X
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

ব্যবধান অনেক, তবু ভালোর আশায় বাংলাদেশ

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪৩

নেপালে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। দুটি ম্যাচের অভিজ্ঞতা পুঁজি করে আগামীকাল (রবিবার) এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে নামতে যাচ্ছে সাবিনা-কৃষ্ণারা। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ জর্ডানের বিপক্ষে সেরাটা দেওয়ার জন্য তৈরি গোলাম রব্বানী ছোটনের দল। উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দের বুনিয়দকর স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের বাছাইয়ের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায়।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে জর্ডানের (৬৩) চেয়ে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ (১৩৭)। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী হলেও লড়াই করতে চাইছে বাংলাদেশের মেয়েরা। দলটির কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন বলেছেন, ‘জর্ডানের বিপক্ষে মেয়েরা তাদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। আশা করছি খুব ভালো একটা ম্যাচ দেশবাসীকে উপহার দিতে পারবো। আমরা দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থী।’

২০১৪ সালে সর্বশেষ বাছাইয়ে খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবার থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৯-০, ইরানের বিপক্ষে ২-০ ও ফিলিপাইনের কাছে ৪-০ গোলে হেরে গ্রুপের তলানিতে ছিল বাংলাদেশ। আর গতবার, ২০১৮ সালে তো অংশই নেয়নি।

এশিয়ান কাপ বাছাই সামনে রেখে নেপালে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। ছোটনের চাওয়া, ভুলত্রুটি সংশোধন করে দল ইতিবাচক ফুটবল খেলবে, ‘উজবেকিস্তান আসার আগে আমরা নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলেছি। এতে করে আমাদের মেয়েদের মাঠের ভুল ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। আশা করছি ভালো কিছু হবে।’

দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনও আশাবাদী, ‘এখানে মেয়েরা মানিয়ে নিয়েছে। কয়েকটি সেশন হয়েছে। আশা করছি ভালো ম্যাচ হবে।’

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

আবারও বাংলাদেশে ফিরছেন সেই আর্জেন্টাইন কোচ

আবারও বাংলাদেশে ফিরছেন সেই আর্জেন্টাইন কোচ

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

ভারত না নেপাল, সাফের শ্রেষ্ঠত্ব কার?

ভারত না নেপাল, সাফের শ্রেষ্ঠত্ব কার?

চাকরি হারালেন প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন কোচ

চাকরি হারালেন প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন কোচ

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪২

ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট। তবে উত্তেজনায় সম্ভবত সব থেকে এগিয়ে টি-টোয়েন্টি। সেই ফরম্যাটেরই বিশ্বকাপ, তাহলে বুঝুন কতটা উন্মাদনা আর উত্তেজনার ডালি সাজানো আছে! এবারের আসরটি আরও একটি কারণে ‘বিশেষ’। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর হচ্ছে কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপ। অনেক অপেক্ষা শেষে অবশেষে আজ (রবিবার) পর্দা উঠেছে ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের।

মাসকাটে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনি ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে এবারের বিশ্বকাপ। এই ম্যাচের আগে ছোট্ট পরিসরের এক অনুষ্ঠান দিয়ে মূলত শুরু হয়েছে কুড়ি ওভারের বিশ্ব আসরের পথচলা। সম্পূর্ণ মেয়েদের একটি ব্র্যান্ড দল নিয়ে গড়া পারফরম্যান্স ছিল মূল অনুষ্ঠানের আকর্ষণ।

এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ১৬ দল। আগেই দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেছে ৮ দল, সেখানে আরও ৪ দল যোগ দিলে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব বা সুপার-১২। সেই চারটি জায়গায় জন্য প্রথম পর্বে লড়বে ৮ দল। বাংলাদেশকেও খেলতে হবে প্রাথমিক পর্ব। আজ রাতে (রবিবার) স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হচ্ছে মাহমুদউল্লাহদের মিশন।

এবারের বিশ্বকাপ হচ্ছে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। যদিও এই আসর হওয়ার কথা ছিল আসলে ভারতে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিযোগিতাটি ভারত থেকে সরে চলে আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুটিতে। সেখানকার চার ভেন্যুতে লড়াই হবে দলগুলোর।

উদ্বোধনী ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাগতিক ওমান। ব্যাটিংয়ে নামা পাপুয়া নিউগিনির শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। কোনও রান যোগ না হতেই ২ উইকেট হারায় তারা! ওই জায়গা থেকে শুরু তাদের লড়াই। এবারই প্রথম কোনও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় খেলছে পিএনজি।

/কেআর/

সম্পর্কিত

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড ডাকছে সাকিবকে

বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড ডাকছে সাকিবকে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৪২

ক্রিকেট বিশ্বকে উন্মাদনায় ভাসাতে পর্দা উঠছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ধুম-ধারাক্কা লড়াইয়ের এবারের মঞ্চ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। কয়েক ঘণ্টার পর শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে আজই (রবিবার) মাঠে নামছে বাংলাদেশ। ওমানে প্রাথমিক রাউন্ডে মাহমুদউল্লাহদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ওমান, স্কটল্যান্ড ও পাপুয়া নিউগিনি। শুরুটা হচ্ছে স্কটল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে। এই মিশন শুরুর আগে নিজেদের স্বপ্ন ও লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ১৫ ক্রিকেট যোদ্ধা-

মাহমুদউল্লাহ: আমাদের সফল হতে হলে অবশ্যই ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। অবশ্যই ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হয়। টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত ম্যাচের মোমেন্টাম পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। ফলে প্রতিটি বলেই সতর্ক থাকতে হবে। সবকিছু ছাপিয়ে আমাদের নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে। আর অধিনায়ক হিসেবে আমি চাই বিশ্বকাপে বিশেষ কিছু করতে। আগের ছয় বিশ্বকাপে যা পারিনি, আমি চেষ্টা করবো সেটি অর্জন করতে।

সাকিব আল হাসান: ওমান ও আরব আমিরাতে আমাদের ভালো করা উচিত। কন্ডিশনটা আমাদের কাছে অপরিচিত না। আরব আমিরাতে এশিয়া কাপে ভালো করেছি আমরা। আমার কাছে মনে হয়, কন্ডিশন নিয়ে আমাদের চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। যেটা হচ্ছে, দল হিসেবে ভালো করতে হবে। বিশ্বকাপ ঘিরে পরিকল্পনা তো আছেই। তবে দলগত পরিকল্পনা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কী হলে দল ভালো করতে পারবে, সেটা নিয়েই বেশি ফোকাস।

মুশফিকুর রহিম: আমরা যতবারই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলি না কেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ। কারণ আমরা ধারাবাহিক ভালো করছি টি-টোয়েন্টিতে। অবশ্যই এটা সহজ নয়। তবে আমি মনে করি যে, এটা সঠিক সময় এবং সেরা সময়। যেহেতু শেষ তিনটা সিরিজে আমরা জিতেছি। দুটো হোমে এবং একটা অ্যাওয়েতে। এটা অনেক বড় একটা আত্মবিশ্বাস আমাদের দল হিসেবে।

লিটন দাস: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মানেই চ্যালেঞ্জ। এখানে নির্ভার থাকার কোনও সময় নেই। প্রত্যাশার জায়গা থেকে যেটা বলবো দলের ভালোর চেয়ে বড় কিছু নেই। দলকে জেতানোর মতো জায়গায় নিতে ভূমিকা রাখার চেয়ে বড় কিছু নেই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভালো দল হতে গেলে ওপেনিংয়ে শুরুটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে-তে। আমি চেষ্টা করি, পাওয়ার প্লে-তে ভালো একটা স্ট্রাইক রেট নিয়ে শেষ করতে, যাতে দলের উপকারে আসে।

সৌম্য সরকার: ভালো করবো নাকি খারাপ করবো— সেটা এখনই বলতে পারবো না। আমি চাই প্রসেস ঠিক রেখে ব্যাটিং করতে। আশা করছি, বিশ্বকাপের আগে নিজেকে পারফেক্টভাবে প্রস্তুত করে মাঠে নামার সুযোগ পাবো। হয়তো পুরনো বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগতে পারে। তবে এটা সত্য, পুরনো ম্যাচের পরিসংখ্যান বা ইতিহাস নতুন ম্যাচে কোনও ভূমিকা রাখে না। যেহেতু আমার দ্বিতীয় (টি-টোয়েন্টি) বিশ্বকাপ, আমি চাইবো এবার যেন ভালো হয়। আমি যেন আমার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারি। স্বপ্নও দেখি ভালো ভালো ইনিংস খেলার। অন্তত কিছু ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতে চাই।

নাঈম শেখ: আমার লক্ষ্য একটাই- যত ম্যাচ খেলবো, সব ম্যাচেই দলকে জেতাতে অবদান রাখবো। ম্যাচ খেললে যেহেতু আমি টপ অর্ডারে ব্যাটিং করবো, আমাকে তাই ভালো শুরু এনে দিতে হবে। আমার ভাবনা তাই পরিষ্কার, ভালো শুরুর মাধ্যমে দল যেন উপকৃত হয়। স্ট্রাইক রেট নিয়ে সমালোচনা নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। আমি স্বাভাবিক খেলার চেষ্টাই করি। আগেও বলেছি, মিরপুরের কন্ডিশনে কোনও ব্যাটারকে জাজমেন্ট করা ঠিক হবে না। এই মুহূর্তে এতটুকুই বলতে পারি, আমার স্ট্রাইক রেট নিয়ে বিশ্বকাপের পর কথা বলবো।

নুরুল হাসান সোহান: শেষ কয়েক বছর বাইরে থাকার পর একটা জিনিস অনুভব করেছি- ভবিষ্যৎ ও অতীত নিয়ে চিন্তা করে লাভ নেই। এখন আমি অতীতে কী করেছি কিংবা ভবিষ্যতে কী করবো- এইসব নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবি না। দুটো জিনিস অনেক গুরুত্বপূর্ণ— একটি হচ্ছে প্রসেস, অন্যটি হার্ডওয়ার্ক। ‘ওটা হবে নাকি ওটা হবে’ আমি এভাবে চিন্তা করতে চাই না। জাতীয় দলে খেলি কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলি— আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রসেসগুলো ঠিক হচ্ছে কিনা সেগুলো মেইনটেইন করা। আমি বিশ্বকাপে কাপে তাই ওটা করবো সেটা করবো এইসব নিয়ে ভাবছি না। প্রসেসগুলো ঠিক রাখাই আমার লক্ষ্য।

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন: আইপিএলে মিডিয়াম পেসাররা খুব ভালো করেছে। উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে তারা সাফল্য পাচ্ছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কম্পিউটার অ্যানালিস্ট শ্রীনিবাসের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। উনি তো আমাদেরও অ্যানালিস্ট। তার থেকে আইডিয়া নিয়ে আমার মতো করে অনুশীলন করছি। সফল হবো কী হবো না, সেটি নিয়ে ভাবছি না। আমি আমার মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে যেহেতু আরব আমিরাতে খেলা হবে, পুরোপুরি মিরপুরের মতো উইকেট না হলেও কাছকাছি মানের উইকেটের দেখা পাবো বলে মনে হয়।

শামীম হোসেন: প্রথম বিশ্বকাপে অনুভূতিতো ভিন্নরকম হবেই। তবে রোমাঞ্চিত না হয়ে আমি আমার কাজটা ঠিকমতো করতে চাই। সাধারণত আমি ব্যাটিংয়ে নেমে সুযোগ পাবো কম। বেশিরভাগ সময় ব্যাটিংয়ে যেতে হয় ১৫ ওভারের পর। ব্যাট হাতে ইনিংস শেষ করে আসার লক্ষ্য থাকে আমার।

শেখ মেহেদী হাসান: না খেলেও যদি দূর থেকে কিছু করতে হয়, সেটাও দেশের জন্য করতে হবে। এটা আমার জন্য বাড়তি চাপ না, তো আমি যদি এ জায়গায় মানসিকভাবে শক্ত থাকি, নিজের কাছে শক্ত মনে করে জিনিসটা সাবলীলভাবে করতে পারি, তাহলে আমার জন্য ভালো হবে। এটা করে আমি যদি টিমকে কিছু দিতে পারি, টিম লাভবান হবে।

আফিফ হোসেন: বিশ্বকাপ নিয়ে সেভাবে কিছু ভাবিনি। সহজ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামবো, চেষ্টা করবো দলে অবদান রাখতে।

তাসকিন আহমেদ: ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৬ ও ২০১৯ বিশ্বকাপে দুঃখজনক অভিজ্ঞতা হয়েছে। ঠিক আছে, ওগুলো তো সবই অতীত। বর্তমানটাই ফোকাস করতে চাই। যেগুলো হাতে আছে, সেসব ঠিক রেখে এগিয়ে যেতে চাই। এটাই আমার পরিকল্পনা। প্রসেসের বাইরে একদমই যেতে চাই না। আমার জন্য ওমান ও দুবাইতে খেলাটা একদম নতুন হবে। তাই আমি দারুণ রোমাঞ্চিত। যদি সুযোগ পাই, ভেতরে যা আছে সব উজাড় করে পারফরম্যান্স করবো। এটা তো টি-টোয়েন্টি, এখানে গ্যারান্টি দেওয়া কঠিন। কিন্তু আমি যে সেরাটা ডেলিভারি করবো, তার নিশ্চয়তা দিতে পারি।

মোস্তাফিজুর রহমান: খেলা তো আর মুখে হয় না, মাঠেই খেলতে হয়। আমি মুখ দিয়ে বলে ফেললাম, অধিনায়কের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো আর সেটি হয়ে গেলো! বিষয়টি তো তেমন নয়। আমাকে অবশ্যই প্রসেস অনুযায়ী যেতে হবে। সবকিছু ঠিকমতো হলেই কেবল আমি সফল হবো। আমি আমার সামর্থ্য-অভিজ্ঞতা দিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। জানি না কতটুকু করতে পারবো। আমাকে নিয়ে আমার দেশের মানুষ অনেক আশা করে আছে। অবশ্যই আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। অবশ্যই চাইবো দেশের জার্সিতে এমন কিছু করতে, যেটাতে দল সাফল্য পায়।

শরিফুল ইসলাম: বিশ্বকাপ খেলাটা আমার জন্য দারুণ রোমাঞ্চের ব্যাপার। দুই বছরের মাথায় আমি বড়দের বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছি। আমার কাছে এটা অন্যরকম অনুভূতি। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আর বড়দের বিশ্বকাপে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। এখানে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ। আশা করি, চ্যালেঞ্জগুলো নিতে পারবো। বিশ্বকাপে অনেক বড় বড় ব্যাটারদের বিপক্ষে আমাকে বোলিং করতে হবে। তো ভালো বোলিং না করলেও উইকেট নেওয়া কঠিন হবে। আমার ড্রিম উইকেট বিরাট কোহলি। ভারতের বিপক্ষে সুযোগ পেলে তার উইকেটটি নিতে চাই।

নাসুম আহমেদ: সাকিব ভাই আর আমি যদি একসঙ্গে খেলার সুযোগ পাই, সেটি হবে আমার জন্য দারুণ ব্যাপার। আমরা যদি দুজন একসঙ্গে খেলি, প্রতিপক্ষ আমাদের মধ্যে যেকোনও একজনকে নিয়ে পরিকল্পনা করবে। বেশিরভাগ সময় সাকিব ভাইকে নিয়েই তাদের মাথাব্যথা থাকে। শেষ সিরিজগুলোতে দেখেন সাকিব ভাই খেলেছে, কিন্তু উইকেট আমি পেয়ে গেছি। সাকিব ভাই তো বিশ্বের এক নম্বর স্পিনার। তাকে পরিকল্পনা করে খেলতে গিয়েই আমাকে উইকেট দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। আমরা দুজন যদি খেলি, এটা আমার জন্য একটা প্লাস পয়েন্ট।

/কেআর/

সম্পর্কিত

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড ডাকছে সাকিবকে

বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড ডাকছে সাকিবকে

বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড ডাকছে সাকিবকে

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪৭

নতুন সব রেকর্ডে নিজেকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। মাঠে নামলেই রেকর্ডবুক ওলটপালট করা নিয়মিত অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে তার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আজ (রবিবার) শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই মিশনে আলাদা দৃষ্টি থাকবে সাকিবের ওপর। কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে শীর্ষ উইকেট শিকারি বোলার হতে সাকিবের চাই মাত্র ২ উইকেট। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে না হলেও বিশ্বকাপ মঞ্চেই যে কীর্তিটা নিজের করে নিচ্ছেন, এই বাজি ধরাই যায়।

ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া সিরিজেই এই রেকর্ডের সামনে ছিলেন সাকিব। কিন্তু পারেরনি, এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও হয়নি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ২ উইকেট নিলেই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি লাসিথ মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে যাবেন সাকিব। শুধু শীর্ষ উইকেট শিকারিই নন, একসঙ্গে আরও দুটি রেকর্ডের ভাগিদার হবেন তিনি।

৮৪ ম্যাচে ১০৭ উইকেট নিয়ে মালিঙ্গার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার শেষ হয়েছে। ৮৮ ম্যাচে ১০৬ উইকেট পাওয়া সাকিব স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২ উইকেট নিলে ছাড়িয়ে যাবেন সাবেক লঙ্কান পেসারকে। তিন নম্বরে থাকা টিম সাউদির উইকেট সংখ্যা ৯৯। ৯৮ উইকেট নিয়ে চার নম্বরে আছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। ৫১ ম্যাচে আফগানিস্তানের রশিদ খানের উইকেট ৯৫, তার অবস্থান পাঁচ নম্বরে।

মালিঙ্গার সিংহাসন দখল ছাড়াও এই ২ উইকেট সাকিবকে আন্তর্জাতিক আঙিনায় ৬০০ উইকেট দখলের কীর্তি এনে দেবে। বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে অনন্য এই কীর্তি গড়বেন বাঁহাতি স্পিনার। সব মিলিয়ে ২৩তম বোলার হিসেবে এই মাইলফলকে পৌঁছাবেন সাকিব। আর বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে হবেন দ্বিতীয় বোলার।

তবে একটি জায়গায় তিনি হবেন অনন্য। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে একই সঙ্গে ১২ হাজার রান ও ৬০০ উইকেটের রেকর্ড গড়বেন। যা করতে পারেননি ক্রিকেট ইতিহাসের কিংবদন্তি অলরাউন্ডাররাও। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অন্তত ১০ হাজার রান করেছেন, এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে সাকিবের পর সবচেয়ে বেশি উইকেট জ্যাক ক্যালিসের। তার উইকেট সংখ্যা ৫৭৭। এককথায় ২ উইকেট পেলে রেকর্ডের ডালি সাজিয়ে বসবেন সাকিব।

/আরআই/কেআর/

সম্পর্কিত

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

তামিম বললেন, চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০৯

২৩ নভেম্বর থেকে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডিএনসিসি মেয়র কাপ। প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে।  এ উপলক্ষে ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল কথা বলেছেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সম্ভাবনা নিয়ে।

অনুষ্ঠানে তামিম আসছেন, এমন খবরে ছুটে যান সংবাদকর্মীরা। কিন্তু সংবাদমাধ্যমকে হতাশ করে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি তামিম। তখন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকের ভূমিকায় সামনে আসেন। মেয়র আতিক কয়েক মিনিটের জন্য সংবাদকর্মীর ভূমিকা নিয়ে তামিমকে দুটি প্রশ্ন করেন।

আতিকের প্রথম প্রশ্নের উত্তরে তামিম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ অবশ্যই জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে। দলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইলো।’ এরপর ঢাকা উত্তরের মেয়রের দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, বাংলাদেশ কি চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে? এমন প্রশ্নে হেসে দিয়ে তামিম বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ।’

আজ (রবিবার) থেকে মরুর দেশে শুরু হচ্ছে কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপ। উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় বাংলাদেশ মাঠে নামছে। তাদের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। অবশ্য এর আগে বিকেল ৪টায় স্বাগতিক ওমানের বিপক্ষে লড়বে পাপুয়া নিউগিনি। প্রাথমিক পর্বে বাংলাদেশের পরের দুটি ম্যাচ ১৯ ও ২১ অক্টোবর যথাক্রমে স্বাগতিক ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে।

/আরআই/কেআর/

সম্পর্কিত

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

পর্দা উঠলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

স্বপ্ন মশাল যাদের হাতে, তাদের স্বপ্ন কী

আবারও বাংলাদেশে ফিরছেন সেই আর্জেন্টাইন কোচ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫৬

অনেকদিন ধরেই অপেক্ষায় ছিলেন, বাংলাদেশে কোচিং করাবেন। অবেশেষে অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। আর্জেন্টাইন ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি আবারও কোচ হয়ে ফিরছেন বাংলাদেশে। সাইফ স্পোর্টিংয়ের ডাগ আউটে আগামী মৌসুমে তাকে দেখা যাবে।

৫৫ বছর বয়সী ক্রুসিয়ানি বাংলাদেশে কোচ হয়ে আসার কথা বাংলা ট্রিবিউনের কাছে নিশ্চিত করেছেন, ‘ক্লাবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি আসছি বাংলাদেশে। আবারও এই দেশে আসার সুযোগ পেয়ে আমি অনেক খুশি।’

যদিও সাইফের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সুমন বলেছেন, ‘আমরা ক্রুসিয়ানির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে আমাদের অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’

বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রথম লাতিন ছন্দ দেখা যায় ক্রুসিয়ানির সময়ে। ২০০৫ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তার কোচিংয়ে দল অংশ নিয়েছিল। সেই সময় সুন্দর ফুটবল খেলতে দেখা যায় আলফাজ-আরমানদের। যদিও পাকিস্তানের করাচিতে ফাইনালে জেতা যায়নি। এরপর ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে ফল সন্তোষজনক না হওয়াতে বরখাস্ত হতে হয়েছিল ক্রুসিয়ানিকে।

২০০৭ সালে আবাহনী লিমিটেডের হয়ে ডাগ আউটে দাঁড়িয়েছিলেন ক্রুসিয়ানি। কিন্তু বেশিদিন থাকতে পারেননি। দক্ষিণ এশিয়ান অঞ্চলে মালদ্বীপ জাতীয় দলে কাজ করে ফিরে গেছেন। তারপর আর এই অঞ্চলে কোচ হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাননি।

এবার দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও ফিরতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্লাবের কোচ হয়ে।

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

ভারত না নেপাল, সাফের শ্রেষ্ঠত্ব কার?

ভারত না নেপাল, সাফের শ্রেষ্ঠত্ব কার?

চাকরি হারালেন প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন কোচ

চাকরি হারালেন প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন কোচ

ব্রাজিলিয়ান রেফারির সমালোচনায় মেসি

ব্রাজিলিয়ান রেফারির সমালোচনায় মেসি

সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune