X
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

আইএসের পালমিরা ধ্বংসযজ্ঞের স্থিরচিত্র

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৬, ১৩:১০
image

সিরিয়ার সেনাবাহিনী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কাছ থেকে পালমিরা পুনর্দখলের পর নতুন কিছু ছবি প্রকাশিত হয়। তাতে ঐতিহাসিক ওই নগরীতে আইএসের ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে।  

‘বেল মন্দির’, এখানে গত বছর সেপ্টেম্বরে আইএস বিস্ফোরণ ঘটায়

প্রায় ১০ মাস ধরে আইএস দখল করে রাখে পালমিরা শহর এবং ইউনেস্কো ঘোষিত সেখানকার ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। সেখানে বেশকিছু পুরাকীর্তি ধ্বংসের ঘটনা ঘটলেও এখনও অনেক প্রাচীন নিদর্শন অক্ষত রয়েছে।

২০০০ বছর পুরনো স্থাপনা ‘আর্চ অব ট্রায়াম্ফ’, যেখানে গত বছর অক্টোবরে আইএস হামলা চালায়

সিরিয়ার পুরাকীর্তি প্রধান মামোন আবদুলকরিম জানান, কর্তৃপক্ষ সবচেয়ে খারাপ অবস্থাটাই ধারণা করছিল। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘ঐতিহাসিক কাঠামোগুলোর অনেকগুলোই ভালো অবস্থায় রয়েছে।’

ঐতিহাসিক নিদর্শন দ্য থিয়েটার, এখানে আইএস জনগণকে ধরে এনে হত্যা করতো

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারি বাহিনীর পালমিরা পুনর্দখলকে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ বড় অগ্রগতি বলে উল্লেখ করেছেন। সেনা সূত্রে জানা গেছে, রুশ যুদ্ধ বিমানের সহযোগিতায় বেশ কয়েকদিনের সংঘর্ষের পর এখন পুরো পালমিরায় সিরীয় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে সক্ষম হয়েছে।

পালমিরা জাদুঘরে প্রবেশের মুখেই দেখা মেলে ধ্বংসযজ্ঞের

ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট আসাদ জানতেন, রুশ বাহিনীর সহযোগিতা ছাড়া পালমিরা অভিযান সম্ভব হতো না।’

পালমিরার নতুন শহর থেকে পুরাকীর্তি ‘সিটাডেল’
গত বছর মেতে আইএস পালমিরা দখল করার পরপরই পুরাকীর্তি ধ্বংসে যোগ দেয় এবং সেখানকার পুরাকীর্তি তত্ত্বাবধায়ককে হত্যা করে। ওই ঐতিহাসিক শহরটি কৌশলগত কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানী দামেস্ক এবং দেইর আল জোরের মাঝে এর অবস্থান।

বিধ্বস্ত জাদুঘর

যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, পালমিরা যুদ্ধে অন্তত ৪০০ আইএস সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে শনিবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই যুদ্ধে অন্তত ১৫৮টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয় এবং এতে শতাধিক আইএস সদস্য নিহত হয়েছেন।

ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পালমিরা সিটি কাউন্সিল

পাঁচ বছর ধরে চলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে আগে বছরে প্রায় দেড় লাখ দর্শণার্থী পালমিরায় আসতেন। উল্লেখ্য, চলমান গৃহযুদ্ধে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হন আরও অন্তত ১০ লাখ মানুষ। সূত্র: বিবিসি।

/এসএ/বিএ/

সম্পর্কিত

সিরিয়ার সামরিক বাসে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ

সিরিয়ার সামরিক বাসে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

কুয়েতে তেল শোধনাগারে আগুন

কুয়েতে তেল শোধনাগারে আগুন

চীনা ব্র্যান্ড শাওমি, অপ্পো ও ভিভোর প্রযুক্তি জানতে চায় ভারত

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ২০:১৯

লাদাখ সীমান্তে এখনও উত্তপ্ত পরিস্থিতি। ভারত-চীন ঠান্ডা যুদ্ধ চলছেই। কেউ এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি নয়। বেইজিং-এর বিরুদ্ধে দফায় দফায় শান্তি চুক্তি ভাঙার অভিযোগ করছে দিল্লি। সীমান্ত সংঘাতের জেরে দুই দেশের মধ্যে সাইবার যুদ্ধও চলছে। গালওয়ানের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পরেই শতাধিক চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত। এখন ফের সীমান্তে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে উঠার পর চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে দিল্লি।

প্রথম ধাপে ভারতে টিকটক-সহ ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়। পরে দিল্লি জানায়, আরও ২৫০ চীনা অ্যাপ তাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। পূর্ব লাদাখে ফের ‘চীনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা’র পর আরও ১১৮টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দিল্লি। এবার নিশানায় জনপ্রিয় কয়েকটি চাইনিজ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড। তালিকায় রয়েছে শাওমি, অপ্পো, ভিভো ও ওয়ান প্লাস।

চীনের এই ব্র্যান্ডগুলো এই মুহূর্তে ভারতের স্মার্টফোনের বাজারের প্রায় ৫০ শতাংশ দখল করে রেখেছে। তবে দেশটির তৈরি যে কোনও ব্র্যান্ড ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য কতটা নিরাপদ সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই স্মার্টফোনগুলোর প্রযুক্তি কেমন, কি কি ধরনের অ্যাপ ইনস্টল করা আছে, কি কি তথ্য আদান প্রদান করা যায় ইত্যাদি সবকিছু বিস্তারিত জানতে চেয়েছে মোদি সরকার। এমনটাই বলছে সূত্র।

ভারতের গোয়েন্দা সূত্র বলছে, সীমান্তে অনুপ্রবেশে সফল হচ্ছে না চীনের সেনাবাহিনী। তাই ঘুরিয়ে সাইবার হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বেইজিং। এর আগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে চাইনিজ অ্যাপগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, এসব অ্যাপ এমন কার্যকলাপে লিপ্ত যা ভারতের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও জনস্বার্থের পরিপন্থী।

দিল্লির দাবি, কোটি কোটি ভারতীয় মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার স্বার্থেই সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এখন নতুন করে আবারও সেই নিরাপত্তার প্রসঙ্গই উঠে আসছে।

এসব ব্র্যান্ডের মোবাইলের মাধ্যমে ভারতীয় গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে, ভয়ঙ্কর ম্যালওয়ার ঢুকিয়ে সাইবার হামলা চালানো হতে পারে। এমন আশঙ্কা মোদি সরকারের। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাইবার ক্রাইম শাখা থেকেও চীনা ব্র্যান্ডগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

ভারতের গোয়েন্দা সূত্র বলছে, দেশের প্রতিরক্ষার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। চীন যে বড় ধরনের সাইবার হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন আশঙ্কা আগেও করা হয়েছিল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাইবার নজরদারি বিষয়ক একটি সংস্থা সতর্ক করে বলেছিল, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির মদতপুষ্ট অন্তত দুইটি হ্যাকার-গোষ্ঠী ভারতের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইটে হানা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। তাদের আরও আশঙ্কা ছিল, বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে কোনও সরকারি সংস্থার ভুয়া পরিচয় দিয়ে গোপনে সাইবার ফাঁদ পাততে পারে চীন। ভুয়া ওয়েবসাইটে ঢোকার চেষ্টা করলে যাবতীয় ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য হ্যাকারদের কাছে চলে যাবে। সূত্র: ভিওএ।

/এমপি/

সম্পর্কিত

শিশুর খারাপ আচরণে পিতা-মাতাকে শাস্তির পরিকল্পনা চীনের

শিশুর খারাপ আচরণে পিতা-মাতাকে শাস্তির পরিকল্পনা চীনের

নারী ভলিবল দলের সদস্যকে শিরশ্ছেদ করেছে তালেবান: প্রতিবেদন

নারী ভলিবল দলের সদস্যকে শিরশ্ছেদ করেছে তালেবান: প্রতিবেদন

আত্মঘাতী হামলাকারীদের পুরস্কৃত করছে তালেবান

আত্মঘাতী হামলাকারীদের পুরস্কৃত করছে তালেবান

আগ্রা যাওয়ার পথে আটক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

আগ্রা যাওয়ার পথে আটক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

'বলসোনারোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা উচিত'

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪৬

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা উচিত বলে মত দিয়েছে দেশটির সিনেটের একটি কমিটির প্রধান। এক খসড়া প্রতিবেদনে তিনি বলেছেন, কোভিড মহামারি মোকাবিলায় সরকারের ত্রুটি বা অব্যবস্থাপনার কারণে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই প্রেসিডেন্টকে হত্যাকাণ্ডসহ ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সিনেট কমিটির জন্য ১২শ’ পৃষ্ঠার এই খসড়া প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন বিরোধীদলীয় সিনেটর রেনান কালহেইরোস। ১১ সদস্যের সিনেট কমিটির জন্য তিনি এটি তৈরি করেন। মঙ্গলবার ওই কমিটি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। বিস্তারিত আলোচনার পর তারা এ বিষয়ে মতামত দেবে।

বলসোনারো সরকার ভ্যাকসিন প্রাপ্তির প্রাথমিক সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে, টিকাদান কর্মসূচিকে বিলম্বিত করেছে। আনুমানিক ৯৫ হাজার মানুষকে তাদের জীবন দিয়ে এর মূল্য দিতে হয়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গত এপ্রিলে এই কমিটি তদন্ত শুরু করে।

সিনেটর রেনান কালহেইরোস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো একটি ভিত্তিহীন বিশ্বাসের দ্বারা পরিচালিত হয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বলসোনারো নিজের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তকে একটি কৌতুক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। সাফ জানিয়ে দেন, এই তদন্ত নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন।

করোনাভাইরাসের ভয়াবহতাকে খাটো করে দেখানোর পাশাপাশি এর টিকা নিতেও অস্বীকার করেছেন বলসোনারো। অভিযোগ রয়েছে, কোভিডের প্রথম দিকে মহামারিকে তেমন গুরুত্ব দেননি তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি টিকা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নতুন গবেষণাগুলোর দিকে নজর রাখছি। এরইমধ্যে আমার শরীরে সর্বোচ্চ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। তাহলে আমি ভ্যাকসিন নেবো কেন? কোনও নাগরিক যদি এটি না নিতে চান, সেটি তার অধিকার এবং সেখানেই এর ইতি টানা উচিত।’

/এমপি/

সম্পর্কিত

শ্রমিকদের এমন ক্ষোভ কয়েক দশক দেখেনি যুক্তরাষ্ট্র

শ্রমিকদের এমন ক্ষোভ কয়েক দশক দেখেনি যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বে টিকা সংকট, অথচ যুক্তরাষ্ট্র নষ্ট হলো দেড় কোটি ডোজ

বিশ্বে টিকা সংকট, অথচ যুক্তরাষ্ট্র নষ্ট হলো দেড় কোটি ডোজ

দ্রুতই হাসপাতাল ছাড়বেন ক্লিনটন

দ্রুতই হাসপাতাল ছাড়বেন ক্লিনটন

ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন নারী

ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন নারী

শিশুর খারাপ আচরণে পিতা-মাতাকে শাস্তির পরিকল্পনা চীনের

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ১৯:২৭

শিশুদের খুব খারাপ আচরণ বা অপরাধের জন্য তাদের অভিভাবকদের শাস্তি দেওয়ার একটি খসড়া আইন বিবেচনা করবে চীনের পার্লামেন্ট। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।

‘পারিবারিক শিক্ষা প্রসার আইন’ শিরোনামের প্রস্তাবিত এই খসড়ায় বলা হয়েছে, পিতা-মাতার অধীনে থাকা শিশুদের আচরণ যদি খুব খারাপ বা অপরাধমূলক বলে প্রসিকিউটরদের কাছে মনে হয় তাহলে তাদের তিরস্কার ও পারিবারিক শিক্ষা নির্দেশনা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

ন্যাশনাল পিপল’স কংগ্রেস (এনপিসি)-এর অধীনস্থ লেজিসলেটিভ অ্যাফেয়ার্স কমিশনের মুখপাত্র জাং তিয়েওয়েই বলেন, শিশুদের অসদাচারণের অনেক কারণ হয়েছে। কিন্তু অনুপযুক্ত পারিবারিক শিক্ষা বা না থাকাই হলো বড় কারণ।

এই সপ্তাহে এনপিসি’র স্ট্যান্ডিং কমিটির শেষ প্রস্তাবিত আইনটির খসড়া পর্যালোচনা করা হবে। এতে শিশুদের বিশ্রাম, খেলা ও অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে পিতা-মাতাকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিশুদের জন্য চীন এই বছর বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রজন্মের অনলাইন গেমের প্রতি আসক্তি কমানো ও ইন্টারনেট সেলিব্রেটিদের অন্ধ আনুগত্য ঠেকাতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সম্প্রতি দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিশুদের গেম খেলার সময় সীমিত করেছে। শুধু শুক্র, শনি ও রবিবার এক ঘণ্টা অনলাইন গেম খেলার সুযোগ রাখা হয়েছে।  

চীনে শিশুদের হোমওয়ার্ক কমানো ও ছুটির দিনে স্কুল শেষে বাড়িতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষাদানও নিষিদ্ধ করেছে।

/এএ/

সম্পর্কিত

চীনা ব্র্যান্ড শাওমি, অপ্পো ও ভিভোর প্রযুক্তি জানতে চায় ভারত

চীনা ব্র্যান্ড শাওমি, অপ্পো ও ভিভোর প্রযুক্তি জানতে চায় ভারত

নারী ভলিবল দলের সদস্যকে শিরশ্ছেদ করেছে তালেবান: প্রতিবেদন

নারী ভলিবল দলের সদস্যকে শিরশ্ছেদ করেছে তালেবান: প্রতিবেদন

আত্মঘাতী হামলাকারীদের পুরস্কৃত করছে তালেবান

আত্মঘাতী হামলাকারীদের পুরস্কৃত করছে তালেবান

আগ্রা যাওয়ার পথে আটক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

আগ্রা যাওয়ার পথে আটক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

‘গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি তার নাগরিকের চাহিদা পূরণে সক্ষম’

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫৯

মৌলিক অধিকার এবং আইনের শাসনের মতো বিষয়গুলো যেনও আক্রান্ত না হয় সে ব্যাপারে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন। ‘ফেসেস অব ডেমোক্র্যাসি’ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা ভেন লিলিয়েনস্ট্রম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ড. উরসুলা ভন ডার লেইন ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট। তিনিই এই কমিশনের প্রথম কোনও নারী প্রেসিডেন্ট। ৬৩ বছরের সিডিইউ সমর্থিত এই রাজনীতিক পূর্বে জার্মানির ফেডারেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং শ্রম ও সামাজিক বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। সাক্ষাৎকারে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ইউরোপের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ এবং ইউরোপ কেন পৃথিবীতে বসবাসের জন্য সেরা জায়গা এসব নিয়ে কথা বলেছেন উরসুলা ভন ডার লেইন। নিচে তার সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো।

প্রশ্ন: ড. উরসুলা ভন ডার লেইন, আপনি ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট। প্রথম প্রশ্নটি আমরা আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে চাই: ব্যক্তিগতভাবে আপনার কাছে গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: আমি কে এবং আমি কী বিশ্বাস করি সেটি শুধু একজন রাজনীতিবিদ হিসেবেই নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। আমি একটি বিভক্ত দেশে বড় হয়েছি; যখন পশ্চিম জার্মানিতে ছাত্র ছিলাম, পূর্ব জার্মানি ছিল স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে। আমি জানতাম যে, প্রাচীরের ওপারে আমার বয়সী মানুষেরা তাদের মনের কথা বলতে পারছে না, তাদের বিক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ নেই। আমি জানতাম যে, আমার মা-বাবাও যৌবনে স্বৈরশাসনের অধীনে বসবাস করেছিলেন। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং সত্যিকারের গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে আমি একটি সৌভাগ্যবান প্রজন্মে জন্মগ্রহণ করেছি। এজন্য সবসময় নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি। আমি এটাও শিখেছি যে, গণতন্ত্র এমন একটি বীজ যা প্রতিটি প্রজন্মকে লালন করতে হয়। গণতন্ত্রকে রক্ষা করা এবং এর উন্নতি করা আমাদের দায়িত্ব।

প্রশ্ন: সংকটগুলো ক্রমশ গণতন্ত্রের জন্য চাপের হয়ে উঠছে- এমনকি ইউরোপেও। ভবিষ্যতে আমাদের মহাদেশ কোন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতি কি আসলেই বিষয়গুলোকে কার্যকরভাবে সামাল দিতে সক্ষম?

উত্তর: মহামারি সম্পর্কে আমাদের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যে, একটি গণতান্ত্রিক ঐক্য তার নাগরিকদের চাহিদা পূরণ করতে পারে। ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা কী অর্জন করেছি তা খেয়াল করুন। ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৭৫ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ পূর্ণ ডোজ টিকা পেয়েছে। ভ্যাকসিনগুলো সম্মিলিতভাবে সংগ্রহ করে, আমরা নিশ্চিত করেছি যেনও সব ইউরোপীয় দেশ  সমান সুযোগ পায়। ইতোমধ্যে, আমরা ইউরোপীয়দের কাছে যত ভ্যাকসিন রফতানি করেছি- তাতে এটি বিশ্বের ফার্মেসি হয়ে উঠছে। কোনও স্বৈরাচারী এমন ফলাফল অর্জন করতে পারেনি। একই কথা প্রযোজ্য আমাদের পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা ও ইউরোপীয় সবুজ চুক্তির ক্ষেত্রে।

গণতন্ত্র যে কোনও চ্যালেঞ্জকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারে। কারণ গণতন্ত্রে নাগরিকরা তাদের সব শক্তি ও সৃজনশীলতার সঙ্গে সংকট সমাধানে অবদান রাখে। কারণ গণতন্ত্র হলো আমরা যা তৈরি করি। প্রতিটি দিনই একটি নতুন দিন।

প্রশ্ন: “ফিট ফর ৫৫”: ২০৩০ সালের মধ্যে ইইউ তার কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন ৫৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে চায়। ইউরোপের ‘ম্যান অন দ্য মুন মোমেন্ট’ ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু নিরপেক্ষ মহাদেশের জন্য সবুজ চুক্তির পথে। ইউরোপ কতটা সবুজ হবে?

উত্তর: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ইউরোপ হবে প্রথম জলবায়ু নিরপেক্ষ মহাদেশ। আমরা আমাদের গ্রহের স্বাস্থ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সমন্বয় করতে চাই। আমাদের এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য একটি রোডম্যাপ আছে। আমাদের শূন্য-নির্গমনকারী গাড়ির একটি রোডম্যাপ আছে। পরিচ্ছন্ন শক্তির উৎপাদন বাড়ানোর রোডম্যাপ রয়েছে। আমাদের একটি সামাজিক জলবায়ু তহবিল আছে, যা দুর্বল অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবারকে জ্বালানি বিল থেকে অব্যাহতি দেবে।

প্রশ্ন: ‘ইউরোপিয়ান ডেমোক্র্যাসি অ্যাকশন প্ল্যান’-এর মাধ্যমে ইইউ কমিশন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং বহুত্ববাদকে জোরদার করতে এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রতিহত করতে চায়। ইউরোপে গণতন্ত্রের জন্য ফেক নিউজ কতটা বিপজ্জনক?

উত্তর: মহামারি দেখিয়েছে যে, আক্ষরিক অর্থেই গুজবের জন্য জীবন পর্যন্ত দিতে হতে পারে। তথ্য একটি জনস্বার্থ: আমাদের স্বাস্থ্য, আমাদের অর্থনীতি এবং আমাদের গণতন্ত্রের কার্যকারিতা এর উপর নির্ভর করে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরও কিছু করতে হবে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, তারা আমাদের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্টের মাধ্যমে এবং ভুল তথ্যের উপর একটি শক্তিশালী অনুশীলনের নীতিমালা আহ্বান করে। গত মাসে, আমরা সাংবাদিকদের আরও ভালো সুরক্ষা দেওয়ার জন্য একটি সুপারিশ পেশ করেছিলাম এবং ‘মিডিয়া ফ্রিডম অ্যাক্ট’ ঘোষণা করেছিলাম। কারণ তথ্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমুন্নত থাকলেই গণতন্ত্র সমৃদ্ধ হতে পারে।

প্রশ্ন: কিওয়ার্ড ‘জেন্ডার ডাইভারসিটি’: আপনি ইইউ কমিশনের প্রথম নারী নেতা, কমলা হ্যারিস প্রথম নারী মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। আমাদের কি নারী কোটা দরকার এবং এই ধরনের কোটা কি সত্যিই অধিকতর সমতা প্রদান করবে?

উত্তর: আমাদের এমন একটি ব্যবস্থার জন্য সংগ্রাম করতে হবে যেখানে নারীরা সব সময় শীর্ষে পৌঁছাতে পারে। এর জন্য প্রথম পদক্ষেপ নারী ও পুরুষদের সমান সুযোগ দেওয়া। এজন্য, আমরা সব মেয়ে ও নারীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে, মা ও বাবার জন্য সমানভাবে পিতা-মাতার ছুটি নিশ্চিত করতে, নারীদের সমান বেতনের গ্যারান্টি নিশ্চিত করতে এবং শিশু যত্নকে শক্তিশালী করতে কাজ করছি। উদাহরণস্বরূপ, আমরা একটি শিশু গ্যারান্টি তৈরি করেছি, যাতে অভাবগ্রস্ত শিশুদের শৈশবকালীন যত্ন এবং শিক্ষার জন্য কার্যকর ও বিনামূল্যে সুযোগ থাকে। সব সামাজিক পটভূমি থেকে পিতামাতাদের তাদের সন্তানদের শিশু যত্ন এবং স্কুলে পাঠাতে সক্ষম হওয়া উচিত। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং এটি সবচেয়ে মৌলিক বিষয়। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি হিসেবে আমি একটি দল তৈরি করেছি যা সম্পূর্ণ লিঙ্গ ভারসাম্যপূর্ণ। তবুও আজ শীর্ষ কোম্পানির প্রধান নির্বাহীদের মধ্যে নারীদের হার সাত শতাংশেরও কম। তাই হ্যাঁ, কয়েক বছর আগে জার্মানিতে আমি বোর্ডে নারীদের জন্য কোটা চেয়েছিলাম। এটা কাজে দেয়। স্পষ্টতই, আমাদের কোম্পানি ও সংস্থাগুলোকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং নারীদের তাদের ন্যায্য সুযোগ দিতে হবে। আমাদের অর্ধেক মেধাকে আমরা নেতৃত্বের পদ থেকে বাদ দিতে পারি না।

প্রশ্ন: তরুণ প্রজন্ম একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ ইউরোপকে স্বাভাবিকত্বের মোড়কে গ্রহণ করে। আমরা কীভাবে তরুণদের ইউরোপীয় ধারণা সম্পর্কে উৎসাহিত করতে পারি। অথবা অন্য কোনও উপায়ে জানতে চাইতে পারি: ইউরোপ কেন ‘সুন্দর’?

উত্তর: ইউরোপ পুরো দুনিয়াতে বসবাসের জন্য সেরা জায়গা। বিশ্বের অন্য কোনও স্থানে তরুণরা পড়াশোনা, ভ্রমণ, উদ্যোক্তা হওয়ার এবং একই সামাজিক সুরক্ষা পাওয়ার একই সুযোগ উপভোগ করে না। অন্য কোনও স্থানে তরুণরা এতো বিস্তৃত অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করে না। এটাই আমাদের পরিচয় বলে দেয়। এই কারণেই মৌলিক অধিকার এবং আইনের শাসনের আঘাতের সময় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ইউরোপকে সব সময় এমন একটি জায়গা থাকতে হবে যেখানে বাক স্বাধীনতা পবিত্র, যেখানে আইনের সামনে সবাই সমান এবং যেখানে প্রত্যেকে যাকে খুশি তাকে ভালোবাসতে পারে।

প্রশ্ন: ড. উরসুলা, আমাদের শেষ প্রশ্নটি সব সময়ই একটি ব্যক্তিগত প্রশ্ন হয়ে থাকে। আপনি কোন স্থানকে আপনার নিজের বাড়ি মনে করেন? বেলজিয়াম, জার্মানি নাকি পুরো ইউরোপ?

উত্তর: আমি ব্রাসেলসে জন্মেছি এবং বড় হয়েছি। আমি আমার কিশোর বয়স এবং রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময় জার্মানিতে কাটিয়েছি। আমি এই দুইটি জায়গায় নিজের বাড়ি অনুভব করি। ইউরোপ আমার আকাঙ্ক্ষা এবং আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন প্রকৃত নাগরিক। কিন্তু চূড়ান্তভাবে, বাড়ি হচ্ছে সেখানে যেখানে আমার পরিবার। আমি এখন বেলজিয়ামে থাকি। আমার পরিবারের সদস্যরা জার্মানি এবং ইউরোপজুড়ে। লকডাউনের সময় আমরা প্রতি সপ্তাহে ভার্চুয়লি দেখা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সবাই একসঙ্গে থাকার মতো অবস্থা নেই। সত্যিকার অর্থে যেখানে পারিবারিক পুনর্মিলন ঘটে সেটাকেই আমি বাড়ি বলে অনুভব করি!

 

/এমপি/ইউআই/

সম্পর্কিত

জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন না পুতিন

জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন না পুতিন

যুক্তরাজ্যে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

অনূর্ধ্ব ১২ বছরের শিশুদেরও ভ্যাকসিন দেওয়ার চিন্তা ইইউ-এর

অনূর্ধ্ব ১২ বছরের শিশুদেরও ভ্যাকসিন দেওয়ার চিন্তা ইইউ-এর

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

নারী ভলিবল দলের সদস্যকে শিরশ্ছেদ করেছে তালেবান: প্রতিবেদন

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ১৯:২০

আফগানিস্তানের জাতীয় জুনিয়র নারী ভলিবল দলের এক সদস্যকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে বলে তালেবানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। পারসিয়ান ইন্ডিপেন্ডন্টকে এক সাক্ষাৎকারে দলটির কোচ এই অভিযোগ করেছেন।

হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে সুরায়া আফজালি (ছদ্মনাম) জানান, অক্টোবরের শুরুতে মাহজাবিন হাকিমি নামের এক নারী খেলোয়াড়কে হত্যা করেছে। কিন্তু কেউ বিষয়টি জানতে পারেনি। কারণ, তালেবান যোদ্ধারা নিহতের পরিবারকে হুমকি দিয়েছে বিষয়টি কাউকে না বলতে।

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের আগে কাবুল পৌরসভা ভলিবল ক্লাবের হয়ে খেলেছেন মাহজাবিন। তিনি ছিলেন ক্লাবটির একজন তারকা খেলোয়াড়। কিন্তু কয়েক দিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিচ্ছিন্ন মাথা ও রক্তাক্ত গলার ছবি প্রকাশিত হয়েছে।

দলটির কোচ জানান, দলের মাত্র দুজন খেলোয়াড় আগস্টে আফগানিস্তান ছেড়ে পালাতে পেরেছে। আটকে পড়াদের একজন ছিলেন মাহজাবিন।

কোচের অভিযোগ, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর নারী ক্রীড়াবিদদের শনাক্ত ও ধরার চেষ্টা করছে। আফগান নারী ভলিবল দলের সদস্যদের মধ্যে যারা বিদেশে ও দেশে খেলেছেন এবং সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তাদের বিশেষভাবে খুঁজছে তালেবান।

আফজালি জানান, নারী ভলিবল দল ও নারী ক্রীড়াবিদরা খারাপ পরিস্থিতিতে রয়েছে। অনেকেই পালাতে ও আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

 

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

চীনা ব্র্যান্ড শাওমি, অপ্পো ও ভিভোর প্রযুক্তি জানতে চায় ভারত

চীনা ব্র্যান্ড শাওমি, অপ্পো ও ভিভোর প্রযুক্তি জানতে চায় ভারত

শিশুর খারাপ আচরণে পিতা-মাতাকে শাস্তির পরিকল্পনা চীনের

শিশুর খারাপ আচরণে পিতা-মাতাকে শাস্তির পরিকল্পনা চীনের

আত্মঘাতী হামলাকারীদের পুরস্কৃত করছে তালেবান

আত্মঘাতী হামলাকারীদের পুরস্কৃত করছে তালেবান

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সিরিয়ার সামরিক বাসে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ

সিরিয়ার সামরিক বাসে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

ইসরায়েল উপকূলে মিললো ক্রুসেডারদের তলোয়ার

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সৌদি-চীন

কুয়েতে তেল শোধনাগারে আগুন

কুয়েতে তেল শোধনাগারে আগুন

লেবাননে গৃহযুদ্ধ হতে দেওয়া হবে না: হিজবুল্লাহ

লেবাননে গৃহযুদ্ধ হতে দেওয়া হবে না: হিজবুল্লাহ

ইরানের কর্মকাণ্ড নজরদারিতে গোপন ঘাঁটি তৈরি করছে ইসরায়েল!

ইরানের কর্মকাণ্ড নজরদারিতে গোপন ঘাঁটি তৈরি করছে ইসরায়েল!

করোনাবিধি শিথিল, আগের রূপে ফিরলো মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী

করোনাবিধি শিথিল, আগের রূপে ফিরলো মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী

‘দায়িত্ব নেওয়ায়’ ম্যার্কেলের প্রশংসা করলেন এরদোয়ান

‘দায়িত্ব নেওয়ায়’ ম্যার্কেলের প্রশংসা করলেন এরদোয়ান

লেবাননে অস্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে দোষারোপ ইরানের

লেবাননে অস্থিতিশীলতার জন্য ইসরায়েলকে দোষারোপ ইরানের

ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় ১৬০ হুথি বিদ্রোহী নিহত

ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় ১৬০ হুথি বিদ্রোহী নিহত

সর্বশেষ

তরুণ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শুরু হলো ‘বিজমায়েস্ট্রোজ ২০২১’

তরুণ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শুরু হলো ‘বিজমায়েস্ট্রোজ ২০২১’

গাজীপুরে প্রতিমা ভাঙচুরে জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততা পেলো পুলিশ

গাজীপুরে প্রতিমা ভাঙচুরে জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততা পেলো পুলিশ

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে অর্থায়ন করবে না এডিবি

যমুনায় ইলিশ ধরার অপরাধে জেলের কারাদণ্ড

যমুনায় ইলিশ ধরার অপরাধে জেলের কারাদণ্ড

চীনা ব্র্যান্ড শাওমি, অপ্পো ও ভিভোর প্রযুক্তি জানতে চায় ভারত

চীনা ব্র্যান্ড শাওমি, অপ্পো ও ভিভোর প্রযুক্তি জানতে চায় ভারত

© 2021 Bangla Tribune