X
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

একই স্কুলের ৪০ ছাত্রীর বিয়ে

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৬

‘মেয়ের বড় শখ ছিল মেট্রিক (এসএসসি) পাস করবে, কলেজে যাবে। কিন্তু আশাটা পূরণ হলো না। মেয়ে দেখতে সুন্দর, স্কুলও বন্ধ, কখন কী হয়, ভয়ে তার বাবা বিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমি বিয়েতে রাজি ছিলাম না, মেয়েও না। স্কুল খোলা থাকলে বিয়েটা হইতো না।’ 

কিশোরী মেয়েকে বিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে এসব কথা জানালেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের ঘোগাদহ মালেকা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর মা। ওই ছাত্রী এ বছর নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হলেও রেজিস্ট্রেশন করেনি। তার আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়।

শুধু ওই ছাত্রী নয়, করোনা মহামারিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তার ক্লাসের ২৫-৩০ শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। এই বিদ্যালয়ের ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির অন্তত ৪০ শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অথচ সদর উপজেলার দুধকুমার নদ অববাহিকার ঘোগাদহ ইউনিয়নকে ‘বাল্যবিয়ে মুক্ত’ ঘোষণা করা হয়েছিল।

কেন এত সংখ্যক স্কুলছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হলো, তা জানতে গত শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ওই গ্রামে গিয়ে অনুসন্ধান চালান বাংলা ট্রিবিউন প্রতিনিধি। কথা হয় বাল্যবিয়ের শিকার স্কুলছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে।

বিয়ের পর কেমন আছে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী তা জানতে ঘোগাদহ বাজার থেকে পূর্বপ্রান্তে রসুলপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে দেখা মেলে তার। ছাত্রীকে দেখে থমকে যেতে হয়। কারণ বিয়ের পর থেকে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কেমন আছেন জানতে চাইলে বলেন, এ বছরের শুরুতে বিয়ে হয়েছিল। কোনোভাবেই বিয়েতে রাজি ছিলাম না। বাবার জোরাজুরিতে বিয়ে করতে বাধ্য হই। স্বামী ব্যবসায়ী, পাশের ইউনিয়নের বাসিন্দা।

‘আমি বিয়েতে রাজি ছিলাম না। ছোট বয়সে বিয়ে হওয়ায় আমার শরীরে খুব অসুবিধা হয়। এরই মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছি। আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে খুব কষ্টে আছি। আমি চাই আর কারও যেন বাল্যবিয়ে না হয়’ উল্লেখ করেন স্কুলছাত্রী।

ছাত্রীর বাবা জানান, স্কুল বন্ধ থাকায় পারিবারিক ও সামাজিক নানা কারণে বাধ্য হয়ে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। স্কুল খোলা থাকলে বিয়ে দিতাম না।

এই ছাত্রীর বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শুনে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে সোনালীর কুটি গ্রামের আরেক সহপাঠীর মায়ের সঙ্গে কথা হয়। এই ছাত্রীর মা বলেন, নবম শ্রেণির মেয়েকে ছয় মাস আগে বিয়ে দিয়েছি। মেয়ে এখন শ্বশুরবাড়িতে। মেয়ের মেধা ভালো ছিল। মেয়েকে পড়াতে চেয়েছি। কিন্তু আর কতদিন বাড়িতে রাখবো। এক বছর ধরে স্কুল বন্ধ। তাই বিয়ে দিয়েছি। স্কুল খোলা থাকলে বিয়ে দিতাম না।’

কথা হয় বাল্যবিয়ের শিকার একই স্কুলের নবম শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থীর মায়ের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে স্কুল বন্ধ আছিল। মেয়ে বড় হয়া গেইছে। কখন কোন অঘটন ঘটে, এ জন্য বিয়া দিছি।’

অভিভাবকদের এমন আশঙ্কাকে অজুহাত হিসেবে দেখছেন ঘোগাদহ মালেকা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক। কিশোরীদের বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের আইনগত কোনও পদ্ধতি না থাকলেও অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কাজিদের কৌশলে এমন বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন এই প্রধান শিক্ষক।

তিনি বলেন, আমার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ১৫১ জন শিক্ষার্থীর ১১৫ জন রেজিস্ট্রেশন করেছে। বাকি ৩৬ জনের ২৫ জনের বিয়ে হয়ে গেছে। অষ্টম ও দশম শ্রেণির আরও ১৫ জন বাল্যবিয়ের শিকার। আরও কয়েকজন বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে বলে জেনেছি।

তিনি বলেন, ‘দারিদ্র্য ও সামাজিক নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে বাল্যবিয়ের মতো অভিশাপ লালন করছে এলাকার মানুষ। নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে কিছু শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন না করায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি বিয়ে হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘১২ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে পাঠদান চালুর পর থেকে দশম শ্রেণির ২০ জন শিক্ষার্থী ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত থাকছে। আমাদের আশঙ্কা, তাদের অনেকের বিয়ে হয়ে গেছে।’ 

অভিভাবক ও শিক্ষার্থী পর্যায়ে বাল্যবিয়ের কুফল নিয়ে নিয়মিত কাউন্সিলিং করা হলেও গোপনে এসব বিয়ে হচ্ছে বলে জানান এই শিক্ষক।

ঘোগাদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ৫-৬ জন কিশোরীর বিয়ে হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মন্ডল বিষয়টি অবগত নন বলে দাবি করেছেন।

ঘোগাদহ ইউনিয়নের কাজি রফিকুল ইসলাম তার এলাকায় বাল্যবিয়ে সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও এতে তার সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন। গোপনে এবং রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই এসব বাল্যবিয়ে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বাল্যবিয়ে পড়াই না। গোপনে এবং অনেক সময় অন্য এলাকায় নিয়ে এসব বিয়ে পড়ানো হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব বিয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই হয়।’

স্থানীয়রা বলছেন, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, মেয়েদের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা এবং দারিদ্র্যের কারণে বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটছে। আগের তুলনায় কিছুটা কম হলেও বাল্যবিয়ে চলমান।

/এএম/

সম্পর্কিত

পীরগঞ্জের ঘটনায় গ্রেফতার সৈকতকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

পীরগঞ্জের ঘটনায় গ্রেফতার সৈকতকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

ধর্ষণের ‘শাস্তি’ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা!

ধর্ষণের ‘শাস্তি’ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা!

দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

সাম্প্রদায়িক হামলায় আ.লীগ-ছাত্রলীগ জড়িত: মির্জা ফখরুল

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:০৯

সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘দেশ অশান্তিতে রয়েছে। মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে যেসব সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটছে, তাতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ জড়িত।’ রবিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন তিনি। মাজার জিয়ারতের সময় বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গে দলের সিলেটের নেতাকর্মীরাও অংশগ্রহণ করেন।

এদিন সকালে বিএনপি নেতা ফজলুল হক আসপিয়ার স্মরণসভায় যোগ দিতে সিলেটে আসেন মির্জা ফখরুল। সেখান থেকে তিনি সুনামগঞ্জে স্মরণসভায় যোগ দেবেন।

মাজার জিয়ারত করে বেরিয়ে এসে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে সাম্প্রদায়িক সমস্যাগুলো তৈরি করা হয়েছে। আপনারা পত্রপত্রিকায় দেখেছেন, এর নেতৃত্ব দিচ্ছে কারা? নেতৃত্ব দিচ্ছে ছাত্রলীগের ছেলেরা, নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগের লোকেরা। আজও পত্রিকায় এসেছে, রংপুরের ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা সৈকত।’

তিনি বলেন, ‘এটা খুব পরিষ্কার, সরকারের যেহেতু জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, যেহেতু জনগণের ভোট তারা পায় না– সে জন্য জনগণের দৃষ্টিটাকে ভোটের অধিকার, গণতন্ত্রের অধিকার থেকে সরানোর জন্য এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে।’

সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না বলে অভিযোগ ফখরুল বলেন, ‘আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের যারা আছেন, তাদের নিরাপত্তা সরকার দিতে পারছে না। একই সঙ্গে আমাদের যে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী আছে, মুসলমান সমাজ, ইসলাম ধর্মে যারা বিশ্বাস করেন, তাদেরও এখানে কোনও নিরাপত্তা নেই। সামগ্রিকভাবে জনগণের নিরাপত্তা দিতে সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।’

জানা গেছে, সুনামগঞ্জ থেকে আজ রাতেই ঢাকায় ফিরে যাবেন মির্জা ফখরুল।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু

সিলেট সফরে বিএনপির মহাসচিব

সিলেট সফরে বিএনপির মহাসচিব

ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবক খুন

ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবক খুন

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৩:২৫

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ (জিএসটি) পদ্ধতিতে আয়োজিত সমন্বিত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। রবিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে সারাদেশে একযোগে ২২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ৬৭ হাজার ১১৭ জন পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষার বিষয়

‘বি’ ইউনিটে মানবিক বিভাগে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তার মধ্যে বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ ও আইসিটিতে ২৫ নম্বরের মান বণ্টনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়।

‘বি’ ইউনিটের আসন বিন্যাস

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ৯৬৫ জন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত হাজার ৭৯৩ জন, শেরে-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হাজার ১৭২ জন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হাজার ৯৭ জন, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ২০০ জন,  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন হাজার ৩১৫ জন, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ হাজার ১১৮ জন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হাজার জন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ হাজার ৯২০ জন, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত ২৫ জন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হাজার ৬০৩ জন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ৬৮২ জন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হাজার ৫০৫ জন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় হাজার ৪৯৭ জন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন হাজার ২৭৬ জন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৭৮ জন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন হাজার ৬০০ জন, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ৯৮০ জন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‍দুই হাজার ২৬৯ জন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হাজার ২৯৩ জন, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩২৯ জন এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০০ জন ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজকদের মন্তব্য

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা নেওয়ার জন্য শতভাগ প্রস্তুত। আগেই যথাযথ নিরাপত্তার সঙ্গে সব পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র, উত্তরপত্র ও উপস্থিতির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছি। এতে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আর্মড ফোর্সেস পুলিশ সহায়তা করছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের ট্র্যাংকে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম লাগানো হয়েছে, যাতে প্রশ্নপত্র নিরাপদ থাকে।’

শিগগিরই ফলাফল প্রকাশ করা হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, পরীক্ষার পর দ্রুত ফল প্রকাশের চিন্তাভাবনা রয়েছে। ফলাফল র‌্যাঙ্কের ভিত্তিতে ফল প্রকাশ না করে ১০০ নম্বরের মাঝে পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর (স্কোর) প্রকাশ করা হবে। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পৃথক পৃথক সার্কুলার ও শর্তের ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বর বা স্কোর অনুযায়ী পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়ে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িক হামলায় আ.লীগ-ছাত্রলীগ জড়িত: মির্জা ফখরুল

সাম্প্রদায়িক হামলায় আ.লীগ-ছাত্রলীগ জড়িত: মির্জা ফখরুল

সিলেট সফরে বিএনপির মহাসচিব

সিলেট সফরে বিএনপির মহাসচিব

ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবক খুন

ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবক খুন

পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে জানুয়ারি থেকে বাড়বে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী

পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে জানুয়ারি থেকে বাড়বে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী

বেগমগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় ৩ জনের স্বীকারোক্তি

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৪

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারের পূজামণ্ডপ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে হামলা এবং হত্যার ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত আট জনের মধ্যে তিন জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রবিবার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে চার জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

এর আগে, ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত ও গ্রেফতার আট জন এবং সন্দেহভাজন পাঁচ জনসহ ১৩ জনকে আটক করা হয়।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া আসামিরা হলেন– রিপন আহামেদ মাহীর (১৯), আরাফাত হোসেন আবির (১৮) ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব (২৪)। এর আগে, বৃহস্পতিবার চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর গ্রামের আবদুল হাশিমের ছেলে আবদুর রহিম সুজন (১৯) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছিলেন।

ফুটেজ দেখে শনাক্ত আটক আট আসামি হলেন– সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর ইউনিয়নের চর বহুলা গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে ফরহাদ (২৬), চৌমুহনী পৌরসভার গনিপুর গ্রামের মৃত সাহাব উদ্দিনের ছেলে শামীম (২৭), একই গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন আহমেদ মাহীর (১৮), বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের দেলোয়ারের ছেলে জহিরুল ইসলাম জুয়েল (১৯), হাজীপুর ইউনিয়নের নুরুল হক ভূঁইয়ার ছেলে ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব (২৪), ছয়ানি ইউনিয়নের ছোট শরীফপুর গ্রামের কামরুল হাসানের ছেলে আরাফাত হোসেন আবির (১৮), চৌমুহনী পৌরসভার মধ্যম নাজিরপুর গ্রামের মৃত বাবুল হেসেনের ছেলে দুলাল হোসেন (৪০), সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে কামাল হোসেন (৪৫)।

এ ছাড়া পূজামণ্ডপে হামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের নরোত্তমপুর গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে শহীদ (৪৫), চৌমুহনী পৌরসভার গনিপুর গ্রামের এতিম আলীর ছেলে হুমায়ুন (৬৩), একই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে কাশেম বিন আবু জুবায়ের অরিন (২৫), মোস্তফার ছেলে ইমাম হোসেন রাজু (২৮) ও বাবলু মিয়ার ছেলে আলাউদ্দিন (৩৫)।

গ্রেফতার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

চোরকে চিনে ফেলায় দম্পতিকে হত্যা

চোরকে চিনে ফেলায় দম্পতিকে হত্যা

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনা সাজানো: ইনু

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনা সাজানো: ইনু

ট্রাকচাপায় বিমানবাহিনীর সদস্যসহ নিহত ২

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩৭

সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ‍দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বিমানবাহিনীর সদস্য। শনিবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে সিরাজগঞ্জ-কাজিপুর আঞ্চলিক সড়কের ছোনগাছা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন– সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের ১নং খলিপা পট্টি এলাকার জুলমত হোসেনের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৪) এবং শহরের মুজিব সড়ক এলাকার হাজী রফিকুলের ছেলে হাসান (২৪)।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা বলেন, ‘মোটরসাইকেল যোগে দুই বন্ধু সাব্বির ও হাসান বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জে ফিরছিলেন। তারা ছোনগাছা এলাকায় পৌঁছলে দ্রুতগামী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। গুরুতর  আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহ দুটি মর্গে রাখা রয়েছে।’

তিনি জানান, সাব্বির হোসেন যশোরে বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

একসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম

একসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম

বেপরোয়া গতির ২ বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেলো মা-ছেলের

বেপরোয়া গতির ২ বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেলো মা-ছেলের

রাজশাহীতে ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ জন গ্রেফতার

রাজশাহীতে ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ জন গ্রেফতার

চোরকে চিনে ফেলায় দম্পতিকে হত্যা

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৮

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় চাঞ্চল্যকর নুরুল আমিন দম্পতিকে হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। চোরকে চিনে ফেলায় নুরুল আমিন (৬৫) এবং তার স্ত্রী কামরুন নাহারকে (৬০) লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি আব্দুল মালেকসহ (৩৪) তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই।

আব্দুল মালেক শাহরাস্তি উপজেলার মেহের ঘুঘুশাল গ্রামের মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ছেলে। আটক অপর দুই আসামি হলো– ঝালকাঠি জেলার গাবখান গ্রামের মৃত আজহার আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন (৫৩) এবং বরিশাল জেলার কাউনিয়া থানার চরবাড়ীয়া গ্রামের কাঞ্চন হাওলাদারের ছেলে বশির হাওলাদার (৪৫)।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) আটক তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামিরা জানায়, চুরির করতে যাওয়ার পর আব্দুল মালেককে চিনে ফেলায় নুরুল আমিন দম্পতিকে হত্যা করা হয়।

এ বিষয়ে শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের বাবুরহাটে পিআইবি চাঁদপুর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই চাঁদপুরের পুলিশ সুপার খন্দকার নূর রেজওয়ানা পারভিন জানান, ২৯ জুন শাহরাস্তি উপজেলার নাওড়া রেলক্রসিং এলাকায় নিজ বাড়িতে খুন হন নুরুল আমিন দম্পতি। পরের দিন ১ জুলাই বাড়ির ছাদে নুরুল আমিন এবং ঘরের মেঝেতে তার স্ত্রী কামরুন নাহারের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় নিহতের একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ জাকারিয়া বাবু শাহরাস্তি থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি শাহরাস্তি থানা পুলিশ প্রায় একমাস তদন্ত করে। পরবর্তী সময়ে তদন্তাধীন অবস্থায় বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের আদেশে অধিকতর তদন্তের জন্য পিআইবিকে মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদারের তত্ত্বাবধায়নে পিবিআই চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের সার্বিক সহযোগিতায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কবির আহমেদ এ মামলার তদন্ত করেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, আটক আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, ঘটনার রাত আনুমানিক ৭টার সময় প্রধান আসামি আব্দুল মালেক চুরি করার উদ্দেশ্যে নুরুল আমিনের বাড়িতে প্রবেশ করে। এরপর সে সিঁড়ি দিয়ে ছাদে উঠে অবস্থান করে। এদিকে রাত সোয়া ৯টার সময় নুরুল আমিন টর্চ লাইট হাতে ছাদে উঠলে চোর আব্দুল মালেক লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে ফেলে দেয়। এরপর ছাদে শুকাতে দেওয়া মৌজা দিয়ে গলা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। সেখান থেকে সে ভেতরে একটি রুমে প্রবেশ করে চুরির জন্যে কেবিনেটের ড্রয়ার টানাটানি করতে থাকে। নুরুল আমিনের স্ত্রী কামরুন নাহার শব্দ পেয়ে লাইট জ্বালিয়ে আসামি আবদুল মালেককে চিনে ফেলেন। আব্দুল মালেক একই রড দিয়ে কামরুন্নাহারের মাথায় আঘাত করে মেঝেতে ফেলে দেয়।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার খন্দকার নূর রেজওয়ানা পারভিন বলেন, ‘ঘটনার অধিকতর তদন্ত করা পিবিআইয়ের কাজ। আমরা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রধান আসামি আব্দুল মালেককে আটক করতে সক্ষম হই। এরপর তার দেওয়া তথ্যমতে অপর দুই আসামিকে আটক করা হয়। যাদের কাছে হত্যার শিকার নুরুল আমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসসহ অন্যান্য মালামাল পাওয়া যায়।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

বেগমগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় ৩ জনের স্বীকারোক্তি

বেগমগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় ৩ জনের স্বীকারোক্তি

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনা সাজানো: ইনু

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনা সাজানো: ইনু

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পীরগঞ্জের ঘটনায় গ্রেফতার সৈকতকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

পীরগঞ্জের ঘটনায় গ্রেফতার সৈকতকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

ধর্ষণের ‘শাস্তি’ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা!

ধর্ষণের ‘শাস্তি’ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা!

দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

এখনও প্রণোদনার টাকা পাননি ৬৬ শতাংশ চিকিৎসক-নার্স

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজএখনও প্রণোদনার টাকা পাননি ৬৬ শতাংশ চিকিৎসক-নার্স

৫ দিন পর জ্বলেছে চুলা, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা পীরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের

৫ দিন পর জ্বলেছে চুলা, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা পীরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের

পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের

পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের

দেশের দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী ঘুমান না: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দেশের দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী ঘুমান না: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

মেয়েসহ নিখোঁজ স্ত্রীকে ফিরে পেতে চান স্বামী 

মেয়েসহ নিখোঁজ স্ত্রীকে ফিরে পেতে চান স্বামী 

সর্বশেষ

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘তড়িৎ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বিষয়ে ‘তড়িৎ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক হামলায় আ.লীগ-ছাত্রলীগ জড়িত: মির্জা ফখরুল

সাম্প্রদায়িক হামলায় আ.লীগ-ছাত্রলীগ জড়িত: মির্জা ফখরুল

উপাসনালয়ে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার দাবি

উপাসনালয়ে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার দাবি

আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে ‘বিশ্বকাপ সেরা’ হওয়ার অপেক্ষায় সাকিব

আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে ‘বিশ্বকাপ সেরা’ হওয়ার অপেক্ষায় সাকিব

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অপরাধী যে দলেরই হোক, বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অপরাধী যে দলেরই হোক, বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune