরল গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। সাধারণ তাপমাত্রায় এটি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের হিসাবে এভাবে দরের ঊর্ধ্বগতি দেখা যায় নি। তবে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে সৌদি সিপির প্রাইস লিস্টে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম সর্বোচ্চ ৬৫৫ ডলারে ঠেকে। তবে এই দাম পরের মাসগুলোতে সাড়ে ৪০০ ডলারের নিচে নেমে আসে। এছাড়া এইভাবে এর আগে কখনো দাম ৬০০ ডলার অতিক্রম করেনি। এবারই পর পর মাস টন প্রতি ১০০ ডলার করে বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ২০১৮ সালের পরিস্থিতির সঙ্গে ভিন্নতা রয়েছে বর্তমানের। তখন বিশ্ব স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলেও এখন করোনার কারণে অস্বাভাবিক অবস্থায় আছে। সঙ্গত কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কম থাকার কথা। তেলের দামের ওপর নির্ভর করে সব পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়। তাই এলপিজির দাম কম থাকার কথা ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে করোনার মধ্যে বিশ্বের বহু দেশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করায় জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়েছে। এতে করে অন্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিতে দামও বেড়েছে।

গত জুন মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম ছিল যথাক্রমে টন প্রতি ৫২৫ ডলার এবং ৫৩০ ডলার। কিন্তু জুলাই মাসে তা বেড়ে দুটোরই হয়েছে ৬২০ ডলার করে। অর্থাৎ ১০০ ডলার করে বেড়েছে টন প্রতি। এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারিতেই দাম ছিল ৫৫০ ও ৫৩০ ডলার।

সৌদি সিপির প্রাইস লিস্টে দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম যথাক্রমে টন প্রতি ছিল ৫৬৫ ডলার ও ৫৯০ ডলার। একইভাবে ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৫০৫ ডলার ও ৫৪৫ ডলার, মার্চে ৪৩০ ও ৪৮০, এপ্রিলে এসে আরও কমে ২৩০ ও ২৪০ ডলার হয়৷  মে মাসে আবার দুটোই বেড়ে ৩৪০ করে হয়, এরপর জুন মাসে ৩৫০ ও ৩৩০, জুলাইয়ে ৩৬০ ও ৩৪০ ডলার, আগস্টে ৩৬৫ এবং ৩৪৫ ডলারে উঠে। সেপ্টেম্বরে ৩৬৫ ও ৩৫৫, অক্টোবরে ৩৭৫ ও ৩৮০, নভেম্বরে দাম উঠে ৪৩০ ও ৪৪০ এ, ডিসেম্বরে  প্রোপেন ও বিউটেনের দাম গিয়ে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৪৫০ ডলার ও ৪৬০ ডলারে।

দাম বাড়ার এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। দেশেও জুলাই ও আগস্ট মাসে এলপিজির দাম বেড়েছে। তবে তার আগের মাসে অর্থাৎ মে মাসে দাম কিছুটা কমেছিল। আগে বেসরকারি কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছামত দামে এলপিজি বিক্রি করলেও গত এপ্রিল থেকে একটি নির্দিষ্ট দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে বাংলা এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ( বিইআরসি)।  তারা সর্বশেষ গত ৩০ জুলাই চলতি মাসের এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তাতে দেখা যায়, বেসরকারি পর্যায়ে এলপিজির দাম প্রতিকেজি ৭৭ টাকা ৪০ পয়সা ধরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা জুলাই মাসে ছিল ৮৯১ টাকা এবং জুন মাসে ছিল ৮৪২ টাকা।

এলপিজি বিশেষজ্ঞ ও বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মকবুল ই ইলাহী এ বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়ায় দামও বাড়ছে, একই কারণে বাড়ছে এলপিজির দামও। এছাড়া পানামা ক্যানেলে কিছু রেস্ট্রিকশনের কারণে এলপিজির সরবরাহ কিছুটা কমে গেছে। এটিও একটি কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বাড়ার।

 

/এমআর/আপ-এনএইচ/

সম্পর্কিত

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার

রেন্টাল-কুইক রেন্টাল

নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটির কথা ভাবা হচ্ছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৪১

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যু ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, ‘এখন আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা কম। গরমের সময় সর্বোচ্চ চাহিদা কত তার ওপর নির্ভর করে ক্যাপাসিটি রাখতে হবে। সেই হিসাবে এখন আমাদের ২০ হাজার মেগাওয়াট ক্যাপাসিটি থাকা দরকার। জ্বালানির বিষয়টিও চিন্তায় রাখতে হবে। এ কারণেই রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রকে আমরা নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটি হিসেবে রাখতে চাই।’

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘কুইক রেন্টাল: অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে এসব কথা বলেন জ্বালানি উপদেষ্টা। বাংলাদেশ ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন (বিপপা)-এর সহযোগিতায় ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষক গোলাম মোয়াজ্জেম।

জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী

উপদেষ্টা ড. তৌফিক চৌধুরী বলেন, ‘বড় বড় প্রকল্প হচ্ছে। স্পেশাল ইপিজেড হচ্ছে। বিদ্যুতের এখন যে চাহিদা, সেটার বেশিরভাগই বাসাবাড়ির। কিন্তু সামনে শিল্পের চাহিদা বাড়বে।’

পিডিবি সদস্য মাহবুবুর রহমান জানান, ‘এখন দেশে যে রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে তা থেকে ২৭৪ মেগাওয়াট এবং কুইক রেন্টাল থেকে ৩৯৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছি। এই কেন্দ্রগুলো ২০২৪ সালে অবসরে যাওয়ার কথা। কিন্তু কোনও ক্যাপাসিটি-কস্ট ছাড়া যদি এগুলো রেখে দেওয়া যায় তাহলে সরকার লাভবান হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রেন্টালগুলো সব গ্যাসভিত্তিক। কুইক রেন্টালের কিছু গ্যাস, কিছু ফার্নেস অয়েল-চালিত। যেহেতু এখন জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হচ্ছে সেই হিসাবে এই বিদ্যুতের দাম কম পড়বে। জরুরি প্রয়োজনের সময় কেন্দ্রগুলো কাজে আসতে পারে।’

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আমাদের জিডিপিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। জরুরি প্রয়োজনে ২০০৯ সালের পর থেকে এই কেন্দ্রগুলো অনিবার্য ছিল, এখন নেই। তবে ব্যবহার করলে লাভ হবে কিনা তা বিবেচনা করতে হবে। দামের কথা ভেবেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

সিপিডির গবেষক গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোক্তারা ব্যবসা করেছেন। এখন তাদের রাখার কোনও যুক্তি নেই।’

কুইক রেন্টাল: অতীত, বর্তমান ও ভবিষৎ শীর্ষক ওয়েবিনারের বক্তারা

বিআইডিএস-এর সাবেক মহাপরিচালক মুস্তফা কামাল মুজেরী বলেন, ‘রেন্টাল ও কুইক রেন্টালে যে বিনিয়োগ হয়েছিল, তা এতদিনে উঠে এসেছে। ফলে যদি কোনও কেন্দ্রের অর্থনৈতিক উপযোগিতা থাকে তবে সেগুলোকে আইপিপি হিসেবে রেখে দিতে হবে।’

পিডিবি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘এখন যে ২২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের পরিকল্পনা করেছি, সেই তুলনায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট কিন্তু বেশি নয়। প্রতি ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য কমপক্ষে ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের ক্ষমতা থাকতে হবে। সেই হিসাবে রিজার্ভ বিদ্যুৎ কম। নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সোলার পাওয়ারের কথা আসে সবার আগে। এর জন্য স্টোরেজ ক্যাপাসিটি থাকা দরকার। কিন্তু এর খরচ ডিজেল চালিত বিদ্যুতের চেয়ে বেশি। এটা নিয়েও ভাবতে হবে।’

এফইআরবির নির্বাহী পরিচালক শামীম জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিপপার সভাপতি ইমরান করিম, সহ-সভাপতি নাভিদুল হক ও এফইআরবি চেয়ারম্যান অরুন কর্মকার প্রমুখ।

/এসএনএস/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনে ১৬ সদস্যের কমিটি

ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনে ১৬ সদস্যের কমিটি

সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ব্যাংক পাবে ৫ পয়সা

সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ব্যাংক পাবে ৫ পয়সা

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:১০

চামড়া ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধে আবারও বিশেষ ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই বিশেষ সুবিধার আওতায় ঋণ পরিশোধের আবেদনের সময় আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর আগে আবেদনের সময় ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তার আগে সময়সীমা ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাটি সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বিশেষ সুবিধার আওতায় চমড়া ব্যবসায়ীরা অন্য খেলাপিদের মতো মাত্র ২ শতাংশ টাকা জমা দিয়ে (ডাউন পেমেন্ট) ১০ বছরের জন্য তাদের ঋণ পুনর্গঠন, পুনঃতফসিল বা এক্সিট সুবিধা পাবেন।  এ সুবিধা নিতে আগ্রহী চামড়া উদ্যোক্তাদের আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়,  কোভিড-১৯ এর বিরূপ প্রভাব বিদ্যমান থাকায় এবং  ঈদুল আজহা উৎসবে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণ কার্যক্রমের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উল্লিখিত এক্সিট অথবা পুনর্গঠন/পুনঃতফসিল সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা গ্রহণে ইচ্ছুক গ্রাহক কর্তৃক ডাউন পেমেন্টের অর্থ নগদে জমাদান সাপেক্ষে আবেদন দাখিলের সময়সীমা আগামী ডিসেম্বর ৩০ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তরিত চামড়া শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক ঋণ পরিশোধে বিশেষ সুবিধার আওতায় এ সময় বাড়ানো হয়েছে।

 

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটির কথা ভাবা হচ্ছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটির কথা ভাবা হচ্ছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনে ১৬ সদস্যের কমিটি

ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনে ১৬ সদস্যের কমিটি

সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ব্যাংক পাবে ৫ পয়সা

সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ব্যাংক পাবে ৫ পয়সা

ব্যাংক খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

ব্যাংক খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

আমানত বিমা প্রিমিয়াম হিসাবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৩৪

ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপোজিট ইন্সুরেন্স বিভাগকে অবগত না করার কারণে আমানত বিমা প্রিমিয়াম হিসাবায়ন কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা এক সার্কুলারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আমানত বিমা প্রিমিয়াম হিসাবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংককে তাদের আমানত বিমা প্রিমিয়াম নির্ধারণী সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি ষান্মাষিক ভিত্তিতে নির্ধারিত ছকে ডিপোজিট ইন্সুরেন্স বিভাগে দাখিলের নির্দেশনা রয়েছে। তবে সম্প্রতি পরিলক্ষিত হচ্ছে, ষান্মাষিক ভিত্তিতে বিবরণী দাখিল করলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগ হতে প্রদত্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদন বা নির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর রেগুলেটরি বিধিবিধান পরিপালনে পরিবর্তন এমনকি ব্যাংকিংয়ের মৌলিক পরিবর্তন ঘটলেও তা যথাসময়ে অত্রবিভাগকে অবগত না করার কারণে আমানত বিমা প্রিমিয়াম হিসাবায়ন কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও বলছে, ব্যাংকসমূহের যেকোনও ধরনের মৌলিক পরিবর্তন (সাময়িক/স্থায়ী) যা আমানত বিমা প্রিমিয়াম হিসাবায়নের ক্ষেত্রে প্রভাব রাখতে পারে, তা যথাসময়ে অত্রবিভাগকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হলো।

 

/জিএম/আইএ/

সম্পর্কিত

ব্যাংক খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

ব্যাংক খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

ব্যাংকগুলোকে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ

অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় হাত 

অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় হাত 

রফতানি সহায়তায় অডিট ফার্ম নিয়োগে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

রফতানি সহায়তায় অডিট ফার্ম নিয়োগে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনে ১৬ সদস্যের কমিটি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৫

ই-কমার্স খাতের ওপরে আস্থা ধরে রাখতে পৃথক আইন প্রণয়ন ও এর জন্য পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ই-কমার্স খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ‘ডিজিটাল ই-কমার্স অ্যাক্ট’ নামে একটি স্বতন্ত্র আইন প্রণয়ন করে পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠনে ২২ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এই কমিটি গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজিটাল কমার্স নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে একটি যুগোপযোগী আইন ও শক্তিশালী কর্তৃপক্ষ গঠনের  লক্ষ্যে ১৬ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য) এএইচএম সফিকুজ্জামানকে  কমিটির অহ্বায়ক এবং উপসচিব (কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেল) মুহাম্মদ সাঈদ আলীকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন— তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিনিধি, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের প্রতিনিধি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন করে শিক্ষক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের প্রতিনিধি, এফবিসিসিআইয়ের প্রতিনিধি, এটুআই এর প্রতিনিধি, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি বা সাধারণ সম্পদক, বেসিস এর সভাপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজিবুল আলম। 

কমিটিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ডিজিটাল কমার্স খাতে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া আগামী দুই মাসের মধ্যে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার উপযোগী একটি আইনের খসড়া প্রণয়ন করতে বলা হয়।  একইসঙ্গে আগামী দুই মাসের মধ্যে ডিজিটাল কমার্স কর্তৃপক্ষের কাঠানো এবং কার্যপ্রণালী তৈরি করতে বলা হয়েছে।

সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেল) মুহাম্মদ সাঈদ আলীর সই করা অফিস আদেশ জারি করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

 

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটির কথা ভাবা হচ্ছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটির কথা ভাবা হচ্ছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ব্যাংক পাবে ৫ পয়সা

সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ব্যাংক পাবে ৫ পয়সা

টাকার ওপর লেখা ও স্ট্যাপলিং করা নিষেধ

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫৯

নতুন ও পুনঃপ্রচলনযোগ্য ব্যাংক নোটের ওপর যে কোনও ধরণের লেখা, সিল মারা এবং নোটের প্যাকেটে স্ট্যাপলিং পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্যাকেটে নোটের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে প্যাকেট ব্র্যান্ডিং করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখার নাম, সিল, নোট গণনাকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ সম্বলিত লেবেল/ফ্ল্যাইলিফ লাগানোর বিধান থাকলেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে, উক্ত নির্দেশনা লঙ্ঘন করে সরাসরি টাকার ওপর সংখ্যা ও তারিখ লেখা, শাখার সিল, স্বাক্ষর ও অনুস্বাক্ষর প্রদান, স্ট্যাপলিং ইত্যাদি করা হচ্ছে। এর ফলে, নোটগুলো অপেক্ষাকৃত কম সময়ে অপ্রচলনযোগ্য হওয়ার পাশাপাশি গ্রাহকরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় অর্থেরও অপচয় হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, নোটের ওপর লেখা, সিল মারা এবং নোটের প্যাকেটে স্ট্যাপলিং করা বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লিন নোট পলিসি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অন্যতম অন্তরায়, যা মোটেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, গণনাকালে নোটের ওপর লেখা, স্বাক্ষর, সিল প্রদান এবং নোটের প্যাকেটে স্ট্যাপলিং (১০০০ টাকা মূল্যমান নোট ব্যতীত) হতে বিরত থাকা এবং প্যাকেটে নোটের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে প্যাকেট ব্যান্ডিং করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখার নাম, সিল, নোট গণনাকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ সম্বলিত লেবেল/ফ্ল্যাইলিফ লাগানোর বিষয়টি কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে কারেন্সি নোট/ব্যাংক নোট জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব বিধি-বিধান ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য আপনাদের পুনরায় নির্দেশনা দেওয়া গেল। ব্যাংক কোম্পানি আইন-১৯৯১ (২০১৮ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করা হলো।

 

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটির কথা ভাবা হচ্ছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

নো পেমেন্ট নো ইলেকট্রিসিটির কথা ভাবা হচ্ছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

আমানত বিমা প্রিমিয়াম হিসাবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে

আমানত বিমা প্রিমিয়াম হিসাবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে

ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনে ১৬ সদস্যের কমিটি

ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনে ১৬ সদস্যের কমিটি

সম্পর্কিত

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার

সর্বশেষ

‘রানি এলিজাবেথের মতো শেখ হাসিনার শাসনকালও স্মরণীয় থাকবে’

‘রানি এলিজাবেথের মতো শেখ হাসিনার শাসনকালও স্মরণীয় থাকবে’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪ দফা জরুরি নির্দেশনা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪ দফা জরুরি নির্দেশনা

যশোরে ট্রাকচাপায় যুবলীগ নেতা নিহত

যশোরে ট্রাকচাপায় যুবলীগ নেতা নিহত

বেকারত্ব নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে: জিএম কাদের

বেকারত্ব নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে: জিএম কাদের

কিংসলের জন্য মন খারাপ জামালের

কিংসলের জন্য মন খারাপ জামালের

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাঠাতে হবে নতুন নির্দেশনা অনুসারে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাঠাতে হবে নতুন নির্দেশনা অনুসারে

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

বোর্ডের সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা  

বোর্ডের সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা  

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার

© 2021 Bangla Tribune