X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বাংলাদেশের ফুটবলকে উঁচুতে তোলার ‘প্রতিজ্ঞা’ ব্রুজনের

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:২২

মাত্র কয়েকদিন হয়েছে জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছেন অস্কার ব্রুজন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তার অধীনে খেলবে বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে মাত্র ছয় দিন পার হয়েছে। এত অল্প সময়ে দলকে নতুন কৌশলে গুছিয়ে নেওয়া কঠিন। তবে ব্রুজন আত্মবিশ্বাসী। ভালো কিছুর প্রত্যাশা তার। মালদ্বীপের সাফে ইতিবাচক ফল এনে বাংলাদেশের ফুটবলকে উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য এই স্প্যানিয়ার্ডের।

জেমি ডের জায়গায় জামালদের কোচ হয়েছেন স্প্যানিশ ব্রুজন। ছয় দিনের প্রস্তুতিতে ৪-৩-৩ ফর্মেশনে দল গুছিয়ে নিচ্ছেন। এই ফর্মেশনে দল মালেতে ভালো করবে বলে তার বিশ্বাস, ‘সাফের মতো বড় প্রতিযোগিতার জন্য আমরা ছয় দিন প্রস্তুতির সময় পেয়েছি। ইউরোপীয় মানের প্রস্তুতির দিক থেকে এই সময় যথেষ্ট নয়, কিন্তু আমাদের জন্য এই সময় যথেষ্টের চেয়েও বেশি কিছু। কেননা, আমরা খুব গভীর এবং বিস্তারিতভাবে আমাদের খেলার কৌশল ও স্টাইল নিয়ে কাজ করেছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এই খেলোয়াড়-কোচ সবার মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া ও বন্ধন তৈরি হয়েছে। সম্মিলিতভাবে আমরা চেষ্টা করবো পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের।’

সাফে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ট্রফি জেতার পণ করেছেন। তবে ব্রুজন সাবধানী। মাঠের লড়াইয়ে এগিয়ে থেকে সাফল্য চাইছেন ৪৪ বছর বয়সী কোচ, ‘ফল বা ট্রফি এনে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করবো না। এটা বলতে পারি, ছেলেরা ভিন্ন কৌশলে এরই মধ্যে ভালো পারফর্ম করতে শুরু করেছে। নতুন কৌশল প্রয়োগ করতে পারছে। আমরা চাই বাংলাদেশের ফুটবলকে আরও উঁচুতে তুলতে। এজন্য আমাদের দেখাতে হবে দক্ষিণ এশিয়ার সব দলকে হারাতে পারি আমরা।’

 

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

ম্যারাডোনা কাপে খেলবে বার্সা-বোকা

ম্যারাডোনা কাপে খেলবে বার্সা-বোকা

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

বাংলাদেশ দলে জায়গা পেলেন কাতার প্রবাসী নবাব

বাংলাদেশ দলে জায়গা পেলেন কাতার প্রবাসী নবাব

১০ জন নিয়ে ড্র করলো পিএসজি

১০ জন নিয়ে ড্র করলো পিএসজি

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩২

মঞ্চটা যখন বিশ্বকাপের তখন ভারতের জয় নিশ্চিত। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই ছিল সমীকরণ। ওয়াডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলিয়ে খেলা ১২ বারের প্রত্যেকটিতে হেরেছিল পাকিস্তান। কিন্তু দুবাইয়ের ম্যাচে ইতিহাস এমনভাবে পাল্টে দিলো বাবর আজমরা যে, এতদিনের সব হতাশা মিলিয়ে গেলো দূর দিগন্তে। ১০ উইকেটের জয়, পাকিস্তানের সমর্থকরাও হয়তো চিন্তা করেননি। ভারতের এমন ভরাডুবির কারণ বের করেছেন ইনজামাম। একাদশ নির্বাচনের দিকে আঙুল পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়কের।

বিরাট কোহলির দলে ষষ্ঠ বোলার না থাকাকেই ‘বিপত্তি’র জায়গা হিসেবে দেখছেন ইনজামাম। আরও স্পষ্ট করে বললে হার্দিক পান্ডিয়ার একদাশে থাকাকে ‘ভুল’ মনে করছেন এই কিংবদন্তি ব্যাটার। চোটের কারণে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে বোলিং করেননি পান্ডিয়া। পাকিস্তান ম্যাচেও বল হাতে নিতে পারেননি। বিশেষ করে, তার কাঁধের সমস্যা দেখে ইনজামাম পড়ে ফেলেছিলেন, মানসিকভাবে কতটা ভঙ্গুর এই ভারত।

ইনজামাম মনে করছেন, মূল পাঁচ বোলারের ব্যাকআপ হিসেবে কেউ ছিলেন না কোহলি পরিকল্পনায়। আর পান্ডিয়ার কাঁধে হাত দিয়ে রাখার দৃশ্যে ফুটে ওঠে কতটা চাপে আছে ভারত। পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এভাবে পান্ডিয়ার ‘প্রকাশ’ ভারতকে আরও ব্যাকফুটে ফেলে দেয়।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক বলেছেন, ‘ভারতের সবচেয়ে বড় বিপত্তি ঘটেছিল যেখানে, সেটা হলো হার্দিক পান্ডিয়াকে খেলানো। দল নির্বাচনে সঠিক ছিল না ভারত। বাবর আজম জানতো তার একাদশ নিয়ে সে কী করতে যাচ্ছে, তবে ভারত জানতো না।’

দুবাইয়ের ম্যাচে পান্ডিয়া সাত নম্বরে নেমে ৮ বলে করেন ১১ রান। ব্যাটিংয়ের সময় শাহীন আফ্রিদির একটি ডেলিভারি কাঁধে আঘাত করে তার। সঙ্গে সঙ্গে তিনি কাঁধ ধরে ফেলেন, যাতে স্পষ্ট ফুঠে ওঠে তার অস্বস্তি। এই অলরাউন্ডার আর মাঠে ফেরেননি এবং পাঠানো হয় স্ক্যান করতে।

ইনজামামের বক্তব্য, ‘আমার মনে হয় না পান্ডিয়ার এভাবে কাঁধ ধরাটা ঠিক হয়েছে। এরকম হাইভোল্টেজ ম্যাচে আপনি ব্যথা পেলেও প্রতিপক্ষকে কোনও ইঙ্গিত দিতে পারেন না যে আপনি ব্যথা পেয়েছেন। আমি ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে শচীন টেন্ডুলকারকে দেখেছি আঘাত পাওয়ার পরও ওই জায়গায় ঘষা পর্যন্ত দেয়নি। তারা ব্যথা পেলেও কোনও ইঙ্গিত করতো না।’

সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘আমি হার্দিকের ওই দৃশ্য দেখে তখনই বুঝে যাই, ভারত চাপে আছে। এটা মোটেও ভালো ইঙ্গিত নয়। পরবর্তীতে সে আর মাঠেও আসেনি, বলও করেনি।’ ভারতের একাদশের দিকে আঙুল তুলে এই কিংবদন্তি বলেছেন, ‘যদি ভারত ষষ্ঠ বোলার ব্যবহার করতো, তাহলে অবশ্যই ভালো হতো। বাবর আজম যেমন লাভবান হয়েছে মোহাম্মদ হাফিজকে ব্যবহার করে। তার হাতে শোয়েব মালিকও ছিল।’

/কেআর/

সম্পর্কিত

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

গেইল-সিমন্সরা যেন ‘টেস্ট বিশ্বকাপ’ খেলছেন!

গেইল-সিমন্সরা যেন ‘টেস্ট বিশ্বকাপ’ খেলছেন!

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৫১

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা। এবারের আসরেও ফেভারিট ধরা হচ্ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কিন্তু মূল লড়াইয়ে অন্যরকম এক দলের উপস্থিতি। বড্ড বিবর্ণ তাদের মাঠের পারফরম্যান্স। ইংল্যান্ড ম্যাচে ৫৫ রানে অলআউট হওয়ার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারলো না দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। হেসেখেলে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। ৮ উইকেটের জয়ে এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবার হাসলো দক্ষিণ আফ্রিকা। বিপরীতে টানা দুই ম্যাচে হার কাইরন পোলার্ডদের।

আজ (মঙ্গলবার) দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ১৪৩ রান মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১০ বল আগেই টপকে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শুরুতে তেম্বা বাভুমা রান আউটের শিকার হয়ে ফিরলে যা একটু অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। পরের সময়টা শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার। এইডেন মারক্রামের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে রাসি ফন ডের ডুসেন ও রিজা হেনড্রিকসের চমৎকার ব্যাটিংয়ে এসেছে সহজ জয়।

পুঁজি ছিল অল্প, তাই বোলিংয়ে শুরুটা দারুণ প্রয়োজন ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। পেয়েও যায় আন্দ্রে রাসেলের মাপা থ্রোতে বাভুমা মাত্র ২ রান করে ফিরে গেলে। তবে প্রোটিয়াদের চাপে পড়তে দেননি হেনড্রিকস ও ফন ডের ডুসেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৭ রানের জুটি গড়ার পথে হেনড্রিকস ৩০ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৩৯ রান করে ফেরেন আকিল হোসেনের বলে।

এরপর আর কোনও বিপদ নয়। ফন ডের ডুসেনের ঠাণ্ডার মাথার ব্যাটিং ও মারক্রামের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বড় জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। মারক্রাম ২৬ বলে ২ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৫১ রানে, অন্যদিকে ফন ডের ডুসেন ৫১ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ম্যাচ শেষ করেন অপরাজিত ৪৩ রানে।

এক একটা নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠার কথা বোলারদের। ক্রিস গেইল, কিয়েরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল, এভিন লুইস, ডোয়াইন ব্রাভো... টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে যারা অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তো এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের বোলারদের কীভাবে উড়িয়ে-গুঁড়িয়ে দেবেন, সেটি দেখার অধীর অপেক্ষায় ছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু হচ্ছে তার উল্টোটা! ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজর নষ্ট’ প্রবাদটা একেবারে মিলে যায় ক্যারিবিয়ানদের সঙ্গে।

গেইল-সিমন্সরা যেন ‘টেস্ট বিশ্বকাপ’ খেলছেন!

এত সব বড় নাম একসঙ্গে খেলায় দলে সমন্বয়ের মারাত্মক ঘাটতি। তাই ক্যারিবিয়ান ঝড় তো উঠছেই না, বরং মন্থর ব্যাটিংয়ে ডুবছে হতাশায় সমুদ্রে। গেইল আর টি-টোয়েন্টি সমার্থক হয়ে উঠেছে, অথচ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেন ‘টেস্ট’ খেলছেন তিনি। লেন্ডল সিমন্সের অবস্থা তো আরও খারাপ। গেইল কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন তার ব্যাটিং দেখে। শুধু তারা নয়, দলের কোনও ব্যাটারই সুবিধা করতে পারছেন না। তাই ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অলআউট হয় ৫৫ রানে। আজ (মঙ্গলবার) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে উন্নতি হয়েছে, তারপরও ৮ উইকেটে ১৪৩ রান ঠিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ-সুলভ স্কোর নয়।

যে দলে টি-টোয়েন্টির সেরা সব পারফর্মার, তাদের স্কোর দেড়শ পর্যন্ত না যাওয়া ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছেই জুতসই নয়। তারপরও না হয় মানা গেলো, কিন্তু সিমন্স যা করছেন, সেটির কোনও ব্যাখ্যা হয় না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩৫ বলে ১৬ রান! কাগিসো রাবাদা বলে আউট হওয়ার আগে কোনও বাউন্ডারি নেই এই ওপেনারের। টেস্ট ব্যাটিং ছাড়া আর কি বলা যায়! ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও প্রায় একই অবস্থা, ৭ বলে করে যান মাত্র ৩ রান।

গেইলের অবস্থাও তো সুবিধার নয়। নিজেকে হারিয়ে খুঁজে চলা এই ব্যাটার একটা ছক্কা মেরেছেন বটে, কিন্তু রান করেছেন ১২ বলে ১২। গেইল ১২ বলে খেলে দ্বিগুণ রান তুলবেন, ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশায় তো এটাই থাকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের চিত্রটাও একই, ১৩ বলে ১৩ রান।

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নিকোলাস পুরানের ৭ বলে ১২, রাসেলের ৪ বলে ৫, পোলার্ডের ২০ বলে ২৬ রানের ইনিংসগুলো তাদের নামের পাশে বেমানান। তারপরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১৪৩ পর্যন্ত গিয়েছে লুইসের হাফসেঞ্চুরিতে। সিমন্স যেখানে কঠিন সংগ্রাম করছিলেন, সেখানে উল্টো পাশে ৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় ৫৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এই ওপেনার।

দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে সফল বোলার ডোয়াইন ‍প্রিটোরিয়াস। এই পেসার ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন ৩৩ উইকেট। ৪ ওভারে ২৪ রান খরচায় ২ উইকেট কেশব মহারাজের। আর একটি করে ‍উইকেট পেয়েছেন কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্কিয়া।

/কেআর/

সম্পর্কিত

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

গেইল-সিমন্সরা যেন ‘টেস্ট বিশ্বকাপ’ খেলছেন!

গেইল-সিমন্সরা যেন ‘টেস্ট বিশ্বকাপ’ খেলছেন!

গেইল-সিমন্সরা যেন ‘টেস্ট বিশ্বকাপ’ খেলছেন!

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২১

এক একটা নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠার কথা বোলারদের। ক্রিস গেইল, কিয়েরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল, এভিন লুইস, ডোয়াইন ব্রাভো... টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে যারা অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তো এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের বোলারদের কীভাবে উড়িয়ে-গুঁড়িয়ে দেবেন, সেটি দেখার অধীর অপেক্ষায় ছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু হচ্ছে তার উল্টোটা! ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজর নষ্ট’ প্রবাদটা একেবারে মিলে যায় ক্যারিবিয়ানদের সঙ্গে।

এত সব বড় নাম একসঙ্গে খেলায় দলে সমন্বয়ের মারাত্মক ঘাটতি। তাই ক্যারিবিয়ান ঝড় তো উঠছেই না, বরং মন্থর ব্যাটিংয়ে ডুবছে হতাশায় সমুদ্রে। গেইল আর টি-টোয়েন্টি সমার্থক হয়ে উঠেছে, অথচ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেন ‘টেস্ট’ খেলছেন তিনি। লেন্ডল সিমন্সের অবস্থা তো আরও খারাপ। গেইল কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন তার ব্যাটিং দেখে। শুধু তারা নয়, দলের কোনও ব্যাটারই সুবিধা করতে পারছেন না। তাই ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অলআউট হয় ৫৫ রানে। আজ (মঙ্গলবার) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে উন্নতি হয়েছে, তারপরও ৮ উইকেটে ১৪৩ রান ঠিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ-সুলভ স্কোর নয়।

যে দলে টি-টোয়েন্টির সেরা সব পারফর্মার, তাদের স্কোর দেড়শ পর্যন্ত না যাওয়া ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছেই জুতসই নয়। তারপরও না হয় মানা গেলো, কিন্তু সিমন্স যা করছেন, সেটির কোনও ব্যাখ্যা হয় না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩৫ বলে ১৬ রান! কাগিসো রাবাদা বলে আউট হওয়ার আগে কোনও বাউন্ডারি নেই এই ওপেনারের। টেস্ট ব্যাটিং ছাড়া আর কি বলা যায়! ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও প্রায় একই অবস্থা, ৭ বলে করে যান মাত্র ৩ রান।

গেইলের অবস্থাও তো সুবিধার নয়। নিজেকে হারিয়ে খুঁজে চলা এই ব্যাটার একটা ছক্কা মেরেছেন বটে, কিন্তু রান করেছেন ১২ বলে ১২। গেইল ১২ বলে খেলে দ্বিগুণ রান তুলবেন, ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশায় তো এটাই থাকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের চিত্রটাও একই, ১৩ বলে ১৩ রান।

প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নিকোলাস পুরানের ৭ বলে ১২, রাসেলের ৪ বলে ৫, পোলার্ডের ২০ বলে ২৬ রানের ইনিংসগুলো তাদের নামের পাশে বেমানান। তারপরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১৪৩ পর্যন্ত গিয়েছে লুইসের হাফসেঞ্চুরিতে। সিমন্স যেখানে কঠিন সংগ্রাম করছিলেন, সেখানে উল্টো পাশে ৩৫ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় ৫৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এই ওপেনার।

দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে সফল বোলার ডোয়াইন ‍প্রিটোরিয়াস। এই পেসার ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন ৩৩ উইকেট। ৪ ওভারে ২৪ রান খরচায় ২ উইকেট কেশব মহারাজের। আর একটি করে ‍উইকেট পেয়েছেন কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্কিয়া।

/কেআর/

সম্পর্কিত

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

‘বাইরের লোকের কথায় কিছু যায় আসে না’, মাশরাফির মন্তব্যে ওটিস গিবসন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৪৮

দক্ষিণ আফ্রিকার কোচিং স্টাফদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘এখন টিম ম্যানেজমেন্ট দেখলে মনে হয় একটা রিহ্যাব সেন্টার, যেখানে সাউথ আফ্রিকার সব চাকরি না পাওয়া কোচগুলো একসঙ্গে রিহ্যাব সেন্টারে চাকরি করছে।’

তার করা মন্তব্যের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের এই বোলিং কোচ বলেছেন, ‘দেখুন, এটা ব্যক্তিগত মত। আমাদের জানাশোনার বাইরে কে-কী বলছে, তাতে আমার আগ্রহ নেই। আমরা জানি, বাংলাদেশ দলের কোচিং গ্রুপ হিসেবে আমরা কী করছি। বাইরের লোকের কথায় কিছু যায় আসে না।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পরই কোচদের সমালোচনা করেন মাশরাফি। তিনি এই হারের জন্য কোচিং স্টাফদের কাঠ গড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।

মূলত লিটনের ক্যাচ মিসের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মাশরাফি লিখেছেন, ‘আরও অনেক বিষয় আছে বলা যায়, তবে লিটনের ক্যাচ মিসের কোন এক্সকিউজ দিবো না, এমনকি লিটন নিজেও দেবে না। তবে ক্যাচ মিস খেলার একটা অংশই। কিন্তু ফিল্ডিং কোচের কাছে কি এ বিষয়গুলো নিয়ে জানতে চাওয়া হয়? ক্যাচ মিস কি এই প্রথম হলো? ২০১৯ বিশ্বকাপের পর ম্যানেজমেন্ট এর প্রায় সবাই চাকরি হারিয়েছে, স্রেফ বর্তমান ফিল্ডিং কোচ ছাড়া। তাহলে আমরা বিশ্বকাপে বা তারপর কি সেরা ফিল্ডিং সাইড হয়ে গিয়েছি? এখন টিম ম্যানেজমেন্ট দেখলে মনে হয় একটা রিহ্যাব সেন্টার, যেখানে সাউথ আফ্রিকার সব চাকরি না পাওয়া কোচগুলো একসঙ্গে আমাদের রিহ্যাব সেন্টারে চাকরি করছে। এদের বাদ দেওয়া আরও বিপদ। কারণ চুক্তির পুরো টাকাটা নিয়ে চলে যাবে। তাহলে দাঁড়ালো কী? তারা যতদিন থাকবে আর মন যা চাইবে তাই করবে। হেড কোচ এক এক করে নিজ দেশের সবাইকে আনছে, এরপর যারা অস্থায়ী ভাবে আছে তাদেরও সরাবে আর নিজের মতো করে ম্যানেজমেন্ট সাজাবে। তাও মেনে নিলাম কিন্তু রাসেল (হেড কোচ) ম্যানেজমেন্ট এর জন্য যেভাবে স্টেপআপ করে মূল দলের জন্য তাহলে লুকিয়ে কেন? কেন তামিম, মুশফিক, রিয়াদ ভালো থাকে না। এটা ঠিক করা তার কাজ না?'

/আরআই/এফআইআর/

সম্পর্কিত

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

‘বর্ণবাদ’ ইস্যুতে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে খেলছেন না ডি কক!

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৩৩

দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে। ম্যাচ চলার সময়েই জানা গেলো, মঙ্গলবার একাদশে খেলতে রাজি হননি প্রোটিয়া ক্রিকেটার কুইন্টন ডি কক।

কোন কারণ জানানো না হলেও ডি ককের এমন সিদ্ধান্তের পূর্বে আরও কিছু ঘটনা ঘটে গেছে! মঙ্গলবার ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সব ক্রিকেটার হাঁটু গেড়ে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু এই ইস্যুটির বেলাতেই একভাবে নিরব থাকতে দেখা গেছে ডি কককে! অতীতে দলে তিনভাবে স্বীকৃত প্রতীকী প্রতিবাদের কথা বলা হলেও ডি কককে কোনওটাই করতে দেখা যায়নি। নিজের মতো করে দাঁড়িয়ে থেকেছেন। তাতেই বিতর্কের ঝড় উঠে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে প্রচ্ছন্নভাবে, ‘দলের সবার ভিন্ন ভিন্ন প্রতীকী প্রতিবাদ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটারের সমর্থনে করা হলেও ভিন্ন ভিন্ন শরীরী ভাষা এক ধরনের অসমতার উপলব্ধি তৈরি করেছে।’ আর এ কারণেই নির্দিষ্টভাবে হাঁটু গেড়ে প্রতিবাদ জানানোর বিষয়টি গ্রহণ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেট বোর্ড।

একই ইস্যু নিয়ে এই বছরেই গত ১২ জুন ডি কককে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ চলছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। বর্ণবাদের এই ইস্যুতে তিনি কেন তৎপর নন- এমন প্রশ্নের জবাবে তার উত্তর ছিল, ‘আমার কারণ? এটা আমার কাছেই থাকুক। এটা নিতান্তই আমার ব্যক্তিগত ও নিজস্ব মতামত। বিষয়টা সবার সিদ্ধান্তে করা। কাউকে জোর করে কিছু করা হচ্ছে না। ব্যক্তি জীবনেও বিষয়টা আমি এভাবেই দেখি।’   

/এফআইআর/

সম্পর্কিত

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

ভারতের ‘ভুল’ ধরিয়ে দিলেন ইনজামাম

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

হেসেখেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

quiz
সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune