X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

দেউলিয়া হওয়ার পথে বেসিক ব্যাংক

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২১, ১৩:০০

নিয়ম ভেঙে দেওয়া ঋণ আদায় করতে পারছে না রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক। শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর মেয়াদকালে বিতরণ করা ঋণই ব্যাংকটিকে দেউলিয়ার পথে নিয়ে যাচ্ছে।

মৃতপ্রায় ব্যাংকটির বর্তমান আর্থিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। ব্যাংকটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে অব্যাহতভাবে কয়েক হাজার কোটি টাকা তহবিলের যোগান দেওয়ার পরও ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে খেলাপির শতকরা হিসাবে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে বেসিক ব্যাংক। মার্চ শেষে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণের স্থিতি ছিল ১৪ হাজার ৬০১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ৮ হাজার ৮০ কোটি ৭২ লাখ টাকা। যা বিতরণ করা ঋণের ৫৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

ডিসেম্বরে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ৭ হাজার ৫০২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ তিন মাসে ব্যাংকটির ৫১৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ বেড়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭২ কোটি টাকায়।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড নামের ব্যাংকটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৯ সালে। প্রতিষ্ঠার পরের দুই দশক দেশের সেরা ব্যাংক হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছিল বেসিক ব্যাংক। ২০০৯ সাল পর্যন্ত বেসিক ব্যাংককে তুলনা করা হতো বৈশ্বিক জায়ান্ট স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সঙ্গে। কিন্তু শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর নেতৃত্বে লুটপাটের শিকার হয়ে এখন ব্যাংকটি মৃতপ্রায়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সুশাসন না থাকাতেই একসময়ের ভালো ব্যাংক এখন সবচেয়ে খারাপ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও এর দায় নিতে হবে। ব্যাংকটিতে অনিয়মের পেছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।’

ব্যাংকটির তথ্য বলছে, গত আট বছরে নিট লোকসান হয়েছে ৩ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। এ সময়ে সরকার করের টাকা থেকে ৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা দিয়েছিল ব্যাংকটিকে। তারপরও ১ হাজার ৭২ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে ব্যাংকটি। পাশাপাশি ব্যাংকটির প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে ৩ হাজার ৫৬৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

শুধু তাই নয়, প্রতিযোগিতায় তলানিতে পড়ে থাকা ব্যাংকটির ৭২টি শাখা ও ২ হাজার ১০০ কর্মীর পেছনেও সরকারের খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনিসুর রহমান বলছেন, ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বেসিক ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের বড় অংশ এখনও আদায় করা যায়নি। তবে আমরা খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছি।

জানা গেছে, ২০০৯-২০১৩ তথা শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুর আমলে ব্যাংকটি থেকে অন্তত সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালে বেসিক ব্যাংকের নিট লোকসানের পরিমাণ ৩৬৬ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ২০১৯ সালে ব্যাংকটির নিট লোকসান ছিল ৩২৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গতবছরে শেষে সবগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের যে পরিমাণ খেলাপি ঋণ ছিল, তার মধ্যে বেসিক ব্যাংক এককভাবে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ খেলাপি ঋণের জন্য দায়ী ছিল।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারও ব্যাংকটিকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ব্যাংকটিকে বাঁচানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫০০ কোটি টাকা কমিয়ে সাত হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

এ ছাড়া বেসিক ব্যাংকের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত ভালো অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) একীভূত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লোকসানি শাখা বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্বেগ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লোকসানি শাখা বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্বেগ

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

ইভ্যালির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ, জেল থেকে ‘রাসেলের বার্তা’

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৭

প্রতারণাসহ একাধিক মামলায় কারাগারে আছেন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির এমডি মো. রাসেল। সেখান থেকে আইনজীবীর মাধ্যমে গ্রাহকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন তিনি। রাসেল দাবি করেছেন, ‘সুযোগ এবং সময় পেলে আমাদের পক্ষে ৪ মাসের মধ্যেই সব জটিলতা গুছিয়ে ওঠা সম্ভব।’ মো. রাসেলের সেই বক্তব্য ইভ্যালির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শনিবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত হয়েছে। ওই ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়েছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ইভ্যালির সার্ভার বন্ধ রয়েছে’।

ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে ‘বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনারা সবাই অবগত। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার অংশীদার হয়ে দেশের অনলাইন কেনাকাটাকে সবার হাতের মুঠোয় নিয়ে যেতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি অবিরাম। আমরা এই কাজকে এগিয়ে নিতে চাই। চাই আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে চালিয়ে যেতে। আর এই সুযোগ পেলে সকলের সব ধরনের অর্ডার ডেলিভারি দিতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলাম, আছি, থাকবো।’

‘বর্তমান পরিস্থিতিতে অজ্ঞাতনামা হিসেবে আমাদের সকল এমপ্লয়ি শঙ্কার মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন। আমাদের সম্মানিত সিইও এবং চেয়ারম্যান কারাগারে থাকায় আমাদের ব্যাংকিং-ও সাময়িকভাবে বন্ধ। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সার্ভারসহ, অফিসের খরচ চালানো এবং আমাদের এমপ্লয়িদের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়গুলোতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আমাদের উকিলের মাধ্যমে আমাদের সম্মানিত সিইও’র বক্তব্য হলো- সুযোগ এবং সময় পেলে আমাদের পক্ষে ৪ মাসের মধ্যেই সকল জটিলতা গুছিয়ে ওঠা সম্ভব।’

এতে আরও বলা হয়, ‘এই পরিস্থিতিতে আমাদের সার্ভার বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। পুনরায় দ্রুত সার্ভার চালু করে দেওয়ার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

‘গ্রাহক এবং সেলারদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সচেষ্ট। দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত হতে আমাদের এই যাত্রায় আমরা আপনাদের পাশে পেয়েছি সবসময়। আপনাদের এই ভালোবাসায় আমরা চিরকৃতজ্ঞ। সামনের দিনগুলোতেও আমরা এভাবে আপনাদের পাশে চাই। আপনাদের ভালোবাসার শক্তি আমাদের অদম্য পথচলার প্রেরণা।’

ইভ্যালির পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদও জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে ইভ্যালির ওয়েবসাইটে ঢোকা যায়নি। গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপলের স্টোরে ইভ্যালি অ্যাপ পাওয়া যায়। ইনস্টল করে ওপেন করতে গেলে অ্যাপটি ওপেন হয়নি।

/এইচএএইচ/এমআর/

সম্পর্কিত

যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

সরকার কঠোর, তবু ইভ্যালির মডেলে আরও ই-কমার্স আসছে

সরকার কঠোর, তবু ইভ্যালির মডেলে আরও ই-কমার্স আসছে

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেনা পরিশোধে ইভ্যালির সঙ্গে কথা বলবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দেনা পরিশোধে ইভ্যালির সঙ্গে কথা বলবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৭

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, ‘নিউক্লিয়ার পাওয়ার এলে ক্লিন এনার্জির শেয়ার অনেক বেড়ে যাবে। দীর্ঘমেয়াদে নিউক্লিয়ার বিদ্যুতের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার।’ শনিবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিপিএমআই) আয়োজিত ‘নতুন বিকল্প জ্বালানি ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ চ্যালেঞ্জ শীর্ষক ওয়েবিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি উপদেষ্টার কথায়, ‘নিউক্লিয়ারে ছোট ছোট মডিউলার রিয়েক্টর আসছে, তেলভিত্তিক ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিউক্লিয়ার দিয়ে রিপ্লেস করা যেতে পারে। আমাদের যেহেতু জমির সংকট রয়েছে, তাই নদী কিংবা জলাশয়ের ওপর সৌর বিদ্যুৎ করতে পারি যদি প্যানেলগুলোর দাম বেশি না হয়। এটা হতে পারে আমাদের জন্য ভালো সমাধান। যানবাহন হয়তো সহজ হতে পারে। আমাদের ১০-২০ থ্রি হুইলারকে আধুনিকায়নের বিষয়ে কাজ করছি।’

ওয়েবিনারে জ্বালানি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আনিছুর রহমান বলেন, ‘বিশ্বায়নের নতুন পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিমা বিশ্বের চেয়ে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে জ্বালানি বিভাগের চেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের বেশি কাজের সুযোগ রয়েছে।’

বাংলাদেশ বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের মন্তব্য, ‘আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে কাজ করছি, তবে সেভাবে সফল হতে পারছি না। প্রযুক্তির সঙ্গে থেকে উন্নত দেশের পথে হাঁটতে হবে।

হাইড্রো কার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম মনে করেন, একক কোনও এনার্জির ওপর নির্ভরশীলতা সুখকর হতে পারে না। তিনি জানান, সম্ভাব্য সব বিকল্প নিয়ে কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী গবেষক অধ্যাপক নওশাদ হক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান, হাইড্রোজেন এনার্জি গবেষণাগার প্রকল্পের পরিচালক ড. আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন, স্রেডার চেয়ারম্যান ড. আলাউদ্দিন বলেন, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিচালক ড. শৌকত আকবর।

/এসএনএস/জেএইচ/

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

কার্বন নিয়ন্ত্রণে মানসম্মত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার জরুরি

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:১৬

জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে কার্বন দূষণ নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য অর্জনে মানসম্মত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার কোনও বিকল্প নেই। কেননা কেবলমাত্র আবাসিক খাতেই ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় যার বড় অংশ সাশ্রয় করা সম্ভব এর দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত এনার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড প্রোডাক্টস লেবেলিং শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

স্রেডা ও জিআইজেডের সহায়তায় আয়োজন এই ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদ হোসেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন সাসটেনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (স্রেডা) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম ও বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনিস্টিটিউটের (বিএসটিআই) স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের উপ-পরিচালক রহিমা তালুকদার। আরও বক্তব্য রাখেন এনার্জিপ্যাক ইলেক্টনিক্স-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নূরুল আকতার, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার আনিসুর রহমান মল্লিক, ইস্টার্ন টিউবস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোহাম্মদ সাহেরুল আজম এবং জিআইজেড এর আইইইপি ২ প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার আল মুদাবির বিন আনাম।
 
মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার অর্জন দ্বিগুণ করার জন্য স্রেডা এনার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন রোডম্যাপ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার কার্বন দূষণ রোধে যে নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তা অর্জনে এর পুরোপুরি বাস্তবায়নের কোনও বিকল্প নেই। এজন্য বাতি, ফ্যান, এসি, ফ্রিজ এর মতো পণ্যের মান নির্ধারণ এবং লেবেলিং এর মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা দরকার। স্রেডা এটার জন্য প্রবিধানের খসড়া চূড়ান্ত করেছে এবং তা বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। ইতোমধ্যে বিএসটিআই তাদের মান নির্ধারণ করা পণ্যে লেবেলে কিউআর কোড চালু করতে যাচ্ছে। 

জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম  বলেন, জ্বালানির দক্ষ ব্যবহারের জন্য পণ্যমান নিশ্চিত করতে হলে কেবলমাত্র ভোক্তাদের সচেতন করলে হবে না। নীতি নির্ধারক ও বাস্তবায়নকারী সকলকে সচেতন করতে হবে। তিনি মনে করেন, স্রেডাকে কেবল দায়িত্ব দিলেই হবে না কাজের জন্য আইন প্রণয়ন করে স্রেডাকে স্বাধীন রেগুলেটর বানাতে হবে।

/এসএনএস/এমআর/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ, জেল থেকে ‘রাসেলের বার্তা’

ইভ্যালির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ, জেল থেকে ‘রাসেলের বার্তা’

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

‘কম দামে’ বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করবে কাস্টমস, নিতে পারবেন যে কেউ

‘কম দামে’ বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করবে কাস্টমস, নিতে পারবেন যে কেউ

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

‘কম দামে’ বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করবে কাস্টমস, নিতে পারবেন যে কেউ

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৫:১৭

কারনেট সুবিধায় আসা ১১০টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে বিক্রি করবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ইলেকট্রনিক নিলামের (ই-অকশন) মাধ্যমে ওই গাড়িগুলো বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে কাস্টম হাউস। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১ থেকে ৩ কোটি টাকা মূল্যের এসব গাড়ি নিলামে কম দামে পাওয়া যাবে।

গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে- মিৎশুবিশি ২৬টি, মার্সিডিজ বেঞ্চ ২৫টি, বিএমডব্লিউ ২৫টি, ল্যান্ডরোভার ৭টি, ল্যান্ডক্রুজার ৭টি, একটি সিআরভি, লেক্সস ৬টি, ফোর্ড ৫টি, জাগুয়ার ৩টি, একটি দাইয়ু ও একিট হোন্ডাসহ বিশ্বের নামিদামী ব্রান্ডের গাড়ি। 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মো. ফখরুল আলম নিলামের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্র জানায়, পর্যটক সুবিধায় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এক দশক আগে এসব গাড়ি এনেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পর্যটকেরা। শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারের কারণে গাড়িগুলো আটকে যায়। ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে খালাসের শর্ত আরোপ করা হলেও খালাস না করায় বন্দরে পড়ে থাকে দিনের পর দিন।

কাস্টমসের নিলাম শর্ত অনুযায়ী, যে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। টেন্ডারে অংশ নেওয়ার সময় শিডিউলের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সনদ অথবা টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি জমা দিতে হবে। আর ব্যক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি জমা দিতে হবে।

জানা গেছে, আগ্রহী কেউ গাড়ি কিনতে চাইলে টেন্ডার জমা দিতে হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও মোংলায় কাস্টমস অফিসে রাখা টেন্ডার বাক্সে টেন্ডার আবেদন খামবন্ধ অবস্থায় জমা দিতে হবে। এছাড়া আগ্রহী কেউ গাড়ি দেখতে চাইলে জাতীয় পরিচয় কিংবা পাসপোর্টের ছবিসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করে আগে থেকে পাস নিতে হবে।

গাড়ি পরিদর্শনের তিনদিন আগে পাসের আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছে, গাড়ি পরিদর্শনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবর এবং ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর। অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণেও অংশ নিতে পারবেন ক্রেতারা। আগামী ১৮ অক্টোবর সশরীরের বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। 

আগ্রহী দরদাতাদের আগামী ৩ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে ৪ নভেম্বর দুপুর ১টা পর্যন্ত কাস্টম হাউসের ওয়েবসাইট www.chc.gov.bd অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের www.nbr.gov.bd ওয়েবসাইটের ই-অকশন লিংকে প্রবেশ করে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।

/জিএম/ইউএস/

সম্পর্কিত

দেশের রাস্তায় চলবে বৈদ্যুতিক গাড়ি

দেশের রাস্তায় চলবে বৈদ্যুতিক গাড়ি

কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে সব শুল্ক স্টেশন

কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে সব শুল্ক স্টেশন

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিতে ৪৫ শতাংশ অবচয় সুবিধা চায় বারভিডা

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিতে ৪৫ শতাংশ অবচয় সুবিধা চায় বারভিডা

শেয়ার বাজারে হঠাৎ ক্রেতা কম

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৩৭

হঠাৎ করেই ছন্দ পতন ঘটেছে শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বিক্রেতার তুলনায় ক্রেতা কম থাকায় পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। সব ধরনের সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। বৃহস্পতিবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন দেড় হাজার কোটি টাকার নিচে নেমে আসে, যা গত আড়াই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

তথ্য বলছে, দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসই’র প্রধান সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দামও। এর মধ্য দিয়ে টানা চার দিন পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, গেলো সপ্তাহে কিছুটা মন্দার মধ্যে দিয়ে পার করেছে দেশের শেয়ার বাজার। এতে প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন দুই হাজার কোটি টাকা কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে সবক’টি মূল্যসূচক ও লেনদেন। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮০ হাজার ১১২ কোটি টাকা, যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৫ লাখ ৮২ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেলো সপ্তাহে ডিএসই’র বাজার মূলধন কমেছে ২ হাজার ১২ কোটি টাকা।

অবশ্য এর আগে টানা তিন সপ্তাহ ডিএসই’র বাজার মূলধন বেড়েছে। আগের তিন সপ্তাহে ডিএসই’র বাজার মূলধন বাড়ে ৭ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই হিসাবে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধন বাড়ার পর দুই হাজার কোটি টাকা কমলো। তথ্য বলছে,

বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে ডিএসইতে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে প্রায় তার দ্বিগুণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ২৩১টির। আর ২৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এর ফলে গত সপ্তাহে ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৯৯ দশমিক ৭০ পয়েন্ট।  আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ১৩ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট।

বাজারের তথ্য বলছে,  প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে কমেছে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ২৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ৩ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকটি কমেছে ৪৮ দশমিক ২৫ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ৫৬ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮১২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৫৪৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৯ হাজার ৬২ কোটি ১১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১২ হাজার ৭২৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। সেই হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৩ হাজার ৬৬২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

/এপিএইচ/

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

বাংলাদেশের ক্লিন এনার্জির মূল মেরুদণ্ড হবে নিউক্লিয়ার: জ্বালানি উপদেষ্টা

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

কমিশনের নির্ধারিত এলপিজির দাম কার্যকর করবে কে?

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে ১২ বছর শুল্ক সুবিধা চায় বিজিএমইএ

সম্পর্কিত

ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহ পরিপালন বিষয়ক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহ পরিপালন বিষয়ক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লোকসানি শাখা বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্বেগ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লোকসানি শাখা বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্বেগ

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

বেসিক ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক একীভূতকরণের পক্ষে অর্থমন্ত্রী

বেসিক ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক একীভূতকরণের পক্ষে অর্থমন্ত্রী

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

বিদেশে বন্ধুত্ব, দেশে এসে এটিএম বুথের টাকা লুট

বিদেশে বন্ধুত্ব, দেশে এসে এটিএম বুথের টাকা লুট

ইউনিয়ন ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

ইউনিয়ন ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

সর্বশেষ

ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদা মজিদের কথা

ফরিদা মজিদের কথা

রাজধানীর নিকুঞ্জ থেকে চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর নিকুঞ্জ থেকে চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার

দিনে মনোনয়নপত্র জমা, রাতে গুলিতে আ.লীগ প্রার্থীর মৃত্যু

দিনে মনোনয়নপত্র জমা, রাতে গুলিতে আ.লীগ প্রার্থীর মৃত্যু

বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যু গুরুত্ব পাবে

প্যারিসে হাসিনা-ম্যাখোঁর বৈঠকবাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যু গুরুত্ব পাবে

ঢাবিতে আজ থেকে শুরু সশরীরে ক্লাস

ঢাবিতে আজ থেকে শুরু সশরীরে ক্লাস

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আজ

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আজ

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লোকসানি শাখা বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্বেগ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লোকসানি শাখা বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্বেগ

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

প্রবাসীরা ২৩ দিনে পাঠালেন ১৩৯ কোটির বেশি ডলার

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

ইউনিয়ন ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

ইউনিয়ন ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

© 2021 Bangla Tribune