X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বার্ধক্য একটি রোগ, চিকিৎসায় এর নিরাময় সম্ভব: মার্কিন বিজ্ঞানী

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২৬

আমরা জানি বার্ধক্য ঠেকানো যায় না। এটা প্রাকৃতিক নিয়ম এবং প্রত্যেকেরই নিয়তি। বেশিরভাগ মানুষ জীবনকে এভাবেই দেখে থাকেন। কিন্তু জেনেটিক বিজ্ঞানী ডেভিড সিনক্লেয়ার তা মনে করেন না।

দুই দশকের ওপর এ বিষয়ে তিনি গবেষণা করেছেন। তিনি বলছেন যে, বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব। দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের জন্য প্রয়োজন শুধু কিছু সহজ অভ্যাস।

ড. সিনক্লেয়ার বিশ্বাস করেন, এমন দিন খুব দূরে নেই যখন ওষুধের সাহায্যে বার্ধক্য সারিয়ে তোলা সম্ভব হবে। এসব ওষুধ এখন পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। তার মতে, এগুলো দিয়ে বুড়ো হওয়ার প্রক্রিয়া আসলেই আটকে রাখা যাবে।

কে এই বিজ্ঞানী ডেভিড সিনক্লেয়ার?

বিজ্ঞানী ড. ডেভিড সিনক্লেয়ার অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেছেন। পরবর্তীতে গবেষণা করেছেন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। বর্তমানে তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একটি ল্যাবরেটোরির প্রধান, যেখানে তার গবেষণার বিষয়, ‘কেন আমরা বুড়ো হই।’

গবেষণার জন্য তিনি বিজ্ঞান জগতের বহু পুরস্কার পেয়েছেন। টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের তালিকায় তিনি নির্বাচিত একজন ব্যক্তিত্ব এবং টুইটারে তার অনুসারীর সংখ্যা দুই লাখ।

তার ৩৫টি গবেষণার সত্ত্বাধিকারী তিনি নিজে। তিনি বেশ কয়েকটি জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হয় প্রতিষ্ঠাতা, নয়তো সেগুলোর কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশ কয়েকটির কাজের ক্ষেত্র হলো বার্ধক্য বিলম্বিত করা বা ঠেকানো।

মেরিল লিঞ্চ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বার্ধক্য সংক্রান্ত কাজে বর্তমানে ব্যয় হচ্ছে ১১ হাজার কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে গিয়ে পৌঁছাবে ৬০ হাজার কোটি ডলারে।

ড. সিনক্লেয়ারের লেখা একটি বই ‘লাইফস্প্যান-হোয়াই উই এজ-অ্যান্ড হোয়াই উই ডোন্ট হ্যাভ টু’ (কেন আমরা বৃদ্ধ হই-আর কেন আমরা বৃদ্ধ হবো না)। বাজারে এখন এই বইটির বেশ চাহিদা রয়েছে। বইটিতে তিনি প্রচলিত বিশ্বাস ভাঙার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন; কেন বার্ধক্য একটা অবশ্যম্ভাবী প্রক্রিয়া নয়।

ড. সিনক্লেয়ার বিশ্বাস করেন বৃদ্ধ হওয়া নিয়ে যেভাবে আমরা ভাবি, সে ভাবনাতে আমাদের আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের ভাবতে হবে, বার্ধক্য একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম নয়। আমাদের এটাকে একটা অসুখ হিসেবে দেখতে হবে। অর্থাৎ রোগ হিসেবে এর চিকিৎসা ও নিরাময় সম্ভব।

তিনি বলছেন, বৃদ্ধ বয়স নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি আমরা একেবারে পাল্টে ফেলতে পারি, তাহলে মানব জাতির আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। অন্যথায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছে তার ফলে আমাদের আয়ু আরও বছর দুয়েক হয়তো বাড়ানো যাবে। তবে আমাদের লক্ষ্য এটি আরও অনেক বেশি বাড়ানো।

বিবিসি ব্রাজিলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ড. সিনক্লেয়ার যা বলেছেন নিচে তার সারাংশ দেওয়া হলো:

প্রশ্ন: আমরা বৃদ্ধ হই কেন?

ড. সিনক্লেয়ার: বুড়ো হওয়ার নয়টি প্রধান কারণ চিহ্ণিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। গত ২৫ বছরে আমার চালানো গবেষণায় প্রমাণ পেয়েছি যে, এগুলোর মধ্যে একটি হলো বৃদ্ধ হওয়ার পেছনে অন্য সবগুলো কারণের জন্য দায়ী এবং এর ফলে শরীর তার সব তথ্য হারিয়ে ফেলে।

আমাদের শরীরের দুই ধরনের তথ্য মজুত থাকে। এর মধ্যে এক ধরনের তথ্য আমরা বংশগতভাবে পাই আমাদের মা-বাবার কাছ থেকে। আর অন্য ধরনের তথ্যগুলো শরীরে তৈরি হয় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত নানা কারণে।

এর একটি হলো ‘ডিজিটাল’ তথ্য। অর্থাৎ যেগুলো জেনেটিক সূত্র এবং অন্যটি হল ‘অ্যানালগ’ তথ্য- যাকে বলা হয় 'এপিজিনোম’। এটি কোষের ভেতরকার একটা পদ্ধতি। কোন জিন চালু রাখতে হবে, কোনটা বন্ধ করে দিতে হবে সেটা এই পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে।

একটা কোষের ভেতর যে ২০ হাজার জিন থাকে, সেগুলোর মধ্যে কোনটি সক্রিয় থাকবে, আর কোনটি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে, সেটাই কোষটিকে বলে দেয় সে কে- অর্থাৎ ওই কোষের পরিচয় কী হবে এবং কীভাবে সেই কোষটি কাজ করবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই এপিজিনোম পদ্ধতি তথ্য হারিয়ে ফেলতে শুরু করে।

ধরুন ঠিক যেভাবে আপনার গানের একটা সিডিতে আঁচড় লেগে গেলে সিডি সেখান থেকে গানের অংশটা আর খুঁজে বের করতে পারে না। ফলে তথ্যের অভাবে কোষগুলোও ঠিক সময়ে সঠিক জিনকে চালু করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তাদের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। আমার মতে, এ কারণেই আমরা বুড়ো হই।

প্রশ্ন: কেন বলছেন আমাদের বৃদ্ধ হওয়ার যুক্তি নেই?

ড. সিনক্লেয়ার: কারণ জীব বিজ্ঞানে কোথাও লেখা নেই যে আমাদের বুড়ো হতে হবে। আমরা জানি না ঠিক কীভাবে এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হয়। যদিও এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার বিষয়টা আমরা ক্রমশ শিখেছি। আমাদের ল্যাবে আমরা বৃদ্ধ হবার প্রক্রিয়াটা বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি। এই প্রক্রিয়া; যেটাকে বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এপিজিনোম বলে- সেটা বদলানো সম্ভব।

যেটাকে আমি সিডিতে আঁচড় লাগার সঙ্গে তুলনা করছি, সেটা আমাদের জীবনকে বিশালভাবে প্রভাবিত করে। আমরা কিছু জিনিস ঠিকভাবে করতে পারলে আমাদের বয়সের ঘড়িটায় জোরেসোরে রাশ টানা সম্ভব। আজকের দিনে এই ঘড়ির দমটা মাপাও যায়- রক্ত ও থুতু পরীক্ষার মাধ্যমে।

আমরা ইঁদুর, এমনকি তিমি, হাতি আর মানুষের ওপর পরীক্ষা করে দেখেছি একেকটা প্রাণীর জীবনযাত্রা একেক রকম। ফলে তাদের প্রত্যেকের বয়স বাড়ে ভিন্ন গতিতে। ভবিষ্যতে আপনার স্বাস্থ্যের অবস্থা কী হবে, তার ৮০ শতাংশের বেশি নির্ভর করে আপনার জীবনযাত্রার ওপর, ডিএনএ-র ওপর নয়।

যারা বহু দিন বাঁচেন, তাদের ওপর গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। এখানে জীবনযাত্রার মধ্যে রয়েছে আপনি সঠিক খাবার খাচ্ছেন কিনা। যেমন ধরুন ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার মানুষ যে ধরনের খাবার খায়, সেটা খুবই ভালো। কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া, বারবার না খাওয়া। শারীরিক ব্যায়ামও সাহায্য করে।

অনেকে আবার মনে করে বরফ বা ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করে শরীরের তাপমাত্রা কমানোও উপকারী।

প্রশ্ন: বৃদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে এগুলো কীভাবে সাহায্য করে?

ড. সিনক্লেয়ার: বিজ্ঞানীরা মনে করেন, জীবনযাত্রার বিভিন্ন অভ্যাস এবং শরীর ভালো রাখতে অভ্যাসের যেসব পরিবর্তন আমরা করি, সেগুলো রোগব্যাধি ও বার্ধক্যের বিরুদ্ধে শরীরের একটা স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। গরম বা ঠাণ্ডা বোধ, ক্ষুধা বোধ, দমের অভাব- এসব অনুভূতি শরীরের এই প্রতিরোধ প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে তোলে।

এই প্রতিরোধ ব্যবস্থার মূলে রয়েছে মাত্র গুটিকয়েক জিন। আমরা এগুলোর ওপর পরীক্ষা চালিয়েছি। এই জিনগুলো এপিজিনোমকে নিয়ন্ত্রণ করে। ক্ষুধা ও ব্যায়াম এগুলোকে সক্রিয় করে তোলে। এ কারণেই আমরা মনে করি, সঠিক খাবার খাওয়া এবং উপোস করা বয়সের ঘড়িকে ধীরে চলতে সাহায্য করতে পারে।

বার্ধক্য বেশিরভাগ রোগের কারণ। এটি হৃদরোগ, স্মৃতিভ্রম ও ডায়াবেটিসের প্রধান কারণ। কাজেই বার্ধক্য ঠেকাতে পারলে অনেক রোগ ঠেকানো সম্ভব। শরীরে জোর আনা এবং দীর্ঘায়ু হওয়া সম্ভব। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

/এমপি/

সম্পর্কিত

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪৪

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের 'পর্যটন' ভিসা দিয়ে ইউরোপে ঢুকতে সাহায্য করছে বেলারুশ। দেশটির বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জারি করা নিষেধাজ্ঞার পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই পথে জার্মানিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে এমন একটি দলকে অনুসরণ করে বিবিসি। মোবাইল ফোনের ক্যামেরা বাম থেকে ডানে ঘুরে যাচ্ছে, কিন্তু কেউ নড়ছে না। পথ চলায় ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত মানুষগুলো গাছের ফাঁকে ফাঁকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে শুয়ে আছে। জামিলের মাথাটা তার হাতের ওপর রাখা, স্ত্রী রোশিন তার পাশেই গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে। অন্যদের দেখে মনে হচ্ছে পড়ে থাকা লাশ।

জঙ্গলের ওপর ছড়িয়ে আছে শেষ বিকালের আলো, পাইন গাছের ঘন বনকে মনে হয় প্রকৃতির তৈরি কয়েদখানা। এই মানুষগুলো ভোর চারটা থেকে এক নাগাড়ে পথ হেঁটেছে।

জামিলের চাচাতো ভাই ইদ্রিস বলছিলেন, ‘আমরা বিধ্বস্ত, পুরোপুরি বিধ্বস্ত।’ তার কণ্ঠস্বর ভাবলেশহীন- অনেকটা যন্ত্রের মতো। সিরীয় কয়েকজন বন্ধুর এই দলটি ঘন জঙ্গল আর দুর্গন্ধময় জলাভূমি পার হয়ে এখানে এসে পৌঁছেছে। পাচারকারীদের সঙ্গে প্রথম মোলাকাতটা তারা কোনওক্রমে এড়াতে পেরেছে। কিন্তু খাবার ও পানি একেবারেই শেষ।

ঠাণ্ডায় তাদের শরীর অবশ হয়ে গেছে। কিন্তু আগুন জ্বালানোর সাহস নেই। বেলারুশ থেকে সীমান্ত পার হয়ে তারা পোল্যান্ডে পৌঁছেছে। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত ইইউ জোটভুক্ত দেশে ঢুকতে পেরেছে। কিন্তু তারপরেও তারা নিরাপদ নয়। কারণ হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী, যাদের সীমান্ত পার হয়ে পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়ায় ঢুকতে উৎসাহিত করছে বেলারুশ তাদের ঠাঁই হয়েছে বন্দি শিবিরে।পোল্যান্ডের জঙ্গলে তীব্র শীতের কামড়ে শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত সাতজনের।

নতুন পথের সন্ধান

ইদ্রিস এবং তার বন্ধুরা সেপ্টেম্বরের শেষে উত্তর ইরাক ছাড়ার সময় থেকে বিবিসি ওদের যাত্রার ওপর নজর রেখেছে। তারা যেভাবে এগিয়েছে ইদ্রিস মোবাইলে তার প্রতিটা পর্যায়ের ভিডিও করে বিবিসি-র কাছে পাঠিয়েছেন। এই দলের সবাই সিরিয়ান কুর্দি। বয়স ২০-এর কোঠায়। উন্নত ভবিষ্যতের আশায় তারা ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছে। এদের সবার বাড়ি সিরিয়ার কোবানিতে, যেখানে ২০১৪ সালের শেষ দিকে কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে আইএসের তুমুল লড়াই চলে।

বিশ্বের সব অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মতো তাদেরও দেশ ছাড়ার পেছনে একই যুক্তি। নিজেদের দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, বেকারত্ব, সেনাবাহিনীতে যোগদানে বাধ্য করা। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে তফাৎ ছিল একটা- সেটা হল নতুন একটি পথ ধরে তাদের যাত্রা।

ইদ্রিস বলছিলেন, বেলারুশের স্বৈরশাসক আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো যদি এই নতুন এবং কার্যত একটা নিরাপদ পথের লোভ না দেখাতেন, তাহলে তিনি হয়তো সিরিয়া ছাড়ার কথা ভাবতেন না। তার ভাষায়, ‘ইইউ-এর সঙ্গে বেলারুশের তো একটা দ্বন্দ্ব চলছে। তাই দেশটির প্রেসিডেন্ট ইইউ-এর সঙ্গে তাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছেন।’

বেলারুশে ২০২০ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনায় ইইউ দেশটির ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করায় প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো ক্ষুব্ধ হন। এ বছরের গোড়ার দিকে তিনি ঘোষণা দেন, তার দেশ থেকে ইইউ-এর সদস্য দেশগুলোতে অভিবাসীদের যাওয়া কিংবা মাদক চোরাচালান ঠেকাতে কোনও পদক্ষেপ তিনি নেবেন না।

ভূমধ্যসাগরে নৌকা নিয়ে বিপজ্জনক পথে যাওয়ার বদলে অভিবাসীদের এখন বিমানপথে যেতে হবে বেলারুশে। এরপর কয়েক ঘণ্টা গাড়িতে করে সীমান্ত পর্যন্ত- তারপর সীমান্ত পার হয়ে পায়ে হেঁটে প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া কিংবা লাটভিয়া- যে কোনও একটি ইইউ দেশে ঢুকে পড়া। জুলাই আর অগাস্ট; মাত্র দুই মাসে লিথুয়ানিয়াতে যত আশ্রয়প্রার্থী ঢুকেছে তার হার পুরো ২০২০ সালের তুলনায় ৫০ গুণ বেশি। ইদ্রিস বলছিলেন, ‘এই পথ তুরস্ক আর উত্তর আফ্রিকা দিয়ে ইউরোপে ঢোকার চেয়ে অনেক সহজ।’

তিনি ও তার বন্ধুরা উত্তর ইরাকের ইরবিল থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন ২৫ সেপ্টেম্বর। ইদ্রিস সেখানে কাজ করতেন। স্ত্রী আর যমজ কন্যা সন্তানকে কোবানিতে রেখে এসেছেন। তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছেন ইউরোপে সফলভাবে পৌঁছাতে পারলে একদিন তাদেরও সেখানে নিয়ে যাবেন। সূত্র: বিবিসি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

প্রায় চার কোটি নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে ফ্রান্স

প্রায় চার কোটি নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে ফ্রান্স

রাষ্ট্রদূতদের ওপর ক্ষেপেছেন এরদোয়ান

রাষ্ট্রদূতদের ওপর ক্ষেপেছেন এরদোয়ান

‘গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি তার নাগরিকের চাহিদা পূরণে সক্ষম’

‘গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি তার নাগরিকের চাহিদা পূরণে সক্ষম’

জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন না পুতিন

জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন না পুতিন

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৩৬

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের আসন্ন সম্মেলনে মিয়ানমারের অরাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দেশটির সামরিক সরকার। শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

আসিয়ান সম্মেলন থেকে মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিং অং হ্লাইংকে বাদ দিয়েছেন জোট নেতারা। এ বিষয়ে শুক্রবার এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আসিয়ানের অন্য সদস্যরা সম্মেলনে যোগ দেওয়ার যেমন অধিকার রাখে, তেমনি মিয়ামনারের সরকার প্রধানেরও সমান অধিকার আছে’।

এছাড়া আসিয়ান সনদের নিয়ম,উদ্দেশ্য ও নীতির বিরুদ্ধে যেকোনও আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না বলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি মিয়ানমার সরকার জানায়, আসিয়ান সম্মেলনে থেকে দেশটির জান্তা প্রধানকে বাদ দেওয়া জোটের নীতির পরিপন্থী।

এদিকে সামরিক প্রধানের পরিবর্তে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি থেকে আসিয়ানের সম্মেলনে কে অংশ নিতে যাচ্ছেন তা এখনও জানা যায়নি। আগামী ২৬ থেকে ২৮ শে অক্টোবর ব্রুনাইয়ে হতে যাচ্ছে ১০ সদস্য বিশিষ্ট এসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশন্সের (আসিয়ান) বার্ষিক সম্মেলন।

/এলকে/

সম্পর্কিত

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪২

ভারী অস্ত্রসহ মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের দিকে মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার সেনা। সেখানে ব্যাপক নৃশংসতার আভাস দিয়ে সতর্ক করেছেন মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ। গত ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের পর থেকেই সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্ট উপস্থাপনকালে অ্যান্ড্রুজ বলেন, 'আমি তথ্য পেয়েছি যে মিয়ানমারের দুর্গম উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হাজার হাজার সৈন্যসহ ভারী অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, জান্তা সরকার মানবতার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের প্রস্তুতি নিচ্ছে'।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সু চি সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর থেকেই দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে সাধারণ মানুষের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে জান্তা সরকার। জান্তা বিরোধীদের ওপর চালানো রক্তক্ষয়ী অভিযানে ১ হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভের শুরু থেকে গ্রেফতারের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়িয়েছে।

অ্যান্ড্রুজ বলেন, ‘আমাদের সকলের প্রস্তুত থাকা উচিত, মিয়ানমারের এই অংশের লোকেরা আরও বেশি গণহত্যার মুখোমুখি। আমি আশা করছি আমার আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হোক’। 

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় সেনা সদস্যরা। ফাইল ছবি

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে পুলিশ চেকপোস্টে সহিংসতার পর বহুদিন ধরে চালানো রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ জোরালো করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ বলে উল্লেখ করেছে। একে নিধনযজ্ঞ বলেছে যুক্তরাষ্ট্রও।

 

/এলকে/

সম্পর্কিত

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো মিয়ানমারের রক শিল্পীর উকুলেলে

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২৩

ফিলিস্তিনের প্রথম সারির ৬টি মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ আখ্যায়িত করেছে ইসরায়েল। শুক্রবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ছয় মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপ ফিলিস্তিনের পপুলার ফ্রন্ট দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে।

এমন ঘোষণায় সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান ও গ্রেফতার পরিচালনা করতে পারবে ইসরায়েলি বাহিনী। সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে অ্যামনেস্টিসহ জাতিসংঘও।

হঠাৎ করেই ফিলিস্তিনের ৬ টি প্রথম সারির মানবাধিকার গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলো তেল আবিব। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বিতর্কিত পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ফিলিস্তিনিরা। এই ঘটনাকে ফিলিস্তিনের নাগরিক সমাজের উপর নিরচ্ছিন্ন আক্রমণ হিসেবে দেখছে পিএ।

ইসরায়েলের ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’-এর তালিকায় যুক্ত হওয়া মানবাধিকার সংগঠনগুলো হলো ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আল হক, আদামীর রাইট গ্রুপ, ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল-প্যালেস্টাইন, দ্য বিসান সেন্টার ফর রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, দ্য ইউনিয়ন অব প্যালেস্টাইনিয়ান ওমেন্স কমিটিজ এবং দ্য ইউনিয়ন অব এগ্রিকালচারাল ওয়ার্ক কমিটিজ।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

লেবাননে অস্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে দোষারোপ ইরানের

লেবাননে অস্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে দোষারোপ ইরানের

ইসরায়েলের হামলার ষড়যন্ত্র নস্যাতের দাবি আলজেরিয়ার

ইসরায়েলের হামলার ষড়যন্ত্র নস্যাতের দাবি আলজেরিয়ার

পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের ধারেকাছেও নেই ইরান: সাবেক মোসাদ প্রধান

পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের ধারেকাছেও নেই ইরান: সাবেক মোসাদ প্রধান

সাদ রিজভীর মুক্তির দাবিতে রণক্ষেত্র লাহোর, ৩ পুলিশ নিহত

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৩:২৭

পাকিস্তানের ডানপন্থি রাজনৈতিক দল তেহেরিক-ই-লাব্বাইক (টিএলপি) সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। উভয়পক্ষের অনেকেই আহত হয়েছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন।

দলীয় শীর্ষ নেতা প্রধান নেতা সাদ রিজভীর মুক্তির দাবিতে শুক্রবার লাহোরের পূর্বাঞ্চলীয় শহরে টিএলপির ডাকে বিক্ষোভে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। মিছিলটি রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে লং মার্চ শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

লাহারের ডিআইজির মুখপাত্র মাজহার হুসাইন জানান, নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে একজন আয়ুব অন্যজন খালিদ। সংঘর্ষে নিহত তৃতীয়জনের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। গুরুতর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারী পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া দোকানপাট ও অফিসের বাইরে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে তারা। এতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সহিংসতা থামাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে। তবে, সংঘর্ষ সৃষ্টির জন্য পুশিকেই দায়ী করেন টিলপির সমর্থক। তিনি বার্তা সংস্থা রয়র্টাসকে বলেন, কোনও কারণ ছাড়াই আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে নিরাপত্তা বাহিনী হামলা চালায়।

চলতি বছরের এপ্রিলে তেহরিক-ই লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি) রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধের ঘোষণা করে পাকিস্তান সরকার।

/এলকে/

সম্পর্কিত

নতুন আইএসআই প্রধান নিয়োগ দিচ্ছেন ইমরান খান

নতুন আইএসআই প্রধান নিয়োগ দিচ্ছেন ইমরান খান

আফগান জনগণের কঠিন মুহূর্তে পাশে আছে পাকিস্তান

আফগান জনগণের কঠিন মুহূর্তে পাশে আছে পাকিস্তান

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

মিয়ানমারের জান্তা প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে ১১ সেনা নিহত

পাকিস্তানে নিরাপত্তাবাহিনীর ৬ সদস্য নিহত

পাকিস্তানে নিরাপত্তাবাহিনীর ৬ সদস্য নিহত

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

অভিবাসীদের জন্য যেভাবে ইউরোপের সীমান্ত খুলে দিচ্ছে বেলারুশ

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

আসিয়ান সম্মেলনে অরাজনৈতিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণে ক্ষুব্ধ মিয়ানমার

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের ৬ মানবাধিকার গ্রুপকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অ্যাখা ইসরায়েলের

সাদ রিজভীর মুক্তির দাবিতে রণক্ষেত্র লাহোর, ৩ পুলিশ নিহত

সাদ রিজভীর মুক্তির দাবিতে রণক্ষেত্র লাহোর, ৩ পুলিশ নিহত

কাশ্মির সফরে অমিত শাহ, উপত্যকাজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কাশ্মির সফরে অমিত শাহ, উপত্যকাজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

মার্কিন ড্রোন হামলায় আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা নিহত

মার্কিন ড্রোন হামলায় আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা নিহত

তুষারপাত ও বৈরী আবহাওয়ায় ভারতে ১১ পর্বতারোহীর মৃত্যু

তুষারপাত ও বৈরী আবহাওয়ায় ভারতে ১১ পর্বতারোহীর মৃত্যু

‘দাবিটা সরল, তালেবানকে বসতে দেবেন না’

‘দাবিটা সরল, তালেবানকে বসতে দেবেন না’

এক সপ্তাহে কলকাতায় করোনা রোগী দ্বিগুণ

এক সপ্তাহে কলকাতায় করোনা রোগী দ্বিগুণ

সর্বশেষ

কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সেল গঠন করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সেল গঠন করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

২ মিনিটেই শেষ মুহিবুল্লাহ কিলিং মিশন, অংশ নেয় ১৯ জন

২ মিনিটেই শেষ মুহিবুল্লাহ কিলিং মিশন, অংশ নেয় ১৯ জন

ভক্তকে নিয়ে মিউজিক ভিডিওতে প্রথমবার ওমর সানী

ভক্তকে নিয়ে মিউজিক ভিডিওতে প্রথমবার ওমর সানী

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট করায় প্রাথমিকের শিক্ষক বরখাস্ত

পায়রা সেতু উদ্বোধন রবিবার, অনুষ্ঠানে থাকবেন ৪০০ অতিথি

পায়রা সেতু উদ্বোধন রবিবার, অনুষ্ঠানে থাকবেন ৪০০ অতিথি

© 2021 Bangla Tribune