X
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

‘১৭ হাজার কোটি টাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ২০২৬ সালে চালু’

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৮

যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন,  প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ ২০২৬ সালের জুন মাসে শেষ হবে এবং সাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হবে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই প্রকল্পের জন্য লোন চুক্তি সম্পন্ন হবে, ফান্ডিংয়ের কোনও সমস্যা নেই। তাই শুরুতেই হোঁচট খাওয়ারও কোনও কারণ নেই বলে জানান তিনি। 

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তুরাগের ধউর এলাকায় নির্মাণ প্রকল্পের স্ট্যাটিক লোড টেস্টের পাইলট পাইল বোরিং কাজের উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী এসময় আরও বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য রাস্তায় প্রভাব পড়বে না। রাস্তা যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে। অনেক মানুষ বিকল্প পথ হিসেবে এটি ব্যবহার করেন। এইখানে মানুষের যেন ভোগান্তি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হবে।

এসময় প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে। কোনও নয়-ছয় করার সুযোগ নেই। 

জানা গেছে, এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৬ হাজার ৯০১ দশমিক ৩২ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার বহন করবে পাঁচ হাজার ৯৫১ দশমিক ৪২ কোটি টাকা এবং চীন সরকার (G2G) বহন করবে ১০ হাজার ৯৪৯ দশমিক ৯১ কোটি টাকা। 

চার লেন বিশিষ্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার। এয়ারপোর্ট-আব্দুল্লাহপুর-ধউর-বড় আশুলিয়া-জিরাবো-বাইপাইল হয়ে ঢাকা ইপিজেড পর্যন্ত হবে এর বিস্তৃতি। এর সঙ্গে র‍্যাম্প হবে ১০ দশমিক ৮৪ কিমি, নবীনগরে এক দশমিক ৯১৫ কি.মি. ফ্লাইওভার, চার লেনের দুই দশমিক ৭২ কিমির সেতু ও ১৮ কি.মি. ড্রেন রয়েছে। প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন খান, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ফারুক হাসান তুহিনসহ প্রকল্পের কর্মকর্তারা। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

‘অচিরেই বিশ্ববাসী জানতে পারবে মন্দিরে হামলার মদতদাতা কারা’

‘অচিরেই বিশ্ববাসী জানতে পারবে মন্দিরে হামলার মদতদাতা কারা’

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

রংপুর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল

চার মাস ধরে ৮ হাজার মামলার বিচারকাজ বন্ধ

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:০০

রংপুরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক না থাকায় চার মাস ধরে আট হাজারের বেশি মামলার বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। এতে জেলার আট উপজেলা ও মহানগরীর সাত থানার মানুষ বিচারবঞ্চিত হচ্ছেন। কবে বিচারক আসবেন, আদালতের কার্যক্রম শুরু হবে; তা জানা নেই কারও।

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের পেশকার কামরুজ্জামান বলেন, চার মাস ধরে বিচারক নেই। তবে কবে নাগাদ আসবে তা আমাদের জানা নেই।

এদিকে, মামলা জটের কারণে একেক মামলার তারিখ এক বছর পর দেওয়া হচ্ছে বলে বিচারপ্রার্থীরা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে মামলায় হাজিরা দেওয়া, তারিখ কমিয়ে আনতে ৫০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত পেশকার ঘুষ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিচারপ্রার্থীরা।

বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১২ সালে রংপুরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয়। মূলত জমিজমার রেকর্ড সংশোধন ও বিভিন্ন অভিযোগের বিচারকাজ হয়। জেলার আট উপজেলা ও মহানগরীর সাত থানা এলাকার জমি সংক্রান্ত মামলার বিচারকাজ পরিচালনা করেন সহকারী জজ পদমর্যাদার একজন বিচারক।

বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে আট হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। গড়ে প্রতিদিন ৭০-৮০টি করে মামলার দিন ধার্য থাকে। সেই সঙ্গে নতুন মামলা দায়ের হয়। মামলা হওয়ার তুলনায় নিষ্পত্তি কম বিধায় জট দেখা দিয়েছে।

পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর গ্রামের কমর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হাই অভিযোগ করেন, মামলা করার পর কাজের কাজ কিছুই হয় না। প্রতি তারিখে আইনজীবী, মুহুরি পেশকারকে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা দিতে হয়। গত পাঁচ বছর মামলা চলছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বছরে একবার করে মামলার তারিখ দেওয়া হয়। প্রতি তারিখে আদালতের পেশকার ৫০০ টাকার নিচে নেন না। তাকে ৫০০ টাকার নিচে দিলে মামলার তারিখ এক বছর পরে দেন। টাকা দিলে ৪-৫ মাস পরে দেন। প্রকাশ্যেই চলছে পেশকার-কর্মচারীদের এই ঘুষ বাণিজ্য।

একই অভিযোগ করেছেন মিঠাপুকুর উপজেলার মিলনপুরের আব্দুল্লাহ। তিনি সাত বছর ধরে আদালতে আসছেন। মামলা নিষ্পত্তির কোনও লক্ষণ দেখছেন না। আদালতের পেশকারের বিরুদ্ধে প্রতি তারিখে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে পেশকার কামরুজ্জামান বলেন, সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিলেন জুলফিকার আলী। তিনি পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হয়ে রংপুর আদালতে কর্মরত। গত চার মাসে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে একজন সহকারী জজ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তার নিজের আদালতের মামলার বিচার করতে গিয়ে এখানের বিচারকাজ করা সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে আট হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। এক বছর পর পর মামলার তারিখ দেওয়া হয় এই কথা সঠিক নয়। প্রতিদিন ৭০-৮০টি মামলার তারিখ থাকে। ৪-৫ মাস পরপর তারিখ দেওয়া হয়। বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকার নিচে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা। এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

জেলা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রেজাউল করিম রাজু বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিচারক না থাকায় বিচারপ্রার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। মামলার বিচারকাজে দীর্ঘ সময় লাগায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে। তবে বাদী-বিবাদী ও দুই পক্ষের আইনজীবীরা মামলা নিষ্পত্তিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারেন। সেই সঙ্গে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নিতে পারেন।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, বিষয়টি আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মাধ্যমে আইন বিভাগের সচিবকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারক নিয়োগ দেওয়া হবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

বিএনপি-জামায়াত জঙ্গি পোষে, তারাই এ কাজ করেছে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি-জামায়াত জঙ্গি পোষে, তারাই এ কাজ করেছে: তথ্যমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

পীরগঞ্জের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত: স্পিকার

পীরগঞ্জের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত: স্পিকার

দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে হিলিতে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি নেতারা

দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে হিলিতে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি নেতারা

‘অচিরেই বিশ্ববাসী জানতে পারবে মন্দিরে হামলার মদতদাতা কারা’

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১২

দেশ যখনই এগিয়ে যায় তখন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য বিশেষ একটি শ্রেণি নানা ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেছেন, ‘যারা আমাদের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি এবং প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, সেই অপশক্তি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশকে পাকিস্তানের মতো অকার্যকর ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। কুমিল্লায় মন্দিরে হামলার ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কিছু লোক ধরা পড়েছে। আশা করছি, অচিরেই হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। তাদের কাছ থেকেই জাতি ও বিশ্ববাসী জানতে পারবে, বিভিন্ন মন্দিরে হামলার ঘটনায় তাদের মদতদাতা ও আশ্রয়দাতা কারা। প্রকৃত দোষীরা অচিরেই চিহ্নিত হবে।’

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে গাজীপুর শহরের সার্কিট হাউজ ও শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশে গাজীপুর কালেক্টরেট হাই স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুরের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী জামিল আহমেদ, মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার জাকির হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মামুন সরদার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) অঞ্জন কুমার সরকার প্রমুখ।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘যেখানে যত বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে সেখানকার মানুষ তত বেশি উপকৃত হবে। গাজীপুরে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আসন সীমিত থাকায় অনেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্কুলে ভর্তি হচ্ছে। আশা করছি, গাজীপুর কালেক্টরেট হাই স্কুলটি জেলা প্রশাসকের তদারকিতে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল সম্পর্কে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ হাসপাতালে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। চিকিৎসক-নার্স-টেকনেশিয়ানসহ জনবল ও অবকাঠামোর সংকট আছে। যে পরিমাণ জনবল দরকার তার তিন ভাগের একভাগ জনবলও এখানে নেই। এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারলে অচিরেই জনগণ একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সেবা পাবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংকট দূর করতে সহযোগিতা করবো।’ পরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী গাজীপুর সার্কিট হাউজের তৃতীয় তলার ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৮

কুমিল্লার নগরীর কাপড়িয়াপট্টি এলাকায় চান্দমনি রক্ষাকালী মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নগরীর কাপড়িয়াপট্টি এলাকার মাঈনউদ্দিন, রাশেদ ও এম্বু।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার তদন্ত পরিদর্শক অমল কৃষ্ণ ধর বলেন, গত ১৩ অক্টোবর নানুয়ার দিঘিরপাড় বিশৃঙ্খলার ঘটনার পর একই দিন দুপুরে নগরীর কাপড়িয়াপট্টি এলাকায় চাঁন্দমনি রক্ষাকালী মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করে। ওই মামলায় ৫০ জনকে এজাহারনামীয় এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলার আসামি মাঈনউদ্দিন, রাশেদ ও এম্বু। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

/এএম/

সম্পর্কিত

‘প্রেমের বিরোধে নারীকে কুপিয়ে হত্যা’

‘প্রেমের বিরোধে নারীকে কুপিয়ে হত্যা’

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

‘প্রেমের বিরোধে নারীকে কুপিয়ে হত্যা’

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৫

কুমিল্লায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এক নারীকে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) মামলার একমাত্র আসামি কানু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে। কানু মিয়া কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুর গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।

র‍্যাব জানায়, ওই নারী কানুর দোকানে গেলে ফার্নিচার তৈরির ‘বাটাল’ দিয়ে কুপিয়ে প্রথমে ভুক্তভোগীর পেটে আঘাত করে ক্ষত-বিক্ষত করেন। পরবর্তী সময়ে গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

এর আগে, ১৭ অক্টোবর (রবিবার) সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মালিখিল গ্রামের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের পুকুরে বস্তাবন্দি অবস্থায় আনোয়ারা বেগম (৪১) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আনোয়ারা কুমিল্লা নগরীর শাকতোলা এলাকার আনার মিয়ার স্ত্রী।

লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার ছেলে বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করেন। র‌্যাব তদন্তের কাজ শুরু করে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ অক্টোবর ১টার সময় কাজে যাওয়ার কথা বলে আনোয়ারা বেগম ঘর থেকে বের হন এবং তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পেয়ে পরবর্তী সময়ে দাউদকান্দি থানার মাধ্যমে হত্যার বিষয়টি জানতে পারে। পরে র‌্যাব মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে জানতে পারে, ভুক্তভোগীর সঙ্গে কানু মিয়ার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পরবর্তী সময়ে কানু মিয়ার অবস্থান শনাক্ত করে ১৮ তাকে গ্রেফতার করে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে র‌্যাব-১১ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, ওই নারীর সঙ্গে কানু মিয়ার দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্ক ছিল। সে ভুক্তভোগীকে আর্থিক সহায়তা ও ভরণপোষণ দিয়ে আসছিল। ইতোমধ্যে কানু মিয়া জানতে পারে যে, তার সঙ্গে ছাড়াও ঐ নারীর একাধিক লোকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এছাড়া বিগত কিছুদিন ধরে ওই নারী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাবুর্চিদের সঙ্গে রান্নার সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন। তবে কানু মিয়ার পছন্দ না হওয়ায় তিনি এই কাজ না করার জন্য বলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে কানু মিয়া র‍্যাবকে জানিয়েছেন, এসব ঘটনার কারণে আনোয়ারার প্রতি তার মনে ক্ষোভ ও প্রতিহিংসার সৃষ্টি হয়। শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কানুর দোকানে আনোয়ারা গিয়ে বিভিন্ন আর্থিক চাহিদার কথা বললে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কানু মিয়া তার দোকানের ফার্নিচার তৈরির কাজে ব্যবহৃত ‘বাটাল’ দিয়ে প্রথমে ভুক্তভোগীর পেটে আঘাত করে ক্ষত-বিক্ষত করেন। পরবর্তী সময়ে গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর কৌশলে লাশ বস্তায় ভরে দাউদকান্দির ওই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

/এফআর/

সম্পর্কিত

কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩

কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

কুমিল্লার ঘটনা ফেসবুকে প্রচারকারী রিমান্ডে, মামলা সিআইডিতে

মোংলায় পণ্য ওঠানামা বন্ধ, তলিয়ে গেছে ৮ শতাধিক মাছের ঘের 

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৯

টানা বৃষ্টির কারণে দুই দিন ধরে মোংলা বন্দরে ২০টি বিদেশি জাহাজের পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের কাজ বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে মোংলা ও রামপালের আট শতাধিক মাছের ঘের। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা মৎস্য বিভাগ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন বলেন, দুই দিন ধরে টানা বৃষ্টি। বন্দরে অবস্থানরত চাল-সারসহ বিভিন্ন পণ্যভর্তি ২০টি জাহাজের পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধ রয়েছে। বন্দর জেটিতে অবস্থানরত রূপপুর পারমাণবিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিনারি নিয়ে আসা একটি জাহাজে পণ্য খালাস চলছে। আবহাওয়া ভালো হলে এসব জাহাজের পণ্য নামানোর কাজ শুরু হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম রাসেল বলেন, টানা বৃষ্টিতে জেলার আট শতাধিক মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। তবে এতে কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মোংলা বন্দরে ২০টি বিদেশি জাহাজের পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের কাজ বন্ধ রয়েছে

মোংলা উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র মোংলা উপজেলায় বৃষ্টির পানিতে চাঁদপাই, চিলা ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের ছোট-বড় ৪৯৫টি চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে। দুই দিন ধরে বৃষ্টিপাতের কারণে বাগেরহাট, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা পোর্ট পৌর শহরসহ জেলার নয় উপজেলায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও পুকুরসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও। জোয়ারে নদী-খাল ভরা থাকায় বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।

বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করায় সোমবার থেকে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য মোংলা বন্দরসহ উপকূলীয় এলাকায় তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অব্যাহত থাকবে।

 

/এএম/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

কোটি টাকা আত্মসাৎ, হাসপাতালের সাবেক হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

কোটি টাকা আত্মসাৎ, হাসপাতালের সাবেক হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘অচিরেই বিশ্ববাসী জানতে পারবে মন্দিরে হামলার মদতদাতা কারা’

‘অচিরেই বিশ্ববাসী জানতে পারবে মন্দিরে হামলার মদতদাতা কারা’

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

‘ধর্মের নামে হানাহানি যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো’ 

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সারাদেশে সমাবেশ-শোভাযাত্রা

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

টান দিলেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের কার্পেটিং

খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হবে: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হবে: খাদ্যমন্ত্রী

তরুণীর ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

তরুণীর ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

চট্টগ্রামে দল গোছাচ্ছে আ.লীগ ও বিএনপি, চাঙা তৃণমূল

চট্টগ্রামে দল গোছাচ্ছে আ.লীগ ও বিএনপি, চাঙা তৃণমূল

বেড়েছে অন্তঃসত্ত্বা রোগীর চাপ, চিকিৎসক সংকটে ভোগান্তি 

বেড়েছে অন্তঃসত্ত্বা রোগীর চাপ, চিকিৎসক সংকটে ভোগান্তি 

আশুলিয়ায় ছেলের হাতে বাবা খুন

আশুলিয়ায় ছেলের হাতে বাবা খুন

সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলো ২১ আরোহী

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলো ২১ আরোহী

৫ গোলে জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকোকে হারালো লিভারপুল

৫ গোলে জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ, আতলেতিকোকে হারালো লিভারপুল

যুক্তরাজ্যে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

মেসির জোড়ায় পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

মেসির জোড়ায় পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

ইয়েমেন যুদ্ধে ১০ হাজার শিশু হতাহত : ইউনিসেফ

ইয়েমেন যুদ্ধে ১০ হাজার শিশু হতাহত : ইউনিসেফ

© 2021 Bangla Tribune