X
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ঘরে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে যুবক আহত

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:০৮

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় বোমার বিস্ফোরণে মো. শপ্পা (৩৬) নামের এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রাজঘাট কার্পেটিং বাজার এলাকায় নিজের ঘরে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে তিনি আহত হন।

তার একটি হাত, বুক, চোখ, মুখমণ্ডল ও দুই পা মারাত্মক জখম হয়েছে। বিস্ফোরণে ওই ঘরের টিনের চালা উড়ে যায় এবং দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়। আহতকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল সেখান থেকে পাঁচটি রামদা উদ্ধার করেছে। মো. শপ্পা উপজেলার রাজঘাট গ্রামের ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে বোমা তৈরি করছিলেন তিনি। সাড়ে ১২টার দিকে তার হাতেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় বিকট শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহত শপ্পাকে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ডাক্তার সাদিয়া জাহান বলেন, ‘বোমার আঘাতে তার চোখ-মুখমণ্ডলসহ শরীরের সামনের পুরো অংশ ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। চোখের ভেতর বোমার স্প্লিন্টারের আঘাত লেগেছে। তার শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান জানান, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই ঘরের চৌকির নিচ থেকে পাঁচটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

আজান দেওয়ার সময় ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

আজান দেওয়ার সময় ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

পুলিশের পিটুনিতে জেলের মৃত্যুর অভিযোগ, পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন

পুলিশের পিটুনিতে জেলের মৃত্যুর অভিযোগ, পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন

পিটুনিতে জেলের মৃত্যু, ৪ পুলিশকে আটকে রাখলো জনতা

পিটুনিতে জেলের মৃত্যু, ৪ পুলিশকে আটকে রাখলো জনতা

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৩

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের হাজিরটেক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  

নিহতরা হলেন—কাজম আলী (৬৫) ও তার স্ত্রী জমেলা বেগম (৫০)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সম্প্রতি একটি নতুন ঘর নির্মাণ করেন কাজম আলী। নতুন ঘরের মেঝেতে পানি দেওয়ার জন্য বৈদ্যুতিক মোটর চালাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই জনের মৃত্যু হয়। পরে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে বিদ্যুতের সুইচ বন্ধ করে তাদেরকে উদ্ধার করেন।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান মোল্লা জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে থানায় এখনও কেউ অভিযোগ করেনি।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

সৌদিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

সৌদিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

বিপুল পরিমাণ চোরাই ডিজেলসহ গ্রেফতার ১

বিপুল পরিমাণ চোরাই ডিজেলসহ গ্রেফতার ১

ধর্মঘটের ডাক দিলেও নারায়ণগঞ্জে চলছে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান

ধর্মঘটের ডাক দিলেও নারায়ণগঞ্জে চলছে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান

দুর্ঘটনার এক মাস পর সেই চিকিৎসকের মৃত্যু

দুর্ঘটনার এক মাস পর সেই চিকিৎসকের মৃত্যু

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২২

কুষ্টিয়ায় নিজ বাড়ি থেকে মা ও নয় মাসের শিশু সন্তানের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার থানাপাড়া পুরাতন বাঁধ এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃতরা হলেন—আকলিমা খাতুন (৩৫) ও তার নয় মাস বয়সী ছেলে জিম। আকলিমা থানাপাড়া পুরাতন বাঁধ এলাকার মো. রতনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, গড়াই নদী সংলগ্ন থানাপাড়া পুরাতন বাঁধে আকলিমা ও রতনের বাস। পাশেই বাবা মাজেদ আলীর বাড়ি। রতনের বাড়িতে সংস্কার কাজ চলায় মঙ্গলবার রাতে বাবার বাড়িতে নয় মাসের সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে এলাকাবাসী ঘরে ঢুকে দেখেন, আকলিমা ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলছে। পাশেই বিছানায় শিশু জিমের লাশ পড়ে আছে। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

আকলিমার বাবা মাজেদ মোল্লা জানান, আমাদের বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আকলিমা গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুঁলে আছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে থানাপাড়া বাঁধের একটি বাড়ি থেকে আড়ায় গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মা এবং বিছানায় পড়ে থাকা শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। আকলিমা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। 

তিনি আরও জানান, প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। তবে তদন্ত প্রতিবেদন পেলে সবকিছু নিশ্চিত হওয়া যাবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

আজান দেওয়ার সময় ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

আজান দেওয়ার সময় ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

বিদ্যালয় বন্ধের সুযোগে ৯২ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে, হতাশ শিক্ষকরা

বিদ্যালয় বন্ধের সুযোগে ৯২ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে, হতাশ শিক্ষকরা

‘ব্যাংক হিসাব তলব মানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় ধমক’

‘ব্যাংক হিসাব তলব মানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় ধমক’

ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে যশোরে মামলা

ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে যশোরে মামলা

সৌদিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৪

সৌদি আরবে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে তামজিরুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশটির জিদান বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। 

তামজিরুল ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার যশরা ইউনিয়নের কুর্শাপুর গ্রামের দুলাল উদ্দিনের ছেলে। ২০১৭ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। তার পাঁচ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

তামজিরুলের চাচাতো ভাই জহিরুল ইসলাম জানান, গত সোমবার সকালে বিমানবন্দরে কাজে যান তিনি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে বিমানবন্দরের পতাকা স্ট্যান্ডে পতাকা বাঁধতে ও লাইট সেট করতে বলে। তামজিরুল সেফটি বেল্ট বেঁধে স্ট্যান্ডে উঠে কাজ শুরু করেন। হঠাৎ বেল্ট ছিঁড়ে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

তিনি আরও জানান, তামজিরুল ইসলামের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর

স্ত্রীকে হত্যার ৩ দিন পর ‌‌‘অনুতপ্ত’ স্বামীর আহাজারি

স্ত্রীকে হত্যার ৩ দিন পর ‌‌‘অনুতপ্ত’ স্বামীর আহাজারি

জালিয়াতি করে ৭ লাখ টাকা উত্তোলনের ঘটনায় ব্যাংক ব্যবস্থাপক প্রত্যাহার

জালিয়াতি করে ৭ লাখ টাকা উত্তোলনের ঘটনায় ব্যাংক ব্যবস্থাপক প্রত্যাহার

কণ্ঠশিল্পী সালমার পার্কের উদ্বোধন

কণ্ঠশিল্পী সালমার পার্কের উদ্বোধন

আমদানি কমার অজুহাতে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২১


আমদানি কমার অজুহাতে ফের পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি চার থেকে পাঁচ টাকা। তবে পাঁচদিন আগেও বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৫ থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে তা বেড়ে ২৯ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে দাম বাড়ার কারণে বিপাকে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা।

স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোজাম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে গরমের কারণে আমদানি করা পেঁয়াজ পচে মান খারাপ হওয়ায় বাধ্য হয়ে খানিকটা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছিল। এছাড়াও দেশীয় পেঁয়াজের দামও কেজি প্রতি পাঁচ টাকার মতো কমে যাওয়ায় ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা কমে প্রভাব পড়ে দামের ওপর। এতে করে আমদানি কমিয়ে দেওয়া হয়। দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে একইহারে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। এছাড়াও পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় ভারতের মোকামে পূর্বে যে দামে পেঁয়াজ ক্রয় করা হতো এখন সেখানে দাম কিছুটা বাড়ায় বাড়তি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। মূলত ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় এবং আমদানি কমায় দেশের বাজারে দাম বেড়েছে। 

তবে বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা বলছেন আমদানি কমার অজুহাতে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা বিপাকে পড়েছেন। বেশি দামে পেঁয়াজ কেনায় বাড়তি দামে বিক্রি করতে হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আসা অব্যাহত থাকলেও আমদানির পরিমান কমেছে। বন্দর দিয়ে মঙ্গলবার মাত্র ৯টি ট্রাকে ২৫৪টন পেঁয়াজ এসেছে। সোমবার ১৭ ট্রাকে ৪৬৪টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল, রবিবার ২১ ট্রাকে এসেছে ৫৮৬টন পেঁয়াজ।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ববি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ববি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বেশি লাভের আশায় আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক

বেশি লাভের আশায় আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক

এক উপ‌জেলায় ৫২৩ স্কুলছাত্রীর বি‌য়ে

এক উপ‌জেলায় ৫২৩ স্কুলছাত্রীর বি‌য়ে

ভ্রমণ বিলে অসঙ্গতি, কমিশনারকে সতর্ক পুলিশ সদর দফতরের

ভ্রমণ বিলে অসঙ্গতি, কমিশনারকে সতর্ক পুলিশ সদর দফতরের

সিনহা হত্যা মামলা: তৃতীয় দফায় শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২১

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার ১২ নম্বর সাক্ষী সেনা কর্মকর্তা সার্জেন্ট আয়ুব আলীর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম জানান, সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তৃতীয় দফার শেষ দিনে ১২ নম্বর সাক্ষী সেনা কর্মকর্তা সার্জেন্ট আয়ুব আলীর মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া মামলার আরেক সাক্ষী কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শাহীন আবদুর রহমান আদালতে উপস্থিত রয়েছেন।

‘মেজর সিনহাকে মুইন্যা পাহাড়ে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা ছিল’

এর আগে গত ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট টানা তিন দিন মামলার প্রথম দফায় ১নং সাক্ষী ও বাদী শারমিন সাহরিয়া ফেরদৌস এবং ২নং সাক্ষী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। একইভাবে গত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর টানা চার দিনে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন আদালত। এ নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। গত সোমবার সাত সাক্ষী নিয়ে তৃতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় সে সময় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন। 

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা করে। এরপর মেজর সিনহা নিহতের ছয় দিন পর লিয়াকত আলী ও ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার অভিযোগে টেকনাফ থানায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে ঘটনার সময় দায়িত্ব পালনকারী আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর টেকনাফ থানার সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গত ২৪ জুন মামলার অন্য পলাতক আসামি টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

আসামিদের মধ্যে ওসি প্রদীপ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া অন্য ১২ জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্ত শেষে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন র‌্যাব ১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. খাইরুল ইসলাম ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এতে ৮৩ জনকে সাক্ষী করা হয়।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

স্ত্রীকে হত্যার ৩ দিন পর ‌‌‘অনুতপ্ত’ স্বামীর আহাজারি

স্ত্রীকে হত্যার ৩ দিন পর ‌‌‘অনুতপ্ত’ স্বামীর আহাজারি

‘মেজর সিনহাকে মুইন্যা পাহাড়ে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা ছিল’

‘মেজর সিনহাকে মুইন্যা পাহাড়ে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা ছিল’

কক্সবাজারের রিসোর্টে নারী পর্যটকের মরদেহ

কক্সবাজারের রিসোর্টে নারী পর্যটকের মরদেহ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

আজান দেওয়ার সময় ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

আজান দেওয়ার সময় ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

পুলিশের পিটুনিতে জেলের মৃত্যুর অভিযোগ, পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন

পুলিশের পিটুনিতে জেলের মৃত্যুর অভিযোগ, পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন

পিটুনিতে জেলের মৃত্যু, ৪ পুলিশকে আটকে রাখলো জনতা

পিটুনিতে জেলের মৃত্যু, ৪ পুলিশকে আটকে রাখলো জনতা

ভ্রমণ বিলে অসঙ্গতি, কমিশনারকে সতর্ক পুলিশ সদর দফতরের

ভ্রমণ বিলে অসঙ্গতি, কমিশনারকে সতর্ক পুলিশ সদর দফতরের

বিদ্যালয় বন্ধের সুযোগে ৯২ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে, হতাশ শিক্ষকরা

বিদ্যালয় বন্ধের সুযোগে ৯২ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে, হতাশ শিক্ষকরা

ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে যশোরে মামলা

ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে যশোরে মামলা

বিল গেটসের ফাউন্ডেশন থেকে পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি তরুণী

বিল গেটসের ফাউন্ডেশন থেকে পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি তরুণী

এক মাস ধরে চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালের বর্জ্য নিচ্ছে না পৌরসভা

এক মাস ধরে চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালের বর্জ্য নিচ্ছে না পৌরসভা

সর্বশেষ

বিসিবির ১৭১ কাউন্সিলর চূড়ান্ত

বিসিবির ১৭১ কাউন্সিলর চূড়ান্ত

চীন কখনও কর্তৃত্ব চাইবে না: শি জিনপিং

চীন কখনও কর্তৃত্ব চাইবে না: শি জিনপিং

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ভালো স্কোর করতে পারেননি রোমান সানা

ভালো স্কোর করতে পারেননি রোমান সানা

© 2021 Bangla Tribune